জমির ভাগাভাগি
বন্টন নামা করা হয়েছে ৪ জন ওয়ারিশান এর মধ্যে। ১ লাখ অতিরিক্ত না দিলে কাজ হবে না।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বন্টন নামা করা হয়েছে ৪ জন ওয়ারিশান এর মধ্যে। ১ লাখ অতিরিক্ত না দিলে কাজ হবে না।
দলিল লেখক আতিররিক্ত টাকা নিছে
we two Brother take heba dolil from my mother in Sub Registry office. they demand 1% of total Value. first 2 time i have tried without Ghush but can't. finally i have given Ghush then Registry done.
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে ও দলিলের নকল উঠাতে সরকারি ফি চাইতে অতিরিক্ত ফি দাবি করা।
আমার মামার ৩.৫ শতাংশ জমি থেকে অর্ধেক কিনে দলিল করতে গিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। কর্মকর্তার দাবি জমি নাকি প্লট করে বিক্রি হচ্ছে। তাই হয় ৫০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা নয়তো ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে।
We were asked pay pay at first 70k as it was commission based registration, where the registry officers would come to one's house and do the registration there.It was Ramadan and they were not coming on time so when we called, they said if we pay 20k more up front they will show up, when we had already paid 70k for the whole process.There were many elderly people who were the owners and wouldn't be able to go the registry office physically,one was on wheelchair, hence this application for commission was applied for. So we paid 20k more as they were black mailing us for it.Then same day for the application for copy of registered deed they asked for 10k when back in 2019 it was 3k-5k.
সরকারি খরচ মাত্র 2000 বা তারও কম। অথচ দালাল চক্র 55000 টাকা নেয়। এটা দেয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। নানা অজুহাতে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। অফিসের স্টাফের সাথে পরামর্শ নিতে আসলেও তারা ইনিয়ে বিনিয়ে দালালদেরকে দেখিয়ে দেয়। টাকা লেনদেন হয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পাশেই দলিল লেখকদের অফিসে।
এখন পর্যন্ত আম আমার কাজ করতেই পারি নাই ঘুসের টাকার অভাবে
টাকা না দিলে দলিল করে দেয়নি।
একজনের নামজারি খতিয়ানের জমি অন্যের নামে রেজিমেন্টারি করে দিছে।
রংপুর, মিঠাপুকুরের রেজিস্ট্রি অফিসে একজন দলিল লেখক ২৯৫০০০/- (দুই লাখ পচানব্বই হাজার) টাকার জমি রেজিস্ট্রি করতে আমার থেকে ৩৫০০০/ পয়ত্রিশ হাজার টাকা নিয়েছেন ।
জমির রেজিস্ট্রি করার জন্য যাই, প্রথমে সরকারি কোষাগারে প্রি অর্ডারে ক্রয় সূত্রে ৮,০০,০০০ টাকা জমা দেই । যখন সাব রেজিস্ট্রার অফিসার এর কাছে যাই জমি রেজিস্ট্রির জন্য তখন আমার কাছ থেকে আরও কোনো রশিদ ছাড়া মানে ঘুষ ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে না দিলে নাকি রেজিস্ট্রি হবে না, ব্যাংক এ সরকারি টাকা দিয়ে ফেলেছি এই কারণে ঘুষ ১,৫০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
দলিল দাতা একটি দলিল সম্পাদন করার পর দ্বিতীয় দলিল করতে গেলে বলা হয় দ্বিতীয় দলিল হবে না আজকে। বলে খাস কামরায় চলে গেলেন। ভেন্ডর খাস কামরায় গেলে ৬০০০ টাকার ( যা আগেই দাবি করেছিল) অতিরিক্ত আরো ১০০০০ টাকা দাবি করে। মোট ১৬০০০/ টাকা দেয়ার পর দ্বিতীয় দলিল সম্পাদিত হয়।
দলিল করার পর নামজারির জন্য মূল দলিল বা অবিকল নকল দলিলের প্রয়োজন হয় । যেহেতু মূল দলিল আসতে প্রায় ২ বছর লাগে তাই অবকল নকল দলিল তোলার জন্য ১২০০ টাকা জায়গায় ১৭০০ টাকা দাবি করে ও তা আদায় করেন
জমির মামলা করব । তাই যাবে না তুলতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছিলাম
আমি জায়গায় কিনেছেন। নতুন জায়গায় নামজারি করতে ১০০০০ লাগবে। যেখানে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা মাত্র।
রেকর্ড করার জন্য, হাতের টিপ নেওয়ার বিনিময়ে ২০০ টাকা দাবি, সোনাগাজী সাব রেজিস্টার অফিস এ
Without money dub register didn’t agree to accept the file.
আমার নাম জারি করতে বারো হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রির জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব ডকুমেন্ট ওকে ছিল।