সাফ কমলা বিক্রয় দলিল
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রির জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব ডকুমেন্ট ওকে ছিল।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রির জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব ডকুমেন্ট ওকে ছিল।
দলিল করার সময় আমার পাওয়ার নাম্বার ভুল দেওয়াতে আমি মিউটেশন করতে গেলে করতে গেলে ভুল উপলক্ষিত হয়। পরবর্তীতে আমি পুনরায় ভুল সংশোধন করার জন্য ঘোষণাপত্র করতে চাইলে আমার থেকে এই টাকা দাবি করেন
রেজিঃ অফিসে ২০০ টাকা করে প্রতি বছরে তল্লাশি নিয়েছে। আমরা মোট ২০ বছরের তল্লাশি দিয়েছি। রেজিঃ অফিসের সইমুহুরী আমাদের শুধু প্রতিদিন সময় দিয়ে ঘুরান। একদিন এক বছরের করে তল্লাশি দেন। এভাবে এক সপ্তাহ এক দিন পর পর ওখানে গিয়ে আমার বাবা গাড়ি ভাড়া আর ওদের খরচ সহ মোট ২ লক্ষ টাকা শেষ করে ফেলেন। আমরা গরীব মানুষ,, আমাদের দলিল গুলো আমাদের শত্রুরা চুরি করে নিয়ে গিয়েছিলো ৫০ বছর আগে। তারপর তারা আমার দাদাকে ভয় দেখিয়ে আমার দাদার জায়গায় মানুষ দখল নেন। আর তাদের নাম রেকর্ডে তোলে ফেলেন। আমার দাদা পড়ালেখা জানতো না। দাদা মারা যাওয়ার এতো বছর পর এখন ওই রেকর্ড করা মানুষ গুলো আমাদের জমি নিয়ে যেতে আসে। আগে শুধু আমাদের বাড়িটাই আমাদের ছিলো। এখন বাড়িও নাকি তাদের। কারন আমাদের দাদা রেকর্ডে নাম তোলাতে পারেনি।
I applied for mutation, they have been keeping my application on hold for a long time and have not given any results..Later, when I contacted the office, they demanded 6000 taka from me...I had to give it because I had no other choice...
দলিল রেজিস্ট্রার করতে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছিলো
আমরা জমি কিনতে টাকা বায়না করেছি,,।কিন্তু সেই জমি অন্য একজন কিনতে চায়,, পরে দলিল লেখক আমাদের থেকে দেড় লক্ষ টাকা চাঁদা চায় আমরা তা দিতে বাধ্য হই,, কারন টাকা না দিলে বিপক্ষ দলকে জমি দলিল করে লিখে দিবে,, নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে দলিল করি
দলিল লেখকের মাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল।বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছি।
নামজারি করার জন্য ১২০০০ টাকা চাইছে। ১০০০০ টাকা দেয়া লাগছে
জমি রেজিস্ট্রির জন্য ৫০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল, কারন মুল দলিলের পরিবর্তে ফটোকপি দেখানো হযেছিল।
জমি বিক্রয়ের দলিল রেজিস্টারি সম্পন্ন করতে গেলে সাব রেজিস্টার কাগজ আটকিয়ে রেখে উকিলের মাদ্ধমে এক লাখ টাা নেন। তার পর রেজিস্টারি কাজ সম্পন্ন করেন।
বাংলাদেশে সাব-রেজিস্টার অফিসের মধ্যে দিয়ে সব দুর্নীতিগ্রস্ত অফিস হলো সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিস কুমিল্লা। টাকা দিয়ে আপনি যাহ খুশি তাই করতে পারবেন সেখানে জাল দলিল থেকে শুরু করে যাহ যাহ আছে।
ভূমি নামজারী প্রতি একর 1170 টাকা কিন্তূ দাবী করে 40000 প্রতি একর।
একটি ছয় কোটি টাকার বন্ধুকী দলিল করার জন্য কোটি প্রতি ১ লক্ষ টাকা করে মোট ৬ লক্ষ টাকা দাবি করে । পরবর্তীতে অতিরিক্ত ৫০০০০ টাকার বিনিময় ও অনেক অনুরোধের কার্য সম্পাদন হয়।
বলে অনেক কষ্ট হয়েছে বোঝো তো।
বিক্রেতার এনআইডি এর সাথে খতিয়ানের নামের আংশিক অমিল থাকায় সাব- রেজিষ্ট্রার দলির রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ২০ হাজার টাকা দাবি করে অতপর বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করাতে হয়। উল্লেখ্য নামের আংশিক অমিল এর জন্য প্রমান স্বরুপ ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান কতৃক একই নামের প্রত্যয়ন দেয়ার পরেও সাব রেজিস্ট্রার ভিত্তিহীন বলে বিবেচনা করেন। ঘটনাটি - ২০২২ সালের।
দেশের প্রতিটি সাব- রেজিস্ট্রি অফিসে প্রত্যেকটি দলিল করার সময় উৎস কর এবং ৫.৫% সরকার নির্ধারিত করের বাইরে দলিল লেখক সমিতির নাম করে মানুষের টাকা হরিলুট করে দলিল লেখকেরা। এছাড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসের প্রতিটা পদক্ষেপে টাকা দেওয়া লাগে। যে টিপসই নেয়, সেও ৫০ টাকা ঘুষ নেয়। এটা সবাই জানে কিন্তু এর কোন প্রতিকার নাই।
ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ফটোকপি ছিল,তাই রেস্ট্রি হবেনা। আবার এক্সট্রা ৫০০০/- দিয়ে রেস্ট্রি করেছি।
দলিল পাওয়া রশিদ, ৬০০ Jeta hobar kotha 360 Taka, Ami pore sorakari Mainul pore janlam,, Ora Ai beshe taka, sobai Vag kore nei, din A 30-40 hajar taka Extra tule
During my apartment registration, I had to give the mentioned amount to the tejgaon sub registry office individuals for processing the registration. Otherwise, they would have declined the registration request
সরকারি পে অর্ডার ফি বাদে অতিরিক্ত অর্থ আদায়