নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার দুই বছরের tax returns জমা দেয়া হয়েছে সঠিক সময়মত, বাহিরে পড়াশোনার জন্য এখন আমার tax certificate প্রয়োজন, এজন্য 10000 টাকা চেয়েছে... কর অঞ্চল 03 zone ...
আমি একজন প্রবাসী।২০২২ সালে একবার একজন আয়কর পরিদর্শক আমার বাড়ি পরিদর্শন করতে আসেন।তারপর আমাকে বলেছিলেন—“আপনার বাড়িটি যথাসময়ে আয়কর নথিতে অন্তর্ভুক্ত না করায় এখন আপনাকে অনেক টাকা কর দিতে হবে। তবে আমাদেরকে ১৫ লাখ টাকা দিলে আমি ও উপ-কর কমিশনার মিলে বিষয়টি সমাধান করে দিতে পারি।” আমি তাদের সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করি।কেননা আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা।আমি কর দিয়েই দেশে টাকা প্রেরণ করেছি। এরপরের ইতিহাস অত্যন্ত দুঃখজনক। গত পাঁচ বছর ধরে নানা ধরনের জটিলতা ও হয়রানির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, অথচ বিষয়টির এখনো কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে।
বাংলাদেশের সেরা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের পরিচালকের একটা লিফট কোম্পানি আছে। এটা বড় কোম্পানি আমি এই কোম্পানিতে চাকরি করি। ২০২০ সালে ট্যাক্স অফিসের লোক আসে কোম্পানির ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছে নাকি এই অডিট করে। অডিট করে অনেক ট্যাক্স ফাঁকি পায়। এজন্য ট্যাক্স অফিসের লোকজন দুই কোটি টাকা ঘুষ নেয়।
আমার বাবার ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট এম্বাসিতে সাবমিট করা আবশ্যক ছিলো। যেহেতু ট্যাক্স রিটার্ন অফলাইনে আগেই সাবমিট করেছিলো, আমি অফিসে গিয়ে সার্টিফিকেট উত্তোলন বিষয়ে জানতে চাই। আমাকে দুইদিন ঘুরিয়ে এরপর ট্যাক্স ফাইল বের করেন। তারপর বিভিন্ন ভুলভ্রান্তি দেখাতে থাকে। এরপর আমি নতুনভাবে আবারো ট্যাক্স ফাইল সাবমিট করি। পরবর্তীতে আবারো ২/১ দিন ঘুরিয়ে যখন ট্যাক্স সার্টিফিকেট নিতে যাই তখন কর কমিশনার নিজে ডেকে আমার সামনে সাইন করিয়ে আমাকে দেন। পরবর্তীতে অফিস/কম্পিউটার অপারেটর দেখার কথা বলে সার্টিফিকেট নিয়ে নেন। এরপর আমাকে বলেন উনাদের অনেক কষ্ট হইছে ফাইল খুজতে, সেগুলো উনারা আবার আপডেট করছেন কিন্তু আমি নিজেই ট্যাক্স ফাইল বানিয়ে নিজেই সাবমিট করেছিলাম। উনাদের একটু চা পানির টাকা দিলে ফাইল দিবে।
বাংলাদেশের এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই ঘুষ হয়না মসজিদ থেকে মন্দির মাজখানে সরকারি বেসরকারি এক সপ্তাহ কাগজ নড়েনি ৫০০০/- একদিনেই ok
আমার জমির খাজনা ছিল ৭৬৯০০ ওরা আমর কাছ থেকে ৫০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে আর বলছেন আর লাগবে না এখান থেকে আমি অফিসে সামনে রেখেই আমাকে ১৬০০০ টাকা দিয়েছ সরকারের আবেদন এ আমার পুরা টাকা সাথে সাথ পেইড দেখাইছে কিন্তু অন্য ৩৪৯০০ ওরা নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছে
আমার জমির খাজনা ছিল ৭৬৯০০ কিন্তু ওরা আমার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে ৫০০০০ আর ওইখান থেকে ১৬০০০ টাকা সরকারের খাতায় দিয়ে অন্যটা আমার সামনে ওরা মেরে দিয়েছে
আমি ১৪ বছর জাবত আমার কম্পানি সহ নিজের রিটার্ন দিয়ে আসছি এখেন একটা নোটিশ দিয়ে। টাকা দাবী করছে।
আমার ফাইল অডিটে যায়, অফিসের স্টাফ আমাকে বলে তাদেরকে ২০০০০ টাকা দিলে সরকারকে কোন টাকা দিতে হবে না, না দিলে অনেক টাকা জরিমানা করবে।
Intentionally audit e fela tax file
আমি বেতন টাকা থেকে সঞ্চয় করে ছোট একটি ফ্ল্যাট তৈরী করেছি একটু ঢাকার বাহিরে। সেটার ভাড়ার উপর নাকি ট্যাক্স দিচ্ছি না, সেজন্য অডিট হলো। অথচ, আমি সেটাতে বসবাস করি। এখন সেটাতে কি নিজে থাকি, নাকি ভাড়া দিয়েছে, সাইজ কত ইত্যাদি পরীক্ষা করবে। আমি ট্যাক্স অফিসে গেলে ওরা ইন্সপেকশন দেয়। ইন্সপেক্টর বলল, তাকে তার বাসা থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যেতে হবে, তাদের নাকি এটাই নিয়ম, তাকে আমি উবার ভাড়া করে নিয়ে গেলাম। যাওয়ার সময় ইশারা ইঙ্গিতে বুঝালো, সবাই হাজার হাজার টাকা দেয়। না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ হয় ইত্যাদি। সব মাপজোক করার পর বসে আছে আর বিভিন্ন কথা শোনাচ্ছে। আমি ভয়ে ৫০০০ টাকা দিলাম। বলল, মানুষ লাখ লাখ টাকা দেয়। আপনি কী দিলেন। মিনিমান ২০ হাজার দেন। আমি শেষে ১৫ হাজার দিয়ে তাকে তার বাসায় পৌঁছে দিলাম।
নাম সংশুধনে অনেক আগে অনলাইনে আবেদন করলেও সংশুধন হয়নি । পরে অফিসে যোগাযোগ করলে বলে ২০০০ দেন এখনি করে দিচ্ছি ।দেখলাম মুহূর্তেই করে দিল ।আমার আর্জেন্ট লাগত কিছু করার ছিলো না ।
Now a day nbr all circle doing 147 tds audit of our factory in middle of May as where a few miscommunication happened with the team vs our accounts unit due to not getting available soft data live data from software but due to which concern dct very enoyed and informed his commissioner very badly due to his reverse report she informed dct to issue penalty order without issuing any notice which legal once a time maximum 50 lac but dct claim it thrise times on last paid tax 10 % three times besides it reopen the case under section 93 as where if same done there will be huge tax burden of us .to solve it dct asked 50 lac initially lastly ask 30 lac
জিরো রিটার্ন বিলম্বে দেয়ায় বিস্তারিত দলিল চেয়ে নোটিশ আসে বাসায়, সেই নোটিশে উল্লেখিত তারিখে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলে জিরো রিটার্ন বিলম্বে দেয়ায় আপনার সব নথি জমা দিতে হবে। কি নথি লাগবে কিভাবে জমা দিতে হবে এসব বিস্তারিত না বলে চিপায় নিয়ে জানায় এসব নথি লাগবে না আপনি ২০০০ টাকা দেন সব ডকুমেন্ট কমপ্লিট করে দিবো। আমি নথি জমা দিতে চাই বলায় কর্মচারি জানায় এসব জমা দিলেও আপনার রিটার্ন বিলম্বে জমার কারনে ৩ মাস জেল অথবা ৫/১০ হাজার (যেটা অফিসার নির্ধারন করবে) অর্থ জরিমানা হতে পারে বলে ভয় দেখায়। তৎক্ষণাৎ আমি তাদের অফিস ত্যাগ করলেও যার রিটার্ন জমা দিয়েছিলাম সে ভয়ে ঘুষ দিয়ে সবকিছু ঠিক করে নেয় এবং তার নামের TIN সার্টিফিকেট ও ক্যানসেল করে নেন (ক্যানসেল এর সুযোগ না থাকায় ভবিষ্যতে রিটার্ন দিতে বারন করেন)।
ট্যাক্স রিটার্নের কপি নেওয়ার জন্য তারা টাকা চায়। টাকা না দিলে হয়তো পরবর্তীতে কোনো সমস্যা তৈরি করবে - এই ভয় থেকেই টাকা দিতে হয়। আমি একটি ছোট কোম্পানিতে চাকরি করি। কোম্পানি চেষ্টা করছে নিয়ম মেনে সঠিকভাবে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিতে, যাতে আমরা একটি বৈধ ও কমপ্লায়েন্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে থাকতে পারি। তারপরও ট্যাক্স অফিস থেকে বিভিন্ন আইন বা ক্লজ দেখিয়ে এমনভাবে ভয় দেখানো হয় যে শেষ পর্যন্ত ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতেই হয়েছে। আমরা কোনো ঝামেলায় জড়াতে চাই না বলেই অনেক সময় এসব মেনে নিতে হয়। কারণ পরে যদি কোনো মামলা বা জটিলতা তৈরি হয়, তাহলে আইনজীবী নিয়ে সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লড়াই করা আমাদের মতো ছোট কোম্পানির জন্য সহজ নয়। আমরা বড় কোনো কোম্পানি না যে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় সময় ও টাকা ব্যয় করতে পারব।
আমার বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স এর জন্য প্রথমে ৩০০০০ টাকা নেয়। এরপর সে কাজ করে না দিয়ে এখান থেকে বদলি হয়ে যায় পরের জন্য আবার হোল্ডিংস এর কাজ করবে সেজন্য ২০ হাজার টাকা দিতে হয়। যদিও সে কাজ করে দিয়েছিল। কিন্তু ঘুষ ছাড়া কোন কাজই হয় না।
ডিসিটি সাহেব প্রথমে ব্ল্যাক মেইল করে বাড়ি বিক্রি টাকা সম্পদের সহিত সমন্বয় না করে ইনকাম হিসাবে দেখান এবং ঘুষ বড় করে দাবী করেন পরবর্তীতে টাকা দেয়ার পর সেই ভুল ইনকাম বাতিল করেন যেটা আগেই করা উচিৎ ছিলো । DCT তার সহকারী এর দিয়ে টাকা তুলে ও ভাগ করেন । পূর্বে DCT ফাইল প্রতি টাকা ৫০ হাজার নিতেন কিন্তু ৫-৭ বৎসর ধরে ফাইল প্রতি ব্ল্যাক মেইল করে বেশী টাকা আদায় করে
হটাৎ করে DCT অ্যাসিস্ট্যান্ট একটি চিঠি দেখান সেখানে বাড়ি নম্বর ঠিক কিন্তু রোড নম্বর ভুল লিখে রাখা হয় । এই চিঠি তে ৩ বৎসরের ফাইল উন্মোচন করতে বলা হয় । পরবর্তীতে ৩০,০০০ টা দিলে চিঠি ছিড়ে ফেলেন । সময় ৪ বৎসর পূর্বের
মৃত ব্যক্তির ফাইল উন্মোচন করে একতরফা সিদ্ধান্ত দিয়ে কর দাবী করে এক হিন্দু DCT, পরবর্তীতে টাকা ৩০ লক্ষ দাবী করে দরকষাকষির পর্যায়ে থাকে ও ২০২৪ আন্দোলন এর পর উনি ট্রান্সফার হয়ে গেছে কিন্তু ফাইল ওই ভাবে ঘুরছে সমাধান ছাড়া ।
অনেক ভয় দিয়েছিল, না দিলে মামলা হবে।