নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
রাতে ফিরছিলাম, সব কাগজ ঠিক ছিলো, কালো গ্লাস কেনো, ১৫০০০ টাকার মামলা হবে। রেকার বিলের নামে ৫০০টাকা নিয়েছে কোনো চালান দেয়নি। কালো মতন একজন, নেম প্লেট ছিলোনা। মহাখালী বাসস্ট্যান্ডের সামনেও একই কাজ হয়
পুলিশের টিএ/ডিএ বিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসের কনস্টেবলদের ১০% কমিশন দিতে হই। কমিশন না দিলে তারা বিল করে না। বলে উক্ত কোড নাম্বারে বাজেট নাই, বিল পেতে দেরি হবে। ১০% দিলে তখন আবার বাজেট থাকে, বিল পেতে দেরি হই না।
ফেনীর লেমুয়া হাইওয়েতে বাংলাদেশী ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না, বিদেশে লাইসেন্সে চলবে না বলার পরে রিকোয়েস্ট করেছি ছেড়ে দেন এইবার লাইসেন্স করিয়ে নিবো, বলে হবে না টাকা দেন ২ হাজার, আমি বলেছি মামলা দেন। পরে ধমক টমক দিয়ে ২ হাজার টাকা নিয়ে গেল। তারা ডিবির লোক ছিল, ডিবির জ্যাকেট গায়ে এবং ডিবি লেখা গাড়ী ছিল।
আমার কাগজ আপডেট করার জন্য আমি ইকুরিয়া বি আর টি এ তে যাচ্ছি,এর মধ্যে কাকরাইল মোড়ে আমাকে আটকিয়ে ১০০০০ টাকার মামলার ভয় দেখিয়ে, ১৫০০/- রেকার বিল এ নামিয়ে ৮০০/- তে রাজি হয়েছে,তারপ্প্র ছাড়া পেয়েছি।
Kaj sheshe bashai firchilam, uttarai 14 no sector a rasta block kore amake bike er papers dekhte chai, ami shob diyechilam, amar driving license Trainer chilo, but uni eta cholbe na bole prothom a 500 then 1000 taka chai, amio baddho hoye diye chole ashi. Police ti hindu chilo.
পন্চগড় থেকে যশোর মহসরক এর বেশ কিছু জায়গায় ট্রাফিক সার্জেন এবং হাইওয়ে পুলিশ বসে। এখন তারা প্রতিটি গাড়িতে সিগন্যাল দিয়ে দাড় করায় এবং গাড়ির কাজ পত্র সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্তেও প্রতিটি গাড়ি থেকে নাস্তা করার কথা বলে ১০০ থেকে ২০০ টাকা আদায় করে। টাকা না দিলেই অযথা অকারনে মামলা অর্থাৎ কোনো কারণ ছাড়াই মামলা দিক যার কোন যৌক্তিকতা নেই। নাস্তা করার কথা বলে চাঁদাবাজি বা ঘুস আদায় করছে পুলিশ।
দুই বন্ধু বাইকে করে যাওয়ার সময় রাস্তা থেকে কোনো এক দরকারে আরেক প্রাইমারিতে পড়া পিচ্চি ছোটভাই কে গাড়িতে তুলি। অল্প একটু রাস্তা গিয়ে ড্রপ করে দিবো বলে। তার আগেই পুলিশের লোকজন আটক করে। কাগজপত্র হেলমেট সবকিছু ঠিক থাকলেও তিনজনের অপরাধে তিন হাজার টাকা মামলা দিয়ে দিছে। বাচ্চা ছোট মানুষকে তৃতীয় আইন অমান্যকারী যাত্রী হিসেবে ধরেছে। টাকা মেশিনে না নিয়ে ক্যাশ নিয়েছে সার্জেন্ট সাহেব নিজে।
Took 2000 taka from our car as bribe due to engine number mismatch
আমার গাড়ি আটকে ছিল আমি বলেছিলাম কাগজ আছে বাসায়। পরে তারা বলেছে না এখনি কাগজ দেখাতে হবে পরে আমি কাগজ দেখাতে পারিনি যে কারণে তারা ভয় দেখায় অথচ মামলা হয় নাই পরে ৫ হাজার টাকার মামলা হবে কিন্তু যদি তাদেরকে তিন হাজার টাকা দেই তারা মামলা দিবে না ছেড়ে দিবে তখন আমি তাদেরকে টাকা দিয়ে এবং তারা আমাদের আমাকে ছেড়ে দেয় অসংখ্য মানুষকে তারা হয়রানি করেন।
বৃষ্টির জন্য মানিব্যাগ পকেটে নেইনি,বাসা থেকে ২কিমি দুরে। ব্যাগের মধ্যে গাড়ি প্রয়োজনীয় কাগজ ছিল। ধর্মতলা মোড়ে গাড়ি দার করায়। কাগজ দেখতে চায় ,আমি ৫মিনিট সময় চাইছিলাম । দেয়নি, বলেছিলাম আমার সহকর্মী কাগজ নিয়ে আসছে ২/৩ মিনিট সময় লাগবে। সে আমার কথা না শুনে যশোর ট্রাফিক অফিসে আমার গাড়ি পাঠিয়ে দেয়,বলে কাগজ পাতি দেখিয়ে গাড়ি ঐখান থেকে নিয়েন। কাগজ পাতি নিয়ে ঐখানে গেলে তারা আমকে ৩ নাম্বার রুমে যেতে বলে। আমি ঐখানে গেলে আমার সবকিছু দেখে দায়িত্বে থাকা পুলিশ আমাকে ১ নাম্বার রুমে পাঠান।১নাম্বার পুলিশ অফিসার কাগজপত্র সব ঠিক দেখে কাগজের পিছনে — লিখে দেন আর বলেন ,আর ৩ নাম্বার রুমে পাঠান । ৩ নাম্বার রুমে যেতে আমার কাছে ৩০০০/- চান। আমি বললাম রিসিট দেন। তিনি রিছিট দিতে পারবেন না। বলেন ১নাম্বারের বড় স্যারের সাথে--
আমি জেল পুলিশ — এ-র মাধ্যমে আমার ছোট ভাই জন্য জেল খানায় খাবার দিতে যায় সেই বলে ১০০০০ টাকা লাগবে তার পরে আমি বিকাশের মাধ্যমে ৫০০০ টাকা দিয়েছি —ের বিকাশ নাম্বার —
Amader Tire shop er same Gari Te Tire installation er somoy eshe Traffic police er Ti eshe Mamla deya suru kore, wrecker diye Gari niye jay. Ekhon ora Bolteche 10000 Taka kore market Theke tule dite. Agey amra Tikte na pere 7000 taka kore tule ditam. Ekhon Ek Jon —Ti Aachen, uni naki 10k er niche nen na Taka. Amra wari area te achi
Even after I have all the documents for my motorcycle, Ashulia traffic police has taken 500 taka from me. Which is a kind of oppression. It is just not for me. Every day they unnecessarily harass and take money from everyone. If I say anything, they threaten me with a big amount of lawsuit which is never included in the traffic law of Bangladesh.
২০২৩ সালের কোনো একদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ফকিরাপুলে ট্রাফিক পুলিশ ৩য় ব্যক্তি দ্বারা প্রতি অটো থেকে ৪০ টাকা করে নিচ্ছিল । কিছুদিন আগে পুলিশ লাইনে সেই দুর্নীতিবাজ পুলিশরাই মহিলা নিয়ে নাচ্ছিলো।
আমি একজন প্রবাশী বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (PCC) নিতে সরকারি সব টাকা সোনালী ব্যাংকে জামা দেওয়ার পরে, আমার রাউজান থানাতে গেলে যে লোক সাবমিট করবে সে চা নাস্তা জন্য টাকার দাবি করে, আমি ২০০ টাকা দিয়, বাংলাদেশে চা নাস্তা খায়তে পনেরোশ থেকে দুইহাজার টাকা চা খায়তে লাগে এটা আমার যানা ছিলো না
অবৈধ লাইসেন্স ব্যবহার করে + ট্রাফিক কে ঘুষ দিয়ে পার হয়ে যায় । আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করেছিল । আমি পরে ৩০০০ টাকা দেই ।
ধলাপাড়া একটি ইউনিয়ন, আশেপাশে সব গ্রাম্য রাস্তা। গ্রামের মধ্যেই মিনি রাস্তায় অনেকেই মোটর বাইক ব্যাবহার করে। এখানে কোনোদিন কখনো পোলিশ সার্জেন্ট মোটর সাইকেল আটকায় না। কিন্তু গতকাল ২৭/০৮/২০২৬ তারিখে ইউনিয়ন বিএনপির যোগসাজেসে জেলা শহর থেকে সার্জেন্ট পোলিশ এসে যাকে রাস্তায় পেয়েছে তাকেই ধরে পোলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যেয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে জনপ্রতি ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেয়।
আমি বাংলাদেশ বিমান ক্যাটারিং সার্ভিস এ ইন্টার্ন হিসেবে জয়েনের উদ্দেশ্যে আমার বর্তমানের ঠিকানা অনুযায়ী বাড্ডা থানায় যাই এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বর্তমান বাসার বিদ্যুৎ বিলের কপি সরবারহ করা হলেও তারা ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে।যেহেতু বিষয়টি আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও টাকা দিয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন করে নেই।আর এ ক্ষেত্রে একজন এ এস আই অর্থের বিনিময়ে কাজটি সম্পন্ন করে।
ট্রাফিক সা্রজেন্ট বাইক থামিয়ে বললেন ২০ টাকা দিতে।
টাকা না দিলে মামলা দিত