নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিলের ভুল ধরে টাকা আদায়
জমির খাজনা দেয়ার জন্যে যাই, কাগজপত্র সব দেখে ১৪ হাজার টাকা দিতে বলে. রিসিটে কত লিখবেন বা খাজনা কত জিজ্ঞেস করাতে বলে, খাজনা ১৪ হাজার ই, পরে টাকা দেয়ার পর ৪২৭ টাকার রিসিট দেয়। লেগে গেলাম ঝগড়া, পরবর্তীতে সবাই আমাকে উল্টা বকাঝকা করে বের করে দিল। পরে আমিও থামিনাই, জোর জবরদস্তি বলেন আর শোরগোল বলেন। এটা করে দুই হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে। আর তখন ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকর্তা, সুন্নতী লেভাস ধারী বলে, এবাএই শেষ তাই বেশি নিতেছি, দুইদিন পর সব অনলাইন হয়ে গেলে ত আর নিতে পারবোনা।
For a Simple Power of Attorney The Sub -Registered Charges around 90,000. All our papers were upto date and perfect. Crystal Clear.
নামজারি মামলার পিটিশন।
মর্টগেজ করাতে গিয়ে পে অর্ডার আর সরকারি অফিস খরচের বাইরে টাকা চায়, নিরুপায় হয়ে টাকা দিয়ে কাজ করতে হয়েছে। 25 লক্ষ টাকার লোন মর্টগেজ করাতে 32000 টাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লেখকের মাধ্যমে নিয়েছে।
পারিবারিক বন্টণনামা দলিল করার সরকারি ফি ২৬০০/- এর কম বা বেশি! কিন্তু সাব রেজিস্টার, দলিল লেখক এর মাধ্যমে জানিয়ে দেন ৫০০০০/- টাকা এর কমে রেজিস্ট্রি হবে না! কারণ হিসেবে বলেন সন্তান পর্যন্ত ওয়ারিশ এর পারিবারিক বন্টণনামা হয়! যেহেতু পুতি পর্যন্ত ওয়ারিশ আছে তাই ৫০০০০/- টাকা দিতেই হবে। যদিও আইন ঘেটে এমন কিছু পাওয়া যায়নি। এদিকে ওয়ারিশগণ বিরক্ত হচ্ছিলো, তারা চলে গেলে বন্টণনামা হবে না তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
বায়া দলিল বের করার জন্য অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা নিয়েছে
জমির নকল দলিল তুলতে গেছিলাম । ২৬০০৳ লাগবেই কোনও ভাবে কম নিবে না । সরকারি ফি এত না আমি জানি । খুব দরকার ছিলো তাই বাধ্য হয়েই নিতে হয়েছে ।
সাধারণত অফিসের মাধ্যমে নামজারি করা যায় না, দ্বারে দ্বারে ঘুরায়। কিন্তু রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে দলিল লেখক নামক দালালদের টাকা দিলে নামজারি করে দেয়। ১০ শতাংশ জায়গার জন্য ২০ হাজার টাকা নিয়েছিলো।
একটি রাষ্ট্রয়াত্বক ব্যাংকের মাধ্যমে ঋন অনুমোদন করা হয়। ব্যাংকে কোন ঘুষ না লাগলেও ঋন এর বিপরীতে বন্ধকী দলিল সম্পাদন করতে গেলে সাব রেজিস্ট্রার নানান অজুহাতে দলিল করতে অসম্মতি জানায়। পরবর্তীতে উনার সহকারী, গ্রাহকের কাছে ঘুষ দাবি করলে গ্রাহক ১০০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে রশিদ উত্তোলনের জন্যও উনারা চা পানির অর্থ দাবি করে আরও ৫০০ টাকা গ্রহন করেন।
ব্যাংক থেকে থেকে লোন নেওয়ার জন্য মর্টগেজ দলিল করা লাগে। সরকারী ফিস পে অর্ডারের মাধ্যমে দেওয়ার পর প্রতিটি দলিল প্রতি (লোন যত বেশি ঘুষের পরিমাণ তত বেশি) ১০ হাজার থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। যেহেতু আমাকে ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসাবে পতিনিয়ত হাজির থাকতে হয় যা ঘটে আমার সামনে ঘটে। এটা মেনে নেওয়া খুবই বিব্রতকর। প্রতিবাদ করে ও আমাকে হেনেস্তার শিকার হতে হয়েছে।
আমার ১ টি জমি রেজিস্ট্রার করার জন্য যাই ২ বছর আগে। প্রায় দুপুর ২.৩০ বেজে যায় যেতে। নাম ছিল —। উনি বের হয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা অনেক অনুরোধ করেও তাকে রাখতে পারিনি। উনি উনার লোক দিয়ে বলেন যে কমিশন এ করবেন খরচ হবে ৭০,০০০ টাকা। আমরা করাতে পারিনি। পরে আবার যাই সময়মত, কিন্তু সব দলিলাদি থাকার পরেও উনি এটা নাই, সেটা নাই বলে সাইন করেন নাই। টাকা দেইনাই বলে। পরের আবার উনার সহকারী বলে পরের দিন আসলে ৬০০০০ টাকা নিয়া আসবেন। করে দিবো। টাকা না দিলে হবেনা। ৫০০০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছিল।
টাকা পরিশোধ না করলে জমির নিবন্ধন হয় না।
Sub Registration office, সদর , চট্টগ্রাম এ দলিল মূল্য এর ১% হারে ঘুষ নেওয়া হয় । ২,০০,০০০ পরিশোধ করেছি ।
সাব রেজিস্ট্রি অফিস মতিগঞ্জ ওখানে গেলে ঘুষ ছাড়া দলিল হয়না! সেরেস্তা নামে হাজার হাজার টাকা ঘুষ চায়! নকল নিতে গেলে ২ হাজার টাকার উপরে চায়! না দিলে নাম নোট করে রাখে দলিল হয়না! দলিল লিখক উচ্চ মূল্যে চায় রেজিস্ট্রেশন এর জন্য! ওরা কালোবাজার মার্কেট করছে!
সরকারী হিসাবে খরচ ১৫০০ টাকার বেশি নয়, কিন্তু মুহুরী, এবং রেজিষ্টার অফিস মিলে ১৫০০০ হাজার টাকা দাবী করে। তারা বলে অফিস খরচ ১০০০ টাকা লাগবে। অবশেষে আমরা ১২৫০০ টাকায় রফা দফা করি
দলিল লেখকের মাধ্যমে টাকা দাবি। টাকা না দিয়ে স্বশরীরে গিয়ে দলিল করতে গেলে নানারকম প্যাচানো কথাবার্তা বলে কাজটি করেনি। সাবরেজিস্ট্রার বলে আইনে আছে সবার সমান জমি নিতে হবে অথচ অনেক বন্টননামা দলিল কমবেশি করে উনিই করেছেন। জমির ভ্যালু যেহেতু সবজায়গায় এক নয় তাই জমির পরিমাণ সবাইকে সমান দিয়ে বন্টননামা করানো সম্ভব না। অথচ যারা টাকা দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য হয়নি। তাদেরকে ঠিকই কমবেশি করে বন্টননামা করে দিয়েছেন।
জমি মবদোলা তে টাকা নিছে
One of the Sub registration offices of Dhaka. We had to pay 7.5% money of the stamp registry fee as bribe for sub register and we had to pay as the buyer will go to abroad that very day. It’s an extortion. The money was received directly by the person seats next to the Sub register.
ঠাকুরগাঁও জেলার, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী রেজিষ্ট্রেশন অফিস। ব্যাংক লোন নেওয়ার জন্য ভূমি রেজিষ্ট্রেশন করা, এতে ফর্ম এর মূল্য ১৫০ টাকা নেওয়ার কথা, কিন্তু নিয়েছে ১৫০০। বলেছে, কেরানির খরচ, বড় অফিসারদের খরচ। ভয়ে দেওয়া লাগছে