সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৬৫৮ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি, হেবার ঘোষণাপত্র

জমি রেজিস্ট্রি ছিল, হেবার ঘোষণাপত্র, দলিল লেখক সব কাগজপত্র দেখে দলিল রেডি করেন, এজলাসে গিয়ে সাব রেজিস্টার রেজিস্ট্রি করতে চায় না, বলে নামে একটু ভুল আছে, আমরা সাথে সাথে পৌরসভার দুই ব্যক্তির একই নামের প্রত্যয়ন সাবমিট করি, তাতেও রাজি না হয়ে দলিল লেখকের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে, আমরা অসহায় হয়ে ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করি । এরকম প্রতারণা করে ঘুষ বাণিজ্য দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে সাব রেজিস্টার ।

ঘুষ দিয়েছি
খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া ৳৩০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রেশন

আমি দলিল রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছিলাম সেখানে দলিলে জমির শ্রেণী পুকুর লেখা ছিল প্রকৃতপক্ষে জমির শ্রেণী ছিল কান্দা সেখানে সাব রেজিস্টার আমার থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে দলিল করতে এবং একটি ব্যাংকের বর্গেজ দলিলের জন্য ৮ হাজার টাকা বাড়তি নিয়েছে বাধ্য হয়েই আমরা টাকাটা বেশি দিয়েছি না হলে সাব রেজিস্টার দলিল করতে প্রস্তুত ছিলেন না। ময়মনসিংহ সদর সাব রেজিস্টার অফিসে এরকম ঘটনা প্রতিদিনই হয় অনেকেই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে আসে কিন্তু বলতে সাহস পায় না। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ সদর ৳২৫.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল নিবন্ধন

একটি দলিল নিবন্ধন করার আবেদন করেছিলাম। নানান রকম ভুল ধরে নিবন্ধন নিচ্ছিলো না। ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা দেওয়ার পর ওই দপ্তরের সর্বোচ্চ কর্তা আমার দলিল নিবন্ধন করেন।

ঘুষ দিয়েছি
শিবপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিস, নরসিংদী ৳৪০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

জমি রেজিস্ট্রি শেষে মুহুরী বলে সাব রেজিস্টার কে 1000 টাকা দিতে হবে এবং রিসিভ নেয়ার সময় রিসিভ প্রদানকারীকে ১৫০ টাকা চাঁদা দিতে হবে

ঘুষ দিয়েছি
মধুখালী ৳১.২ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিষ্ট্রেশন

সাব রেজিষ্টার দলিল প্রতি ২৫০০ টাকা হারে ২ দলিলে ৫০০০ টাকা নকল নবিস করন ১০০০ টাকা অবিকল কপি ২ সেট ৪০০০ টাকার ফি আদায় বাবদ ও দলিল লেখক সমিতি নিয়েছে ১৪০০০/- টাকাসহ সর্বমোট ২৪,০০০/- টাকা

ঘুষ দিয়েছি
বনপাড়া, নাটোর ৳২৪.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

ঘোষণা পত্র দলিল

আমার এক ভাইয়ের একটা হেবা দলিল হয়েছিল দলিলের ভেতর ভুলবশত খতিয়ান উল্লেখ ছিল না পরবর্তীতে তার স্ত্রী কাজ থেকে ঘোষণা পত্র নেওয়ার জন্য সাব রেজিস্টার কে জানানো হয় সে তার পরিবর্তে ১ লাখ টাকা ঘুষ চায় না হলে ঘোষণা পত্র করে দিবে না।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা শহর ৳১.০০ লাখ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিলের নকল উত্তোলন এর সময় রাজনৈতিক নেতাদের চাপে নকলনবীশদের দ্বারা অতিরিক্ত টাকা নিতে বাধ্য করা হয়

সাবরিক এসটি অফিসে কোন দলিল করার পর সেটার নকল ওঠাতে গেলে। নকল নবিশদের দ্বারা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা অতিরিক্ত নিতে বাধ্য করা হয়। অফিস টাইম শেষে এই টাকাটা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে নিয়ে যায় যা সাব রেজিস্টার নিজেও জানেন। শেরপুর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের এই চাঁদাবাজি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে।

ঘুষ দিইনি
শেরপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। ৳৭০০
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

বন্ধুকী দলিল ও পাওয়ার দলিল

বন্ধুকী দলিলের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা দলিলে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয় ।সরকারি ফিস পে অর্ডার এর মাধ্যমে জমা দেয়া হয়। পরবর্তী রেজিস্ট্রেশনের পর তারা ক্যালকুলেটর টিপে একটা টাকা চাই। এক্ষেত্রে তাদের টানানো হিসাব অনুযায়ী এটা কোনক্রমে ৩০০০ টাকার বেশি হবে না ।কিন্তু প্রত্যেকবারই অনেক বেশি টাকা নেয়া হয় এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সাড়ে ১৪ হাজার টাকা চাওয়া হলেও ১৩০০০ টাকায় দেয়া হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
চুয়াডাঙ্গা শহর ৳১৪.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি দলিল রেজিস্ট্রি

দুই শতক জমি রেজিস্ট্রি করতে ২০০০০/- দাবি করে দলিল লেখক। বললাম সরকারি ফি এত না। তখন বলল সাব রেজিস্টার সহকারে অন্যান্যদের তো দিতে হয়। মূলত এটি দলিল লেখক সমিতি ও সাব রেজিস্টারদের গোপনীয় খেলা।

ঘুষ দিইনি
সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা ৳২০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

মর্টগেজ দলিল সম্পাদন

আমি একটি মর্টগেজ দলিল সম্পাদন করতে জামালপুর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যাই। পরে ভিতর থেকে মুহুরীকে বিশেষ উপায়ে জানানো হলো ৩৫০০০ টাকা না দিলে কাজ হবে না। সর্বশেষ আমি দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
জামালপুর ৳৩৫.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নামজারি

ওয়ারিশান জমি(২.৩ শতক মূল্য ৪ লক্ষ টাকা) নিজের অংশ টুকু নামজারি করতে অফিসে গেলে ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলে; আমি চাইলে কাজটি দিয়ে যেতে পারি কিন্তু সময় বেশি লাগবে ভাবে প্রকাশ করে। পরে ওখানে একজন অফিসের বাইরে একটি ফটোকপির দোকান দেখিয়ে দিলো।পরে সেখানে কাজটি করার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তিতে কাজটি করার জন্য ১২০০০ টাকায় বাধ্য করা হয়। ঐ দোকানদার বলে আমার অংশ সীমিত, বড় অংশ বাবুদের পকেটে ডুকে।

ঘুষ দিয়েছি
ফেনী ৳১২.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দলিল রেজিস্ট্রেশন

একটি বিল্ডিংয়ে দশটি ফ্লাট ছিল সেই যৌথ ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাট গুলো একটি বন্টন দলিল এ ভিডিও এর মাধ্যমে নিজেরা নিজেরা তৈরি করে ভোগ করতে ছিল। যেটা রেজিস্ট্রি কৃত তো ছিল না । এখন ফ্লাট রেজিস্ট্রেশনের সময় রেজিস্টারের লোক বলেছে। দ্রুত বন্টন দলিল রেজিস্ট্রি নাই তাই এই ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না। ৮০ হাজার টাকা দিতে হবে। তারপর অনেক দেন দরবার করে পাচ চ্চল্লিশ হাজার টাকায় রাজি করানো হয়।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳৪৫.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি খারিজের৷ জন্য

আমি ৪ শতক একটি জমির কারণে খারিজ করতে চাই। ঐ সময় আমার কাগজে ভুল আছে কিনা সেটা যাচাইয়ের জন্য আমাকে ডেকে নেওয়া হয়। তারপরে আমাকে সাড়ে তিন হাজার টাকা দাবি করা হয় পরবর্তী আমি ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই!

ঘুষ দিয়েছি
পয়াল গাছা, বরুড়া, কুমিল্লা? ৳৩.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য