গাড়ি উদ্ধার করতে মামলা করা এবং ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়া
আমি একটি অফিসে বেশ কিছু গাড়ি ভাড়া দেই পরবর্তীতে তিনটি গাড়ির উদ্ধার করতে হয়েছে পুলিশের মধ্য দিয়ে। যা পুলিশের সাথে কন্টাকে যেতে হয়েছে। বাধ্য হয়েই দিতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি একটি অফিসে বেশ কিছু গাড়ি ভাড়া দেই পরবর্তীতে তিনটি গাড়ির উদ্ধার করতে হয়েছে পুলিশের মধ্য দিয়ে। যা পুলিশের সাথে কন্টাকে যেতে হয়েছে। বাধ্য হয়েই দিতে হয়েছে
অহেতুক হয়রানি করার উদ্দেশে মহিলা ট্রাফিক হেল্পার বাইক দাড়া করিয়ে শুধু শুধু ফাও মামলা দিয়েছে ট্রাফিক অফিসার ডেকে এনে। এই মামলায় তাদের ভাগ আছে উনি তা বলছিলেন, আপনাদের মামলা দিলেই তো আমরা কিসু পাবো।
টাকা দেন নতুবা গাড়ির প্রতি ইঞ্চি ইঞ্চি চেক করে সমস্যা বের করে মামলা দিয়ে গাড়ি রেকারিং করবো। স্থান # কামারপাড়া, উত্তরা, ঢাকা।
Garir document complete thakar por o Chittagong er sokol traffic office ra takar jonno bibinno track dar hoyrani kore taka dita na chile mamla dai + masik taka na dila gari too kore dai ay akta obosta suru kore disa tara pottek mas e tader gari hisab kore taka to dawa lage abar gari forle o dawa lage lan dan bkash+ cash e dawa hoy
আমি আর আমার বন্ধু আসছিলাম।আসার পথে বাইক আটকে রেখে গোলমাল পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং মাদক দিয়ে ধরিয়ে দিবে বলে।অনেক ভাবে ভয় দেখায়।যেমন-পরিবারের কাছে কল দিতে,ক্যারিয়ার এলোমেলো করে দিবে আরও অনেক কিছুই।পরবর্তীতে তারা দাবি করে ২ জনের কাছে ৩০০০০টাকা আর নাহয় জেলে পাঠাবে। পরে ৭৫০০ টাকা বিকাশে আনায় আমার নম্বরে।তার নাম্বারে সেন্ড মানি করতে চাইলে গালি দেয়।
আমার গাড়িটি কাগজপত্র সব ঠিক ছিলআমার সিগনাল সবকিছু ঠিকঠাক ছিল ট্রাফিক পুলিশ আমাকে বলল কাগজ দেখার জন্য আমি দিলাম সব চেক করল প্রশ্ন করল আমার গাড়ির রং কি কালার আমি বললাম কাগজে উল্লেখ আছে আর আপনি গাড়ি কোন কালার আপনি তো দেখতেছেন এই বলার পরে সে আমাকে বলল আমাকে একটা মামলা দিবে আমি বললাম কিসের মামলা আমার সবকিছু ঠিকঠাক আছে কেন আমাকে মামলা দিবে তাই বলে অন্য এক পুলিশ আমাকে ডাক দিল বলল যদি ৫০০০ টাকা দিয়ে দাও তাহলে চলে যাবা না হলে একটা মামলা দিয়ে দিবে ৫০০০ টাকার আরো অনেক কিছু আর অনেক কিছু বললাম না
বেশ কিছুদিন আগে আমি ধানমন্ডি থানায় একটা জিডি করার জন্য যাই। একজন মহিলা পুলিশ অফিসার আমার সমস্ত কথা শুনে নিয়ম মাফিক জিডি গ্রহণ করেন। কিন্তু জিডি করা হয়ে গেলে তিনি চা নাস্তা খাওয়ার পয়সা চায়। আমি জানি জিডি করতে কোন টাকা লাগে না। তারপরও আমি ঐ মহিলা পুলিশ অফিসার কে দুই হাজার টাকা দেই। আমি মনে করেছিলাম তিনি খুশী হবেন। ওমা, তিনি বল্লেন- ফকিরের মতো কি দিলেন? আপনার থেকে দশ হাজার আশা করেছিলাম। অনেক বার্গেনিয়ের পর 5,000/- টাকা দিয়ে জিডি কপি নিয়ে বের হলাম।
আমার বর্তমান এক পিকআপ ড্রাইভারের সাথে কথা হয় তিনি বলেন আগে ট্রাফিক পুলিশ সারা বাংলাদেশে ডিজিটাল মামলা দেওয়া হতো কিন্তু এখন শুধু পেপারে মামলা দেওয়া হয় বিশেষ করে যশোরে । ফলে থানায় মামলার টাকা জমা দিলে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে পুরো টাকা পুলিশের পকেটে চলে যায়। এতে করে রাষ্ট্র প্রচুর রাজস্ব হারাচ্ছে। তাই পুলিশ যদি ডিজিটাল মামলা দেয় সেদিকে সরকারকে নজর রাখতে হবে এবং জনগনকে সচেতন করতে হবে যাতে এটা বন্ধ হয়
আমার মোবাইল বাসা থেকে চুরি হয়ে যায়। পরে আমি থানায় গিয়ে জিডি করি । আমি বলছিলাম চুরি হয়ে গেছে পুলিশ জিডিতে লিখছে আমি মনের অজান্তে কোথায় জেন হারাইছি আমি তখন দেখি নাই পরে বাসায় দেখি । জিডি করার পরে জিজ্ঞেস করছি খরচ আছে বলে দেন একটা পরে আমি বলি কত দিব পরে বলে দেন পরে আমি ইচ্ছা করে ৩০০ টাকা দেই। টাকাটা বিষয় না কিন্তু কথা হল আমার মোবাইল এখনো পাওয়া জায় নাই। আর যদি পাওয়া জায় তখন সেই মোবাইলের নতুন দাম অনুযায়ী আবার এক্সট্রা টাকা দিয়ে ফোন আনতে হবে। মোবাইলের দাম যদি ২০/২৫ হাজার টাকায় হয় তাহলে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। জদিও আমার ফোন পাওয়া জায় নাই আমার কাছে টাকা দাবি করে নাই। কিন্তু ৪/৫ জনের থেকে সুনছি যে তাদের টাকা দেওয়া লাগছে। কথা হল আমার টাকায় বেতন আমার টাকায় কাজ। তাইলে পরে আবার টাকা দিতে হবে
২০২৫ সালে, আমি গাজীপুর যাছিলাম মহাখালী ফ্লাইওভার এর নিচ দিয়ে। একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে আটকালো। কেন আমি ডান পাশ দিয়ে মুভ করলাম? আমি কোন ওভারটেক বা ভুল পথে যাই নি। পুলিশ আমাকে মামলা র ভয় দেখাল। আমি সিনিয়র অফিসার এর সাথে কথা বলতে চাইলাম কিন্তু উনি ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করল। আমার তারা ছিলো তাই ৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসছিলাম। কিন্তু আমার মাথা থেকে বাপার টা যাচ্ছিল না । পুলিশ তখন উনার নেম প্লেট টা উলটিয়া রাখছিল । পুলিশ যতটা না মানুষকে সচেতন করার জন্য চেক করে, এর থেকে বেশী করে নিজেদের ঘুষ এর জন্য।
আমি রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালিয়ে আসতেছি হঠাৎ একজন সার্জেন্ট আমার গাড়ি সিংনেল দিল আমি গাড়ি থামাতে দেখলাম সামনে আরো একটি বাইক দাঁড়িয়ে আছে ঐ সার্জেন্ট বাইক চালকে বলছে 500 টাকা দাও উনি বলছে আমার তো সবকিছু ঠিক আছে আমি কেন টাকা দিব তখন উনি বলছে 42 লক্ষ্য টাকা দিয়ে এখানে আইছি টাকা উঠাতে হবে 500 টাকা দে আর চলে যা কাগজ দেখাতে হবে না আমি যখন আসলাম তখন উনি আমাকে বলল আপনাকে কি নতুন করে কিছু বলতে হবে নাকি তখন আমি ও 500 টাকা দিয়ে চলে আসলাম তাহলে দৈনিক কত টাকা উঠায় ঐ লোক
আমার মোটর সাইকেলের সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল কিন্তু তারপরও ট্রাফিক পুলিশ বলল পুলিশ সুপারের মাসিক চাঁদা পূরণ করা টার্গেট আছে সেই টার্গেট পূরণ করার জন্য সকল কিছু ঠিক থাকলেও এই টাকা বা জায়গা দিতেই হবে।
আমার মাথায় হেলমেট ছিল না, কাগজপত্র সব ঠিকটাক ছিল, মামলা না দিতে রিকুয়েষ্ট করলে ২০০০ টাকা উৎকোচ নেয়। চট্টগ্রাম জেলা, ২৪ আগস্ট ২০২৬।
Cheyechilo 1000 diyechi 500
ট্রাক কভার ভ্যান লোরি পতি গাড়িতে ২ হাজার টাকা করে প্রত্যেক মাসে পরিশোধ করা লাগে টাকা না দিলে গাড়ির নামে বিভিন্ন মামলা দেওয়া হয় যেমন ধরুন সিটবেল পড়ি নাই গাড়ি জোরে টানছি সিগনাল অমান্য করছি গাড়ির চাকার সাইজ বড় গাড়ি চেসিস বড় লোড বেশি হেডলাইটে কালি নাই আলাদা লাইট কেন লাগাইছি
গাড়ির কাগজ পত্র সব ঠিক ছিল। নরমাল ড্রাইভ করছিলাম, হঠাৎ সিগনাল দিয়ে গাড়ি থামায়, কাগজ চাইলে দেওয়ার পর, সেগুলো নিয়ে অন্য দিকে চলে যায়। তারপর আজাইরা প্রশ্ন, গাড়ি কত দিন ধরে চালন, আপানার নিজের কিনা, ব্লা ব্লা। তারপর চা খাওয়ার টাকা চায়। এভাবে আজাইরা প্রশ্ন করে, সময় নষ্ট করার অধিকার কে দিছে ওদের ?? শেষে আমি ১০০০ টাকা দেওয়ার পর কাগজ ফেরত পাই।
আমি আমার পুলিশ কিয়ারেন্সের জন্য যখন যাই তখন আমার কাছে টাকা দাবি করে যেখানে পনেরশো টাকা লাগে এই আবেদন করা করতে সেখানে আমার কাছে ৫০০০ টাকা ছাড়বে। পরবর্তীতে কিছু কমিয়ে ৩৫০০ টাকায় আনা হয়েছে আমি চাই এর সুষ্ঠু একটি বিচার
পরিবহন ব্যবসা গাড়ি চালাতে হলে তাকে উল্লেখিত মাসিক টাকা দিতে হবে। অন্যতায় উল্টাপাল্টা মামলা দেয়া হবে সার্জেন্ট , ট্রাফিক ইন্সপেক্টর
আমি একজন প্রবাসী আমি রাত ১২ টা আমার এক বন্ধুর বিয়েতে যাচ্ছিলাম বাজার থেকে বাড়িতে যাচ্ছিলাম সব কিছু থাকার শর্তেও আমাকে হাইওয়ে পুলিশ ধরে ,উনাদের কে অনেক রিকুয়েষ্ট করেছি ,উনারা আমাকে মামলার ভয় দেখায় আর বলে।এত রাতে বাইক।নিয়ে কেন।বের হইছি বা হাইওয়ে তে ইউ ট্রানে এসে কেন দাঁড় করায়ছি,আর আমার পিছনে যে ছিল তার মাথায় হেলমেট ছিলোনা ,আমি। উনাকে।অনেক।রিকুয়েষ্ট করছি আমি।একজন প্রবাসী ,উনি।আমাকে বলে ২হাজার টাকা দিতে আমি রাজি।হইনি আমাকে ১০হাজার টাকা মামলা।ভয় দেখায়ছে,পরে আমার পকেটে থাকা ১০০০ টাকা কত ভাঙতি উনাকে।দিয়ে তারপর ওইখান থেকে আসতে পারছি😔
গাড়ির কাগজ থাকার পরও নাম্বার প্লেট আসতে দেরি হওয়ার কারণে