সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৪০২ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
কর অফিস

কর প্রদান, সার্কেল পরিবর্তন

কর প্রদান, সার্কেল পরিবর্তন এটি করতে আমার অফিস সহকারীকে ৪,৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। এছাড়া অনেকেই প্রকাশ্যে ঘুষ দিচ্ছে ও নিচ্ছে, কিন্তু কেউ কোনো অভিযোগ করছে না। আমাকেও অভিযোগ করে বাধ্য হতে হয়েছে, কারণ সেদিন আমি টেকনাফ থেকে চট্টগ্রামে বদলি হচ্ছিলাম।

ঘুষ দিয়েছি
টেকনাফ ৳৪.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

এনবিআরের ‘সেকশন ১৪৭ ভিজিট’ ও মাঠপর্যায়ের নতুন ঘুস বাণিজ্য:

এনবিআরের ‘সেকশন ১৪৭ ভিজিট’ ও মাঠপর্যায়ের নতুন ঘুস বাণিজ্য: করদাতাদের চরম উৎকণ্ঠা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) সাম্প্রতিক সময়ে কর আইন অনুযায়ী পরিচালিত সেকশন ১৪৭ (Section 147) এর অনসাইট ভিজিট ও মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনের ক্ষমতা এখন একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার জন্য বড় ধরনের চাঁদাবাজি ও ঘুস বাণিজ্যের নতুন হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এই ভিজিটের নামে অতিরিক্ত বা ভুয়া ট্যাক্স দাবির ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত উৎকোচ দাবি করা হচ্ছে। এমনকি চাহিদা অনুযায়ী ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুস না দিলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাল্পনিক ও খারাপ অডিট রিপোর্ট দেওয়ার নজিরও তৈরি হয়েছে। আইনগত তদারকির নামে এই অনৈতিক ও বেপরোয়া হয়রানি

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১০.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল

৩ বছর আগে করা ট্যাক্স রিটার্ন ফাইলে ১৬ লাখ টাকার হিসাব চায় (আত্মীয় থেকে ধারপ্রাপ্ত) এবং সুরাহা করে দেয়ার জন্য ৫ লাখ টাকা ঘুষ চায়। যখন পর্যাপ্ত প্রমাণ হাজির করা হলো তখন বললো ১০ বছর আগের ফাইল নাই কেনো। সেই সময়ের কয়েকটা ফাইল আপডেট করার জন্য ১৫-২০ হাজার টাকায় করে দিবে এমন অফার করে ট্যাক্স ইন্সপেক্টর। সহকারী কর কমিশনার এর সাথে কথা বলেও লাভ হয়নাই। উনি ইন্সপেক্টর এসাইন আমাদের সামনে করে দেয়ার পর তখনই এই অবস্থা। সবাই ই জড়িত এ ব্যপার গুলোতে।

ঘুষ দিইনি
কর অঞ্চল ৯, সার্কেল ১৮৫ ৳৫.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

রিটার্ন সাবমিট জমা, ই চালান সত্যাইত

মোটরসাইকেল এর শোরুম থেকে মোটরসাইকেল বিক্রি করলে প্রতি মোটরসাইকেল এর লাভ্যাংশের ১৫% ভ্যাট দিতে হয় ৷ কিছু মোটরসাইকেল এর ভ্যাট ১০০০ টাকা হলে সেই ভ্যাট এর চালান সত্যাইত করতে কর কর্মকর্তা নেন ১০০ টাকা ৷ মানে মাসে ১০০ টি গাড়ি বিক্রি হলে কর কর্মকর্তা নেন ১০,০০০ টাকা ৷ পরে আসি রিটার্ন সাবমিট এ ৷ সঠিক ভ্যাট দিয়ে রিটার্ন জমা দিতে লাগে ৩০০০ টাকা ৷ এটা প্রতি মাসে দিতে হয় ৷

ঘুষ দিয়েছি
রাজশাহী ৳৩.২ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

নিরীক্ষা

আমি একজন চাকরিজীবী। সুতরাং আমার অফিস থেকেই আমার প্রাপ্য কর কেটে নেওয়া হয় এবং নিয়মিতভাবে তা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। আমিও নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমা দিই আমার রিটার্নে একটি নগদ ঋণের বিষয় উল্লেখ ছিল। পরবর্তীতে আমি সেটিও পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করেছি—কার কাছ থেকে ঋণ নিয়েছি এবং কী কারণে নিয়েছি। এরপরও তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। বারবার অনেক ধরনের স্টেটমেন্ট, ডকুমেন্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র চাওয়া হয়। আমি তাদের চাওয়া সবকিছুই জমা দিয়েছি। তারপরও তারা আরও অনেক অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইতে থাকে, যেগুলোর আদৌ কোনো প্রয়োজন ছিল বলে আমার মনে হয়নি। পরবর্তীতে আমি বুঝতে পারি, তারা কেন এভাবে বিষয়টি দীর্ঘায়িত ও জটিল করে তুলছিল। শেষ পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার পর তারা আমার ফাইল ছেড়ে দেয়

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১.১৫ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

জমির খাজনার জন্য দাগ খতিয়ান প্রসঙ্গে।

জমির খাজনার জন্য দাগ খতিয়ান প্রসঙ্গে। আমাকে বলা হয়েছে দাগ খতিয়ান তুলে দিবে এটার জন্য ১০,০০০/- লাগবে। নাহয় কাজ হবেনা, পরবর্তীতে আমি কাজ করাই নাই, লিগ্যাল ওয়েতে করাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু কাজ এখন অব্দি হয়নি, আমার কথা হলো আমি আমার জমির খাজনা(কর) দিবো সেখানে কেনো আমাকে ঘুষ দিতে হবে? সরকার কে ট্যাক্স দিবো সেখানে কিসের ঘুষ! এটা বলে আমি প্রত্যাখ্যান করি।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা, রাজউক মতিঝিল। ৳১০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

অডিট ফাইল এ্যাসেসমেন্ট করার জন্য

আমি একটি কোম্পানির হিসাব বিভাগের দায়িত্বে আছি..কোম্পানির মালিক আমাকে খুব বিশ্বাস করে....বাংলাদেশের নতুন একটা সেক্টরে ইনভেস্ট করে ফ্যাক্টরি প্রতিষ্ঠা করে আমার কোম্পানি ওনার, সেই 2016 থেকে আমি এখানে আছি...নিয়মঅনুযায়ী 2015-2016 অর্থবছর থেকে এখন পর্যন্ত সব ফাইলই এ্যাসেসমেন্ট এ আটকে আছে........প্রতি অর্থবছরের জন্য সার্কেলের কমিশনার 10 লক্ষ ঘুষ দাবি করেন....এইগুলিরতো আসলে কোনো প্রমান থাকে না ...ভুক্তভোগি বুঝে কতটা পেইন....একটু নতুন কোম্পানি,,,নতুন ইনোভেশন....অনেক কিছুই গোছানো নাই থাকতে পারে...সিস্টেম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে যা জমা দেওয়ার তা আমার মালিক দিতে রাজি.........তার বাহিরেও বড় এমাউন্ট ঘুষ না দিলে ফাইলে সাইন হবে না........ আমি জীবনে বহু জায়গাতে ঘুষের কাহিনী শুনেছি,দেখেছি.......এতটা কোথাও না

ঘুষ দিইনি
ঢাকা-সার্কেল-1 ৳৫০.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

ভ্যাট চালান

আমি প্রতিমাসে ৩০০০ টাকা করে ঘুষ দিয়ে আসছি ! ভ্যাট অফিস এ প্রতিমাসে আমার একটা ভ্যাট চালান ব্যাংক জমা দিয়ে আমি আবার রূপসী বাংলা সামনে বাগিচাগাঁও ওদিক ৩০০০ টাকা জমা দিয়ে sign দিয়ে নিয়ে যায়

ঘুষ দিয়েছি
Cumilla ৳৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

প্রাপ্তি সনদ

ট্যাক্স সারকেলঃ২০৩, ট্যাক্স জোনঃ ১০ , লিফটের ৭/৮ তলায় অবস্থিত অফিস থেকে গত নভেম্বর ২০২৪, আমার কাছ থেকে শুধুমাত্র ট্যাক্স জমা দেয়ার প্রত্যয়ণ পত্র পেতে আমার কাছ থেকে তারা ৫০০০ হাজার টাকা চা নাস্তার টাকা দাবি করে, যেহেতু ব্যাংকের কাজের জন্য আমার এটা জরুরি ছিল, তারা আমাকে বলে ১ মাস ও লাগতে পারে এর জন্য, এই বলে আমাকে ভীতি প্রদর্শন করে, তারপর অনেক অনুনয় করার পর ২০০০ টাকা নিতে রাজী হয়, ৫ মিনিট পর তারা আমার প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করে।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা শেগুনবাগিচা ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

ট্যাক্স ফাইল অডিট

আমার ট্যাক্স ফাইলটি অডিটের জন্য তলব করা হয়েছিল। নির্ধারিত দিন নির্ধারিত সময়ে আমি উপস্থিত হলে কর পরিদর্শক বলেন যে, আমার ফাইলটি মামলা হয়ে গেছে। গৃহনির্মান ঋণ নিয়ে তৈরী করা বাড়িতে নাকি আমি অবৈধ অর্থ বিনিয়োগ করেছি। কারণ, যে পরিমান ঋণ নেয়া হয়েছে তার চেয়ে বেশি খরচে আমি বাড়ি করেছি। আমি বললাম যে বাড়তি খরচ যা হয়েছে তা আমার পারিবারিক উৎস থেকে নেয়া। কর পরিদর্শক বললেন যে পারিবারিক উৎসের কথা আমি আমার ফাইলে উল্লেখ করিনি। তাই বাড়তি ব্যয় হওয়া অর্থ অবৈধ। এখন বিপুল পরিমান জরিমানা আরোপ হবে। আমাকে প্রায় দশ লক্ষ টাকার জরিমানার কথা বলা হয়। এবং প্রস্তাব করা হয় যে, যদি পরিত্রাণ পেতে চান তবে আমাদের অফিসকে ম্যানেজ করতে হবে। অতঃপর প্রথমে দাবী করা হয় পঞ্চাশ হাজার এবং ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে ঘুষের পরিমান। শেষ হয় ১২০০০০ তে।

ঘুষ দিয়েছি
ঠাকুরগাঁও ৳১.২০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

আয়কর প্রদানের ক্ষেত্রে

২০২১-২০২২ অর্থ বছরের আয়কর প্রদানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের পরে জমা দেয়ায় ফাইলটি অডিটের নামে অতিরিক্ত ২.৫লক্ষ টাকা অতিরিক্তি কর হবে মর্মে ভীতি প্রদর্শন করে ১০০০০টাকা ঘুষের মাধ্যমে আপত্তি নিস্পত্তি করে।

ঘুষ দিয়েছি
কর অঞ্চল-৪৯৫ (বৈতনিক) ৳১০.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কর অফিস

HS code

We are an export-oriented garments and accessories company and had applied for the inclusion of the relevant HS codes in our Bond Entitlement. Accordingly, we submitted our application to the DEDO office for the necessary approval. During the process, the concerned ARO requested Tk. 150,000 to facilitate the completion of the work. We refused to make any such payment and subsequently communicated our company’s position directly to the Director. Following our communication, the matter was eventually resolved and the HS codes were included. However, the process took almost three months, causing significant delays and inconvenience to our business operations.

ঘুষ দিইনি
Dhaka ৳১.৫০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য