সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৫৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রি।

দলিল রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হওয়ার পর অফিস খরচের নামে দলিল মূল্য অনুপাতে চাওয়া হয় ৩০ হাজার থেকে ১ টাকা পর্যন্তও। যেখানে সরকার নির্ধারিত ফি মাত্র ২৪ টাকা পার পাতা(N), ৩৬ টাকা পার পাতা(NN), ও ১০ টাকা স্টাম্প ফি (E)। ২০ পাতার দলিল হলেও যেখানে ১ হাজার টাকা আসেনা সেখানে চাওয়া হয় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও, রেজিস্ট্রির সময় অবৈধ ভাবে চাওয়া হয় পে অর্ডারের বাইরেও কিছু খরচ যার পরিমাণ নির্ধারিত না। অনেক সময় ভ্যাট ট্যাক্স সরকারি আইনে না থাকলেও তারা অবৈধভাবে দাবি দেখিয়ে ওয়ান থার্ড ঘুষ চায় মওকুফের লক্ষ্যে। প্রকৃতপক্ষে, সেই ভ্যাট ট্যাক্স আয়কর আইন বা আয়কর আইন বিধিমালা অনুযায়ী তারা দাবিদারই না। রেজিস্ট্রি ফিস ক্যালকুলেটর সরকারীভাবে বানানো উচিত। ডিজিট্যালি।

ঘুষ দিয়েছি
তেজগাঁও রেজিস্ট্রি কমপ্লেক্স। ৳১.০০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

সর্বশেষ আমাকে ১৩০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, না হয় জমি রেজিস্ট্রি করছিলো না। এখানে নানা অজুহাতে টাকা দাবী করা হয়।

ঘুষ দিয়েছি
ফেনী ৳১.৫০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমির তামিল করানো

আমার ভাইয়ের ও আমার স্ত্রীর নামের জমির তামিল করতে দুদিন যাই প্রথম দিন একটার জন্য ৪০০ টাকা দিয়েছি অন্য দিন দুটার জন্য ৮০০?টাকা নিয়েছে, একজন মহিলা আছে ওনি আমার কাছে মনে হল ভালো মানুষ আর আমার টাকা নিয়েছে কালো করে দাড়ি ওয়ালা লোকটা যে ওখানে তামিল করে বলে বই কিনতে টাকা লাগে আরও অনেক খরচ আছে

ঘুষ দিয়েছি
মল্লিকের মোড়, বটিয়াঘাটা, খুলনা ৳১.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিষ্ট্রেশন

দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে সাব রেজিস্টারকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে অন্যথা দলিল রেজিষ্ট্রেশন হবে না

ঘুষ দিইনি
বরিশাল ৳৫০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমির খারিজ

জমির খারিজের জন্য ৮৫০০ দেওয়ার পরেও খারিজ করে দেয়নি। ওখানে ঝাড়ুদার হিসাবে কাজ করে। ভাবসাব দেখলে মনে হয় জমিদার

ঘুষ দিয়েছি
নান্দাইল ৳৮.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল তল্লাশি ও নকল উত্তোলন

নকল নবীশ কারী দলিল তল্লাশি সাল প্রতি 200 টাকা ও প্রতিটা দলিল নকল উত্তোলন এর জন্য 2300 টাকা হারে দাবী করে । যেহেতু আমার খুব দরকার ছিল আমি টাকা দিয়ে নকল কপি সংগ্রহ করি।

ঘুষ দিয়েছি
লক্ষীপুর সদর ৳৩.৪ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

খারিজ বাতিলের জন্য

সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ফাইল হাত বদল হতো টাকার মাধ্যমে। কিন্তু এসিল্যান্ড কোনো টাকা দাবি করেন নি। টাকা দাবি করেছেন অফিসের কর্মীরা "অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে নাইব স্যার"

ঘুষ দিয়েছি
গৌরীপুর, ময়মনসিংহ ৳৮.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নামের ভুল, কাগজ ফটোকপি, বায়নাপত্র দলিল, বন্টন নাম ইত্যাদি

নামের ভুলের জন্য ৫০০০, হেবা দলিলের জন্য ১০০০০, বায়নাপত্র দলিলের জন্য জমিরে পরিমানের উপর নির্ভরশীল, একই ব্যক্তির প্রত্যয়ন দিলে- ১০০০০, মূলকথা হলো বিভিন্নভাবে অযুহাত দেখিয়ে টাকা নেওয়া

শুধু দাবি করেছে
ময়মনসিংহ ৳৩.০০ লাখ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল করার জন্য সাবরেজিস্টার কে টাকা দিয়েছি

দালালের মাধ্যমে সাবরেজিস্টার অফিসে ১৬০০০ টাকা দিয়েছি। না দিলে দলিল পেতে ভোগান্তি হতো।

ঘুষ দিয়েছি
পটুয়াখালী ৳১৬.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

ভূমি রেজিস্ট্রি

সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটা জমি রেজিস্ট্রি যাই, এন আইডি কার্ডে নামের ছোট একটু বিভ্রাট ছিলো, ইউনিয়ন পরিষদের একই ব্যক্তি প্রত্যয়ন পত্র সাথে ছিলো, প্রথমে এটি গ্রহণ না করে ১০০০০ টাকা দাবি করা হয়, দাবি প্রত্যাখ্যান করলে বলা হয় কোর্টের এভিডেভিড থাকলেও গ্রহণ করা হবে না, টাকা দেওয়ার পর বলা হয় যে সব কাগজপত্র তো ঠিকই আছে, কোন ঝামেলা নাই, এটাতো সহজেই হয়ে যাবে, কিছুক্ষণ পরেই রেজিস্ট্রি করে দেয়া হয়।

ঘুষ দিয়েছি
ত্রিশাল ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রার

আমার কাকা ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করার জন্য সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলো আর ২ হাজার টাকা দলিলের অনুলিপি করার জন্য ঘুষ দিয়েছিলো যা আমি পরে জানতে পারি

ঘুষ দিয়েছি
ভৈরব ৳৫২.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল করণ

পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়া (কলাপাড়া) সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পেছন দিকে একটি কক্ষ আছে সেখানে সাব-রেজিস্ট্রাররর ভাই (সম্ভাবত) ঘুষ নেয়ার জন্য বসে থাকেন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও এটা নেই ওটা নেই ইত্যাদি বাহানায় অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। ওয়ান বাই ওয়ান ক্লায়েন্ট বা তাদের দলিল লেখক ঐ কক্ষে প্রবেশ করামাত্র দরজা বন্ধ করে টাকা নিয়ে আবদেনকৃত দলিলের উপরে পেন্সিল দিয়ে টিক মার্ক বা বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেন। এজলাসে সাব-রেজিস্ট্রার উঠে ঐ চিহ্ন দেখলেই বুঝতে পারেন সব ঠিক আছে এবং স্বাক্ষর করে দেন। এভাবই চলছে দিনের পর দিন কলাপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের রমরম ঘুষ লেনদেন।

ঘুষ দিইনি
কলাপাড়া (খেপুপাড়া) ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রি

এইসব রেজিস্ট্রি অফিসে আপনি একটি দলিল করতে হলে আপনাকে দলিল ফি বাবদ থেকে আরো অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। যদি আপনি এই অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ না করেন আপনার দলিল রেজিস্ট্রি হবে না। এটি শুধু একটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নয় এরকম আমি আরো পাঁচ থেকে দশটা সাব রেজিস্ট্রি অফিস ঘুরেছি এবং দেখেছি। প্রতিটি অফিসে দলিল ফি বাবদ এর থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। যদি আপনি এই টাকা দিতে না পারেন বা অস্বীকার জানান তাহলে আপনাদের দলিল রেজিস্ট্রি হবে না।

ঘুষ দিয়েছি
প্রতিটি সাব রেজিস্ট্রি অফিস ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

আমার মা আমাকে তার কিছু জমি দান পত্র করে দেয়ার জন্য সাব রেজিস্ট্রার এর কার্যালয় এ যান। সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল। ঘুষ না দেয়ায় সন্ধ্যা পর্যন্ত তাল বাহানা করতে থাকে। সন্ধ্যার পর ভেন্ডার এর মাধ্যমে তাকে ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দেয়ার পর দলিল সম্পাদন করা হয়। রায়পুরা সাব রেজিস্ট্রার।

ঘুষ দিয়েছি
মফস্বল ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য