নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার গাড়ির সব পেপারস কম্পলিট ছিল, শুধু নাম্বার প্লেট টা হাতে পাইনি,, নতুন গারি, নাম্বার প্লেটের পরিবর্তে পেপার ছিল,, এটা নিয়ে অনেক ঝগড়াঝাঁটি,, আমার কাছ থেকে ১৫ ০০টাকা জরিমানা নেয়,আমি অনেক রিকুয়েস্ট করে বলেছি আমার একজন রোগী অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি আছে, কিন্তু উনি কোনভাবেই আমাকে ছেড়ে দেয় নাই,আমার কাছে শেষ সম্বল পনেরশো টাকাই ছিল, পুরো টাকাটাই ওনাকে দিয়ে দিতে হয়েছিল
বাইক নিয়ে যাচ্ছিলাম আমার হেলমেট থাকলেও পিছনের জনের হেলমেট ছিলো না, তখন ট্রফিক পুলিশ আটকিয়ে টাকা দাবি করে না দিলে মামলা জরিমানার ভয় দেখায় গাড়ি আটকে রাখার ও ভয় দেখায়
আমার তিন স্টুডেন্ট দিনাজপুর শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে বাইক নিয়ে ঢুকে এসময় এম দিয়ে শুরু নামের এক পুলিশ তাদের আটকায়, প্রথমে গাড়ির চেসিস নাম্বার খুঁজে না পেয়ে চোরাই গাড়ি বলে ভয় ভীতি দেখায় , পরে চেসিস্ নম্বর খুঁজে পেলে সাইডে ডেকে নিয়ে এক হাজার টাকা ঘুষ চায় এবং ৩০ মিনিট সময় বেঁধে দেয়, এই সময়ে বাইকের মালিক ছেলেটিকে দিনাজপুর বড়বন্দর এলাকায় নিয়ে যায়।।। এর মধ্যে ছেলে দুইজন টাকা ম্যানেজ করতে তাদের ভাইকে ফোন দিলে পুলিশ তাদের থানার সামনে নিয়ে গিয়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে ১৫০০০০ টাকার মামলা দেয় এবং আরও নানান ধরনের হয়রানি করে।।। ঘটনা এক মাস আগের।।
আমি প্রত্যক্ষ করেছি,ঢাকা নতুন বাজার ট্রাফিক সারজেন্ট বাসটিকে দাড় করিয়ে সুপারভাইজার থেকে টাকা দাবি করেছে, পরে সুপারভাইজার এর তথ্য মতে সে ২০০ টাকা দিয়েছে।
সকাল বেলা রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে কাঁচামাল নামিয়ে আসার সময় আমতল তিন পুলের মাথায় ট্রাক থামিয়ে নিষিদ্ধ সময়ের কথা বলে টাকা নিলো ৪০০। এরপর যখন নিউমার্কেট আসলাম তখন টাকা চাইলো ৪০০, বললাম আমতল মোড়ে টাকা দিয়েছি, টাকা দিতে অস্বীকার করাই ট্রাক আটক করে দিল, সদরঘাট ট্রাফিক অফিসে গাড়ি ছারাইতে নিল ৮২৫০। কিন্তু সিলিপ দিল ১২৫০। বাকি টাকার স্লিপ চাইলাম বলল তাহারা ব্যাংকে জমা দিয়ে আসবে, আমরা জানতে চাই চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশ যে অফিসে আটক গাড়ি ছারাইতে টাকা রাখে এই টাকাকে সরকারের কোষাগারা জমা হয় নাকি নিজেরা ভাগ বাটোরা করে খায়। দুদক দিয়ে তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হোক।
চট্টগ্রাম · “একটি তদন্ত রিপোর্টে দারা বাদ দয়ে সঠিক রিপোর্ট দিতে বলায় টাকার দাবি, না দিলে কেইস জটিল করে দেয়, তাই বাধ্য হয়, সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্তে এসএই রা এইসব টাকা খায়, আরো বলে যে, ওসিকে ভাগ দিতে হয় তাই কাটা বেশি লাগে”
আমাকে রঙ ইউটার্ন এর জন্য ধরেছিলো এবং সরাসরি ঘুষ চেয়েছিলো। এবং এখানে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে সেখান দিয়ে আরো বহু গাড়ি ইউটার্ন করেছে তাদের কে কিছু বলা হয় নাই।আমি সেটা বলেছি তারা জবাবে আমাকে বলেছে কাকে ধরবো আর না ধরবো সেটা কি আপনার থেকে শিখতে হবে।
সে দিন আমি আর আমার আপন ছোট বোন আমার এক আত্নীয় বাড়িতে গিয়েছিলাম , আসার সময় পুলিশ আমাকে আটাকায় এবং আমাকে উল্টাপাল্টা বলে আমার বোন অন্যভাবে উপস্থাপন করে এবং ১০ হাজার টাকা মামলা হবে দাবি করে, তখন আমার সব কাগজ সেফটি ঠিক ছিল শুধু ড্রাইভিং সাইলেন্স বাদে, যেহেতু সে এটায় মামলা করে বেশি লাভবান হবে নাই আমাকে ভয় দেখিয়ে বাধ্য করে ঘুস দিতে পরে আমাকে ১০০০ টাকা দিতে হয়
আমি স্টুডেন্ট আমি আমার কলেজের ঢাকা সিটি কলেজ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে পড়ালেখা করার উদ্দেশ্যে চলে যাচ্ছিলাম মূলত আমার ক্লাস ছিল এই মাঝখানে আমাকে পুলিশেরা ধরেছিল আমার ঐদিন পরীক্ষা ছিল পুলিশ মামাকে রিকোয়েস্ট করছিলাম আমার গাড়িটা ছেড়ে দিন নাহলে আমি লেট হয়ে যাব আমি পরীক্ষাটা দিতে পারবো না পরে পুলিশ মামা না আমাকে আমাকে ছেড়ে দিয়ে আমার গাড়িটাকে রেখে দিয়ে পরবর্তী আমার বড় ভাই টাকা দিয়ে পরে আমার গাড়িটাকে ফেরত আনায়।
বাইকের নাম্বার এর জন্য গভমেন্ট কে টাকা জমা দিছি, কাগজে সিল দেয়া ছিলো জুনে নুম্বার প্লেট দিব। কিন্তু জুনে দিতে পারেনাই গভমেন্ট এর বেরথতা ছিলো? গভমেন্ট থেকে আমাকে কোনো মেছেও দেয়া হয় নাই যে এই সমায় বারাতে হবে। ছারজেন আমাকে দরে বলে আপনি ডেট কেনো বারান নাই এখম মামলা নিতে হবে। পরে আমি তাকে বললাম, আমি আশলে জানতাম না যে এইতার ডেট বারাতে হয়। আমি বললাম আজ তো শনিবার আজকে BRTA বন্ধ আজকে তো ডেট বারাতে পারবো না। আমাকে একটা দিন সমায় দেন আমি ডেট বারিয়ে নিয়া আসব। সে আমার কোনো কথা না শুনে আমাকে মামলা দিবে ২০০০/- টাকার। পরে আমি বললাম স্যার আমাকে মামলা দিয়েন না। আপনি দেখেন আমার সব ঠিক আছে। উনি বলে মামলা নেন না হলে ১২০০ টাকা দেন। পরে আমার কাছে সব মিলে ৭০০/- টাকা ছিলো সেটা দিয়া আসলাম। আমি বাইক দিয়া সংসার চালাই।
সদরঘাট এলাকা থেকে বিভিন্ন জিনিস যেমন সূতা ,কাপড় ও এমন দ্রব্য সামগ্রী বিপুল পরিমাণে ক্রয় করলে অটো অথবা সিএনজি দিয়ে সদরঘাট থেকে বের হওয়ার সময় তারা চাঁদা স্বরূপ যার থেকে যা নেয়া যায় তা বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে তারা আদায় করে নেয়
জায়গা সংক্রান্ত একটা অভিযোগ করেছিলাম কিন্তু তৎকালীন এক জন এএসআই ডিউটি অফিসার আমার কাছ থেকে ৪৫০০ টাকা নিয়েছে আমার মত এরকম অনেক ব্যক্তি আছে যারা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছে টাকা ছাড়া এখানে কোন কাজ হয় না এবং আমি এটাও শুনেছি থানায় যারা অভিযোগ করে তারা উল্টা বিবাদী কে পরামর্শ দেয় অভিযোগকারী বিরুদ্ধে আবার অভিযোগ করতে
I was stopped by a traffic police who checked my motorcycle documents, after checking everything he was making me wait for no reason when another officer came and said give the other officer some money. I refused because I provided tax token, bike registration and drivers license. Then the officer told me to start my bike and he checked my exhaust which is stock and then checked my horn which was a normal round horn. He said it’s too loud and gave me a 15,000 taka fine. On the fine he wrote hydraulic horn which is a lie. I spoke to the some high ranking officers in traffic office sylhet and they told me they can’t do anything, so I had to pay the fine to get my license back
আমাকে বল হলো আমার পণ্য কেটে নেওয়া হবে আমাকে ব্যবসা করতে দিবেনা। করলে ৫ ০০০ টাকা দিতে হবে। জীবিকর তাগিতে বাধ্য হয়ে দিয়েছি
আমি বিদেশে যাবো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার আমার দুলাভাই সেনাবাহিনীতে জব করেন উনাকে নিয়ে গাজীপুর শ্রীপুর উপজেলা থানায় যায় আমার দুলাভাই সেনাবাহিনী পরিচয় দেওয়ার পরেও ৫০০ শত টাকা দাবি করেন অবশেষে আমি ৫০০ শত টাকা দিয়ে আসি। আরো বেশী নেন উনারা এই কাজের জন্য। আমার দুলাভাই সেনাবাহিনী পরিচয় দেওয়াতে কম নিছেন ৫০০ টাকা। এই হলো পুলিশের অবস্থা ঘৃণা করি এই পুলিশ কে। বিনীত অনুরোধ এই সংবাদ টি পত্রিকায় প্রকাশ করার জন্য।
আখড়া থেকে কুমিল্লার রেল স্টেশন, আমি আখড়া থেকে টিকেট কেটে রেলে ওঠি,, আমি কুমিল্লা রেল স্টেশন নামার একটু পরই একজন পুলিশ আমাকে দরে,বলে তোমার টিকেট দেও,, দিলাম,,,,,দেওয়ার একটু পরই বলে ৩ হাজার টাকা তে নাহলে জেলে ডুকিয়ে দিবো,,,,,,আমার কিছুই করার ছিলো না,,, টাকা দিতে হেয়েছে, তখন সময় রাত ১০ টা
চোর বাসা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে স্টার্ট করতে না পেরে ফেলে যায়, মানুষজন সেটা পেয়ে পুলিশের নিকট জমা দেন। পরে উপযুক্ত প্রমাণ সহ থানায় যোগাযোগ করলে ২০০০০ টাকা ছাড়া মোটরসাইকেল দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বাধ্য হয়ে ২০০০০ টাকা দিই।
In firmgate that traffic sergeant asked my bikes paper, my bike is old and doesn’t have digital number plate but old number plate with all documents were up to date, so I handed over all the papers and he asked me why I didn’t changed my old number plate to digital one. I told him “is it mandatory“. By that time he started filing a case , I asked why you are putting my details in your pos machine, he replied you have to accept a case, I said “Why”? He replied I am giving you a small case of taka 2000 but if you pay me 1000 taka then I won’t file any case, I was extremely shocked and speechless , I was thinking “what the hell, what is my fault “ and I refused to pay him so he filled that case
আমি সকাল ৭.৩০/৪০ এর দিকে মিরপুর-১ এর চাইনিজ এর বশিরুদ্দিন রোড থেকে বের হয়ে ডান পাশের রোড দিয়ে ঢুকে ইউটার্ন নিতে গেলে আমার বাইক দার করায় আর বলে আমি নাকি উল্টাপথে এসেছি। তারপর কাজ পত্র দেখতে চায় আমিও দেখাইতেছিলাম এরি মধ্যে আমার বাইকের চাবি নিয়ে যায়, তারপর ১ম ৩ হাজার টাকা দাবি করে আস্তে আস্তে ১ হাজার টাকার মামলা দিয়ে দেয়, এরপর সিলিপ নিয়ে সেই সকালে বিভিন্ন যায়গায় ঘোরাঘুরি করে মামলার টাকা পরিশোধ করি শিওরক্যাশের মাধ্যমে দোকান থেকে, তারপর তাকে খুজে বেরকরতে অনেক সময় চলে যায়, পরিশোধকৃত সিলিপ পাওয়ার পর সিলিপ নিয়ে আমার বাইক ছেড়ে দেয়। তাদের একজন বলে একবার ডাম্পিং এ দিলে আর নাকি বের করা যাবে না এসব হুমকিও দিয়ে ছিল, বাইক ডাম্পিং সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানতাম না, আরেকজন বলেছিল ওনার বস নাকি এরকমই।
আমি একজন রাইডার বাইক নিয়ে ভাড়ায় যাত্রীদের সেবা দিয়ে থাকি প্রতিদিন কিন্তু ব্রীজ হাইওয়েতে যেখানে অটোরিকশা চলার কথা নই সেখানে পুলিশ ও ট্রাফিক বাহিনী অটোরিকশা চালক থেকে টোকেন দিয়ে গাড়ী চালার অনুমতি দেই আর বাইকার দের না দারানোর জন্য নতুন ব্রীজ ট্রফিক পুলিশ মামলা দে বাইকার দের যেখানে তাদের সামনে অনিয়ম করে টেম্পু বাস লেগুনা অতছ টাকা নেই বাইকার দের থেকে মামলা না দেওয়ার জন্য টাকা চাই ২হাজার ৩হাজার