নকল
১০০ টাকার নকল ১৫০০ দাবি করবে সমঝত কম টাকার পরিমান তত বেশি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
১০০ টাকার নকল ১৫০০ দাবি করবে সমঝত কম টাকার পরিমান তত বেশি
সেই দিন আমার বাবা-মা র ভোটার ঠিকানা ঢাকা থেকে হিজলা বরিশাল করার জন্য হিজলা উপজেলা নির্বাচন অফিস এ যাই এর সব কাগজ ওকে ছিল কিন্তু সেখানে এখন কর্মী সরকারি ফী বলে আমার কাছে ৪৮০ টাকা দাবি করে যে এইরকম ভাবে কথা টা বললো সবাই বিশ্বাস করবে সে বললো এইটা সরকারি ফী আপনি চাইলে এইখানে দিতে পারবেন বা ব্যাংক এর মাধ্যমে দিতে পারবেন। আমি তার এই কথার উপর প্রশ্ন করি কিন্তু সে ঠিক ভাবে উত্তর দিতে পারে নাই। আমার কাজ টা জরুরি ছিল তাই আর বেশি জামেলা করি নাই দিয়ে দিছি
They asked for money for tea
কয়েকটি তফশিল ভুক্ত বন্ধকী সম্পত্তির মধ্যে একটি অবমুক্তি করতে ১০০০০০ ঘুষ চায় দালালের মাধ্যমে। এর আগে বলে, এটা সম্ভব নয়। দেনদরবার করে ঘুষের টাকা দালালের মাধ্যেমে দেয়া হয়। সাব রেজিস্ট্রি অফিস: ধানমন্ডি সময় ২০২৫
জমি রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় সাব রেজিস্টার সাহেব স্বাক্ষর করছিলেন। এক পর্যায়ে উনি আবাসিক জমিটিকে বাণিজ্যিক জমি হিসেবে বলেন এটাতে আরো ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে। তখন দলিল লেখক এর মাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়ে কিছু একটা বললেন। দলিল লেখক আমাকে জানালেন কিছু টাকা দিতে হবে। উপায় না পেয়ে আমিও টাকাটি দিতে বাধ্য হই।
Bank partially redeemtion Sun register received extra money from client for redemption purpose.
জমি দলিল করার ক্ষেত্রে কাজিপুরের গান্ধাইল অফিসে প্রথম যে ব্যক্তি রেজিষ্ট্রেশন করেন তিনি আমার বক্তব্য নিলেন, তারপর দরজার কাছে ওনার টেবিল সে লোক আমার হাতে ছাপ এবং স্বাক্ষর নেবে একটু ফরমে, এই ছাপ ও স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য তিনি ১০০ টাকা নেন। এটা তিনি সবার থেকেই নেন। ঘুষের পরিমান অতি অল্প, ১০০ টাকা মাত্র। কিন্তু তিনি প্রতিদিন যারা যারা দলিল করার তাদের থেকে ১০০ টাকা করে নিয়ে থাকেন।
মূল ভলিউমে সাবরেজিস্ট্রারের সহি নেই অজুহাতে।দলিল সম্পাদন 1972 সাল
They are finds lots off error and i try to solve the issue again and again. But they didnt accept my document. But when i pay the ghush amount then automatic solve all the problem and errors. I did not meet with any gov person. They contact me via Muhuri —.
আমি একটা জায়গা কেনার পর সেটি রেজিস্ট্রি করতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে রেজিস্ট্রির পর পেশকার আমার কাছে ১০০ টাকা দাবি করে।১০০ টাকা না দিলে সে দলিল ছাড়বেনা।প্রথমে আমি টাকা না দিয়ে বের হয়ে যাই,দেখলাম সে আমার দলিল এক সাইডে ফেলে রাখছে।যারা টাকা দিচ্ছে তাদের দলিল ছেড়ে দিচ্ছে।পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই তাকে টাকা দেওয়া লাগছে।
নকল তোলার জন্য গেলে সেখানে সরকারি ফিস বাদেও তাদেরকে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দিতে হবে নয়তো নকল ( দলিলের ডুপ্লিকেট কপি) দেওয়া সম্ভব না এই ১০০০ টাকা কে তারা আদর করে শেরেস্তা নামে ডাকে।
৩৪ বছর আগের খারিজের ডিসিআর অস্পষ্ট ছিল।
Bank loan niye group loan ar shesh kistir jonno punoray mortgage power korar somoy
আড়াইহাজারের ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা বাইরের দালালের মাধ্যমে এই প্রতারণা গুলো করে, আমি যদি তাদেরকে টাকা না দেই তাহলে নামজারি বাতিল করে দেয় ।
জমির নামজারি করতে গিয়ে হয়রানি। কম টাকায় নামজারি করতে আগ্রহী নয়.....।
তারা বাইরে — মাধ্যমে এই প্রথম গুলো করে থাকে, আড়াইহাজার এর সাব রেজিস্টার অফিসারের ঘুষ খাওয়ার পাবনতা খুবই বেশি
আসসালামুয়ালাইকুম, ফেনী শহরের একটি দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে ৫ তলা বাড়ির কথা গোপন রাখা হয়েছে। যার আনুমানিক রাজস্থ ৫০০০০০/- সরকার হারিয়েছে। এখানে অফিস সিস্টেম হল, গোপন রাখা টাকার অর্ধেক অফিস পেমেন্ট করতে হবে। দলিল নাম্বার টা আপনারা গোপন রাখবেন। শুধু সত্যতার জন্যে দেওয়া হল।
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে একটা কাগজ শর্ট দেখিয়ে জমির রেজিস্ট্রেশন আটকে দেয়। জমির দাতা বাহিরে চলে যাবে। ১ দিনের ছুটি ছিলো। সেই দূর্বলতা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহায়ক —, পিতা: — জানতো এবং সে সাবরেজিস্টার রে বলে দলিল আটকে দিয়ে দেন ৫০০০০/- টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে ২৫০০০/- টাকা দিয়ে সেটা ক্লিয়ার করতে হয়।
সরকারি স্ট্যাম্পের নিচে বড় বড় অক্ষরে নীতিবাক্য লেখা থাকে, অথচ সেই স্ট্যাম্পে দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলেই শুরু হয় ওপেন দুর্নীতি! নিজের পারিবারিক সম্পত্তির একটা আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) দলিল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বরিশালের বাকেরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র একশভাগ ঠিক থাকার পরেও সেখানে দালালের/ভেন্ডারের মাধ্যমে আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। হয়রানি এড়াতে আর কাজটা ঝামেলা ছাড়া শেষ করতে প্রথমে সাব-রেজিস্ট্রারের জন্য চাওয়া ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে আমি রাজিও হয়েছিলাম। কিন্তু এদের লোভের তো কোনো শেষ নেই! এরপর আবার নতুন করে "অফিস খরচ" বা টেবিল খরচের নামে আরও ৩,০০০ টাকা দাবি করা হয়। দলিল রেজিস্ট্রেশনের যে আসল সরকারি ফি, সেটা দিতে আমার কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্ত
ওয়ারিশ সার্টিফিকেট এ দাদির নাম ভূল থাকায় দলিললেখক অফিসারকে ম্যানেজ করতে ৫০০০ টাকা বাড়তি আদায় করে। কিন্তু পরিশোধ করেনাই। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিলে অফিস সয়ায়কের কাছে টাকা জমা দেয়। আমরা এরপর চলে আসি।