সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৮৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

বাবা-মা এর ভোটার ঠিকানা পরিবর্তন

সেই দিন আমার বাবা-মা র ভোটার ঠিকানা ঢাকা থেকে হিজলা বরিশাল করার জন্য হিজলা উপজেলা নির্বাচন অফিস এ যাই এর সব কাগজ ওকে ছিল কিন্তু সেখানে এখন কর্মী সরকারি ফী বলে আমার কাছে ৪৮০ টাকা দাবি করে যে এইরকম ভাবে কথা টা বললো সবাই বিশ্বাস করবে সে বললো এইটা সরকারি ফী আপনি চাইলে এইখানে দিতে পারবেন বা ব্যাংক এর মাধ্যমে দিতে পারবেন। আমি তার এই কথার উপর প্রশ্ন করি কিন্তু সে ঠিক ভাবে উত্তর দিতে পারে নাই। আমার কাজ টা জরুরি ছিল তাই আর বেশি জামেলা করি নাই দিয়ে দিছি

ঘুষ দিয়েছি
হিজলা, উপজেলা ৳৪৮০
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

বন্ধক অবমুক্তকরণ

কয়েকটি তফশিল ভুক্ত বন্ধকী সম্পত্তির মধ্যে একটি অবমুক্তি করতে ১০০০০০ ঘুষ চায় দালালের মাধ্যমে। এর আগে বলে, এটা সম্ভব নয়। দেনদরবার করে ঘুষের টাকা দালালের মাধ্যেমে দেয়া হয়। সাব রেজিস্ট্রি অফিস: ধানমন্ডি সময় ২০২৫

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রেশন

জমি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় সাব রেজিস্টার সাহেব স্বাক্ষর করছিলেন। এক পর্যায়ে উনি আবাসিক জমিটিকে বাণিজ্যিক জমি হিসেবে বলেন এটাতে আরো ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে। তখন দলিল লেখক এর মাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়ে কিছু একটা বললেন। দলিল লেখক আমাকে জানালেন কিছু টাকা দিতে হবে। উপায় না পেয়ে আমিও টাকাটি দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ সদর ৳৩০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি দলিল সংক্রান্ত

জমি দলিল করার ক্ষেত্রে কাজিপুরের গান্ধাইল অফিসে প্রথম যে ব্যক্তি রেজিষ্ট্রেশন করেন তিনি আমার বক্তব্য নিলেন, তারপর দরজার কাছে ওনার টেবিল সে লোক আমার হাতে ছাপ এবং স্বাক্ষর নেবে একটু ফরমে, এই ছাপ ও স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য তিনি ১০০ টাকা নেন। এটা তিনি সবার থেকেই নেন। ঘুষের পরিমান অতি অল্প, ১০০ টাকা মাত্র। কিন্তু তিনি প্রতিদিন যারা যারা দলিল করার তাদের থেকে ১০০ টাকা করে নিয়ে থাকেন।

ঘুষ দিয়েছি
কাজিপুর, সিরাজগঞ্জ ৳১০০
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রি

আমি একটা জায়গা কেনার পর সেটি রেজিস্ট্রি করতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে রেজিস্ট্রির পর পেশকার আমার কাছে ১০০ টাকা দাবি করে।১০০ টাকা না দিলে সে দলিল ছাড়বেনা।প্রথমে আমি টাকা না দিয়ে বের হয়ে যাই,দেখলাম সে আমার দলিল এক সাইডে ফেলে রাখছে।যারা টাকা দিচ্ছে তাদের দলিল ছেড়ে দিচ্ছে।পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই তাকে টাকা দেওয়া লাগছে।

ঘুষ দিয়েছি
দাগনভূঞা উপজেলা শহর,ফেণী জেলা। ৳১০০
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নকল তোলার জন্য।

নকল তোলার জন্য গেলে সেখানে সরকারি ফিস বাদেও তাদেরকে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দিতে হবে নয়তো নকল ( দলিলের ডুপ্লিকেট কপি) দেওয়া সম্ভব না এই ১০০০ টাকা কে তারা আদর করে শেরেস্তা নামে ডাকে।

শুধু দাবি করেছে
সাব সদর রেজিস্ট্রি অফিস নারায়ণগঞ্জ। ৳১.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নামজারি

আড়াইহাজারের ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বাইরের দালালের মাধ্যমে এই প্রতারণা গুলো করে, আমি যদি তাদেরকে টাকা না দেই তাহলে নামজারি বাতিল করে দেয় ।

ঘুষ দিইনি
আড়াইহাজার ৳২০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নামজারি

তারা বাইরে — মাধ্যমে এই প্রথম গুলো করে থাকে, আড়াইহাজার এর সাব রেজিস্টার অফিসারের ঘুষ খাওয়ার পাবনতা খুবই বেশি

ঘুষ দিয়েছি
আড়াইহাজার নারায়নগঞ্জ ৳২০.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

আমি একজন সাধারণ লোক,ভূমি বিষয়ক কাজ করি। দলিল লেখক,গ্রহীতা,রেজিষ্ট্রেশন অফিস। দলিল নং ৪৯৪৪/২০২৬.

আসসালামুয়ালাইকুম, ফেনী শহরের একটি দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে ৫ তলা বাড়ির কথা গোপন রাখা হয়েছে। যার আনুমানিক রাজস্থ ৫০০০০০/- সরকার হারিয়েছে। এখানে অফিস সিস্টেম হল, গোপন রাখা টাকার অর্ধেক অফিস পেমেন্ট করতে হবে। দলিল নাম্বার টা আপনারা গোপন রাখবেন। শুধু সত্যতার জন্যে দেওয়া হল।

ঘুষ দিয়েছি
ফেনী ৳৫.০০ লাখ
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিষ্ট্রেশন

জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে একটা কাগজ শর্ট দেখিয়ে জমির রেজিস্ট্রেশন আটকে দেয়। জমির দাতা বাহিরে চলে যাবে। ১ দিনের ছুটি ছিলো। সেই দূর্বলতা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহায়ক —, পিতা: — জানতো এবং সে সাবরেজিস্টার রে বলে দলিল আটকে দিয়ে দেন ৫০০০০/- টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে ২৫০০০/- টাকা দিয়ে সেটা ক্লিয়ার করতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
জেলা: ফরিদপুর, উপজেলা: সদরপুর ৳২৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

পাওয়ার দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য

সরকারি স্ট্যাম্পের নিচে বড় বড় অক্ষরে নীতিবাক্য লেখা থাকে, অথচ সেই স্ট্যাম্পে দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলেই শুরু হয় ওপেন দুর্নীতি! ​নিজের পারিবারিক সম্পত্তির একটা আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) দলিল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বরিশালের বাকেরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র একশভাগ ঠিক থাকার পরেও সেখানে দালালের/ভেন্ডারের মাধ্যমে আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। ​হয়রানি এড়াতে আর কাজটা ঝামেলা ছাড়া শেষ করতে প্রথমে সাব-রেজিস্ট্রারের জন্য চাওয়া ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে আমি রাজিও হয়েছিলাম। কিন্তু এদের লোভের তো কোনো শেষ নেই! এরপর আবার নতুন করে "অফিস খরচ" বা টেবিল খরচের নামে আরও ৩,০০০ টাকা দাবি করা হয়। ​দলিল রেজিস্ট্রেশনের যে আসল সরকারি ফি, সেটা দিতে আমার কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্ত

ঘুষ দিইনি
বাকেরগন্জ ৳৮.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

সাফ কবলা দলিল রেজিষ্ট্রেশন

ওয়ারিশ সার্টিফিকেট এ দাদির নাম ভূল থাকায় দলিললেখক অফিসারকে ম্যানেজ করতে ৫০০০ টাকা বাড়তি আদায় করে। কিন্তু পরিশোধ করেনাই। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিলে অফিস সয়ায়কের কাছে টাকা জমা দেয়। আমরা এরপর চলে আসি।

ঘুষ দিয়েছি
মির্জাগঞ্জ উপজেলা ৳৫.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য