সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৫৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

মামলা চলাকালীন সময়ে দলিল সংশোধন

আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে দলিল সংশোধন করে দিছে দেওয়ানগঞ্জ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কেরানী —। আমার কাছে ১০০০০ টাকা চেয়েছিলো। আমি দিয়েছি৷ কিছুদিন পর বিপক্ষ পার্টির কাছে ১৫০০০ টাকা নিয়ে দলিল সংশোধন করে দিয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
দেওয়ানগঞ্জ ৳১০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

একটি মর্টগেজ কৃত জমির ঋণ পরিশোধ হয়ে যাওয়ার পর, পাওয়ার মর্টগেজ রিডামপশন করার জন্য সরকারি ফি এর অতিরিক্ত প্রায় ১৫ হাজার টাকা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ভেন্ডর এর মাধ্যমে তারা নিয়ে যায়। যেন একটা অঘোষিত আইন বাস্তবায়ন করেছে সবার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও সকল ক্ষেত্রে এটাই এটাই তারা নেয়। বাংলাদেশের ঘুষ দুর্নীতির এক নাম্বার হলো সাবরেজিস্ট্রি অফিস।

ঘুষ দিয়েছি
ফেনী ৳১.৫০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিষ্ট্রেশন ও নামজারি

রেজিষ্ট্রেশন করতে লাগে, ১৫-২০০০০ টাকা, আর নামজারি করতে লাগে ১১৫০০ টাকা, তবে মান্দির পুতেরা ১,২০,০০০ টাকার নিচে কোন কাজই করেনা, সাথে দলিল লিখক দের যোগ সাজশে চলছে রমরমা

ঘুষ দিয়েছি
টেকনাফ ৳১.২০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

বন্ধকী দলিল পাওয়ার দলিল

ব্যাংক কর্মকর্তা। বন্ধকী দলিল পাওয়ার দলিল করতে সমস্ত সরকারি খরচ পপরিশোধ করার পরেও অফিস খরচ নামে ৪০০০ টাকা অতিরিক্ত নেয়া হয়।

ঘুষ দিয়েছি
ফরিদপুর ৳৪.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

ব‍্যাংক থেকে একটি নিলাম সম্পত্তি কেনার পর যখন রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছি, রেজিস্ট্রার জানিয়ে দিয়েছে ১,৫০,০০০ টাকা উনাকে না দিলে কাজ হবে না। তারপর টাকা দেওয়ার পর রেজিস্ট্রি করেছে।উনার বয়স খুব বেশি না এবং মাথায় টুপিও পড়ে, ৫০ হাজারের নিচে নাকি উনি ঘুষ খায় না!! মাসখানেক আগে আমার বাবা, আমার আম্মাকে কিছু জমি হেবা দান করেছে, বাবা অসুস্থ তাই কমিশন করার অনুমতির জন‍্য গেলে উনি ৫০০০০ টাকা না দিলে কমিশন দিবে না জানিয়ে দিয়েছেন। তারপর ৫০ হাজার টাকা দিয়েই কমিশন করিয়েছি।

ঘুষ দিয়েছি
শ্রীপুর ৳২.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমিরেজেসটি

দলিলে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্নহওয়ার পর দিন দলিল লিখক ফোনদিয়া বলে ইকটু অফিসে আসেন আমাকেত অফিসে ডুকতে দেয়না । আমি বলি কেনো ওনি বলে কালকে ছার দলিলে ছাইন করেনাই আর ঐ দিলিল ওনার মহরি সবার সাক্ষর নিয়া জমা করে দিছে আপনি ইকটু আসে।আমও বল্লাম এখানে আমার কি দোস ওটাতো ওনার অফিসিয়াল বুল। ত ঔনি বল্লো টাকা খাওয়াজনয় এমন করে নাইলে দলিল লিখকের লাইছেঞ্চএ আগাত আসবে আর আমার দলিল বাতিল করে দিবে। জনতে চাইলা কত চায়। উত্তর ৫০০০ টাকা ৪০০০ টাকা দিতে চাইলে মানলোনা পুরাটাই নিছে। পরে জান লাম সবার সাথেই কোন না কোন অজুহাতে এসব করে। আবারপ্রতি দলিল এ সরকারি ফি উসক্র এর সাথে ওনাদের জন্য অফিস খরচ নামে আরও, বা২% টাকা এক্সটা নেয়

ঘুষ দিইনি
মহনপুর মতলব উত্তর চাঁদপুর ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

হেবা ঘোষনা দলিল নিতে অফিসে ঘুস দিতে হয়েছে।

বাবা আমাকে দানপত্র করে জমি হেবা করে দিয়েছে যার জন্য সাব রেজিস্ট্রার অফিসে মোট মৌজা দামের ১% ঘুস চেয়েছে, এই টাকা চায় দলিল লেখকদের মাধ্যমে। অফিস বাসার পাশে হওয়ায় অনেক দেন দরবার করে ২৩০০০ এর যায়গায় ১০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। মানে আমি ঘুষে একটু ডিসকাউন্ট পাইছি। সকল দলিলে মৌজা রেটের ১% টাকা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ঘুষ হিসেবে দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
আমতলী, বরগুনা জেলা ৳২৩.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রেশন

সাব রেজিস্ট্রার, আশরাফ আলী, সিরাজগঞ্জ সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস। সে একজন পরিচিত ঘুষখোর সাব রেজিস্ট্রার। বাড়ি কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারী। একটি দলিল রেজিস্ট্রেশন বাবদ সরকারি ফি বাদে তাকে ২৫০০০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে। তা না হলে রেজিস্ট্রেশন হবে না। নিরুপায় হয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। কাগজপত্রে কোন ধরনের সমস্যা ছিল না।

ঘুষ দিয়েছি
সিরাজগঞ্জ ৳২.৫০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

জমি রেজিস্ট্রি করতে যাওয়ার কারণে সেখানে আমার দলিলের নাম — আমার আইডি কার্ডের নাম — আমার আইডি কেটে — নাই এই জন্য এই নামের কারণে আমার কাছ থেকে ১০০০০ টাকা নিছে আমি প্রত্যয়ন পত্র জমা দিয়েছি চেয়ারম্যান কর্তৃত্ব যে — এবং — একই ব্যক্তি এই মর্মে প্রত্যয়ন পত্র দিয়েছে আমার চেয়ারম্যান আমি প্রত্যয়ন পত্র জমা দিয়েছি এরপর এরা প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করে নেয় কারণ এরা টাকা নেয়ার জন্য

ঘুষ দিয়েছি
মোরেলগঞ্জে ৳১০.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

বিভিন্ন সেবার ওপর অতিরিক্ত ঘুষ ধার্যকরণ

ডেইলি কাজগুলোর মধ্যে প্রতিটি কাজে ঘুষ নির্ধারণ করা হয়েছে,একই নামের প্রত্যয়ন পত্র-(৫০০০-১০০০০) বন্টন নামা দলিলে বিভিন্ন রেঞ্জে -(১০,০০০-১,০০,০০০) মর্গেজ দলিলে বিভিন্ন রেঞ্জে- -(১০,০০০-১,০০,০০০). দলিলের নকল থেকে কমিশন-৫০০/- দলিলের ফিস থেকে কমিশন-২০০- ----------------------------------------- দৈনিক ঘুষের পরিমাণ সব মিলিয়ে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা, যাহা মাসে কুটি টাকার উপরে,,,,,,,,

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳৫.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

জমি রেজিস্ট্রির জন্য গিয়েছিলাম। সাব রেজিস্ট্রার আমার এক বন্ধুর পরিচিত ছিলো। ভেবেছিলাম বিনা ঘুষে জমি রেজিস্ট্রি করতে পারবো। কিন্তু সেখানে নানা ফাদ। অফিস খরচের নামে ২৫০০ টাকা, সমিতির নামে ২৫০০ টাকা। ওখানকার মুহুরিরা সরাসরি এর সাথে জড়িত। সাথে স্থানীয় সিন্ডিকেট।

ঘুষ দিয়েছি
আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল চেক

বাসার হেবা দানকৃত দলিলটা আসল কিনা সেটা চেক দিতে ঢাকা তেজগাঁও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়েছি, নিচের হেল্পডেস্ক এ জিজ্ঞেস করেছি যাতে দালাল না ধরে এবং অফিসিয়াল রেট পাই, হেল্পডেস্ক লোক একটা মুহুরি ডেকে দিলো। ইনফো নিয়ে ১৫০০টাকা দাবী করলো, দর কষাকষি করে ৮০০ তে রাজি হলো। পরে দলিলের ভলিউম বই চেক করতে নিয়ে গেছে রেকর্ড রুমে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৮০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

land registration

For land registration of a property worth Tk. 86.51 lakh, the deed writer’s society is demanding Tk. 7 lakh. According to government rates, the registration cost should be around 4%–4.5%, meaning it should not exceed approximately Tk. 4.5–5 lakh. The Muhuri has taken the full amount, and some Sonali Bank staff are also involved. Although we completed the agreement registration, they are not providing the challan or tax payment copy. They claimed the extra amount is fixed and will be distributed among everyone involved, including the Sub-Registrar. There is a serious lack of transparency in this process. The deed writer’s society appears to operate as a group, and people are forced to pay.

ঘুষ দিয়েছি
Akkelpur ৳৭.০০ লাখ
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

Registration

আমি আমার জমি নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম। সাব-রেজিস্ট্রার অকারণে ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করেছেন। আমার কাছে সমস্ত কাগজপত্র হালনাগাদ আছে। কিছু প্রভাবশালী মন্ত্রীর সাথে তার যোগাযোগ আছে। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত তার ২১টি অ্যাপার্টমেন্ট এবং অজ্ঞাত পরিমাণ জমি রয়েছে। অনুগ্রহ করে তদন্তের জন্য ডিইউডিইউকে-কে অনুরোধ করুন।

ঘুষ দিইনি
Badda Mouza-dhaka ৳৩০.০০ লাখ
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

ফ্ল্যাট রেজিষ্ট্রেশন

আমি আমার ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি করতে তেজগাঁও ভূমি রেজিষ্ট্রেশন অফিসে গিয়েছিলাম। আমার বাসার জমির শ্রেণি ভূমি অফিসে ইটখোলা (আবাসিক) হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে। উল্লেখ্য আমার বাসাটি মোহাম্মদপুরে এবং দীর্ঘদিন যাবত এখানে আবাসিক প্রকল্প চলমান আছে। কিন্তু ভূমি কর্মকর্তা আমার কাছে বাণিজ্যিক স্থাপনা দেখিয়ে ১ লাখ টাকা দাবি করে এবং পরবর্তীতে দলিল লেখকের মাধ্যমে তাকে ৭৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৭৫.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য