নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সাধারন সরকারি দলিল খরচ এর থেকে বেশি টাকা নেওয়া হয়,, দলিল লেখক ও ভূমি অফিসের লোক সরাসরি জরিত
আমার বাবা-মা আমাদের ভাই বোনদের মাঝে সম্পত্তি ভাগাভাগি করে দিয়েছেন। সেই মর্মে আমরা দলিল লেখকের শরণাপন্ন হই এবং পরবর্তীতে দলিল রেজিস্ট্রির জন্য সাব রেজিস্টার এর অফিসে যাই। দলিল লেখক এবং সাব রেজিস্টার বিভিন্ন উপায়ে আমাদের কাছে অতিরিক্ত প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নিয়েছেন। পাশাপাশি অনেক সময় নষ্ট করেছেন। বারবার আমার অসুস্থ বাবা মা কে হাজিরার নাম করে ডেকে সাব রেজিস্টার এর অফিসে হেনস্থা করেছেন।
আমার দাদা এক ছেলে (আমার বাবা) ও ৮ মেয়ে (২ জন মৃত)। দাদা মৃত্যুর প্রায় ৯ বছর পর আমার বাবা ও ফুপুরা জমি বন্টনের জন্য সিদ্ধান্তে উপনিত হয়। সেই অনুযায়ী মহুরির সাথে কথাও হয় সরকারি হিসেবে আমাদের ফি আসে ১০০০০ এর মত। কাগজ পত্র সব সঠিক থাকার পরও আমাদের মুহুররির সাথে ফাইনাল হয় ২০০০০ টাকা। কিন্তু রেজিষ্ট্রেশন এর পূর্বে হঠাৎ করে মুহুরি জানায় যে ৪০০০০ হাজার টাকা লাগবে অন্যথায় সাব রেজিস্ট্রার ফাইল ছাড়বেন না। আমি বলি যে আমাদের সব কাগজ ওকে আমরা আর অতিরিক্ত টাকা দিতে পারব না। উনি বলেন যে তাহলে সবাইকে ফেরত যেতে হবে, কাজ হবে না। আমার বাবা, ছয় ফুপু, মৃত ২ ফুপুর ৮ সন্তান (মোট ১৫জন) এত লোক একত্রিত হয়ে অন্যদিন আবার একত্রিত হওয়াও প্রায় অসম্ভব। বাধ্য হয়ে পুরো ৪০০০০ টাকা দিয়েই কাজ করতে হয়েছে।
বলেছিলেন সরকারি খরচ ৪৫০০/-রেজিষ্ট্রেশন ধরণ ও মুল্যমান দেখে রেজিস্ট্রার সাহেব দাম নির্ধারিত করে দিয়েছে ৪০০০০/-
টাকা দিলে সব অকে,আমরা দেশের ভাড়াটিয়া মনে হয়
আমি ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের সদর রেকর্ড রুমে কর্মরত আছি। এখানে কাজ করা নকলনবিশ যারা আছে তারা সরকার নির্ধারিত পাতা প্রতি ৩৬ টাকার বাইরে নকলের পারিশ্রমিক প্রতি পাতা ১০০-২০০ টাকা করে নেয় এবং এই টাকা এখানে কর্মরত দলিল লেখকদের জিম্মি করে নেওয়া হয়। শুধু রেকর্ড রুম থেকেই প্রতিদিন ১৫ লাখ টাকার বেশী ঘুষ আদায় করে এই নকলনবিশরা
আমি একটি ফ্লাট কিনেছি ৮ম তলা যার পারমিশন পৌরসভা থেকে দেয়নি। আমার এই ভবনে ৬ তলা পর্যন্ত পারমিশন আছে । ভবনটি ৮ তলা বিশিষ্ট ইতিমধ ৭ তলা পর্যন্ত রেজিস্ট্রি সম্পূর্ণ হয়েছে ঘুষ বা ফোন কলের বা ক্ষমতাধরদের ক্ষমতার মাধ্যমে। নতুন সরকার আসার পর সাব রেজিস্ট্রি অফিস জানিয়েছে পারমিশন ছাড়া প্রতি দলিল ১৫০০০০ টাকা এক্সট্রা ঘুষ দিতে হবে না দিলে পারমিশন নেই এমন দলিল রেজিস্ট্রি হবে না। আমি এখন কি করবো বুঝতে পারছিনা । অপর দিকে আমার ফ্লাট মালিক অসুস্থ কোন কারণে মারা গেলে আমি বিপধে পরেযাব । এতগুলো টাকা এখন আমি কি করবো ?
দানপত্র দলিল করতে গেছিলাম প্রথমে ১২০০০ টাকা বলছিল পরে আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকার দাবি করেন তা না হলে হবে না পরে আমি ২৫ হাজার টাকা দিতে রাজি হই তারপর আমার রেজিস্টি কমপ্লিট হয়
সরকারি রাজস্দেব দেওয়ার পর। হেবা দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলে সাব রেজিস্টার এবং তার সরকারীদেরকে তিন থেকে চার হাজার টাকা নির্ধারিত ঘুষ দিতে হয় পাশাপাশি অন্যান্য দলিলের জন্য আলাদা ঘুষের একটি রোড ম্যাপ তৈরি আছে যে, এত লক্ষ টাকা হলে এত টাকা দিতে হবে এর উর্ধ্বে হলে এত টাকা দিতে হবে এই সিস্টেমে। প্রতিদিনই ঘোষের বাজার রমরমা। এখান থেকে প্রেসক্লাব এবং বিভিন্ন নেতা-নেত্রীরাও কিছু অংশ পায়।
একটি অনলাইন খারিজ যেটার জন্য সরকারি খরচ মাত্র ১১০০ টাকা আর আমার থেকে নিছে ২৫০০০ টাকা,আমার সব ডকুমেন্টস থাকার পরেও আমার থেকে এই টাকা নেওয়া হয়।
আমি একটি জমিতে পাওয়ার অফ অ্যাটেন্ড করি পরবর্তীতে টাকা আশায় আমি রেজিস্ট্রেশন নিতে গেলে উনি আমার কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা বেশি নিয়ে রেজিস্ট্রেশন দেন এটা আমাদের রায়পুর লক্ষীপুরের নিয়মিত ঘটনা
জমির দাগ নাম্বার দেখতে চাওয়াই উনি(সাব রেজিস্টার অফিসার) আমার কাছে এক হাজার টাকার ঘুষ দাবি করেন আমি মনে করেছিলাম হয়তোবা টাকাটি উনি কোন অফিসিয়াল কাজে খাজনা বাবদ নেবে পরে দেখি যে না উনি রমজান মাসে আমার থেকে কৌশলে এক হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে নিয়েছে
নকল দলিল উঠাতে গিয়ে, ৫৫০০ টাকা দেওয়া লাগছে, এই টাকা দেওয়া ছাড়া, নকল দলিল দিতে আগ্রহী নয়।
জমির মিউটেশন করার জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হইছে
Land register korar jonno tk chay...
জমি ক্রয় করার পর সকল কাগজ ঠিক ঠাক থাকার পরও ৫০ হাজার টাক দিতে হয়েছে. ১ লাখ টাকা বলেছিলো দিয়েছি ৫০ Bank ar Stetment আছে আমার কাছে
৪০ নং ওয়ার্ড কাজী অফিসে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতা ১৬-০৩-২০২৬ তারিখে নিকাহনামা সংশোধন, ট্রান্সলেশন, নোটারি ও ম্যারেজ সার্টিফিকেট করার জন্য ৭,৫০০ টাকায় চুক্তি হয়। এর কয়েক বছর আগে একই কাজ করাতে গেলে আমাকে বলা হয়েছিল যে কোনো সংশোধন সম্ভব নয়, তাই তখন কাজ না করেই আমি চলে আসি। পেমেন্টের বিবরণ: ১৬ মার্চ: নগদ ১,০০০ টাকা প্রদান। ২৮ মার্চ: আরও ৪,০০০ টাকা দিয়ে মোট ৫,০০০ টাকা প্রদান। ৩১ মার্চ: বাকি ২,৫০০ টাকা পরিশোধ করে মোট ৭,৫০০ টাকা সম্পূর্ণ করি। এছাড়া লেখককে ২০০ টাকা বকশিশও দিই। এরপর আমার ডকুমেন্টগুলো বুঝে নিই। পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনলাইন অ্যাটেস্টেশন করার জন্য কাজী অফিস থেকে আরও ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি সেই টাকা না দিয়ে নিজেই অনলাইনে আবেদন করি। ঢাকা থেকে আবেদন কনফার্ম হওয়ার
জমি রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়েছিলাম। সরকারি সব ফি বাবদ ৪০ হাজার টাকা হয়েছিলো। কিন্তু সেটি ৫১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।তা নাহলে জমি রেজিস্ট্রেশন হবে না বলেছে।এটাতে নাকি সাব রেজিস্টরের ভাগ আছে।
আমি আমার একটা জমি নামজারি করতে ভূমি অফিসে যাই। তারা আমার থেকে প্রথমে ১০ হাজার টাকা চায় পরে আট হাজার টাকায় রাজি করাই। তারপর আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি এই কাজটি করতে সরকারি অফিসে খরচ হবে ১৫ শত বা ২ হাজার টাকার মতন আর বাকি চার হাজার টাকা তাহলে ঘুষ।
আমার জন্মনি বন্ধন এর নাম correction এর জন্য 5000 tk দেয়া লেগেসিল না দিলে ৫ অথবা ৬ মাস দরাদরি করা লাগত tk দেয়াতে ৩ দিন এ দিএসে তাও tk না দিলে ৬ মাস এ পেতাম নাকি sure na. এভাবেই আমার হইরানির শিকার হতে হএসে