নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ফাইল হাত বদল হতো টাকার মাধ্যমে। কিন্তু এসিল্যান্ড কোনো টাকা দাবি করেন নি। টাকা দাবি করেছেন অফিসের কর্মীরা "অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে নাইব স্যার"
সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটা জমি রেজিস্ট্রি যাই, এন আইডি কার্ডে নামের ছোট একটু বিভ্রাট ছিলো, ইউনিয়ন পরিষদের একই ব্যক্তি প্রত্যয়ন পত্র সাথে ছিলো, প্রথমে এটি গ্রহণ না করে ১০০০০ টাকা দাবি করা হয়, দাবি প্রত্যাখ্যান করলে বলা হয় কোর্টের এভিডেভিড থাকলেও গ্রহণ করা হবে না, টাকা দেওয়ার পর বলা হয় যে সব কাগজপত্র তো ঠিকই আছে, কোন ঝামেলা নাই, এটাতো সহজেই হয়ে যাবে, কিছুক্ষণ পরেই রেজিস্ট্রি করে দেয়া হয়।
আমার কাকা ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করার জন্য সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলো আর ২ হাজার টাকা দলিলের অনুলিপি করার জন্য ঘুষ দিয়েছিলো যা আমি পরে জানতে পারি
পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়া (কলাপাড়া) সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পেছন দিকে একটি কক্ষ আছে সেখানে সাব-রেজিস্ট্রাররর ভাই (সম্ভাবত) ঘুষ নেয়ার জন্য বসে থাকেন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও এটা নেই ওটা নেই ইত্যাদি বাহানায় অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। ওয়ান বাই ওয়ান ক্লায়েন্ট বা তাদের দলিল লেখক ঐ কক্ষে প্রবেশ করামাত্র দরজা বন্ধ করে টাকা নিয়ে আবদেনকৃত দলিলের উপরে পেন্সিল দিয়ে টিক মার্ক বা বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেন। এজলাসে সাব-রেজিস্ট্রার উঠে ঐ চিহ্ন দেখলেই বুঝতে পারেন সব ঠিক আছে এবং স্বাক্ষর করে দেন। এভাবই চলছে দিনের পর দিন কলাপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের রমরম ঘুষ লেনদেন।
এইসব রেজিস্ট্রি অফিসে আপনি একটি দলিল করতে হলে আপনাকে দলিল ফি বাবদ থেকে আরো অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। যদি আপনি এই অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ না করেন আপনার দলিল রেজিস্ট্রি হবে না। এটি শুধু একটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নয় এরকম আমি আরো পাঁচ থেকে দশটা সাব রেজিস্ট্রি অফিস ঘুরেছি এবং দেখেছি। প্রতিটি অফিসে দলিল ফি বাবদ এর থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। যদি আপনি এই টাকা দিতে না পারেন বা অস্বীকার জানান তাহলে আপনাদের দলিল রেজিস্ট্রি হবে না।
আমার মা আমাকে তার কিছু জমি দান পত্র করে দেয়ার জন্য সাব রেজিস্ট্রার এর কার্যালয় এ যান। সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল। ঘুষ না দেয়ায় সন্ধ্যা পর্যন্ত তাল বাহানা করতে থাকে। সন্ধ্যার পর ভেন্ডার এর মাধ্যমে তাকে ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দেয়ার পর দলিল সম্পাদন করা হয়। রায়পুরা সাব রেজিস্ট্রার।
দালালের মাধ্যমে সাবরেজিস্টার অফিসে ১৬০০০ টাকা দিয়েছি। না দিলে দলিল পেতে ভোগান্তি হতো।
জমি রেজিস্ট্রি ছিল, হেবার ঘোষণাপত্র, দলিল লেখক সব কাগজপত্র দেখে দলিল রেডি করেন, এজলাসে গিয়ে সাব রেজিস্টার রেজিস্ট্রি করতে চায় না, বলে নামে একটু ভুল আছে, আমরা সাথে সাথে পৌরসভার দুই ব্যক্তির একই নামের প্রত্যয়ন সাবমিট করি, তাতেও রাজি না হয়ে দলিল লেখকের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে, আমরা অসহায় হয়ে ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করি । এরকম প্রতারণা করে ঘুষ বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে সাব রেজিস্টার ।
শহরের পাঁচ শতাংশ জমি দলিলের জন্য সরকারি ফী ছাড়াও ১ লক্ষ টাকা চেয়েছে।
জমি রেজিস্ট্রি শেষে মুহুরী বলে সাব রেজিস্টার কে 1000 টাকা দিতে হবে এবং রিসিভ নেয়ার সময় রিসিভ প্রদানকারীকে ১৫০ টাকা চাঁদা দিতে হবে
একটি দলিল নিবন্ধন করার আবেদন করেছিলাম। নানান রকম ভুল ধরে নিবন্ধন নিচ্ছিলো না। ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা দেওয়ার পর ওই দপ্তরের সর্বোচ্চ কর্তা আমার দলিল নিবন্ধন করেন।
আমি দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছিলাম সেখানে দলিলে জমির শ্রেণী পুকুর লেখা ছিল প্রকৃতপক্ষে জমির শ্রেণী ছিল কান্দা সেখানে সাব রেজিস্টার আমার থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে দলিল করতে এবং একটি ব্যাংকের বর্গেজ দলিলের জন্য ৮ হাজার টাকা বাড়তি নিয়েছে বাধ্য হয়েই আমরা টাকাটা বেশি দিয়েছি না হলে সাব রেজিস্টার দলিল করতে প্রস্তুত ছিলেন না। ময়মনসিংহ সদর সাব রেজিস্টার অফিসে এরকম ঘটনা প্রতিদিনই হয় অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে আসে কিন্তু বলতে সাহস পায় না। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
সাব রেজিষ্টার দলিল প্রতি ২৫০০ টাকা হারে ২ দলিলে ৫০০০ টাকা নকল নবিস করন ১০০০ টাকা অবিকল কপি ২ সেট ৪০০০ টাকার ফি আদায় বাবদ ও দলিল লেখক সমিতি নিয়েছে ১৪০০০/- টাকাসহ সর্বমোট ২৪,০০০/- টাকা
দলিল নকল তুলতে গেলে সরকারি ফি থেকেও বেশি টাকা দিয়ে উঠাতে হয়।
আমার এক ভাইয়ের একটা হেবা দলিল হয়েছিল দলিলের ভেতর ভুলবশত খতিয়ান উল্লেখ ছিল না পরবর্তীতে তার স্ত্রী কাজ থেকে ঘোষণা পত্র নেওয়ার জন্য সাব রেজিস্টার কে জানানো হয় সে তার পরিবর্তে ১ লাখ টাকা ঘুষ চায় না হলে ঘোষণা পত্র করে দিবে না।
ভায়া দলিল তোলার জন্য।
Jomi bikri registri Korte gele joto Jon jomir aongshidar , portijoner tip soy per head 100 tk diyeci Dolil par Korte protik doliler Sathe tk na dile dolil par Hoy na Bisoy ta dekhle Amra hoyrani theke bachtam
বন্ধুকী দলিলের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা দলিলে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয় ।সরকারি ফিস পে অর্ডার এর মাধ্যমে জমা দেয়া হয়। পরবর্তী রেজিস্ট্রেশনের পর তারা ক্যালকুলেটর টিপে একটা টাকা চাই। এক্ষেত্রে তাদের টানানো হিসাব অনুযায়ী এটা কোনক্রমে ৩০০০ টাকার বেশি হবে না ।কিন্তু প্রত্যেকবারই অনেক বেশি টাকা নেয়া হয় এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সাড়ে ১৪ হাজার টাকা চাওয়া হলেও ১৩০০০ টাকায় দেয়া হয়েছে।
দলিল করতে সাব রেজিস্টার কে ঘুষ দিতে হয়েছে
সাবরিক এসটি অফিসে কোন দলিল করার পর সেটার নকল ওঠাতে গেলে। নকল নবিশদের দ্বারা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা অতিরিক্ত নিতে বাধ্য করা হয়। অফিস টাইম শেষে এই টাকাটা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে নিয়ে যায় যা সাব রেজিস্টার নিজেও জানেন। শেরপুর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের এই চাঁদাবাজি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে।