Land registration
jomi j biri krbe tar id card e babar nam o porcar/khotian er babar nam mismass chilo . ei jonno megistrat sign koreni, amra request krechi but krnei! pre office sohayok ese bolle kaj kra jabe kintu 20000 tk lagbe.
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
jomi j biri krbe tar id card e babar nam o porcar/khotian er babar nam mismass chilo . ei jonno megistrat sign koreni, amra request krechi but krnei! pre office sohayok ese bolle kaj kra jabe kintu 20000 tk lagbe.
বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রির সময় কর্তা আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। তিনি আমাকে বলেন যে, জমির মূল্যের ওপর নির্ধারিত উৎস কর প্রদান করতে হবে। আমি তাকে জানাই যে, এটি ২০২৪ সালের গেজেট অনুযায়ী বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি বলেন, এই টাকা ছাড়া কাজ হবে না। পরবর্তীতে আমি একজন পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে অন্য একটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে, এ ধরনের বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি করতে সর্বোচ্চ প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হওয়ার কথা। কিন্তু আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে।
আমার শশুর এর একটি জায়গা খারিজ করতে পারছিলাম না, তার বলে এই জায়গা খারিজ করা যাবে না, কিন্তু ৮০,০০০/- টাকা দিলে খারিজ করে দিবে। এইসব কথা ওইখানে থাকা কর্মকর্তা সরাসরি না বলে, তাদের কম্পিউটার অপারেটর দিয়ে বলিয়েছে। যদি কেউ ওইখানে সেবার জন্য যায় তাদের সকল ধরনের কাজ টাকার বিনিময় করে থাকে কিন্তু ওই কর্মকর্তা নিজে টাকা নেয় না, টাকা তাদের কম্পিউটার অপারেটর দুজন আছে তাদের হাত দিয়ে নেওয়া হয়।
৫০০০০ টাকা চেয়েছিলো ভেন্ডার, সে অফিস ম্যানেজ করবে। আমার কাজটা দরকার ছিল পল্লবী সাব রেজিস্ট্রার অফিসে, আমি বাধ্য হিয়ে দিয়ে দেই।
আমি আমাদের একটু পুরাতন দলিলের নকল তুলতে রংপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে য়াই। নকল টি তুলতে চাইলে আমার কাছে প্রথমে ৩০০০ টাকা চারয় পরে ২৫০০ টাকা কেটে দেয়। বেশি দাম চায় তাই আমি নকল টি তুলি নাই।
একটা কাবিননামা সত্যায়ন করতে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে তারা আমাদের ডকুমেন্টস ভুল আছে বলে করে দিতে চাই না। পরবর্তীতে বলে টাকা দিলে করে দিবেন।আমার ডকুমেন্টসে কোনো ভুল ছিলো না।
জমির খারিজে পিতার নাম ছিলো, সেটি নিজের নামে করতে যাই। সেখানে দাড়িওয়ালা মুরুব্বি তার সাইনের মূল্য হিসাবে ১০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি বলি যে আমার কাছে শুধু ৮০০ টাকা আছে, তখন তিনি সেটিই রাখেন।
আমার আব্বু দীর্ঘদিন সৌদ আরব থাকেন, আম্মুকে তিনি সৌদি আরবে নিতে গিয়ে ভিসা জটিলতায় পড়েন , তাদের বিবাহের নিকাহ্ পত্র অনলাইন করতে বলেন সে জন্য কাজীর থেকে নিকাহ্ পত্র নিয়ে অনলাইন আবেদন করতে হয় এবং জেলা সাব রেজিস্টার অফিস থেকে সেটার অ্যাপ্রুভাল নিতে হয়, সাক্ষী হিসেবে আমি নিজে সেখানে উপস্থিত হই, আমার পিতা মাতার বিবাহ বৈধ সেটার জন্য সাব রেজিস্টার অফিস থেকে রিকোয়েস্ট অ্যাপ্রুভ করতে হয়,সাব রেজিস্টার অফিসের এক কর্ম রত কালো এক ব্যক্তি কাজীর মাধ্যমে 30000 টাকা দাবি করেন রিকোয়েস্ট অ্যাপ্রুভ করার জন্য
চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি সড়ক প্রসস্ত করণে আমাদের বংশগত ভূমি সরকার অধিগ্রহণ করলে দীর্ঘসূত্র পর যখন ক্ষতিপূরণ ব্যাংকে জমা হওয়ার আগে ঐ শাখার কর্মকতা একটি কাগজে ১৫% কমিশন উল্লেখ করে একটি চেক বুঝে নিয়ে তারপর ব্যাংকে টাকা জমা করলে সে ঐ চেক বাবদ টাকা উত্তোলন করে নেয়।
খুবই হয়রানি করে সর্বশেষ ঘুষ দিয়ে মৃত পিতার পেনশনের টাকা তুলতে হয়েছে
জমির দলিল উত্তলনের জন্য ৫ হাজার টাকা দাবি করেছিল
আমি জমির খারিজ করতে গিয়ে 1100টাকার কাজ করতে 30হাজার দাবি করছিল মহিলা ।পরে 25000/=দিয়ে কাজটি করিয়েছিলাম।এটা বলতে হবে কেন ?যদি কোন লোক ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যায় সরাসরি দেখতে পারবেন কি রকম হয়রানী হতে হয়।বলে কি লাভ অযথা শত্রু বাড়ানো।
এখানে আনুষ্ঠানিকভাবেই চাওয়া হয়, যে কেউ গেলে নামজারি ফ্রি 7000 টাকা।
রেজিস্ট্রির সময় অফিস খরচের নামে নেওয়া হয় অতিরিক্ত। এর একটা অংশ সাব রেজিস্ট্রার অফিসে যায়, আরেক অংশ দলিল লেখকগন ভাগ ভাটোয়ারা করে নেয়।
আমার একটি জমির দলীল করার জন্য রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে 50,000/- টাকা জিলাপী খাওয়া বাবদ (ঘুষ) দাবি করে। অতঃপর তাদেরকে ৩৫,০০০/- টাকায় রাজি করাতে সক্ষম হই। অবশেষে আমার জমির দলীল সম্পন্ন হয়। অতঃপর উক্ত দলীল লেখক দিয়ে খারিজ করা হলে আরো ১২,০০০/- টাকা দাবি করে। সেখান থেকে ৭,০০০ টাকা দিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি। কিন্তু আরো ৫,০০০/- টাকা দাবি করছে।
১৯.০৮.২০২৬ হেবা দলিলটি দেখে সাব রেজিস্ট্রার বললেন আজ হবে না। বলে রেখে দিয়েছিলেন। পরে ওনার সহকারি পাশের রুমে গিয়ে বলেন ২৫০০ টাকা দিলে কাজ হবে। হয়রানি থেকে বাচতে শেষ পর্যন্ত ২৫০০০ টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হই।
আমার জমি রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে 10000 হাজার টাকা ঘুষ চায় পরে 5000 টাকা নিয়ে রেজিস্ট্রি করছে।
শতকে ৫০০০ জমি রেজিস্ট্রি করতে দৌলতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে নির্ধারিত দলিল লেখক সরকারি নির্ধারিত ট্যাক্স ও অন্যান্য খরচের বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। জানা যায়, জমি রেজিস্ট্রি করতে হলে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের জন্যও একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই টাকা অফিসের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা নেন এবং বিএনপির নেতাদের মধ্যে একটি অংশ ভাগ হয়ে যায়। সরকারি নির্ধারিত খরচের বাইরে এ ধরনের টাকা কেন দিতে হবে এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে দেখার দাবি জানাচ্ছি।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করা বাবদ সাব-রেজিস্টার অফিসে ১০,০০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে
জমির মুল দলিল তুলতে গেলে প্রথমে ২/৩ বার ঘুরাইছিল আজ না কাল- কাল না পরশু এভাবে, তারপর অতিরিক্ত টাকার দাবি ৪ টা দলিলে ২০০০ টাকা , এরপর তাদের অফিসের দালার ধরে ১৫০০ টাকায় দপা রফার মাধ্যমে দলিল হাতে পায়...। (ফকিরহাট রেজিষ্টি্র অফিস)