দলিল রেজিষ্ট্রেশন বাবদ
আমি ক্রয় করেছিলাম,সরকারি সব ফি জমা দেওয়ার পরও দলিল লেখক আমাকে বলে ৫০০০ হাজার টাকা দিতে হবে।আমি বললাম কেনো, বলল-এটা দেওয়ার নিয়ম, ভিতরে নেয়।বললাম, কিসের টাকা, বললো দিতে হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি ক্রয় করেছিলাম,সরকারি সব ফি জমা দেওয়ার পরও দলিল লেখক আমাকে বলে ৫০০০ হাজার টাকা দিতে হবে।আমি বললাম কেনো, বলল-এটা দেওয়ার নিয়ম, ভিতরে নেয়।বললাম, কিসের টাকা, বললো দিতে হয়।
ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করলে বলে জমির খাজনার রশিদ লাগবে খাজনা দিতে গেলে দাবি করে বলে হোল্ডিং নেই তাই ৩৫০০ টাকা লাগবে পরে খাজনার রশিদ পাওয়ার পর দেখলাম ৭০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে আর সব লুটপাট।
আমি গত অর্থবছরে পূর্বধলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটি জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করি। দলিলের নকল তুলতে চাইলে এই অফিসের নকলনবিশ ২,০০০ টাকা দাবি করে, যদিও প্রকৃতপক্ষে খরচ ছিল ৬৩০ টাকা। এই অফিসে দলিলের নকল নিতে হলে ২০০০ টাকা দিতেই হবে, অন্যথায় কোন নকল আজ অবধি দেয় নি এই অফিসের সিন্ডিকেট। বাধ্য হয়ে তাই ২,০০০ টাকা দিয়ে নকল উত্তোলন করতে হয়েছে।
আমাদের একটি জায়গা রয়েছে বরিশালের সেই জায়গাতে এমন একজনের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল যে আমাদেরকে সব ধরনের ডকুমেন্ট সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেয় এজন্য যখন আমরা ওই জায়গাটি বিক্রি করতে যাই তখন বিভিন্ন ধরনের ঝামেলায় পড়ে যায় এই কাগজ নাই সেই কাগজ নাই এই ধরনের কথাবার্তা বলে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করা হয়! পরবর্তীতে আমরা সব ধরনের কাগজপত্র উঠাই এবং এতে অনেক টাকা পয়সা যায় তারপরও একটা কাগজ নিয়ে খুবই আপত্তি ছিল যে কাগজটি উঠানো খুবই জটিল ছিল কোন ধরনের সুযোগ ছিল না সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে আমরা যখন মামলা দায়ের করি মামলায় অনেক টাকা পয়সা চলে যায় সে টাকা পয়সার কথা এখনো উল্লেখ করিনি একটা পর্যায়ে চার-পাঁচ বছর যখন চলে যায় তখন ওদের কাছে বলি এত দেরি হচ্ছে কেন তখন বলে টাকা ঢালেন টাকা ধরলে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে
দলিল রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হওয়ার পর অফিস খরচের নামে দলিল মূল্য অনুপাতে চাওয়া হয় ৩০ হাজার থেকে ১ টাকা পর্যন্তও। যেখানে সরকার নির্ধারিত ফি মাত্র ২৪ টাকা পার পাতা(N), ৩৬ টাকা পার পাতা(NN), ও ১০ টাকা স্টাম্প ফি (E)। ২০ পাতার দলিল হলেও যেখানে ১ হাজার টাকা আসেনা সেখানে চাওয়া হয় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও, রেজিস্ট্রির সময় অবৈধ ভাবে চাওয়া হয় পে অর্ডারের বাইরেও কিছু খরচ যার পরিমাণ নির্ধারিত না। অনেক সময় ভ্যাট ট্যাক্স সরকারি আইনে না থাকলেও তারা অবৈধভাবে দাবি দেখিয়ে ওয়ান থার্ড ঘুষ চায় মওকুফের লক্ষ্যে। প্রকৃতপক্ষে, সেই ভ্যাট ট্যাক্স আয়কর আইন বা আয়কর আইন বিধিমালা অনুযায়ী তারা দাবিদারই না। রেজিস্ট্রি ফিস ক্যালকুলেটর সরকারীভাবে বানানো উচিত। ডিজিট্যালি।
ভুমি নামজারি করার জন্য প্রথমে নিজে নিজে আবেদন করলে তা ভুমি অফিস থেকে প্রত্যাখ্যান করে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে তাদের মাধ্যমে আবেদন করলে কোন ভুল হবে না। ভুল হলেও এটার দায়ভার ওদের। পরবর্তীতে ঘুষের টাকা সহ ফি প্রদান করতে হয়।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে সাব রেজিস্টারকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে অন্যথা দলিল রেজিষ্ট্রেশন হবে না
আমার ভাইয়ের ও আমার স্ত্রীর নামের জমির তামিল করতে দুদিন যাই প্রথম দিন একটার জন্য ৪০০ টাকা দিয়েছি অন্য দিন দুটার জন্য ৮০০?টাকা নিয়েছে, একজন মহিলা আছে ওনি আমার কাছে মনে হল ভালো মানুষ আর আমার টাকা নিয়েছে কালো করে দাড়ি ওয়ালা লোকটা যে ওখানে তামিল করে বলে বই কিনতে টাকা লাগে আরও অনেক খরচ আছে
দলিল নকল উত্তলন করিতে দেয় নাই।
সর্বশেষ আমাকে ১৩০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, না হয় জমি রেজিস্ট্রি করছিলো না। এখানে নানা অজুহাতে টাকা দাবী করা হয়।
জমির খারিজের জন্য ৮৫০০ দেওয়ার পরেও খারিজ করে দেয়নি। ওখানে ঝাড়ুদার হিসাবে কাজ করে। ভাবসাব দেখলে মনে হয় জমিদার
জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে ২৫ হাজার টাকা দেওয়া লাগছিলো
নকল নবীশ কারী দলিল তল্লাশি সাল প্রতি 200 টাকা ও প্রতিটা দলিল নকল উত্তোলন এর জন্য 2300 টাকা হারে দাবী করে । যেহেতু আমার খুব দরকার ছিল আমি টাকা দিয়ে নকল কপি সংগ্রহ করি।
Jomir dolil koira dite taka chaise 10000
একটি ফ্ল্যাট এর নামজারি করতে আমার ২৫,০০০ টাকা দিতে হয়েছে
টাকা না দিলে রেজিস্ট্রি করে দিবে না
Proti dolil er 5-7percent
নামের ভুলের জন্য ৫০০০, হেবা দলিলের জন্য ১০০০০, বায়নাপত্র দলিলের জন্য জমিরে পরিমানের উপর নির্ভরশীল, একই ব্যক্তির প্রত্যয়ন দিলে- ১০০০০, মূলকথা হলো বিভিন্নভাবে অযুহাত দেখিয়ে টাকা নেওয়া
সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ফাইল হাত বদল হতো টাকার মাধ্যমে। কিন্তু এসিল্যান্ড কোনো টাকা দাবি করেন নি। টাকা দাবি করেছেন অফিসের কর্মীরা "অফিস সহায়ক থেকে শুরু করে নাইব স্যার"
পটুয়াখালী জেলার খেপুপাড়া (কলাপাড়া) সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের পেছন দিকে একটি কক্ষ আছে সেখানে সাব-রেজিস্ট্রাররর ভাই (সম্ভাবত) ঘুষ নেয়ার জন্য বসে থাকেন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও এটা নেই ওটা নেই ইত্যাদি বাহানায় অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। ওয়ান বাই ওয়ান ক্লায়েন্ট বা তাদের দলিল লেখক ঐ কক্ষে প্রবেশ করামাত্র দরজা বন্ধ করে টাকা নিয়ে আবদেনকৃত দলিলের উপরে পেন্সিল দিয়ে টিক মার্ক বা বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেন। এজলাসে সাব-রেজিস্ট্রার উঠে ঐ চিহ্ন দেখলেই বুঝতে পারেন সব ঠিক আছে এবং স্বাক্ষর করে দেন। এভাবই চলছে দিনের পর দিন কলাপাড়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের রমরম ঘুষ লেনদেন।