নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Mymensingh Jela sub registered office jomir dolil korte gele okhane thaka , dolil lekhok+ register office atirikto taka dabi kore. Emon ki office er proti ti officer taka hate na dile kaj kore na. Ora open e taka nitese..
কয়েকদিন আগে ও এই সাইটে আমি লিখেছি এখন আবার লিখছি আমি একজন ব্যাংক ব্যবস্থাপক। আমরা ব্যবসায়ী লোন দিতে গেলে জমি মর্টগেজ দিয়ে লোন দেই। গত বুধবার ও একইভাবে ১১০. ০০ লক্ষ টাকা মর্টগেজ করতে শুধু ঘুষ চাইল ২৭ হাজার টাকা তখন আমার পার্টি টিটো এন্টারপ্রাইজ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিলেন ২২ হাজার টাকা। আওয়ামীলীগ আমলে ঘুষ লাগত এই টাকা মর্টগেজ করতে ১০/১২ হাজার টাকা কিন্তু এখন লাগছে ২/৩ থেকে ৩ গুন। আমরা সদর মাগুরা রেজিস্ট্রি অফিসে ও মাঝে মাঝে মর্টগেজে যাওয়া পড়ে সব যায়গায় এই ঘুষ আগের থেকে বেড়েছে। হতাশ হতাশ হতাশ
Living abroad, I purchased a 5-katha plot from Bashundhara in 2009. After 17 years of trying—and failing—to complete the registration process without paying extra, I was forced to spend 24.05 lakh BDT for the registration fee and 17 lakh BDT in bribes. Back in 2015, officials demanded an 8 lakh BDT bribe alongside the standard registration costs. I refused and exhausted every available channel to resolve it legally, but nothing worked. To make matters worse, the AC Land office is now demanding 1,35,000 BDT for the land mutation, even though the official government fee is only around 1,200 BDT.
আমার দলিলে নাম ভুল ছিলো, কিন্তু আমি সত্য তা যাচাই করে নিয়েছিলাম চেয়ম্যান থেকে তার পর ও আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিছে। না দিলে না কি দলিল হবে না
চিটাগং সাবরেজিস্টার অফিসে ঘুষ ছাড়া একটা জমি রেজিষ্ট্রেশন করা হয় না।।যে কোনো সংস্থা চাইলে এটা গিয়ে দেখতে পারে।।আমি ঘুষ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে আগ্রহী না। দরকার হয় করবোনা। কিন্তু সাধারণ মানুষ ভুক্তভোগী যদি সরকার একটু নজর দেয় অনেক মানুষ উপকৃত হবে।
একটা জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে।অনেক রিকোয়েস্ট করে ১৫০০০০ টাকা দেওয়া হয়।।ঘুষ ছাড়া কারু জমি বেচাকেনা হয়না।চিটাগং সাব রেজিস্ট্রার অফিস ঘুষ ছাড়া একটা কাজও হয়না
ভ্রম সংশোধন দলিল করার জন্য টাকা দিতে হইছে
ভূমি রেজিষ্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অনলাইন টিন রিটার্ন না দেখানোর কারণে প্রথমে ১ লক্ষ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৫০ হাজার টাকায় নামলে আমি ঘোষ দিতে অশিকৃতি জানালে আমার দলিল ফিরিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে টিন রিটার্ন দাখিল করে রেজিষ্ট্রেশন করাই। আমার কথা হল একজন মহিলা মানুষ গৃহিনী তিনি জমি বিক্রি করতে বা ক্রয় করতে টিন বা টিন রিটার্ন কেনো লাগবে। আবার টাকা দিয়ে দিলে কেনো টিন ছাড়া দলিল রেজিষ্ট্রেশন করা হবে?
Marriage certificate english korar jonno feni birinchi 5,6 no ward er kaji office e geachilam. Amar kache 9000 taka caichilo.ata korte khubh besi hole 1500 takai ses kora jaito.but koreni.
রেজিষ্ট্রেশন এর সময় খুটিনাটি বিষয় নিয়ে নাজেহাল করে অফিস টাইমের পর সাবরেজিস্টার এর কক্ষে নিয়ে গিয়ে দাড়িওয়ালা পিয়নের মাধ্যমে ঘুষ আদায় করে।এরা সবাই এক সিন্ডিকেট।একজনে ইশারা করলে বাকি সবাই ঐটা নিয়ে নাজেহাল করে
আমি সাব রিজিসটার এর নিকট একটা দলিল এর জন্য যাই।উনি আমাকে ই চালান এর হিসাব দেয় ১৭৬০০০ বেশি আজ তা গ্রহন করে নি ওনার পিয়ন কে দিয়া ২০০০০ টাকা নিছে।তার পর দলিল পার করছে। আমার ১৭৬০০০ টাকা এর ইচালান আমার নিকট আছে আমি এখন কি করব।
দলিল লেখকের মাধ্যমে সরকারি খরচের সহিত ২০ হাজার টাকা প্রদান করি।
সন্দ্বীপে আমাদের একটা জমি সরকার অধিগ্রহণ করেছিল। সে টাকাটা অনেকদিন ঘোরাঘুরির পরও পাচ্ছিলাম না। অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনরা বলল ঘুষ দিলে কাজ কখনো হবে না। আসলেও কিছুই হচ্ছিল না। বিভিন্ন কথা বলে ঘোরাচ্ছিল। পরে খরচপাতি দিতে রাজি হলে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। যে টাকার চেক কোর্বিল্ডিং এর বাইরে চায়ের দোকানে দুইজন লোক গ্রহণ করে। আমার একাউন্টে টাকা জমা হওয়ার সাথে সাথে ওরা ব্যাংক থেকে টাকাটা তুলে নেয়। মানে আগেই ওরা ব্যাংকে গিয়ে বসেছিল।
ফিংগার নেবার সময় পার্টির কাছ থেকে ৫০০০/- দাবী করে নইলে নাকি রেজিষ্ট্রেশন ক্যান্সেল হবে। অনেক মূলামুলি করে ৩,৫০০/- দফারফা হলো, টাকা কি জন্য নিল জানা নেই
মোক্তারের মাধ্যমে বন্টননামা দলিল করার জন্য উপজেলায় গিয়ে সকলে সাক্ষর দেয়। সাক্ষর দিতে গিয়ে পুরা নাম না লেখে পেচিয়ে সাক্ষর করা হয়। তারপর সময়ক্ষেপণের পর শুনায় অফিসার ডিউটির সময় শেষ ও এই সাক্ষর চলবে না। পরে টাকা দাবী করলে দিতে বাধ্য হয়। সাক্ষরের পাশে সকলে পুরো নাম লেখতে বলে। ঘুষ দেওয়ার পর সব ঠিকঠাক। মাশাল্লাহ
বলেছিল ৩০০০০ টাকা লাগবে সলশোধনী দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে, অন্যথায় আদালতে মামলা করে আসো।
দলিল নকল তোলার জন্য টাকা চাইছিল
টাকা ছারা সাব-রেজিস্টার জমি বিক্রেরয়ের দলিল রেজিস্টার করবেন না সময় ১৯১৮ সন ইং। টাকা দিতে বাদ্ধ করা হয়।
বিদেশ যাওয়ার জন্য আমার বিবাহের কাবিননামা মিনিস্ট্রি অফ ফরেন আবেদন করি সত্যায়ন করার জন্য আবেদনটি প্রথমে জেলার রেজিস্টার এর অফিসে যায় এবং পরবর্তী মিনিস্টারী তে যাবে । জেলা রেজিস্টার অফিস থেকে আবেদনটি মিনিস্টারী তে পাঠানোর জন্য তারা টাকা দাবি করে তা ৫০০০ এটার জন্য আমি প্রতিবাদ করি। এবং তারা আবেদনটি বাতিল করে দেয়। এবং আবার আবেদন করার পর টাকা দিলে তারপর তারা আবেদনটি গ্রহণ করে।
পাওয়ার রেজিষ্ট্রী করতে সরকারি ফি অতিরিক্ত দাবি করেন সীতাকুণ্ড সাবরেজিস্টার অফিসের কর্মকর্তা। এবং আরো বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হয় সেবা গ্রহীতা ও দলিল লেখকগণ।