সাবরেজিস্টার ফি বেশি নেয় কারণ জেলা রেজিস্ট্রারকে বেশি দিতে হয় ভাগ
সাবরেজিস্ট্রেশন অফিসে টাকা বেশি নিচ্ছে, কারণ বলছে সাবরেজিস্ট্রারকে বেশি বেশি ভাগ দিতে হচ্ছে৷ জেলা৷ রেজিস্ট্রারকে। তার নাম —, জেলা রেজিস্ট্রার, রাজশাহী।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সাবরেজিস্ট্রেশন অফিসে টাকা বেশি নিচ্ছে, কারণ বলছে সাবরেজিস্ট্রারকে বেশি বেশি ভাগ দিতে হচ্ছে৷ জেলা৷ রেজিস্ট্রারকে। তার নাম —, জেলা রেজিস্ট্রার, রাজশাহী।
জমির নামজারি করতে ঘুষ চেয়েছে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
নিজেই পিয়নের মাধ্যমে নিয়েছে।
কেনা জমির দলিল ও অন্যান্য করতে
ঘুষের টাকা ছাড়া একটি জমিও রেজিস্ট্রি করে না এই দুর্নীতি গ্রস্থ সাব রেজিস্টার ও ওই অফিসের সব কর্মচারী। এই ঘটনা বাংলাদেশের এমন কোন লোক নাই যে জানেনা। আমার হেবা দলিল করতে গেলে বলে এটা হবে না ওটা হবে না এভাবে না। তার পর টাকা দিলে সব হয়ে যায়। এই হয়রানি থেকে কবে রাহাই পাবে মানুষ।
প্রতি কাঠা রেজিষ্ট্রেশন জন্য তাকে আলাদা করে ৫০০০ টাকা দিতে হবে, নয়তো দানপত্র দলিল করবেনা। বড়ই বিড়ম্বনা বয়ে বেড়াচ্ছি
ব্যাংকে নিরাপত্তা জামানত দেয়া সাবরেজিষ্টার তার অফিস কেরানীর মাধ্যমে নিয়েছে। তা না হলে দলীল তিনদিন ঘুরিয়েছে।
সাব রেজিস্ট্রার এর বিশ্রাম কক্ষে নিয়ে তার অধীন এক ইমপ্লোয়ি দাবী করে।টাকাটা অন্য মাধ্যমে গ্রহন করে।
জমি দলিলের সময় সরকারি রেজিষ্ট্রি খরচ পরিশোধ করে দলিল করার পরও জমির মূল্যের প্রতি ১ লাখে ৫০০ টাকা করে অতিরিক্ত অফিস খরচ দিতে হয়। যেমন জমির মূল্য যদি ৫০ লাখ হয় তবে সমস্ত রেজিষ্ট্রি খরচ পরিশোধের পরও অতিরিক্ত ২৫০০০ টাকা অফিস খরচ হিসেবে দিতে হয়। এই টাকা যায় কোথায়? এটা বাধ্যতামূলক। দিতেই হয়।
হেবা দলিল, সরকারি চালান করার পরে আর কোনো টাকা লাগে না। দলিল লেখক বলল লাখপতি ৪০০ টাকা করে পরিশোধ করতে হবে। পরে আমি অফিসে কথা বললে বলে হ্যাঁ দিতে হবে। আমার দলিল মূল্য অনুসারে ৭০০০ টাকা আসলে পরো উনার সাথে তিন হাজার টাকায় রফাদফা করি।
২০১০ সালে জমিন দলিল করেছি,আমি এখন দলিল উঠাইতে গেছি, যে তারিখে দলিল হইছে সেই তারিখ বলছি কিন্তু সে বলতেছে দলিল পাওয়া যাচ্ছে না। আমি বললাম তাহলে এখন আমি কি করতে পারি সে বলল ৩০০০ টাকা দিলে দলিল পাওয়া যাবে,অন্যভাবে খুঁজে বের করে দেওয়া যাবে।
দলিল লেখক কর্তৃক ট্যাক্স বাবদ 30,000/ অতিরিক্ত নিয়েছে যা সে সরকারি কোষাগারে জমা না করে নিজের পকেটে ভরেছে । ঘটনাস্থল - সিরাজগঞ্জ সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস, দলিল রেজিস্ট্রির সময় 27 এপ্রিল / 2026 । এই দুর্নীতি সাব রেজিস্টার এর সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে ।
Nid কার্ডে নামের বানান ভুল ছিলো। এভিডেভিড কপি দিয়েছি তারপরেও সাব রেজিস্ট্রার সাহেব মানিবেন না। তার পাইটু দিয়া টাকা চাওয়ায়। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। নিয়ম মেনে সব কাগজ দেবার পর ক্যানো রেজিষ্ট্রেশন হবেনা। সে স্পতাহে হয়নি পরের সপ্তাহে লোকাল সাংবাদিকদের দিয়ে চাপ দিয়ে করে দিয়েছিলেন।
ফাইল আটকে রেখে চা পানি খেতে চায় না দিলে এপ্র্রুভ করে না বরিশাল ডিসি অফিস এ
জমি রেজিস্ট্রি একসময় বলা হয়েছিল যে পুরো দরিলে চেইন মিলাতে হবে কিন্তু আমার তা ছিল না এজন্য এই টাকাটা নিছে।
জমির খাজনার কাগজ দিচ্ছিলো না কৌশলে বুঝাচ্ছিলো যে ঘুষ লাগবে এটার সাথে ইওওনও সরাসরি যুক্ত
গত ২৮ জুলাই ২০২৬ নাঙ্গলকোট সাব রেজিস্ট্রার অফিসে একটা হেবা দলিল হয় আমার। দলিলের খরচ নিয়েছে ৮০০০ (আট হাজার) টাকা। একই দিনে উক্ত দলিলের নকলের জন্য নিয়েছে আরো ২৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা।
এখানে নিধারিত রেট প্রতি লাখে ২০০ টাকা স্পিড মানে মানে কোটিতে বিশ হাজার টাকা
তখনকার সাবরেজিস্টার ছিলেন একজন হাজি সাব।আমার মার জমি দলিল করতে গেলে উনি টাকা চান।আরো মজার ব্যাপার হলো উনি ঘুষের টাকা নেন আসরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে।
জমি সংক্রান্ত টাকা চাচ্ছিলো আমরা দেইনি