দলিল তল্লাশি
কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দলিল তল্লাশি তে প্রতি বছরে জন্যে ২০০ টাকা করে দিতে হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কুমিল্লা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দলিল তল্লাশি তে প্রতি বছরে জন্যে ২০০ টাকা করে দিতে হয়
গুলশান এসিল্যান্ড অফিসের এসিল্যান্ড টাকা ছাড়া কোন ফাইল ছাড়ে না। আমার একটা ফাইলের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করছে টাকা না দিলে সে ওই ফাইল ছাড়বে না বিভিন্ন কারণ দেখায় গত দুই মাস ধরে আমি তার পিছনে ঘুরতেছি।
লাগে ২০০০ টাকা দেওয়া লাগছে ৫০০০ টাকা
জমি ৯শতাংশ দুইনামে খারিজ করতেগেলে বিভিন্নভাবে বুজিয়ে, ৩৪হাজার দাবি করে, পরে দুজনেই স্বামী স্ত্রী হওয়ায় ২৫হাজার বলে। তাতে উপায়নেই ভেবে তা করতে বাদ্য হই।
আমার জমির দাম ছিল ৫০০০০০সেখানে ঘুষ ঠুস দিয়ে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে দলিল করে দেওয়ার জন্য
গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আমি বগুড়ার শিবগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে গেলে ৮,০০০ টাকা অতিরিক্ত পরিশোধ করতে বাধ্য হই। আমার সমস্ত সাপোর্টিং ডকুমেন্ট সঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা দাবি করে যে খতিয়ানের কপিটি স্ক্যান করা মূল কপি নয়; অথচ সেটি ছিল সাক্ষরযুক্ত সার্টিফায়েড কপি। এরই প্রেক্ষিতে তারা ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। প্রায় ২ ঘণ্টার দর-কষাকষির পর ৮,০০০ টাকায় রাজি হয়ে সঙ্গে সঙ্গে দলিল সম্পন্ন করে।
Dolil er khoroch er 2% kre dite hoy. Ta na hle dolil hoy na. Oi khane je je ache sobai e jorito
To landl registration on 27.09.2026 I had to bribe Tk. 110,000.00
সেপ্টেম্বর মাসে আমার একটি দলিল রেজিষ্ট্রি করাতে বালিয়াকান্দি দলিল লেখক সমিতিকে অতিরিক্ত ১৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে। সমিতির দাবীকৃত টাকা না দিলে লিখিত দলিল সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে জমা দেয়না দলিল লেখকরা। সমিতির নেতাদের সংকেত ছাড়া কোন দলিলই রেজিষ্ট্রি অফিসে যায় না এমনকি লেখকরা কাগজপত্রই নেয় না জমি ক্রেতাদের থেকে।
পাওয়ার অফ এ্যটর্ণী বা আমমোক্তারনামা দলিল থেকে আংশিক জমি কিনলে সরকার কে সাড়ে পাঁচ পার্স্রন্ট ভ্যাট দিতে হবে নতুবা রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়নকে দিতে হবে তিন ভাগের একভাগ অর্থাৎ তেষট্টি হাজার টাকা। না হলে দলিল হবে না।
আমাদের বাড়ি জায়গার দলিল নাম জারি করতে গেলে চট্টগ্রাম বিভাগের,ফেনী জেলার, দাগনভূঞা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি নির্ধারিত ফি এর বদলেতে ১৫০০০ টাকা দাবে করে নামজারির জন্য।
আমরা ৪৮. শতক জায়গা খারিজ করতে আমার কাছ থেকে ১৮০০০ হাজার টাকা নিয়েছে
হেবামুলে জমি রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য সকল চালান পরিশোধ করি। তারপরও দলিল লেখক সমিতিতে চাদা ৫ হাজার ও দলিল লেখকের মাধ্যমে অফিসে ৫ হাজার অতিরিক্ত পরিশোধ করি সব খরচ পরিশোধ করার পরও। সাব রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল লেখকদের দিয়ে চলে বাটপারি। সাব রেজিস্ট্রার অফিসের লোকজন ডেইলি ১০/১৫ লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি যায়।
নিজের দলিল দিয়ে খতিয়ান করার জন্য ঘুষ
বিভাগ : বরিশাল, জেলা : ঝালো কাঠি, থানা কাঠালিয়র চেচরি রাম পুর ইউনিয়ন এর তহসিলদার এর কাছে আমাদের জমির খাজানা পরিসোধ করতে পাঠাইছিলাম আমার কাকা কে খাজনা আসছে ৩৬৫ টাকা উনি দাবি করছে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে পরবর্তী তে আমি গেলে কোনো ভাবে ই কম রাখবে না আমাদের জমি রেজিস্ট্রেশন ও খাজনা পরিসোধ না করতে পারায় বিলম্ব হচ্ছিলো পরবর্তী তে অনাকে জোড়াজুড়ির পরে ৪ হাজার টাকায় করে দিছে
একই দাতার তিনটে হেবা কবলা রেজিস্ট্রেশন করতে সদর সাব রেজিস্ট্রার, চট্টগ্রামকে ৩০০০০ টাকা উৎকোচ দিতে হয়েছে।
কোম্পানির নামে জায়গা রেজিস্ট্রি করতে যাওয়ায়, ১,২৫,০০০/- ৳ ঘুষ চাওয়া হয়। পরে ৯০০০০/- টাকায় রাজি হন, এবং তাৎক্ষণিক ৮২৫০০ টাকা দেওয়া হয়। বাকি টাকা টোকেন এবং কার্বন কপি উত্তোলনের সময় নেবে বলেছে।
Registration for apt, they have made it systematic. Each registration in Bangladesh is involves with bribe, no single registration be done without system based extra money, Developer company and registry office made it systematic, why on earth we can’t make it digitally moved service.
চট্টগ্রাম সাবরেজিস্টার অফিসে আমি ঘুষ দিতে বাদ্য হয়েছি।আর ঘুষের টাকা ছাড়া কেউ রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেনা।সহকারী ঘুষ গ্রহণ করে। না দিলে কাজ হবে না।।দুদক চাইলে যেকোনো মূহুর্তে ধরতে পারে।।কারণ আপনি ঘুষ না দিলে কাজ হবেবা। শতভাগ ঘুষ নেওয়া হয়।
প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয় কিন্তু এই টাকাটা সাবরিষ্ঠ অফিস নেয় না এটা নাই পরে এই ভাগ বন্টন হয় এবং এটা পুলিশ প্রশাসন ডিবি মাস্তান প্রত্যেকটা রন্ধে রন্দে এই টাকার ভাগ যায় এবং প্রতিদিন ১০০টা রেজিস্ট্রি হয় তাহলে ১৫ লক্ষ টাকা উঠে মাসে তাড়াতাড়ি প্রায় তিন কোটির উপরে এবং প্রত্যেকটা সার্টিফাইড কপি জমা হয় তাতে ফ্রি নাই দুই হাজার টাকা মরিবার এবং সেখান থেকেও ২ লাখ টাকা কারেকশন হয় খরচা করলেও কমসে কম ২৫ লাখ টাকা দাঁড়ায় তাহলে মোট প্রায় ৪ কোটির মত অতিক মাসে ইনকাম ইনকামটা পুরা সংস্থার মধ্যে চলে যায় সরকারি বেসরকারি মাস্তান হবার মধ্যে ভাগ বন্টন হয়