গাড়ি
পুলিশ আমার গাড়ি থামালো আর কাগজ চাইলো। সব ঠিক আছে তার পরে বল্লো গাড়ি কি ভাড়ায় চলে আমি বল্লাম জ্বী সে মামলা দিবে বলে ভয় দেখালো 😄😁
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুলিশ আমার গাড়ি থামালো আর কাগজ চাইলো। সব ঠিক আছে তার পরে বল্লো গাড়ি কি ভাড়ায় চলে আমি বল্লাম জ্বী সে মামলা দিবে বলে ভয় দেখালো 😄😁
Two traffic Police hold me for drive through on yellow light. They were saying they will fine me unless I give them money. Later I have settled it with 1k
অনলাইন জুয়া সাইট। আমাদেরকে মোবাইল সার্চ করে কোন কিছু না পেয়ে তারপরও প্রত্যেকে ২ লক্ষ করে মোট সাতজনে ১৪ লক্ষ টাকা দাবি করে লালগোলা জেলা ডিবি অফিস
আমাদের ট্রাক, বাস,হাই এক্স গাড়ি সকল কাগজপত্র ঠিক করার পরেও, সার্জেন্ট মামলা দেওয়ার কথা বলে, টাকা দাবি করে, এইজন্য সারা বাংলাদেশে, মাসিক মানতি সিস্টেম চালু আছে, মাসে ১০০০ হইতে ১৫০০ টাকা দিতে হয়, আমার দাবি হলো পুলিশ সার্জেন্ট যেন কাগজপত্র সব ঠিক থাকলে, কোন অজুহাত ছাড়া, গাড়ি ছেড়ে দেন
আমাদের বাসে ৪০ জন সিলেট জাফলং ট্যুরে গেছিলাম, আসার সময় ১৫ টার মতো কম্বল কিনছিলো ১৫ জনে, সবার একটা একটা। রাতে আসার সময় ট্রাফিক পুলিশ আমাদের গাড়ি আটকিয়ে বলে নগদ ৩০০০ টাকা না দিলে গাড়ির ড্রাইভার এর নামে চোরাকারবারির মামলা দিবে। পুলিশ এর কাছে থেকে কাগজ চাইলে তারা কোন কাগজ দিতে পারবেনা তা জানিয়ে দেয়। তো আমরা প্রচুর টায়ার্ড ছিলাম আর সবাই পরের দিন অফিস ধরতে হবে তাই পুলিশের এমন দুর্ব্যবহার দেখে কেউ আর কিছু না বলে টাকাটা দিয়ে চলে এসেছি। আমরা নাকি ভারত থেকে কোম্বল চুরি কোরে আনছি, এইজনো মামলা দিবে। সিলেটের শতো শতো দোকানে সারাদিন সারারাত কম্বল বেচে, তদের না ধোরে রাতের বেলা গড়ি আটকিয়ে এইভাবে হয়রানি করার কি দরকার, এই প্রসনো অফিসার কে করলে উনি বলে কে কোথাই কি করচে তা আমরা জানিনা। 24 July 2026 10:00 PM
Bike dorcilo than 500 taka gush dabi kora hoy
আমি আমার পার্টনার কে নিয়ে পতেঙ্গা ঘুরতে সিনএনজি দিয়ে চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সেস ওয়ে হয়ে যাচ্ছিলাম,সিনএনজি ড্রাইভার যখন লালখান বাজার থেকে উঠে সিটি কর্পোরেশন গেইট বরাবর উপরে ফ্লাইওভারের উপরে একটা পুলিশ চৌকি বসে ওখান তারা সিনএনজি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করে,আমাদের পরিচয় কি পরিবার জানে কিনা, কই যাচ্ছি কেন যাচ্ছি এসব বলে বলতেছে থানায় নিবো না হয় ২০০০ টাকা দিতে হবে।পরে এক পর্যায়ে দর কাশাকশি করে ৫০০ টাকাতে রাজি হয়।এমনকি ৫০০ টাকা দেয়ার পরও ওটা আমাদের ছবি উঠাই বিনা পারমিশনে।
আসামি ধরে দেবার পর থানার পুলিশ ঘুষ হিসেবে দাবি করে আমার কাছ থেকে আদায় করেছে
চাটখিল থানায় আমি একটা সাধারণ ডাইরি করেছি প্রথমে কম্পিউটার ম্যান ৫০০ ৳ নিয়েছে, পরে এসআই — নামের একজনকে অভিযোগটি দিলাম সে সবার সামনে বলতেছে সহায়তার হাত বাড়ান, মানে তাকে টাকা না দিলে সে কাজ করবেনা, তাকে এক হাজার টাকা দিলাম, তারপর সে অভিযোগ নিয়েছে, কিন্তু ঘটনাস্থলে আর যায়নি আর কোন কার্যক্রম দেখিনি,
কথা হচ্ছে আপনারা দুইজন পঞ্চগড় থেকে তিস্তা ব্যারেজ আসছেন দুইজন এ হেল্মেট পরবেন না
আমার গাড়ির কাগজ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সব আছে, কিন্তু আসল টা এখনো বি আর টি তে, আমার ফটোকপি আছে।
আমার কাছে হেলমেট ছিল কিন্তু আমার পিছনের লোকএর কাছে হেলমেট ছিল না। তারা আমাকে ৩০০০ টাকার মামলা দেবে বলে। আমি বললাম আমার কাছে টাকা নেই মামলা দিয়েন না এবং আরো বললাম কিছু করা যায় কিনা। তারপর তারা বলল ঠিক আছে ১৫০০ টাকা দেন। আমি বললাম ১৫০০ টাকা দিতে পারব না, না হলে মামলা দেন আমি ১০০০ টাকা দেব। তারপর জড়াজড়ি করলেও 1500 টাকা দিতে আমি বললাম পারবোনা, নাইলে মামলা দেন পরে বলল ঠিক আছে ১০০০ টাকা দেন, তারপর আমি ১০০০ টাকা দিয়ে চলে যাই। মূলত আমি টাকাটা দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল কিভাবে ঘুষ দেয় বা পুলিশ কিভাবে ঘুষ খায় সেটা জানার জন্য বা বুযার জন্য। তা দেখলাম যে সত্যি সত্যি তারা খুবই ঘুষখোর। এভাবে গাড়িতে টাকা দিলে ছেড়ে দেয়।
আমি একটা সাধারন ডায়েরী করতে গেছি। সাইট কাজ করছে না তাই এটা সম্ভব না। কিন্তু একজনের পরামার্শে ২০০০ টাকা দিয়ে সে ১ ঘন্টা বসায় রেখে। ১ ঘন্টা আরো বারতি সময় ধরে জিডিটি সম্পন্ন করেছি।
আমার গাড়ি এসে হঠাৎ করে চেক করে গাড়িতে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল বলে যে আমি ভুল রোডে আসছি।৫০০০ টাকা গোস দাবি করে এবং আমি গিয়ে
৫০০০ টাকা দাবি করা হয়ছিলো, টাকা না দিলে কাগজ পাঠাবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। তারপর অনেক চেষ্টার পর ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
ব্লুবুক হারিয়ে গেলে কুষ্টিয়া ট্রাফিক অফিসের কাছে প্রত্যয়ন পত্র নিতে গিয়ে ২০০০ টাকা ঘুষের দাবি করে। একই সাথে আমার সামনে অন্যজন থ্রীহুইলার (ইঞ্জিনচালিত) মহাসড়কে চালানোর অপরাধে গাড়ি জব্দ করে এবং তা ছাড়াতে ৩০০০০ টাকা দাবি করে।
আমার একটি ২৮,০০০ হাজার টাকা দামের মোবাইল হারিয়ে গেছে, আমি থানায় জিটি করলে, আমার জিটির দায়িত্ব অফিসার আমার কাছে খরজ বাবদ ২৫০০ শত টাকা দাবি করে, আমি নিরুপমায় হয়ে ১৫০০ শত টাকা দেই। আমি তার সঙ্গে অনেক বার যোগাযোগ করছি ফলাফল জিরো। আমার মোবাইল গেল আবার ১৫০০ টাকাও গেল।
দ্রুত ফিঙ্গারপ্রিন্ট করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৫০০ টাকা নেওয়া
আমি নতুন বাইক কিনছিলাম তখন। সব কাগজপত্র তখনো সম্পূর্ণ হয়েছিল না। আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। আমার পার্শ্ববর্তী থানা কালিহাতী সেখানে আমাকে ট্রাফিক পুলিশ আটকায়। না হয় তারা বাইকে রেখে দেবে। তখন আমি ট্রাফিক আইন সম্পর্কে এত জানতাম না এখন যেমনটা জানি। আমার হেলমেট ছিল।
ফোন হারানো তে পুলিশ ফোন টি উদ্ধার করতে ৫০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে টাকা টা দেন পরে লাগলে আবার দিতে হবে। থানার পাশে সেলুনে দেখা করতে বলে কল করে। পুলিশ টা কুকুরের মতো আচরন ছিল।