17,320 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টিন দাখিল করা হয়নি চার বছর উনাকে 5000টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে
Firm TIN application korle approved kora te taka chy 3k taka na dile approved Dei na
I was asked for 3000 tk just for a form which has information of tax return just the form i asked several person what i have to do they behaved they don't know anything. Zero professionalism. Disgusting. It happened 4 years ago i forgot the persons name but i clearly remembered how much i had to suffer.
ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য আমার উকিলের মাধ্যমে করা রিটার্নের কপি নিজে নিয়ে ট্যাক্স অফিসে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে নানা ধরনের কথা বলে এবং বিভিন্ন ভুল ধরিয়ে আমার কাছে সরাসরি ২,০০০ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আমি বেশ দ্বিধায় পড়ে যাই। আমি তাদের বললাম, “আমার উকিলই তো আমার রিটার্ন তৈরি করে দিয়েছেন। কোনো ভুল থাকলে পরে আমি দেখে নেব।” কিন্তু তারা কোনোভাবেই আমাকে ছাড়তে চাচ্ছিল না। একপর্যায়ে আমার দ্বিধা দেখে টুপি পরা লোকটি আমাকে তাড়াহুড়া করে বলল, “তাড়াতাড়ি টাকা দেন, নামাজে যাব।” বিষয়টি শুনে আমি আরও হতবাক হয়ে যাই। সে তখন আমাকে সরাসরি বলল, “ম্যাডাম, আমরা একা খাই না, সবাই মিলে-মিশে খাই।”
আমার মায়ের আয়কর রিটার্ন দাখিল করার জন্য কর অঞ্চলের একজন কর্মকর্তা ৮০০০ টাকা দাবি করে। আমি দেই নাই। (যদিও আমার মায়ের কর যোগ্য কোন আয় নেই।) পরে অন্য যায়গায় করিয়েছি। কোন খরচ ছাড়া।
অনলাইন রিটার্ন দাখিল অসমর্থ হলে পেপার রিটার্ন দাখিল করা যাবে মর্মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিগত ২৮/৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে বিশেষ আদেশ প্রচার করেন। আমি তৎপ্রেক্ষিতে বিগত ১৫/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে আমি করদাতার পর্যাপ্ত উপকরন এবং পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকার কারণ উল্লেখ পূর্বক আবেদন করেছি কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় সমাধান না করে অনৈতিক অবৈধ উৎকোচ দাবি করেন।
না দিলে মামলা নিস্পত্তি না করে আরো জটিলতা বৃদ্ধি করবে।
বগুড়া কর অফিসে ট্যাক্স ফাইলের অঞ্চল পরিবর্তনের জন্য গেলে একজন ব্যক্তি আমার কথা শুনেই ৩,০০০ টাকা দাবি করেন।
মাসিক ভ্যাট পরিশোধ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার। প্রতিষ্ঠানে এসে হয়রানি করা হয়। একই অঞ্চলে আমার প্রতিষ্ঠান এর সমতূল্য অনেক প্রতিষ্ঠান থাকা সত্তেও এবং ১৫ বছর নিয়মিত ভ্যাট প্রদান করলেও৷ প্রতিবছর ভ্যাট কর্মকর্তা পরিবর্তন হচ্ছে আবার হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে৷ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এ অনেকেই ভ্যাট সুষ্ঠুভাবে প্রদান করে না কিন্তু কোন হয়রানি কিংবা তদারকি নেই৷ বরং যারা ভ্যাট দেই তাদেরকেই টার্গেট করে নিয়মিত হয়রানি করা হয়৷ মাসিক ভ্যাট প্রদান সহও অফিসের লোকজন ব্যক্তিগতভাবে টাকা দাবি করে৷ সঠিক কোন আইন তারা বলেও না, ব্যক্তিগত স্বার্থই তাদের কাছে প্রধান্য
sob kichu thik thakar poreo bollo amr return er file naki atkaia dibe , jodi tader ke tk dewa hoy tahole amr file atkabe na evabe voy dekhaya tk nise
Every masei tader dite hoy file process korte naile hudai iccha kore amn qus kore jar kono ans thake na.
Ami vat return form er sign ante gele uonara ei taka dabi kore,noyto uonara sign dibe na,or amar uopor aro boro Kono blame dibe.blackmail korese amake
অডিটের ফাইল টাকা ছাড়া ছাড়নো য়ায়না
Amr wppf found er kichu hisab gormil hoy.income tex amk chiti dey.amr fine shoho 170000 taka tex ashe.ami sokol takay pay korte raji but income tax-er hishab rokkhom amr kache 40000 taka gush dabi kore.jodi ami taka na di, kor komishonar amr fine aaro bariye dibe bole and kor porishoder certificate dibe na amk janai.tai ami 170000tk bank calan porishod kori and 20000 tk cash oooder hate diye nishpotti kori.
প্রায় ১৪ বছর আগে যখন আমার বার্সিক আয় ছিল মাত্র ১৫ লক্ষ টাকা। যার পুরোটাই বেতন থেকে আয় এবং পুরোটাই ব্যাঙ্কে জমা হত। আমার অন্য কোন আয়ের উৎস ছিলনা। কোথাও কোন শেয়ার ছিলনা। পৈত্রিক বা অন্য যে কোন উপায়ে পাওয়া কোন আবাদী বা অন্য যে কোন প্রকার জমি ছিলনা। কোন ব্যাবসা বা ব্যাবসার শেয়ার ছিলনা। আমি ডাক্তার হলেও আন্তর্জাতিক সংস্থ্যায় কাজ করার কারনে প্রাইভেট প্রাকটিস করার সুযোগ ছিলনা। সেই সময়ের রিটার্নের জন্য আমার নামে প্রায় ৮/১০ টা আইটেমে প্রায় কোটি টাকা মিথ্যা আয়ের অভিযোগ দিয়ে আমার কাছ থেকে প্রায় চল্লিশ লক্ষ টাকা কর দাবী করা হয়। পরবর্তীতে প্রতিটি আইটেমের প্রমান সহ জবাব দেয়ার পরও আমাকে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে রক্ষা পেতে হয়।
আমি প্রতি মাসে ভ্যাট দিয়ে থাকি, সরকারী চালান ব্যাংকে জমা দেই আর এই চালানটা ভ্যাট অফিসে নিবন্ধিত করতে হয়।নিবন্ধণ করতে গেলে ১০০০ থেকে ৫০০০ পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।এছাড়া সরকারী কর্মকর্তারা চালান জমা নিতে চায় না।এরপর ইচ্ছাকৃত ভাবে ব্যবসায়ীদের নানান কৌশলে ফাদে ফেলে ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা ও দাবী করে বসে।না দিলে মামলার ভয় দেখায়।
একদিন হঠাৎ করে ৬/৭ জনের দল নিয়ে উপস্থিত হন ভ্যাট অফিসার। এসেই বিভিন্ন নথিপত্র চাপ দিয়ে সংগ্রহ করে এবং প্রতিষ্ঠানের বেছে বেছে কিছু ফাইল জব্দ করে এবং লেনদেন সংক্রান্ত লেজার সাথে নিয়ে নেয়। বলে যায় তিন কার্যদিবসের মধ্যে দেখা করতে। আমরা বিষয়টি আমাদের নিযুক্তিয় উকিল দ্বারা সমাধা করতে চেষ্টা করি কিন্তু তারা কোন কথাই শুনলো না। উপরন্তু নানাভাবে আইন কানুনের ভয় দেখিয়ে প্রথমে এক কোটি ঘুষ দাবী করে, না হলে মামলা করার ভয় দেখায় এবং তাতে আরো বেশি টাকা খরচ হওয়ার কথা জানায়। তাদের চাপে পড়ে ও ব্যবসা চালু রাখার স্বার্থে শেষ পর্যন্ত ২০ লক্ষ টাকা তাদের ঘুষ দিতে বাধ্য করে। অতঃপর সরকারি কোষাগারে উপযুক্ত ভ্যাট প্রদান করে জব্দ কৃত নথিপত্র ও ফাইল ফেরত পাই। তাদের শর্ত ছিল যেন কেউ বিষয়টি জানতে না পারে বা প্রকাশিত না হয়।
আমাদেরকে অফিসে ডেকে নিয়ে বলে বাড়ির কাগজপত্রের মধ্যে ঝামেলা আছে কর দেওয়া হয়নি তিন লক্ষ টাকা দিলে তারা সবকিছু ম্যানেজ করে দিবে, এমনকি আমাদেরকে মামলার ভয় ও দেখানো হয়েছে।
টিন সাটিফিকেট নবায়ন করতে দিয়েছি, সারকারী চালান ফি ৩০০০ টাকা কর কর্মকরতা আমার টিন তৈরি করতে নিয়েছে আলাদা ৩০০০ টাকা বলছে উনার খরছের টাকা মানে ঘুষ, আমি দিয়ে দিয়ে আসছি বিগত ১৫ বছর যাবত
আমার বাবা ২০১৮ সালে মারা যান। তখনও বাবার সম্পদগুলো ছেলেদের নামে বণ্টন করা হয়নি, তাই বাবার পক্ষ হয়ে আরও কয়েক বছর ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে আসছিলাম। এর মধ্যে ২০২২ সালে আমাদের ফাইল কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই অডিটে ফেলা হয়। পরে আমাদের বলা হয়, কোনো ফাইল অডিটে পড়লে নাকি অডিট রিপোর্টে অতিরিক্ত টাকা দেখাতেই হয়। কারণ, বাড়তি টাকা না দেখালে কর্মকর্তাদের কাছে প্রশ্ন ওঠে—“এই ফাইল অডিটে পড়ল কেন?” এই নিয়মের কারণে অনেক সময় কোনো ধরনের অনিয়ম না থাকলেও ফাইল নিয়ে হয়রানি করা হয়, নানা কাগজপত্র চাওয়া হয়, অতিরিক্ত কর ও জরিমানা চাপিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ঝামেলা এড়াতে এবং কম জরিমানা দেওয়ার আশায় মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, যার নামে এই আয় ও সম্পদ—তিনি ২০১৮ সালেই মারা গেছেন। তারপরও ২০