খাজনা খারিজ আর নামজারি
এখন পর্যন্ত আম আমার কাজ করতেই পারি নাই ঘুসের টাকার অভাবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এখন পর্যন্ত আম আমার কাজ করতেই পারি নাই ঘুসের টাকার অভাবে
টাকা না দিলে দলিল করে দেয়নি।
We were asked pay pay at first 70k as it was commission based registration, where the registry officers would come to one's house and do the registration there.It was Ramadan and they were not coming on time so when we called, they said if we pay 20k more up front they will show up, when we had already paid 70k for the whole process.There were many elderly people who were the owners and wouldn't be able to go the registry office physically,one was on wheelchair, hence this application for commission was applied for. So we paid 20k more as they were black mailing us for it.Then same day for the application for copy of registered deed they asked for 10k when back in 2019 it was 3k-5k.
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে ও দলিলের নকল উঠাতে সরকারি ফি চাইতে অতিরিক্ত ফি দাবি করা।
সরকারি খরচ মাত্র 2000 বা তারও কম। অথচ দালাল চক্র 55000 টাকা নেয়। এটা দেয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। নানা অজুহাতে ফিরিয়ে দিচ্ছিল। অফিসের স্টাফের সাথে পরামর্শ নিতে আসলেও তারা ইনিয়ে বিনিয়ে দালালদেরকে দেখিয়ে দেয়। টাকা লেনদেন হয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের পাশেই দলিল লেখকদের অফিসে।
রংপুর, মিঠাপুকুরের রেজিস্ট্রি অফিসে একজন দলিল লেখক ২৯৫০০০/- (দুই লাখ পচানব্বই হাজার) টাকার জমি রেজিস্ট্রি করতে আমার থেকে ৩৫০০০/ পয়ত্রিশ হাজার টাকা নিয়েছেন ।
জমির রেজিস্ট্রি করার জন্য যাই, প্রথমে সরকারি কোষাগারে প্রি অর্ডারে ক্রয় সূত্রে ৮,০০,০০০ টাকা জমা দেই । যখন সাব রেজিস্ট্রার অফিসার এর কাছে যাই জমি রেজিস্ট্রির জন্য তখন আমার কাছ থেকে আরও কোনো রশিদ ছাড়া মানে ঘুষ ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে না দিলে নাকি রেজিস্ট্রি হবে না, ব্যাংক এ সরকারি টাকা দিয়ে ফেলেছি এই কারণে ঘুষ ১,৫০,০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
আমি জায়গায় কিনেছেন। নতুন জায়গায় নামজারি করতে ১০০০০ লাগবে। যেখানে সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা মাত্র।
জমির মামলা করব । তাই যাবে না তুলতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছিলাম
দলিল করার পর নামজারির জন্য মূল দলিল বা অবিকল নকল দলিলের প্রয়োজন হয় । যেহেতু মূল দলিল আসতে প্রায় ২ বছর লাগে তাই অবকল নকল দলিল তোলার জন্য ১২০০ টাকা জায়গায় ১৭০০ টাকা দাবি করে ও তা আদায় করেন
দলিল দাতা একটি দলিল সম্পাদন করার পর দ্বিতীয় দলিল করতে গেলে বলা হয় দ্বিতীয় দলিল হবে না আজকে। বলে খাস কামরায় চলে গেলেন। ভেন্ডর খাস কামরায় গেলে ৬০০০ টাকার ( যা আগেই দাবি করেছিল) অতিরিক্ত আরো ১০০০০ টাকা দাবি করে। মোট ১৬০০০/ টাকা দেয়ার পর দ্বিতীয় দলিল সম্পাদিত হয়।
রেকর্ড করার জন্য, হাতের টিপ নেওয়ার বিনিময়ে ২০০ টাকা দাবি, সোনাগাজী সাব রেজিস্টার অফিস এ
আমার নাম জারি করতে বারো হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
Without money dub register didn’t agree to accept the file.
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রির জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব ডকুমেন্ট ওকে ছিল।
দানপত্র রেজিস্ট্রেশন এর খরচ সরকার নির্ধারিত আনুমানিক ৩০০০/- টাকা। ২০২৪ সালের ঘটনা। আমার কাছে উক্ত পরিমান দাবী করাহয়। বলা হয় দলিল লেখক সমিতি ও সাবরেজিস্টার অফিসের খরচ বাকিটা। এটাই এখানকার নিয়ম। আমি ১১০০০০/- টাকায় কাজটা করতে বাধ্য হই।
রেজিঃ অফিসে ২০০ টাকা করে প্রতি বছরে তল্লাশি নিয়েছে। আমরা মোট ২০ বছরের তল্লাশি দিয়েছি। রেজিঃ অফিসের সইমুহুরী আমাদের শুধু প্রতিদিন সময় দিয়ে ঘুরান। একদিন এক বছরের করে তল্লাশি দেন। এভাবে এক সপ্তাহ এক দিন পর পর ওখানে গিয়ে আমার বাবা গাড়ি ভাড়া আর ওদের খরচ সহ মোট ২ লক্ষ টাকা শেষ করে ফেলেন। আমরা গরীব মানুষ,, আমাদের দলিল গুলো আমাদের শত্রুরা চুরি করে নিয়ে গিয়েছিলো ৫০ বছর আগে। তারপর তারা আমার দাদাকে ভয় দেখিয়ে আমার দাদার জায়গায় মানুষ দখল নেন। আর তাদের নাম রেকর্ডে তোলে ফেলেন। আমার দাদা পড়ালেখা জানতো না। দাদা মারা যাওয়ার এতো বছর পর এখন ওই রেকর্ড করা মানুষ গুলো আমাদের জমি নিয়ে যেতে আসে। আগে শুধু আমাদের বাড়িটাই আমাদের ছিলো। এখন বাড়িও নাকি তাদের। কারন আমাদের দাদা রেকর্ডে নাম তোলাতে পারেনি।
দলিল করার সময় আমার পাওয়ার নাম্বার ভুল দেওয়াতে আমি মিউটেশন করতে গেলে করতে গেলে ভুল উপলক্ষিত হয়। পরবর্তীতে আমি পুনরায় ভুল সংশোধন করার জন্য ঘোষণাপত্র করতে চাইলে আমার থেকে এই টাকা দাবি করেন
I applied for mutation, they have been keeping my application on hold for a long time and have not given any results..Later, when I contacted the office, they demanded 6000 taka from me...I had to give it because I had no other choice...
দলিল রেজিস্ট্রার করতে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়েছিলো