mutation
someone named — asked me 50000 bdt for namjari.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
someone named — asked me 50000 bdt for namjari.
আমি বাংলাদেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলাম। বর্তমানে দেশের বাইরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি। ২০২২ সালে নিজের জমি আমার বাবার নামে লিখে দেওয়ার জন্য পাবনা সদর রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। জানি না, সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব এখনো সেখানে আছেন কি না। তবে সেই অভিজ্ঞতা আজও আমাকে কষ্ট দেয়। আমাকে অসহায় পরিস্থিতিতে ফেলে তিনি আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন।
রাজউক থেকে কেনা Flat registration করার সময়
Private flat registration
জমির নকল তুলতে খরচ হবে 16০০ টাকা পরে টাকা চায় ২২০০ টাকা ২০১৫ সালে নকল
জমি রেজিস্ট্রার করার জন্য সারাদিন চলে গেলো। দিন শেষে তখন বাজে বিকেল ৩:০০/৪:০০ এর মতন। সাভার সাব রেজিস্ট্রার স্যার চলে যাবেন বলে তাড়াহুড়ো শুরু হলো। সাব রেজিস্ট্রার এর সামনে দাড়ানোর পর জানা গেলো যে ভুমি কর পরিশোধিত না। (যাক এইটা বেখেয়ালে হয়ে গিয়েছিলো হয়তো) তো যিনি মহরি ছিলেন তিনি সঙ্গে সঙ্গে সুযোগ বুঝে মাত্র ৫২ টাকা এর করের জন্য ৩০০০০৳ দাবি করে বসলো। সেই মুহরি বার বার বলতে লাগলো আগামীকাল পর্যন্ত গেলে পারবেন না। আর আমরাও অনেক দূর (মিরপুর) থেকে গিয়েছিলাম। তো তার ভাষ্যনুযায়ী কোন ভাবেই কাজ এগুনো যাচ্ছিলো না। পরে বাধ্য হয়ে তার সাথে বার্গেনিং করে ৩০ কে ২০ এ নামানো হলো এবং কোন এক দোকান থেকে একটা নাম্বারে ঐ ২০০০০৳ পাঠিয়ে দেয়া হলো। এই হলো জোর-যার মুল্লুক তার - এর ব্যবহার।
I apply for marriage certificate e-appostile, In government site that if free but they charge 4000 tk, I called 333 they really help me, They said no need to pay any money. We will handle it, Then i got it without any cost.
জমি রেজিস্ট্রির খরচ হিসেবে মিথ্যা বলে তারা কৌশলে এ টাকা নিয়েছে। রেজিস্ট্রি খরচ এতো বেশি নয় বলার পরে বলে আমরা আপনার টাকার হিসেব দিব। কিন্তু পরবর্তীতে অনলাইনে উল্লেখিত টাকার হিসেব দিয়ে অতিরিক্ত টাকা তারা অনেকটা জোর করেই রেখে দেয়।
আমি প্রথমে অনলাইনে mygov.bd ওয়েবসাইটে সকল ডকুমেন্টস সহ সত্যায়নের আবেদন করলে, এটা বাতিল করা হয়। বাতিলের কারণ হিসেবে নোট করে দেওয়া হয় যে, "সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রার নিকাহনামা যাচাই সংক্রান্ত বালাম বইটি প্রেরণ না করায় বাতিল করা হলো" । পরবর্তীতে কাজী অফিসে স্ব-শরীরে যোগাযোগ করলে তারা জানায় যে, ফেনী জেলা রেজিস্টার কার্যালয়ে তাদের একজন প্রতিনিধি সহ যাওয়ার পরে সেখানে 20000 টাকা দিলেই ই-আপোস্টিল বা সত্যায়ন করে দেয়া হবে। যেহেতু প্রয়োজন তাই বাধ্য হয়েছি।
সাব রেজিস্ট্রার টাকা ছাড়া দলিল সম্পূর্ণ করতেছিলো না । ৪০০০০ টাকার বিনিময়ে সম্পূর্ণ করেছি ।
আমি একটা ম্যারেজ সার্টিফিকেট সত্যায়ন করার জন্য ফরেন মিনিস্টার অফিসে পাটাই তখন সাব রেজিস্টার অফিস এটা ভেরিফাই করা লাগে ওইখানে ভেরিফাই করার জন্য ছিল তারপর আসছিল তারপর ওরা আর ওইটা ভেরিফাই করার জন্য বলছে টাকা দেয়া লাগবে আমি গেছিলাম পরে ওই অফিসের আরেকজন উনি আমার কাছে টাকা চাইছে তো ওরা বলছে যে টাকা না দিলে বের করবে না আমার কাছে লেনদেনের এভিডেন্স আছে
আমি একটি দলীলের নকল তুলতে গিয়ে ২৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি া ঐখানে একজন পিয়ন আছে ওনি নিয়েছে
নিজেই পিয়নের মাধ্যমে নিয়েছে।
সাবরেজিস্ট্রেশন অফিসে টাকা বেশি নিচ্ছে, কারণ বলছে সাবরেজিস্ট্রারকে বেশি বেশি ভাগ দিতে হচ্ছে৷ জেলা৷ রেজিস্ট্রারকে। তার নাম —, জেলা রেজিস্ট্রার, রাজশাহী।
তারাকান্দা উপজেলার মোজাহারদী মৌজায় একটি দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য সাব-রেজিস্টারকে বিগত জানুয়ারি ২০২৬ এ সরকারি জমার অতিরিক্ত ২ লক্ষ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে। না দিলে দলিল রেজিষ্ট্রেশন হবে না। কাগজে কোন সমস্যা ছিল না, শুধু দলিল এর মূল্য বেশি ছিল।
কম্পিউটার অপারেটর ইচ্ছাকৃতভাবে টাইপ করার সময় ভুল করেছেন এবং দোষ স্বীকার করতে অস্বীকার করেছেন। ভুলটি ঠিক করে দেওয়ার জন্য তিনি টাকা দাবি করেছেন।
শেষ মুহুর্তে জমি রেজিষ্ট্রেশন আটকে দিয়ে ছিলো। সব ঠিক থাকার পরো
জমির নামজারি করতে ঘুষ চেয়েছে। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
প্রতি কাঠা রেজিষ্ট্রেশন জন্য তাকে আলাদা করে ৫০০০ টাকা দিতে হবে, নয়তো দানপত্র দলিল করবেনা। বড়ই বিড়ম্বনা বয়ে বেড়াচ্ছি
ব্যাংকে নিরাপত্তা জামানত দেয়া সাবরেজিষ্টার তার অফিস কেরানীর মাধ্যমে নিয়েছে। তা না হলে দলীল তিনদিন ঘুরিয়েছে।