নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
akta choto bebsa amar, thik moto tax return vat return deya hoi, factory theke vat return challan time moto na deya te , online e return deya kisu miss hoisilo. kintu sokol return er copy amar kase silo, tarpor o NBR theke akjon ashlo amar bebsa er sob khata chalan er picture nilo. bollo amar naki vat tax kom deya hoise. akta bebsa korte 3 jon k gush deya lage. 1. elakar neta. 2.factory er manager. 3. custom gate(epz) . esob kisur por tax and vat deyar por profit khub e kom. er por notun 4 number gush khor ashlo, nbr er lok. unader sathe settlement na korle bebsa naki bondho kore dibe.
বাবা মাসে পেনশন পায় ১১০০০ টাকা। ট্যাক্স রিটার্ন নিজে নিজে দিতে গিয়ে কিছু গরমিলের কারণে অডিট ফাইল হয়। সেই প্রেক্ষিতে ট্যাক্স সার্কেল-৩০০ বাবার কাছে ২৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। বাবার রাগ করে চলে আসলে পরবর্তীতে আমি যোগাযোগ করি কয়েক দফা। শেষ পর্যন্ত ৭০০০ টাকা ঘুষ খেয়ে বাবার ফাইল ঠিক করে। আদৌ সে কাগজপত্র সঠিক কিনা জানার কোন উপায় নেই। চালানের কপিটা অনলাইনে ভেরিফাই হয় না। ভেগান্তির শেষ নেই এই দেশে।
অনলাইন এ মাসিক vat return জমা দেওয়ার পর প্রতি মাসের 15 তারিখের মধ্যে প্রিন্ট কপি নিয়ে তাদেরকে দেখতে হবে এবং অফিসার এবং পিয়ন কে সর্বমোট 2700 টাকা দিতে হয়। না দিলে হয়রানি করবে
দুই বছর আগে আমাকে প্রায় ১৪ বছর আগের রিটার্নের ভিত্তিতে কর ফাঁকির মিথ্যা এবং সাজানো মামলা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছিল। যে বছরের রিটার্ন দাখিল করেছিলাম সেই বছর আমার সর্বমোট আয় ছিল প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। আমি একজন ডাক্তার এবং একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করতাম। আমার বেতনের পুরোটাই জমা হত ব্যাঙ্কে। বেতন ছাড়া আমার অন্য কোন আয় ছিলনা। যেহেতু আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করতাম তাই প্রাইভেট প্রাকটিস এর সুযোগ বা সময় কোনটাই ছিলনা। একমাত্র বসত বাড়ি ছাড়া আমার ব্যাক্তিগত বা পৈত্রিক বা অন্য কোন সুত্রে পাওয়া জমি বা সম্পদ বা আয়ের উৎস ছিলনা। কোথাও কোন ব্যাবসার শেয়ার ছিলনা। অথচ আমার নামে প্রায় ৭/৮ টি মিথ্যা এবং সাজানো আয়ের উৎস উল্লেখ করে আয় লুকানো এবং কর ফাঁকির মামলা দিয়ে প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকা দাবী করা হয়েছিল।
ট্রেড লাইসেন্স 2000দিয়েছি কিন্তূ অতিরিক্ত 500টাকা আলাদা নিয়েছে তাই আমরা চাই অনলাইন নিজের টাকা নিজে যেন টাকা দিতে পারি
DCT has framed the final assessment and after that it is needed to approval by joint commissioner of taxes, the joint commissioner of taxes demand tk. 2 lac or he added more income by dis-allowing the revenue. I ignored his demand and he directed the DCT to add Revenue income more tk. 25 lac, as a result tax burden is charged more tk. 720,000/-.
ফোল্ডিং ট্যাক্সে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে আমার বাসা ভাড়া আছে ৬০ হাজার টাকা এর মধ্যে হলো আমার বিল্ডিং এর লোন আছে তারা সেটিকে কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে তারা আমাদের উপর বড় অংকের টাকা শুধু শুধু চাপিয়ে দেয় এবং বলে সে টাকা কমাবে বিনিময়ে তাকে টাকা দিতে হবে। না হলে আমাদের নামে অনেক মামলা দিবে এটা করবে সেটা করবে আমাদের থেকে ব্ল্যাকমেইল করে জোরজবস্তি করে এই টাকাটা নেয়া হয়েছে
আমি আমার শ্বশুরের জন্য আয়কর জমা দিতে আয়কর অফিসে গেলাম তাদের বললাম আমার শ্বশুর সঞ্চয়পত্র কিনবে তাই আয় কর জমা দিতে হবে তখন তারা বলল ৮ হাজার টাকা লাগবে আমি বললাম কেন টাকা লাগবে তারা বললো এটা আমার খরচ আমি আর কিছু বলি নাই
বেট2000হাজার টাকা অফিস সিলিপ দিবে প্রতেক মাসে মাসে 3000টাকা দিতে হয় সিলিপ দিবে2000 সরকার এমন সিস্টেম চালু করা হোক নিজের টাকা নিজে অনলাইনে সরকারী অফিস সিয়ালে জমা দিতে পারলেই এই দূর নিতি থেকে মুক্তি পাবে জনগণ
আমাদেৱ বিল্ডিংএৱ বানানোৱ জন্য কম টাকা কৱ ফাইলে দেখানো হয়েছে। এই দাবী কৱে সব ফাইল অডিট কৱাল হুমকি প্ৰদান। মোট দাবী ছিল ৬০০০০০.০০ টাকা শেষমেশ ১০০০০০.০০ দিয়ে মুখ বন্ধ ৱাখাৱ ব্যবস্হা ।
আমার বাসার হোল্ডিং ট্যাক্স ৪তলা ২০১৮ সাল হতে দেওয়া ৫তলা নির্মাণাদিন ছিলো। আমরা গত দুই বছর আগে পাঁচ তলা নির্মাণ করে নিজে উঠেছি। এখন ২০২৬-২০২৭ এর হোল্ডিং ট্যাক্স দিতে গিয়েছি, তারা জিজ্ঞেস করেছিলো কয় তালা? আমি যা সত্যি তাই বলেছি পাঁচ তলা।। এখন তারা নানান হিসাব নিকাশ করে আমাকে ধরে বসছে,আপনার বাসা পাঁচ তলা দিচ্ছেন চার তলার tax আমি বললাম বিগত বছর গুলোতে তো এই ভাবেই দিয়ে এসেছিলো এখন যদি পাঁচ তলার Tax আসে তাহলে কেটে নেন। আমার বাবা জীবিত থাকতে এই tax গুলো দিতো,বাবা মারা গিয়েছে গত বছর। আমার সব tax রানিং সহ দেওয়া। তারা বলছে বললেই তো আর ট্যাক্স দেওয়া যায় না,সে ক্ষেত্তে নানান প্রসেসিং আছে। আমি বললাম প্রসেসিং থাকলে করুন, আমি সকল খরচ দিবো। তারা বলছে সেইম কেইস আরেক জনের আছে দেখায়, ৭০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে.
একটি ট্রেড লাইসেন্স এর ঠিকানা পরিবর্তন করতে গেলে টাকা লাগে ৩০০ টাকা তারা আমার কাছ থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে নিয়েছে, বলেছে টাকা না দিয়ে অনেক সময় লেগে যাবে সব অফিসারদের টাকা না দিলে কেউ স্বাক্ষর করে না।
Proti Mash e Vat er receipt e sorkari soi koranor jonno extra vabe Kisu taka na dile soi kore na Jhamela kore .
4 year er tax assessment e porse file, officer kono dhoroner Assessment kora chara e bole ei amount den, kaj hoiya jaibe hane, ekhon o jani nah koto taka Company tax faki dise ja joma dite hoibe. Ta chara e age e taka
আমাদের ই-রিটার্ন প্রথ৬বার জমা করার সময় কিছুটা ভুল পরিলক্ষিত হয়। তখন সেখানে থাকা একজন অফিসার ১০০০০ টাকা চেয়েছিলো। পরে ৫০০০ টাকা নিয়ে সেটি ঠিক করে এবং ই-টিন সার্টিফিকেট প্রদান করে
বিদেশে যাওয়ার জন্য ফাইল জমা করছিলাম এইজন্য টিন সার্টিফিকেট লাগতো , এই কাজটা করে দেওয়ার জন্য টাকা চাইছে দশ হাজার , পরে ৬০০০ দিয়েছি।
Zone: 13, Circle: 283, UD ei Ghus chara kaj korchilo na
ইনকাম ট্যাক্স প্রাকটিশনার হিসেবে ট্যাক্স অফিসে মনোনীত ব্যক্তি ও ট্যাক্স অফিসের অফিস সহকারী মিলে আমাকে ফোন করে এবং আমাকে মফিজ পাগলার মোড়ে একটি রেস্টুরেন্টে এ বসিয়ে আমাকে বলে আপনার ফাইল এ ঝামেলা আছে এটা ঠিক করতে ১ লক্ষ টাকা দিতে হবে না হলে দুদকে মামলা হবে। আমি একজন সাধারণ পিওন একটি ক্লিনিকে কাজ করি আমি প্রথমে দিতে অস্বীকৃতি জানাই কিন্তু তারা আমাকে পুলিশ ও দুদক এবং আরো অন্যান্য ভিতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ৬০০০০/- টাকা করে এবং বাকি টাকার জন্য পায়ে ধরে ক্ষমা পার্থনা করি।
আয়কর রিভিশন দেওয়ার কথা বলে বারবার কাগজ পাঠাচ্ছে। আলাদা করে দেখা করিনি বলে যা যা মনে আসছে তা লিখেছে। আমাদের পুরো স্থাবর মিলেই যা সম্পদ নাই তার থেকে আয়কর বেশি দেখাচ্ছে। যদি ভুল করে থাকেই তাহলে সেটা তাদের অফিসারাই করছে। কারণ মানুষ প্রথম জীবনে আয়কর দিতে গেলে অজ্ঞই থাকে আর তাদের সাহায্য নেই এতেই তারা সুযোগ নেই। প্রথমে আপনাকে সুযোগ দিবে এর পরে আপনাকে ফাসিয়ে তারা বদলি হবে। এ নিয়ে তিনবার টাকা দিলাম। কিন্তু সমাধান পাই নি। তাদের ভাষায় সমাধান হচ্ছে- টেবিলের নিচে টাকা দিলেই এই ফাইল ক্লোজ। বর্তমানে ১৭ লক্ষ টাকা চাচ্ছে যদি না দেই তাহলে মামলার দিকে যাবে।
এক বছর হল জিরো ট্যাক্স জমা দিয়েছি উনি কোন কাগজপত্র আমাকে রিটার্ন স্ক্রিপ দেয় নাই। আমাকে আজ না কাল ঘোরাঘুরি করায়।