17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Every month I have to give 12000 taka VAT and 8000 taka bribe.
আমি বকেয়া কর পরিশোধের কোন চিঠি পাইনি। কিন্তু আমার ব্যাংক হিসেব ফ্রিজ করা হয় ও টাকা নিয়ে আসা হয় কিছু। পরে অফিসে গিয়ে শুনলাম ১৮৪ ধারায় এসেস্মেন্ট হয়েছিল ও অনেক আগের কোন অফিসার করেছিল। আমি আমার ব্যাংক হিসেব মুক্ত করার কথা বললেও উপ কর কমিশনার বলেন যে কমিশনারকে খুশি না করলে ব্যাংক জব্দ প্রত্যাহার হবে না। কমিশনার মহোদয় এর অনুমতি ছাড়া কোম্পানির ব্যাংক হিসাব খুলা যাবে না। যদিও আমার প্রতিষ্ঠানের ১৪৭ হয় এবং আমি সবসময় কমকর্তাদের খুশি করি, তারপরও আমার কোম্পানিকে প্রতিনিয়ত কমিশনার, উপ কর কমিশনার হয়রানি করে। কর অঞ্চল ১৪তে ব্যাংক হিসাব নাকি কমিশনার না চাইলে খুলা যাবেনা, যদিও এর কোন আইনি ভিত্তি নেই।
আয়কর অফিস আমার ফাইলটি বিশেষভাবে (ম্যানুয়ালি) বাছাই করে এবং আমার সম্পত্তি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য একজন পরিদর্শককে পাঠায়। ওই পরিদর্শক আমাকে হুমকি দেন যে, ৫০ হাজার টাকা না দিলে তিনি নেতিবাচক প্রতিবেদন জমা দেবেন; শেষ পর্যন্ত তিনি ঘুষ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা নেন। এখন সার্কেল অফিসার ফাইলটি নিষ্পত্তি করার জন্য আরও ২ লাখ টাকা দাবি করছেন এবং বলছেন যে টাকা না দিলে তিনি ৪ লাখ টাকা আয়কর ধার্য করবেন।
আমার স্যারের আয়কর ফাইল অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়েছে,, তদন্তকারী কর্মকর্তা পক্ষে রিপোর্ট দেওয়ায় জন্য উক্ত অর্থ দাবি করে।।।
Dhaka Tax Circle 252. I went there to get my Tax return certificate. The officer on duty demanded BDT 1000 for the certificate. Later I had to pay the amount to get the tax return certificate.
ট্রেড লাইসেন্স করলে একটা ভ্যাট রিটার্ন চালু করতে হয়। ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু রিটার্ন চালু থাকে।বন্ধ করতে গেলে 10000 টাকা চায়।আবার এক মাস জিরো রিটার্ন দিতে ভুলে গেলে তখন অটো সরকারিভাবে ১০ হাজার টাকা প্রতি মাসে জমা হয়। এভাবে প্রত্যেক মাসে 10000 টাকা করে জরিমানা হতে থাকে। আর তাদের কাছে গেলে তখন তারা ঘুস চায় এই জরিমানা ক্লোজ করে দেয়ার জন্য। আসলে আমার ব্যবসা তো বন্ধ আমি জরিমানা কেন দিব???? সরকার ইচ্ছে করেই এই কার্যক্রমটা স্বাভাবিকভাবে বন্ধ করে না।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে সিটি কর্পোরেশনের হিসাব অনুযায় ২৭৫০ টাকা লাগে, আমার কাছ থেকে নিয়ে এসে ৩৫০০ টাকা, প্রথমে ২৭৫০ টাকায় দিয়েছিলাম, পরে বলে কিছু বাড়িয়ে দেন। ৪০০০ টাকা দাবি করেছিল, আমি পরে ৩৫০০ টাকা দিয়েছি
আমি যে ট্যাক্স সার্কেল অফিসের আন্ডারে,তারা আমার পুরানো ফাইল অপেন করে নতুন ভাবে হিসাব করে অনেক টাকা ট্যাক্স হবে বলে জানায়। কিন্তু ৩০ লাখ টাকা দিলে তারা সেটা ম্যানেজ করবে বলে। আমি তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ২৭ লাখ টাকা দেয়ার পরে তারা ফাইল ছেড়ে দেয়।
I was blackmailed by a junior officer who repeatedly called me for bribe and ultimately he succeeded to take bribe from me intimating that otherwise I had to pay 25 lac . All just blackmail by a junior officer .
আমি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের ট্যাক্স জমা দিতে গেলে, ২৫০০ টাকা সরকারি ট্যাক্স এর বাইরে আমার থেকে ঘুষ নেওয়ার হয়েছে। কোনো উপায় না থাকায় আমি তা পরিষদ করি। অফিস চৌদ্দগ্রাম কর অঞ্চল-৪, কেরানী ও সহ কারি কর কমিশনার এর সাথে জড়িত।
ফাইল অডিটে ফেলে, মিথ্যা অজুহাতে বিকাশে/নগদে টাকা নেয়
ভ্যাট জমা দেওয়ার সময় প্রতি মাসে এক্সট্রা ২০০০৳ ঘুষ দিতে হয়।
আমার ট্যাক্স ফাইল চট্টগ্রাম সিটিতে। কর অঞ্চল ২ ও সার্কেল ৩২। আমি বেশ কয়েক বছর আগে আমার ট্যাক্স ফাইল চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আনার চেষ্টা করেছিলাম। এটার জন্য সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা আমাকে কাজটি করে দিবেন বলে ১৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। আমি তাতে রাজি হইনি।
[redacted] called from this number, and demand from me 25 lac taka, othwise my company name: XYZ limited will be audited and cased for 1 crore taka case. This number name —, PS of Tax ad commissioner. — Tax zone 25, tax circle 487. This Man, — was the Most corrupted tax cader of Awamealeage time, now he is the don of NBR. He should be punished otherwise we will punish him.
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়ম ছিলো, অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের পরে, ভ্যাটের সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি চালানের হার্ড কপি, সংশ্লিষ্ট ভ্যাট অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসতে হতো। প্রতিবার ৫০০ টাকা করে নিতো। বছরে ১২ টি রিটার্ন জমা দেয়ার জন্য নূন্যতম ৬০০০ টাকা দিতে হতো। তা না হলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ভ্যাট রিটার্ন কেন বাতিল করবে না, এজন্য শোকজ করা হতো।
— (Assistant Commissioner of Taxes, Circle-20, Netrokona) উনি আমার কাছ থেকে ২.৫ লক্ষ টাকা তার সহকারী —ের মাধ্যমে ঘুষ নিয়েছে। — এখন নেত্রকোনাতে নাই।
১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, আমি গিয়েছিলাম আমার আইটিপি সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে। সার্টিফিকেট দেওয়ার সময় রুমের বাইরে যে সহকারী থাকে, সে নাস্তা পানির জন্য টাকা দাবি করে। পরে তাকে ১০০ টাকা দিলে সে আরো কিছু টাকা দাবি করে। সেই মূহুর্তে 'আমি স্টুডেন্ট, আমার কাছে আর টাকা নেই' বলে বেরিয়ে আসি।
আমার ফাইল ট্যাক্স হয় নাই এক টাকাও, অথচ অডিট এর নাম করে ফাইল রি ওপেন করে ভুল হিসাব করে ৫ কোটি টাকা ট্যাক্স ধার্য্য করে নোটিশ দিয়েছেন। এখন এই ফাইল ছারাতে গেলে ৫লাখ লাগবে, না হলে ব্যাংক হিসাব বন্ধ।
আমি একটি কোম্পানীর প্নতিনিধি । প্রতি মাসে ভ্যাট অফিসে ভ্যাটের বির্টান জমা দিতে যাই, সরকারী এ চালানের মাধ্যমে জমা করি ৪৫,০০০/ টাকা , আর ঘুষ দিতে হয় ৫০,০০০/ টাকা , ডেপুটি কমিশনার ১৫,০০০ / রাজস্ব কর্মকর্তা ১০,০০০/ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ১০,০০০/ অফিস খরচ ১৫,০০০/ সদরঘাট ভ্যাট অফিস, চট্টাগ্রাম।
রিটার্নের সার্টিফাইড কপি তুলতে গেলে তারা স্প্রীড মানি হিসেবে আমার নিকট ১৫ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে কাজ বিলম্ব হবে বলে মেনশন করেন।