নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী দেখানো ও হুইলচেয়ার নিতে ঘুষ দেওয়া লাগে ১০০/৩০০
ভিসা সংক্রান্ত কাজ এর জন্য মেডিকেল রিপোর্ট লাগে আর সবকিছু পরীক্ষার পর সিভিল সার্জন এর সিল & স্বাক্ষর লাগে সত্যায়িত করার জন্য। আমাকে সেই স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হয় অফিস এর সহকর্মী এর কাছে।
স্টাপের নামে সাধারণ মানুষের সিরিয়াল ব্রেক করে কিছু অসাধু ব্যক্তি বা স্টাপ টাকার বিনিময়ে সেবা দিচ্ছে
পরিচ্ছন্ন কর্মিরা বেড ফাঁকা থকার পরেও উঠানোর জন্য ঘুষ দিতে হলো আর ব্যবহার তো নিক্রিষ্ট
সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ টাইফয়েড টিকাদানের বরাদ্দকৃত টাকা অফিস কর্তৃক প্রতি ইউনিয়ন এ ১০ হাজারের বেশি করে দূর্নীতি করা হয়। ফেনীর অন্য উপজেলার সাথে সোনাগাজীর ইউনিয়ন গুলো প্রায় ১০০০০+ টাকা কম পায়। ৯ টা ইউনিয়ন প্রায় ৯০ হাজারের বেশি টাকা তারা দূর্নীতি করে। স্বাস্থ্য সহকারীদের বঞ্চিত করা হয়। আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম।
আমি মাতৃত্বকালীন ভাতার একটি কার্ড করবার জন্য গয়হাটা সরকারি হসপিটালে যাই । সেখানেই ঘটনা ঘটে । বলা হয়েছিল মাতৃত্বকালীন কার্ড অনলাইন করতে হয় । সেই জন্য কিছু টাকা পয়সা খরচ হয় । আমি বললাম কত টাকা । মহিলা ম্যাডাম তিনি বললেন ৫০০ টাকা । আমি বললাম ৩০০ টাকা রাখেন । উনি এক টাকাও কম রাখেনি ।
আমার বোনের বাচ্চা হয় অপরিপক্ক। শিশুটিকে আইসিইউ তে ভর্তি করাতে গেছিলাম। বলেছিলো সিট নাই। ১০০০ টাকা দিলে সিটের ব্যাবস্থা করে দিতে পারবে। পরে নানা রকম ভয় ভিতি দেখিয়ে সিট নিই।
হাত ভাঙ্গা রুগী নিয়ে হরিরামপুর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়,, সেখান থেকে বলে আগে এক্সরে করে নিয়ে আসেন.. হসপিটালের বাহির থেকে এক্সরে করায় পরবর্তীতে এক্সরে রিপোর্ট নিয়ে দেখালে, তারা বলে ব্যান্ডেজ করতে হবে, বা প্লাস্টার। ১০০০ টাকা দিন, আমি তাদের জানায় কিসের টাকা, তারা বলে যাবতীয় খরচ বাইরে থেকে সব জিনিসপত্র কিনতে হবে প্লাস্টার করার জন্য, আমি নিরুপায় হয়ে তাদের সাথে আর কথা বাড়ায়নি,, ইমারজেন্সিতে আসা প্রত্যেকটা রোগের সাথে এই হসপিটালে এমন ব্যবহার করা হয়..
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আমার রোগীকে কুমিল্লা বাড়ি নিয়ে যেতে বাহিরের এম্বুলেন্স ভাড়া করে নিয়ে আসি ৪০০০ টাকা।কিন্তু রোগী অ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর সময় কিছু অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার যারা ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশেই থাকে তারা তাদের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া বাহিরের কোন এম্বুলেন্সে রোগী নিতে দিবে না এবং তাদের ভাড়া ১০ হাজার টাকা দাবী করে যা প্রায় দ্বিগুনেরও বেশি।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ সরকারি হাসপাতালে নিয়োজিত ট্রলি বহনকারী আমার রোগীকে ইমারজেন্সি থেকে ওয়ার্ডে নিয়ে যায় এবং আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করেন ভাষাটি ছিল স্যার বিদায় করেন /কিছুদেন।না দিতে চাইলে গালাগালি করেন এবং আমি দিতে বাধ্য হই।
আমরা নতুন সরকারি কর্মচারী, প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী প্রতি ৩ বছর পরপর শ্রান্তি বিনোদনের জন্য ছুটির পাশাপাশি একটি মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পেয়ে থাকে তো সেই অর্থ সরকার কর্তৃক আমাদের পরিশোধের জন্য হাসপাতালে চেকপ্রদান করে, হাসপাতালের প্রধান সহকারী টাকা উত্তোলন করে আমাদের সবার নিকট হতে সর্বনিম্ন ৬৮০ টাকা হতে ১০০০ এর উপর টাকা কেটে রেখে দিয়েছে টোটাল কর্মচারি ছিল ৩৯ জন
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগের আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে গেলে সেখানে ফর্সা একজন লোক কম্পাউন্ডার সম্ভবত মধ্যবয়সী একজন লোক চা নাস্তার জন্য টাকা চায়। অনিচ্ছাসত্ত্বেও দিতে হয়। তিনি টাকাটি নেন তার টেবিলের পেছনে কিচেনরুমে ডেকে নিয়ে। টাকাটি তিনি নিজের হাতে নেন নি, একজন খালাকে দেখিয়ে বলেন চা নাস্তার জন্য কিছু দেন।
কয়েক হাসপাতালে চাকরি করছি, এক হাসপাতালে তো ছুটি লর দরখাস্ত নিতেও টাকা দেওয়া লাগে বা খাওয়াতে হয়। আমি যে টাকার পরিমাণ লিখছি এটা আমার বেতন চালু করার জন্য সরকারি হাসপাতালের হেড বাবুকে দিতে হয়, সবাই অন্য অফিসে যেয়ে ঘুষের স্বীকার হয় আর আমরা নিজ অফিসেই। এখন ঢাকার মধ্যে হাসপাতালে আছি, জিপিএফ এ্যাকাউন্ড খুলবো ৩ বছর হয়েছে, তাও আমাকে টাকা দিতে হয়েছে ৫০০ বলছে আরও ৫০০ দিতে হবে। এ কাজ কয়েক জন মিলে করে প্রতি টেবিলে ৫০০ করে দিলে আমায় এখন ৩০০০ খরচ করতে হবে। এ হলো দেশের অবস্থা।
রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম
আমার মা অসুস্থ ছিলো। বেড পাওয়ার জন্য ডাক্তাররা ওয়ার্ড বয়দের কাছে যেতে বলে। তাদের কাছে গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা চাই। আমার রোগীর অবস্থা খারাব ছিলো বলে ৫০০ টাকা দিয়ে বেড নিতে হয়েছে।
আপনার ছুটি আপনি পাশ করিয়ে আনবেন?নাকি আমাকে দিয়ে করালে খরচ দিতে হবে।অনেক জায়গা থেকে সাইন আনতে হয়।প্রত্যেক সাইনের জন্য ৫০০ টাকা দিতে হয়।
চোখের ইন্জেকশন এর সিরিয়াল পাওযার সময় ৩০০০ টাকা লাগবে।
আমি ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমার এক রোগী কে দেখতে যাই। কিন্তু বাইরে থাকা আনসার বলে রোগী এখন দেখা যাবে না। আমি বললাম কেন দেখা যাবে না।ওনি বললেন এখন দেখার সময় নাহ। আর যদি দেখতেই হয় তাহলে কিছু লাগবে। আমি বললাম কিছু লাগবে মানে কি লাগবে, বললো ৫০০ টাকা দিলেই হবে। আমার সময় না থাকার কারনে বাধ্য হয়ে টাকা টা দিতেই হয়েছে।
খুলনা সদর হসপিটালে ওয়ার্ডবয় চাকরিতে এক বছরের কন্টাকে আমার কাছে দেড় লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল আমাকে বেতনের কথা বলা হয়েছিল ১৭ হাজার সিভিল সার্জন এর ড্রাইভার এক বছর পরে বেতন হবে বলা হয়েছিল। আমি অবশেষে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম
ঘটনাটি ঘটে ৩১/০৮/২০২৬ এ এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় একজনকে মারধর করলে আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তার দেখানোর পর ডাক্তার ভর্তি দেয় এবং মামলা করার জন্য পরামর্শ দেয়। প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি ডাক্তার কেন মামলার পরামর্শ দিবে। পরে আমি মেডিকেল রিপোর্ট চাইলে ওখানের কর্মরত একজন আমার কাছে ১০০০ টাকা চায়। নানান বাহানা দিয়ে পরে ৫০০ টাকার বিনিময়ে মেডিকেল রিপোর্ট দিতে রাজি হয়। ঘটনাটি ঘটে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে, জরুরি বিভাগে। ওখানে কয়েকজন কর্মরত ছিলেন, তাদের নাম এবং পদবি আমি জানি না।