সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৮৩ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিইনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৮.০ হাজার

পাওয়ার দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য

সরকারি স্ট্যাম্পের নিচে বড় বড় অক্ষরে নীতিবাক্য লেখা থাকে, অথচ সেই স্ট্যাম্পে দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলেই শুরু হয় ওপেন দুর্নীতি! ​নিজের পারিবারিক সম্পত্তির একটা আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) দলিল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বরিশালের বাকেরগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়েছিলাম। সব কাগজপত্র একশভাগ ঠিক থাকার পরেও সেখানে দালালের/ভেন্ডারের মাধ্যমে আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। ​হয়রানি এড়াতে আর কাজটা ঝামেলা ছাড়া শেষ করতে প্রথমে সাব-রেজিস্ট্রারের জন্য চাওয়া ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিতে আমি রাজিও হয়েছিলাম। কিন্তু এদের লোভের তো কোনো শেষ নেই! এরপর আবার নতুন করে "অফিস খরচ" বা টেবিল খরচের নামে আরও ৩,০০০ টাকা দাবি করা হয়। ​দলিল রেজিস্ট্রেশনের যে আসল সরকারি ফি, সেটা দিতে আমার কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্ত

বাকেরগন্জ, বরিশাল ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিইনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.৫০ লাখ

জমি রেজিস্ট্রেশনে দলিল লেখক কর্তৃক অনৈতিকভাবে ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ ৫০ হাজার) টাকা ঘুষ দাবি

উক্ত জমি বিক্রয় ও নিবন্ধনের প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য আমি স্থানীয় লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখকের এর নিকট গমন করি। দলিল সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার পর উক্ত দলিল লেখক আমার কাছে সরকারি নির্ধারিত ফি-র অতিরিক্ত ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ ৫০ হাজার) টাকা অনৈতিক বকশিস বা ঘুষ হিসেবে দাবি করেন। উক্ত বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবির কারণ জানতে চাইলে তিনি আমাকে জানান যে, জমিটিতে কিছু প্রশাসনিক ও আইনি "জটিলতা" রয়েছে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে, এই ১,৫০,০০০ টাকা না দিলে কর্মকর্তা উক্ত দলিল নিবন্ধন (রেজিস্ট্রি) করবেন না এবং ফাইল আটকে রাখবেন।

টাঙ্গাইল, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৫.০ হাজার

সাফ কবলা দলিল রেজিষ্ট্রেশন

ওয়ারিশ সার্টিফিকেট এ দাদির নাম ভূল থাকায় দলিললেখক অফিসারকে ম্যানেজ করতে ৫০০০ টাকা বাড়তি আদায় করে। কিন্তু পরিশোধ করেনাই। পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিলে অফিস সয়ায়কের কাছে টাকা জমা দেয়। আমরা এরপর চলে আসি।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা, বরিশাল ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২০.০ হাজার

জমি রেজিস্ট্রি

আমি বাংলাদেশের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলাম। বর্তমানে দেশের বাইরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি। ২০২২ সালে নিজের জমি আমার বাবার নামে লিখে দেওয়ার জন্য পাবনা সদর রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। জানি না, সাব-রেজিস্ট্রার সাহেব এখনো সেখানে আছেন কি না। তবে সেই অভিজ্ঞতা আজও আমাকে কষ্ট দেয়। আমাকে অসহায় পরিস্থিতিতে ফেলে তিনি আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন।

Pabna, রাজশাহী ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৩০.০ হাজার

জমির রেজিষ্ট্রেশন ও নামজারি

সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির রেজিষ্ট্রেশন ও নামজারি বাবদ ৩০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

সাভার, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২০.০ হাজার

জমির খাজনা আদায়

জমি রেজিস্ট্রার করার জন্য সারাদিন চলে গেলো। দিন শেষে তখন বাজে বিকেল ৩:০০/৪:০০ এর মতন। সাভার সাব রেজিস্ট্রার স্যার চলে যাবেন বলে তাড়াহুড়ো শুরু হলো। সাব রেজিস্ট্রার এর সামনে দাড়ানোর পর জানা গেলো যে ভুমি কর পরিশোধিত না। (যাক এইটা বেখেয়ালে হয়ে গিয়েছিলো হয়তো) তো যিনি মহরি ছিলেন তিনি সঙ্গে সঙ্গে সুযোগ বুঝে মাত্র ৫২ টাকা এর করের জন্য ৩০০০০৳ দাবি করে বসলো। সেই মুহরি বার বার বলতে লাগলো আগামীকাল পর্যন্ত গেলে পারবেন না। আর আমরাও অনেক দূর (মিরপুর) থেকে গিয়েছিলাম। তো তার ভাষ্যনুযায়ী কোন ভাবেই কাজ এগুনো যাচ্ছিলো না। পরে বাধ্য হয়ে তার সাথে বার্গেনিং করে ৩০ কে ২০ এ নামানো হলো এবং কোন এক দোকান থেকে একটা নাম্বারে ঐ ২০০০০৳ পাঠিয়ে দেয়া হলো। এই হলো জোর-যার মুল্লুক তার - এর ব্যবহার।

সাভার, ঢাকা, ঢাকা ২৬ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২০.০ হাজার

নিকাহ নামা সত্যায়ন

আমি প্রথমে অনলাইনে mygov.bd ওয়েবসাইটে সকল ডকুমেন্টস সহ সত্যায়নের আবেদন করলে, এটা বাতিল করা হয়। বাতিলের কারণ হিসেবে নোট করে দেওয়া হয় যে, "সংশ্লিষ্ট নিকাহ রেজিস্ট্রার নিকাহনামা যাচাই সংক্রান্ত বালাম বইটি প্রেরণ না করায় বাতিল করা হলো" । পরবর্তীতে কাজী অফিসে স্ব-শরীরে যোগাযোগ করলে তারা জানায় যে, ফেনী জেলা রেজিস্টার কার্যালয়ে তাদের একজন প্রতিনিধি সহ যাওয়ার পরে সেখানে 20000 টাকা দিলেই ই-আপোস্টিল বা সত্যায়ন করে দেয়া হবে। যেহেতু প্রয়োজন তাই বাধ্য হয়েছি।

ফেনী, চট্টগ্রাম ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৫০.০ হাজার

জমি ক্রয়

জমি রেজিস্ট্রির খরচ হিসেবে মিথ্যা বলে তারা কৌশলে এ টাকা নিয়েছে। রেজিস্ট্রি খরচ এতো বেশি নয় বলার পরে বলে আমরা আপনার টাকার হিসেব দিব। কিন্তু পরবর্তীতে অনলাইনে উল্লেখিত টাকার হিসেব দিয়ে অতিরিক্ত টাকা তারা অনেকটা জোর করেই রেখে দেয়।

ঝিনাইদহ, খুলনা ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳৪০.০ হাজার

জমির দলিল হস্তান্তর করতে

সাব রেজিস্ট্রার টাকা ছাড়া দলিল সম্পূর্ণ করতেছিলো না । ৪০০০০ টাকার বিনিময়ে সম্পূর্ণ করেছি ।

কাহালু, বগুড়া, রাজশাহী ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.০ হাজার

Marriage certificate

আমি একটা ম্যারেজ সার্টিফিকেট সত্যায়ন করার জন্য ফরেন মিনিস্টার অফিসে পাটাই তখন সাব রেজিস্টার অফিস এটা ভেরিফাই করা লাগে ওইখানে ভেরিফাই করার জন্য ছিল তারপর আসছিল তারপর ওরা আর ওইটা ভেরিফাই করার জন্য বলছে টাকা দেয়া লাগবে আমি গেছিলাম পরে ওই অফিসের আরেকজন উনি আমার কাছে টাকা চাইছে তো ওরা বলছে যে টাকা না দিলে বের করবে না আমার কাছে লেনদেনের এভিডেন্স আছে

Moulvibazar, সিলেট ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২.৫ হাজার

দলীল নকল কপি

আমি একটি দলীলের নকল তুলতে গিয়ে ২৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি া ঐখানে একজন পিয়ন আছে ওনি নিয়েছে

বোয়ালখালী উপজেলা, চট্টগ্রাম ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳১.০ হাজার

নিবন্ধন

কম্পিউটার অপারেটর ইচ্ছাকৃতভাবে টাইপ করার সময় ভুল করেছেন এবং দোষ স্বীকার করতে অস্বীকার করেছেন। ভুলটি ঠিক করে দেওয়ার জন্য তিনি টাকা দাবি করেছেন।

জগন্নাথপুর, সিলেট ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২.০০ লাখ

দলিল রেজিষ্ট্রেশন

তারাকান্দা উপজেলার মোজাহারদী মৌজায় একটি দলিল রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য সাব-রেজিস্টারকে বিগত জানুয়ারি ২০২৬ এ সরকারি জমার অতিরিক্ত ২ লক্ষ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে। না দিলে দলিল রেজিষ্ট্রেশন হবে না। কাগজে কোন সমস্যা ছিল না, শুধু দলিল এর মূল্য বেশি ছিল।

তারাকান্দা, ময়মনসিংহ, ময়মনসিংহ ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১ বার দেখা হয়েছে
মন্তব্য