17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ভূমি অফিসের বাইরে টাইপের দোকান থেকে ডকুমেন্ট অনলাইনে করার পর হার্ড কপি হাতে হাতে জমা দিতে গেলে পাশে ডেকে পূর্বাচলের 5 কাঠা নামজারি 60000 লাগবে জানালো 15 দিনের মধ্যে।পরে ২য় ব্যক্তির সাথে কানে কানে কথা বললে জানালো 45000 এর কমে সম্ভব না। অবশেষে ১ম ব্যক্তি সাথে দর কষাকষি করে 30000 ফাইনাল হলো তবে শর্ত হলো মোবাইলে ম্যাসেজ দিয়ে যেদিন হাজিরার ডেট পড়বে ঐ দিন উপস্থিত না হলে আরো 5000 দেওয়া লাগব। নামজারি হলো আবার অনলাইনে খাজনা জন্য আবেদন করলম সব ঠিক আছে কিন্তু টাকার এমাউন্ট দেখায় না আবার যোগাযোগ করলাম বলল 6000 লাগবে দিলাম তাই 30 মিনিটের মধ্য টাকার পরিমান দেখাল। আসলে সব Speed Money এর কেরামতি।
থানা প্রোপার থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে পাকুরিয়া গ্রামের পাকুরিয়া মৌজার ধানী জমির মৌজা রেট বাজার দরের চেয়ে প্রায় ৩/৪ গুণ বেশি করে নিধারণ করে রেখেছে যা থানা প্রোপারের জমির চেয়েও বেশি,অত্যধিক মৌজা রেটের কারণে জরুরি প্রয়োজনে গ্রামের মানুষ জমি বিক্রি করতে পারছেনা, রাজনৈতিক বিবেচনায় করা মৌজা রেট পুন নিধারণ করা দরকার,বাঘা সাবারেজিস্ট্রি অফিসে বারবার বলেও যার প্রতিকার পাওয়া যায়নি
বন্টন নামা দলিল করতে ৭ লাখ টাকা দালাল দাবি করে প্রায় ১বছর খানেক সময় ঘুরে সাব রেজিস্ট্রার এর সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে দালাল এর হম্বিতম্বি উপেক্ষা করে ৩ লাখে দলিল করাই। উল্লেখ্য ভূমি অফিস এ দালাল ছাড়া কোনো কাজ করা যায় না। টাকা দেয়া ছাড়া বিকল্প নাই। তাই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করতে যাই, যাবার পরে তারা আমার কাছ থেকে প্রতিটি ফ্লাট থেকে তিন লাখ টাকা করে মোট 6 লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে, আমাকে ভয় দেখানো হয় যে আমার ফ্ল্যাট এর ক্রয় মূল্য অনেক কম দেখানো হয়েছে, যদি আমি ঘুষ না দেই তাহলে এই মূল্য বাড়াতে হবে।
রেজিষ্ট্রী করতে এসেছিলাম। টাকা ছাড়া রেজিষ্ট্রী করবে না কারণ এভাবে রেজিষ্ট্রী করা নাকি আইন বহির্ভূত কিন্তু এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দেয়ার পরে রেজিষ্ট্রী হয়েছে। আমার প্রশ্ন টাকা নেয়ার পরে আইন কিভাবে ঘুরে গেলো?
ভাইদের মধ্যে বন্টননামা দলিল। এক টাাও লাগার কথা না। টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ঠ্রি করবে না বলেছে।
জমি খারিজ করতে অনলাইনে আবেদন করা হয় ,যা আমরা নিজেই করি , অতঃপর আবেদন পাশ করাতে সরকারি খরচের পাশাপাশি বাড়তি 1500 টাকা দাবি করে , তাছাড়া আবেদন পাশ করাবে না । তাই আমরা বাড়তি 1500 টাকা ঘুষ হিসেবে পরিশোধ করতে বাধ্য হই ।
হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের অবস্থিত আমার বাবার চাচাতো ভাই-বোন ও চাচিরদের জমি সাফ কাবলা দলিল রেজিস্টেশন করার জন্য বাবার চাচি (আমার দাদু) অসুস্থতা ও বাবার চাচাতো বোন (আমার ফুফু)এর সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দেশে আগমনের কারনে বরিশালে গিয়ে কমিশন দলিল করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়ায়. এরুপ পরিস্থিতিতে সাফ কাবলা দলিল রেজিস্টেশন কমিশন করার জন্য অতিরিক্ত ৭০,০০০.০০ টাকা প্রদান করতে হয়.১০.০৭.২০২৬ (শুক্রবার)তারিখে বরিশালে গিয়ে কমিশন করা হয় । কোন সরকারি লোক আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করেনি । স্থানিয় ভেন্ডার এর মাধ্যমে তারা এই কাজ করে । যাতে কেউ তাদের বিষয়ে কিছু না বলে ।
আমার বাপের জমি ভাই- বোনদের মধ্যে বন্টণ নামা করার জন্য 4.5 লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছে মহিলা রেজিস্টার অফিসার । কেন আমরা ঘুষ দেব ? আমি জানি সরকারী ফি 2500/ টাকা কিন্তু আমাদের নিকট চাওয়া হয়েছে 450000/। সরকারের নিকট দাবি মহিলা অফিসারকে দ্রুত তাকে শাস্তির আওতায় আনুন। মানুষকে জিম্মী করে টাকা নিচ্ছে । আমরা সরকারী ফির বেশী দিবো না। সরকারী ফি দিয়ে বন্টণনামা করার সহযোগিতা করুণ ।
দলিল ও সরকারের বিভিন্ন নিয়মের জটিলতা উল্লেখ পূর্বক ২ মাস জমি রেজিস্ট্রি আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
জমির দাগ নাম্বার দেখতে চাইলে বলে যতোবারই দেখবেন ২০০ টাকা করে দিতে হবে আমি পাঁচ বার দেখার জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
একটা জমি ডেভেলপমেন্ট এর জন্য রাজউকের নিয়ম মোতাবেক ১০% জমি রাজউক কে ইজমেন্ট ডিড এর মাধ্যমে সমর্পণ করতে হবে। কিন্তু ল্যান্ডওনার এর পাওয়ারে রাজউকের সমস্ত কাজ ব কলমে এটর্ণী করার অধিকার আছে। কিন্তু সাব রেজিষ্ট্রার বলে পাওয়ার এ ইজমেন্ট শব্দটা উল্লেখ নাই তাই ঘুষ না দিলে করবে না।
মসজিদ চাঁদা বলে বছরের পর বছর সকল জমি ক্রেতা বিক্রেতাদের থেকে ৬০০ করে টাকা নেয়।আমি প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বার দেই। তৃতীয়বার রশিদ চাই। কিন্তু রশিদ চাইলে বলে এখানে ১০০ টাকা মসজিদ চাঁদা বাকিটা খরচা।কিন্তু এই মসজিদ চাঁদা কথাটাও মিথ্যা। সকল সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে বছরের পর পর বছর নিচ্ছে। জমি ক্রয় বিক্রয়ে জমি বাড়ি হলে রেজস্ট্রি খরচা বাইরে ৫০০০ টাকা নেয়।
নামজারির আবেদন করেছি বহুদিন আগে, এখনো ভুমি অফিসে পড়ে আছে, যা ১১৭০ টাকায় হবার কথা, নতুন আরেকটা করলাম ১০০০০ টাকায়,মাত্র ৭ দিনে হাতে পেলাম।
যেহেতু আমাকে দলিলটা করতে হবে সেজন্য আমি নয় হাজার টাকা তাদের জরিমানা দিয়েছি। এটা ছাড়া কি হতো না এটা ছাড়া কি সম্ভব ছিল না।
আগস্ট ২০২৬ আমরা কিছু লোক বনশ্রীর একটা জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে তেজগাঁও সাব রেজিস্ট্রারের অফিস যাই, সাব রেজিস্টার আমাদের ভেন্ডরকে ভিতরের রুমে ডেকে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন না হলে রেজিষ্ট্রেশন দিবেন না পরে তার সাথে আলোচনা করে ৬ লাখ টাকা দিলে সাব রেজিস্ট্রার দলিলে সাক্ষর করেন।
They want extra 150000 tk through deed writer for Bontonnama Dalil.
আমি জমি কিনছি নামজারি করতে ১০০০০ টাকা চাইছে
পাওয়ার দলিল থেকে সাব কবলা দলিল করতে লাকসামের সাব রেজিস্ট্রার প্রত্যেক দলিলে অতিরিক্ত ২০ হাজার,৩০হাজার,৫০হাজার দাবি করে।
আমরা ভাই-বোন আমাদের জমি হিস্যা অনুযায়ী বন্টন নামা দলিল রেজিষ্ট্রেশন করব। এজন্য হয়তো সব মিলিয়ে প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা লাগবে কিন্তু মুহুরি ও সাব রেজিস্ট্রারকে ৫০ হাজার টাকা না দিলে জমি রেজিষ্ট্রেশন হবে না। তাই আমি ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি কিন্তু এখনো রেজিষ্ট্রেশন হয়নি।