17,325 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপাতালে আমি, আমার চেষ্ট এর এক্সরে করাই তারা বলতেছে আজকে রিপোর্ট দেয়ার হবে না আগামীকাল রিপোর্ট দেয়া হবে তারপর একজন আনসার আমাকে বলল আজকে পাবেন কিন্তু ২০০টাকা দিতে হবে তারপর আমি তাকে ২০০ টাকা দেই এবং সাথে সাথে হাতে পাই। আমার মত ভুক্তভোগী হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এভাবে তাদেরকে ঘুষ দিয়ে রিপোর্ট নিতে হয়।
আমার স্ত্রী সম্প্রতি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের (নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল) আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। সেখানে আইসিইউতে রোগীর সেবা দেওয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডবয় ও আয়াদের প্রত্যেক বেলা, অর্থাৎ দিনে তিনবার, প্রত্যেকজনকে প্রায় ২০০ টাকা করে বকশিশ দিতে হতো। বকশিশ না দিলে রোগীকে ঠিকমতো দেখাশোনা করা হবে না—এমনকি রোগীকে খাবার খাওয়ানো, সাকশন দেওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও অবহেলা করা হতে পারে—এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। আরও একটি বিষয় আমি শুনেছি—এই বকশিশের অর্থের একটি অংশ নাকি ডাক্তারদের কাছেও পৌঁছায়। সাংবাদিকদের অনুসন্ধানের মাধ্যমে এটি যাচাই করা যেতে পারে। আমি চাই, আপনারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করুন।
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, প্রতি মাসে উক্ত এজেন্সি কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছ থেকে সরকারি বিধিমালা ও অডিট প্রদর্শনের জন্য ১৬,৬৭৩/- (ষোলো হাজার ছয়শত তিয়াত্তর) টাকার স্ট্যাম্প ও মাস্টাররোলে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। কিন্তু বাস্তবে আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে মাত্র ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা প্রদান করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ৬,৬৭৩/- টাকা প্রতি মাসে আমাদের না জানিয়ে এজেন্সি কর্তৃপক্ষ বেআইনিভাবে কেটে রাখছে, যা একটি চরম আর্থিক অনিয়ম এবং সরকারি অর্থের সুস্পষ্ট অপচয় ও আত্মসাৎ।
ঘটনাটি অনেকদিন আগের,, জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে আমার বোনের একটি কন্যা সন্তান হয়,, সন্তান জন্মদানের পরে নার্স রা ঘুষ দাবি করে,, দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। পরে দিতে বাধ্য হই।
গত কয়েক মাস আগে ফুটবল খেলে আমার পায়ে সমস্যা হয়েছিল, তারপর সন্দেহজনক আমি সরকারি হসপিটালে যায় x-ray করার জন্য, সরকারি ফি হচ্ছে ২০০ টাকা, আরো ৪০ জনের মতন আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম তাদের লিমিট বলে শেষ বলতেছে,পরে সবাই চলে যাওয়ার পর আমি তাকে ১০০ টাকা দেই পরে ওই লোক আমাকে সিরিয়াল দিয়ে দেয়,আমার কথা হচ্ছে লিমিট শেষ হলে আমার সিরিয়ালটা আসলো কোথায় থেকে 😅 সরকারি হসপিটালের প্রত্যেকটা জায়গা প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন হচ্ছে।
আমি ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভাগনা ভর্তি করাতে গেলে আমাকে বেশ কয়েকদিন পোড়ানোর পর বলে সিট পাইতে গেলে ১০০০ টাকা দিতে হবে। পরে আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার ভাগনাকে সিট দেওয়া হয় ও ভর্তি করানো হয়।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং চাকরি নবায়নের জন্য আমি সহ আমার সহকর্মীদের কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে ঘুষ চাই না দিলে চাকরি থেকে বের করে দিবে এমন কথা আমাদেরকে বলেছে তাই আমরা বাধ্য হয়ে তাদেরকে টাকা দিয়ে দিছি।
আমার আম্মুর অপারেশনের আগে সব রিপোর্ট ডকুমেন্টস ডাক্তারকে দেখাবো তাই সিরিয়াল দিছি, কিন্তু আমাকে পিওন সাহেব ডুকতে দিচ্ছে না, টাকা চায়
ঢাকা মেডিকেল নিউরোলজি ওয়ার্ল্ডে ভর্তি হতে সিট পেতে ওয়ার্ড attendent কে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার মেয়েটাকে নিয়ে আসি ভর্তি নেয়ার পরে কর্তব্যরত ডা: ওয়াডে দেয় সেখানে অক্সিজেন লাগাতে টাকা নেয় একটি ছেলে শুধু তাই না নিচ থেকে উপরে নিতে ২০০/- নেয় এক মহিলা বলে আবার টাকা না দিলে নিবেনা (বাচ্চার বয়স ২দিন চলে)
টাকা ছাড়া চিকিৎসা নিতে পারছি না
আমি পরে হাত ভেংগে ফেলি পরে পংগু হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার দেখানর পর যখন হাত প্লাস্টার করতে যাই তখন আমাকে বলে ১০০০ টাকা দিতে হবে প্লাস্টার করার জন্য টাকা না দিলে নাকি করবে না তখন আমি কোন উপাই না দেখে টাকা দেই
টাকা ছাড়া সরকারি ঔষধ দেয়না।
ভাইয়ের হার্টের এনজিওগ্রাম পরীক্ষা করানোর পরে ওয়ার্ডবয় ২০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে হার্টে স্টেন্ট পরানোর সময় ঝামেলা করতে পারে ভেবে দিয়ে দিতে হলো, উল্লেখ্য সব রোগী থেকে বিভিন্ন অযুহাতে ২০০ টাকা করে নিচ্ছিলো। পরে রিলিজ দেয়ার সময় নার্সরা ছাড়পত্র বুঝিয়ে না দিয়ে আয়ার হাতে দেয়, আয়া হাসপাতাল বা সরকার থেকে কোন বেতন পায়না দাবি করে নার্সদের সামনেই ২০০ টাকা দাবি করে, ১০০ টাকা দিতে চাইলেও নেয়নি, দেখলাম সব রোগী থেকেই ২০০ টাকা করে নিচ্ছে। পুরো সিস্টেম এমনভাবে পরিচালিত হচ্ছে এখানে টাকা না দিতে চাওয়াটা যেন অন্যায়!
আমার দাঁতের অনেক সমস্যা হয়েছিল। দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা করছিল। আমি দেশের বাইরে, সিঙ্গাপুরে থাকি। দাঁতের ব্যথার কারণে বাংলাদেশে, আমার নিজ জেলা টাঙ্গাইলে যাই। টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে যাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী টিকিট নিই। টিকিট নেওয়ার জায়গায় অনেক মানুষের ভিড় ছিল। অনেক কষ্ট করে সিরিয়াল ধরে টিকিট নিই। টিকিট নেওয়ার পর ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু প্রথম দিন যাওয়ার পর ডাক্তার আমার সমস্যাকে তেমন গুরুত্ব দেননি। আমাকে পরের দিন ১,৪০০ টাকা নিয়ে আসতে বলেন। পরের দিন আবার হাসপাতালে গেলে আমার সমস্যার তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে আমাকে ঘুরানো হয়। এরপর আবার পরের দিন যেতে বলা হয়। পরের দিন হাসপাতালে গেলে আমার সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করা হয়।
বরিশাল সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি কক্ষে যত আত্মীয় স্বজনকে হাত পা কেটে যাওয়া রোগি নিয়ে গেছি প্রত্যেকের ব্যান্ডেজ/ক্লিনিং করার পর প্রতিবার ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
কোন সরকারি কর্মচারী ডাক্তার সঠিক টাইমে আসে না ৯ঃ০০ টার সময় আসার কথা কোনো ডাক্তারি নয় টার সময় পাওয়া যায় না দশটা এগারোটা পর থেকে পাওয়া যায় এবং যে রিপোর্ট ৫ টাকা করে নেয় সেটা সরকারের নেয়ার কথা হলো তোর টাকা সেটা তিন টাকা বেশি নেয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল সরকারি, কি আমার কথা হল কেন তিন টাকা বেশি নিবে, ডাক্তারটা সঠিক নিয়মের অফিসও করে না আর সঠিক নিয়মে থাকে না পার্সোনাল ভাবে প্রাইভেটে যায় রোগী দেখে
চিয়ারে নিয়ে গিয়ে ১০০ টাকা ভাড়া। গেট পাশ বাবদ ৪০ টাকা রাখা।
ইমার্জেন্সিতে সেবা দেওয়ার পর টাকা চায়। এবং এমার্জেন্সিতে প্রতি সিপিতে ডাক্তার থাকবে দুইজন টোটাল দিনে ৬ জন কিন্তু আসে টোটাল মাত্র একজন। রীতিমত সরকারের ওষুধ দেওয়া হয় না এবং দেয় পাঁচটা লিখে দশটা। এবং সবচেয়ে বড় কথা। পর্যাপ্ত ওষুধ নষ্ট করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্টাপে নিয়ে যায়। এখন বর্তমানে একটি সরকারি কোয়ার্টারে। অনেক ওষুধ রাখা হয়েছে। যেগুলো বিতরণ করেনি। এখন বর্তমানে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। ওষুধ গুলো এখন পাওয়া যাবে। যে কোয়ার্টারের সামনে একটা পানি ট্যাংক আছে আছে
মূলত ঘটনাটি ছিল আমি রোগী নিয়ে গেছি আর উনারা বেড পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা চাইছে।