নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ওয়াইফ, একজন সরকারি কর্মকর্তা (ডাক্তার)। তার ট্যাক্স ফাইল আমিই পূরণ করতাম। তার ২০২২-২৩ অর্থ বছরের ট্যাক্স ফাইল অডিটে পড়ে। অডিটের সময় ইনিয়ে-বিনিয়ে টাকা চায়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ফাইলে নানান রকম ভুল ধরে প্রায় ৬ লক্ষ টাকার কর দাবির হিসাব তৈরি করে। এক ফ্রেন্ড ট্যাক্সের বড় কর্মকর্তা। তার মাধ্যমে এই তথ্য জানতে পারি। পরে ফ্রেন্ডের রেফারেন্সে ওদের সাথে কথা বলি। ফ্রেন্ড বলেছিল যে টাকা লাগবে না। কিন্তু ওদের সাথে দেখা করার পর কয়েক ধাপে প্রায় ৫০,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। ট্যাক্স ইন্সপেক্টর, স্টেনোগ্রাফার, ডিসিটি - সবাইকে টাকা দিতে হয়। না দিলে ফাইল ছাড়তো না।
আমার অনেক টাকা ভ্যাট আসে। আমার দোকান আছে। আমি সব দিতে চাই।কিন্তু এনবিআর এর লোক বলে এত টাকা দেয়া লাগবেনা। আমাদের কিছু দিলে আপনার কম দিলেই হবে।আমি প্রতিমাসে তাই দেই।
ধানমনডি ভ্যাট অফিস রায়ের বাজার সার্কেল প্রতি মাসের ফাইল জমা করার জন্য ২০০০ টাকা দিতে হয়, এবং বাৎসরিক ২০ লক্ষথেকে ৩০ লক্ষদিতে হয়। অথচ ভ্যাট সম্পূর্ণ্ পরিশোধ করা হয়।
আয়কর রিটার্ন সার্টিফাইড কপি ঘুষ দিয়ে উঠাতে হয়।ঘুষ ছাড়া উঠানো যায় না।
ইটিন সার্টিফিকেট খুলতে পারছিলাম না । অনেক অভিজ্ঞ মানুষের দিয়েও চেষ্টা করেছি খুলতে পারি নাই এদিকে আমার রিটার্ন দাখিল করতে হবে এই জন্য কর অফিসে যাই এবং সেখানে এটা সংশোধন চাইলে তারা ৮০০ টাকা দাবি করে পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দিয়ে সম্পন্ন করি ।
সেবা টি ছিলো আয়কর অডিটসংক্রান্ত,আপিস নোটিশ করলে যোগাযোগ করি,প্রথমে পেশকার বলে কর পরিদর্শক রিপোর্ট দিবে তাকে ম্যানেজ করতে হবে, তার পর ডিসিটি স্যার কে তারপর সার্কেলের পেশকার, পিয়ন,ষ্টোনো,কে দিতে হবে,তারপর যুগ্ম কর কমিশনার স্যার ও তার অফিস, তার পর কমিশনার স্যার ওতার অফিস সব ম্যানেজ করতে হবে তা না হলে আপনার অনেক বড় সমস্যা হবে এই বলে টাকা চাওয়া হয়।
মূল্য ঘোষণার (ভ্যালু ডিক্লারেশন) সময় ৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়েছিল। উক্ত টাকা প্রদান না করায় সেগুনবাগিচা আঞ্চলিক অফিস থেকে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ বা আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ ছাড়াই আমার প্রতিষ্ঠানের BIN বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমার আমদানিকৃত মালামাল বন্দরে পৌঁছানোর পর কাস্টমস ডিউটি পরিশোধ করতে গেলে জানতে পারি যে আমার BIN বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কোর অফিসে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, “আপনার সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় BIN বন্ধ করা হয়েছে।” BIN পুনরায় চালু (Unlock) করার জন্য ২,০০,০০০ টাকা দাবি করা হয়। BIN আনলক করতে প্রায় এক মাস সময় নেওয়া হয়। এর ফলে বন্দরে আমার পণ্য আটকে থাকায় প্রায় ৪ লাখ টাকা ডেমারেজ দিতে হয়েছে। এছাড়াও, কর কর্মকর্তাকে ৫০,০০০ টাকা এবং প্রতিটি পোর্টে আলাদাভাবে BIN
ফালের পাতা ছিরে ফেলে দিয়েছিল। মিথ্যা যুক্তি দিয়ে হয়রানি করেছিল।
৫০০০ টাকা দেওয়া হয় অফিস সরকারি কাছে। আবেদন জমা করার পরও কিন্তু এখনো কোন কাজ হয় নাই। এখন অফিসার ইনচার্জ কে কিছু টাকা দিলে হয়ে যাবে।১ বছরের বেশি হল।
আমার এক আত্মীয় বিদেশে থাকেন। তাঁর ঢাকা শহরে একটি বাড়ি ও গ্রামে কিছু জমি আছে। বাড়িতে ১০টি ফ্ল্যাট আছে। যার ৭টি ভাড়া দেয়া। অবশিষ্ট তিনটি ফ্ল্যাটের একটিতে আমি ও অপর দুটিতে তাঁর দুই বোন পরিবার নিয়ে থাকেন। তাঁর আয়কর ফাইল দীর্ঘ দিন যাবত একজন আয়কর উকিলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। অতি সম্প্রতি তাঁর ২০২৩-২৪ সালের আয়রক ফাইল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে অডিটে পড়ে। যেহেতু আমার আত্মীয় একজন প্রবাসি তাই তাঁর অনুরোধে আমি অডিট নিষ্পত্তির জন্য তাঁর আয়কর উকিল ও অডিট টিমের সাথে যোগাযোগ করি। তারা সরজমিনে পরিদর্শন করে কোন অনিয়ম না পেলেও অডিট নিষ্পত্তির জন্য ৫০০০০০ টাকা দাবী করে। পরে আমার আত্মীয়ের সাথে আলাপ করে ৩০০০০০ টাকার বিনিময়ে তা ফয়সলা করা হয়।
ইনকাম ট্যাক্স অফিস এ আমি নিজে ইনকাম ট্যাক্স দিতে পারি না কখনই। নানা রকম হয়রানি করে। অফিস এর কমকর্তা কে টাকা দিলে সহজেই কাজ হয়ে যায়। লাস্ত ৮ বতসর যাবত ১০০০০ করে টাকা দিয়ে আস্তেসি। বাসায় এসে ইনকাম ট্যাক্স এর কাগজ দিয়ে যায়। ইনকাম ট্যাক্স অফিস এর কমকর্তারা দেশের প্রচুর কর ফাকির জন্নে দায়ি। তারা নিজেরাই দেশের সবথেকে বড় দুরনিতিবাজ।
Nothing but create issues. Clarks are inhuman.
টেক্স ফাইল জমা দিতে গেলে তাদের দাবি একটাই টাকা দিতে হবে৷ টাকা ছাড়া একটা কাগজেও তারা সিল দেয় নাহ। নিচ থেকে উপরের সবাই একই। আমি চাই সরকার তাদের সম্পত্তি গুলা পর্যালোচনা করুক। একজন ক্লার্ক এর কীভাবে চিটাগং এর মত ব্যাস্ত নগরীতে ভবনের মালিক হয়।
Proti mashe korte hoy.
২০০০০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে দেরীতে আয়কর জমা দেয়ার জন্য
আদাবর শম্পা মার্কেট পাশে (রাজাবাজার সার্কেল) ভ্যাট অফিসে সরকারি প্রতিমাসের ভ্যাট জমা দিতে গেলে প্রতি ফাইলের জন্য ৫০০ টাকা করে ভ্যাট অফিসার কে এবং অফিস পিয়নকে ২০০ টাকা করে দিতে হয়। তাছাড়া ফাইল জমা হয় না। এভাবে সরকারি ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে।
আমি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি হিসেবে দেশের একটি স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের ছোট একটি পণ্য রেগুলার সাপ্লাই করি। আমার সাপ্লাইকৃত পণ্যের ভ্যাট চালান ক্রেতা নিজেই বিলের সাথে সরবরাহ করে । এই চালান কপি আমি ম্যানুয়ালি গিয়ে জমা দিই মোহাম্মদপুর ভ্যাট অফিসে (লেভেল ৬)। প্রতিবারই ভ্যাট জমাকালে ভ্যাট অফিসার চা-নাস্তা বাবদ সম্মানী চায়। এছাড়া বাইরের পিয়নের কাছ থেকে সীল নিতে গেলে বাধ্যতামূলক ৫০০ টাকা দিতে হয়, নাহলে নাকি ভেতর থেকে সীল না দিতে বলা আছে এবং আমি ৩ বছর যাবত বাধ্যতামূলক দিয়ে আসছি। এছাড়া আমার অনলাইন ভ্যাট প্রোফাইল পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘ্য ৬ মাস যাবত তাদের রিকোয়েস্ট করলেও তাদের সময় নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তিতে অফিস সহকারী ডেকে বলেছেন ২০০০ টাকা দিলে উনি ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড রিসেট করে দিতে পারবেন।
Offline Tax certificate neya 2023,2024 er
আমি বকেয়া কর পরিশোধের কোন চিঠি পাইনি। কিন্তু আমার ব্যাংক হিসেব ফ্রিজ করা হয় ও টাকা নিয়ে আসা হয় কিছু। পরে অফিসে গিয়ে শুনলাম ১৮৪ ধারায় এসেস্মেন্ট হয়েছিল ও অনেক আগের কোন অফিসার করেছিল। আমি আমার ব্যাংক হিসেব মুক্ত করার কথা বললেও উপ কর কমিশনার বলেন যে কমিশনারকে খুশি না করলে ব্যাংক জব্দ প্রত্যাহার হবে না। কমিশনার মহোদয় এর অনুমতি ছাড়া কোম্পানির ব্যাংক হিসাব খুলা যাবে না। যদিও আমার প্রতিষ্ঠানের ১৪৭ হয় এবং আমি সবসময় কমকর্তাদের খুশি করি, তারপরও আমার কোম্পানিকে প্রতিনিয়ত কমিশনার, উপ কর কমিশনার হয়রানি করে। কর অঞ্চল ১৪তে ব্যাংক হিসাব নাকি কমিশনার না চাইলে খুলা যাবেনা, যদিও এর কোন আইনি ভিত্তি নেই।
Every month I have to give 12000 taka VAT and 8000 taka bribe.