নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গত এক বছর আগে একটা জমি রেজিস্ট্রি করতে সাব রেজিস্ত্রি অফিসে যাই, সব কিছু ওকে করার পর জমির দলিল উঠানো টিকিট যখন দেয় তখন আমার টাকা দেওয়া লাগে, মুহুরি কে জিজ্ঞেস করলাম বলল এটাই নিয়ম আপনি ও দেন, বাধ্য হয়ে দিত হলো।
দলিলের নকল তুলতে গেলে প্রথমে পাঁচ বছরের খোঁজা খুঁজির চার্জ দেওয়া হয়, সে নকলটা পেয়েছে তারপর সে মসজিদে চলে গেছে অন্যজনকে বলে গেছে নকল তুলতে ৮৫০০ টাকা লাগবে রাজি হওয়ার পর উনি আসছে লিখা লিখি করে দিয়েছে, ৮৫০০ টাকা দিয়েছি ইমারজেন্সি ছিল তাই আনতে হয়েছে।
চলাচলের রাস্তার জন্য ব্যাংকে ৫% জমা দেওয়া লাগবে না হলে সাব রেজিস্ট্রারকে ৩ ভাগের ১ ভাগ দিলে হবে এটা সকল পৌরসভার সাফ কবলা দলিলের ক্ষেত্রে দিতে হয়
আমার জমি রেজিস্ট্রার করার সময় দলিলে - নাম ভুল এর কারনে ৯০০০ টাকা নিছে।
The person who delivered me the paper demanded 3000 taka
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার ফি কোথায় কত কেউ জানে না। সরকারি সুনির্দিষ্ট ফি রেখেও অতিরিক্ত অনেক টাকা লেনদেন হয়।
আমার জানামতে সরকারি ফি 600 টাকা কিন্তু, 1800-2500 টাকা লাগে নকল সইমোহর দলিল নিতে।
অনলাইনে আবেদন করার পরে, জেলা রেজিস্টার এর কার্যালয়ে এসে পৌঁছায়। দুই সপ্তাহ গত হওয়ার পরেও জেলা রেজিস্টার এর কার্যালয় থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায় নি। পরবর্তীতে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে, কম্পিউটার অপারেটর ২০০০ টাকা ডিমান্ড করে, কি আর করার, আমার প্রয়োজনটা খুব বেশি ছিল।
একজন দলিল লেখক উক্ত টাকার বিনিময়ে একটি দলিল তৈরি করার জন্য চেয়েছিল ওই সময় দলিল তৈরীর জন্য নগত চার হাজার টাকা নিয়েছিল তা এখন পর্যন্ত ফেরত দেয় নাই টাকা চাইতে গেলে বলে এটা আমার কমিশন।
২০২০ সালের শুরুর দিকে করোনাকালীন সময়ে আমার বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমাদের পাঁচ বোন ও মায়ের নামে জমি হেবা দলিলের মাধ্যমে আমাদেরকে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।উক্ত হেবা দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে হাটহাজারী সাব-রেজিস্ট্র অফিসে ৭০০০০/- প্রদান করতে হয়েছে।
তারা বলে ছিল এই খতিয়ানে আড়াই একর জমি আছে সবগুলো জমির খাজনা দিতে হবে, অথচ আমার জমি মাত্র সাত শতাংশ, মোট খাজনা আসে বকেয়া সহ 86 হাজার টাকা আসে। তারা আমার কাছে অফার দিল চার হাজার টাকা দেন সব ঠিক করে দিব, দিলাম , তারা খাজনা দিল 23 টাকা, আর আমার নিকট থেকে নিল 4000 টাকা। প্রতিবাদ করার মতো কোন ভাষা নেই কারন আমার খারিজ করতে হবে, খাজনা না দিলে খারিজ হবে না ।
amar jomi record khotian update korar jonno shotangsho proti 10000 taka chay r ami dite baddohoi
দলিল যাচাই করতে গিয়েছিলাম।আমাকে বলল এখন দেখতে ১০০০ টাকা লাগবে নতুবা অনেক নিয়মের মধ্যে যেতে হবে অনেক সময় লাগবে।
আমি জমি কিনছি তবে আমার নামে নাম জারি করার ক্ষেত্রে ১৮০০০ টাকা খুঁজতেছে অথচ সরকারি ফি 1500 টাকা
কেসে রায় হওয়ার পরও ৪ মাস কেটে গেছে কিন্তু আজও রেকর্ড সংশোধনী হয়নি। ইতোমধ্যে ১২০০০০ টাকা খরচ হয়েছে। ফলাফল শুন্য। অথচ রায়ে বলা আছে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধন করতে। ভুমি রেকর্ড রুমে বারবার যোগাযোগ করে একজন অফিসের স্টাফ বলেছেন শতক প্রতি আরও ১০০০ করে টাকা লাগবে নতুবা রায়ের কোন দাম নাই। টাকা দিলেই দাম হবে।
দলিলে নামের সামান্য হেরফের ছিল তাই রেজিস্টারি করে দিবেনা পরে মরি বলল আমি সাবের সাতে সমজুতা করে নিয়েছি ৩০০০০ হাজার টাকা দিলে হয়ে যাবে। পরে ৩০০০০ হাজার টাকা নিয়ে রেজিস্টারি করে দিয়েছে।
আমি একজন ওমান প্রবাসি, আমার বউকে ওমান নিয়ে আসার জন্য, কাবিন নামা অনলাইন করতে হবে, অনলাইনে আবেদন করছি, এখন সত্যাইত জাচাই করতে কাজীর বালাম বই দেখে সতাইত করতে হবে,এর জন্য কাজী পাঁচ হাজার টাকা চাইছে,আমি পাঁচ হাজার টাকা দিছি তার পরেও আমার কাজটি করে দেয়নি,আমি ফোন দিলে দরেনা,জদি কখনো দরে তাহলে বলে আছকে করে দেব কালকে করে দেব, সে এই ভাবে আমাকে দের মাস দরে গুরাইতাছে, আমি এখন কি করতে পারি?প্লিজ জানাবে?
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মহরি জিনি দলিল লিখে সেই সরকারি কর সাড়ে ৭ % বলে উনি দাবি করেন কিন্তু আমার কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকার জমিতে উনি ১৮ হাজার টাকা দাবি করেন, আমি প্রশ্ন করার পর উনি বললেন কম হবে না এই টাকা এদিক সেদিক হয়,, কিছু করার নেই,,এক পর্যায়ে উনি বলেন আমাদের এখান থেকে কোন বেতন দেওয়া হয় না,, পার্সেন্ট অনুযায়ী তারা টাকা নিয়ে থাকেন,,আমি নিজ চোখে আরো দেখেছি প্রতিটি মানুষের থেকে লাখে আড়াই থেকে তিন পার্সেন্ট বেশি টাকা তারা নিয়ে থাকেন..এই টাকার ভাগ অনেক জন কে তারা দেয় কথায় উঠে এসেছে,,এটা প্রতিনিয়ত ঘটছে. যে কোন কাজে অনেক ঘুস তারা নিয়ে থাকেন,আমার দেখায় নাম জারি করতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয় যা সরকারি খরচ ১১০০ টাকার মতো,
আমার দাদা এক ছেলে (আমার বাবা) ও ৮ মেয়ে (২ জন মৃত)। দাদা মৃত্যুর প্রায় ৯ বছর পর আমার বাবা ও ফুপুরা জমি বন্টনের জন্য সিদ্ধান্তে উপনিত হয়। সেই অনুযায়ী মহুরির সাথে কথাও হয় সরকারি হিসেবে আমাদের ফি আসে ১০০০০ এর মত। কাগজ পত্র সব সঠিক থাকার পরও আমাদের মুহুররির সাথে ফাইনাল হয় ২০০০০ টাকা। কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর পূর্বে হঠাৎ করে মুহুরি জানায় যে ৪০০০০ হাজার টাকা লাগবে অন্যথায় সাব রেজিস্ট্রার ফাইল ছাড়বেন না। আমি বলি যে আমাদের সব কাগজ ওকে আমরা আর অতিরিক্ত টাকা দিতে পারব না। উনি বলেন যে তাহলে সবাইকে ফেরত যেতে হবে, কাজ হবে না। আমার বাবা, ছয় ফুপু, মৃত ২ ফুপুর ৮ সন্তান (মোট ১৫জন) এত লোক একত্রিত হয়ে অন্যদিন আবার একত্রিত হওয়াও প্রায় অসম্ভব। বাধ্য হয়ে পুরো ৪০০০০ টাকা দিয়েই কাজ করতে হয়েছে।
দলিল সম্পাদন,২৫০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে দলিল সম্পন্ন হবে না,আর এই টাকা সাবরেজিস্ট্রার সরাসরি নেন না,নেন দলিল লেখক মহরিলদের মাধ্যমে।