17,326 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
গাড়ি সিগনাল দিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে।
City r ekta point e bike police thamay ar tarpor 600TK dei onno ar ekjon r kache, Je Police r under e kaaj kortesil.Jader e gari dhorse shobaike side e niye bolse unake ja paro diye daw noyto mamla hobey.
আমাদের বাসে ৪০ জন সিলেট জাফলং ট্যুরে গেছিলাম, আসার সময় ১৫ টার মতো কম্বল কিনছিলো ১৫ জনে, সবার একটা একটা। রাতে আসার সময় ট্রাফিক পুলিশ আমাদের গাড়ি আটকিয়ে বলে নগদ ৩০০০ টাকা না দিলে গাড়ির ড্রাইভার আর হেল্পার এর নামে চোরাকারবারির মামলা দিবে। পুলিশ এর কাছে থেকে কাগজ চাইলে তারা কোন কাগজ দিতে পারবেনা তা জানিয়ে দেয়। তো আমরা প্রচুর টায়ার্ড ছিলাম আর সবাই পরের দিন অফিস ধরতে হবে তাই পুলিশের এমন দুর্ব্যবহার দেখে কেউ আর কিছু না বলে টাকাটা দিয়ে চলে এসেছি।
কোন সমস্যা নেই কাগজ পাতির, মামলার ভয় দেখিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছে
হাতিরঝিল থানা প্রাক্তন ওসি — ও তেজগাঁও থানার প্রাক্তন এডিসি — মিথ্যা মামলা দিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে।
রাস্তায় দার করিয়ে কাগজ পত্র যাচাই করে সব ঠিক পেয়ে আমাকে পাসের দোকানে চা এর অফার করে আমি খেতে রাজি না হওয়ায় প্রথমে আমাকে বেয়াদব বলে। আমার বাবা পুলিশ ছিলেন বললে। তারা ৩ জন ছিলেন তারা বলেন বুঝেন না আমাদের কিছু খাওয়ান, আমি বলি নেন যা খুশি খান তখন তারা টাকা দাবি করে ৫০০০। আমি না দিলে আইন ভংগ করেছি মামলা হবে। তখন যে অফিসার ছিল আমাকে ডেকে নিয়ে বলে ৫০০ দিয়ে চলে যেতে। আমি জামেলা এড়াতে ৫০০ দিয়ে চলে আসি, রিসিট চাইলে মামলা দেয়ার ভয় দেয়। পরে অনেক কথা কাটা কাটির পর আমাকে একটা নিল কাহজের রিসিট দেয়।
গাড়ির ফগ লাইট এর জন্যে ঘুষ নিছে, না দিলে 25,000 টাকার মামলা দিবে খামারবাড়ির পুলিশ বক্সের ট্রাফিক পুলিশ
বৃষ্টির কারণে হেলমেট ভিজে গিয়েছিলো। তারপরে সেই কর্মকর্তা ২০০০ টাকা দাবি করে এবং সর্বশেষ ৮০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। ঘটনাটি ঢাকা জেলার, দোহার থানার, বাঁশতলা মোড়ে সংঘটিত হয়েছিলো।
আমরা দুইজন রাজবাড়ী থেকে ফরিদপুর যাচ্ছিলাম। পথে পুলিশ গাড়ি সাইডে নিয়ে বলে মামলা করবো নাকি সমাধান করবা তারপর ২০০ টাকা দিয়ে চলে যেতে বলে নাহলে নাকি ৫০০ টাকার মামলা দিবে তাই ২০০ টাকা দিয়ে দেই
Bhul bosohoto Driving license carry kori ni.. tara mamla dite caccilo, basa theke license anar time diccilona sesh porjonto 1000tk dilam
আমাকে চাকুরির ভ্যারিফিকেশনের জন্য ডাকা হয়। সঙ্গত কারণে চাকুরির নাম উল্লেখ করছি না। ৫০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ২০০০৳ পরিশোধ করি। আমার অনেক সহকর্মীর কাছ থেকে ও সে ৫০০০ এমনকি ১০০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে।
দুপুরে ৩০০ ফিট দিয়ে ফিরছিলাম একটা মোরে ৪০ কি.মি. স্প্রিড লেখা ছিলো , আমার গাড়ি ৫৫ কি.মি. স্প্রিডে ছিলো প্রায় সবারি এমন ছিলো । ট্রাফিক সার্জেন্ট অরা বেছে বেছে গাড়ি দার করাচ্ছিলো । আমার অপরাধ কি এটা শোনার আগে বলে 1500 টাকা বের কর নাইলে মামলা দিয়ে দিবে, তাও আবার আমার লাইসেন্স এ । কি আর করা বাধ্য হয়ে দিতে হলো ।
আমার কোটে মামলা চলমান কোট থেকে অর্ডার হচ্ছে কাজ বন্ধ রাখা আমি পুলিশ আনলে ডাক দিয়ে চলে যায় পরে প্রতিপক্ষ আবার কাজ করে এতে বুজা যায় প্রতিপক্ষের নিকট থেকে পুলিশ টাকা খাইছে আমি টাকা দি নাই
জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া, থানা, কসবা আমি জিডি করতে গিয়েছিলাম, একটা কাজে জিডি আমার একটা নাগরিক অধিকার। এবং এটা সরকারিভাবে একদম ফ্রি এবং এটা করার জন্য তো তাদেরকে সরকার বেতন দিচ্ছে আমার ট্যাক্সের টাকায়। আমি জিডি করার পর সে টাকা দাবি করে আমার থেকে জোরপূর্বক আমি টাকাটা দিয়েছি বাধ্য হয়ে।
We were going to our factory to attend buyer visit.
I was standing at the traffic front line. Waiting for the signal, the traffic police came, took the bike key and blamed me for trying to violate the manual hand signal by keeping the bike on. Force me to give bribe a pack of Benson & Hedges cigarettes.
হেড লাইট ভাঙ্গার জন্য ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ঢাকা শহরের সকলেই জানে যে, ট্রাফিক পুলিশের দায়ের জন্যই ঢাকা শহরে জ্যামের প্রধান কারণ। তারা লোকাল বাসের সাথে আতাত করে চলে। অথচ অহেতুক কারণেই মোটরসাইকেল কে নানাবিধ কারণে ভয় ভীতি দেখিয়ে অবৈধ ভাবে ঘুষ দাবি করেন। ট্রাফিক পুলিশের সংশ্লিষ্ট সকলেই এই অবৈধ ঘুষ বাণিজ্যে লিপ্ত। ট্রাফিক পুলিশকে নিয়ন্ত্রন করা গেলেই ঢাকা শহরে ৭০ % জ্যাম কমে যাবে।
Wanted to file case of 12000 for black glassed car. Finally settled in 2500 TK
আমার স্কুটারের দুইটা মামলা ছিল রোডে গাড়ি চালালে মামলা হতে পারে এটা স্বাভাবিক, তো সেই মামলা আমি ভাঙ্গাইনি, ট্রাফিক পুলিশ ধরল আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল এবং কেস স্লিপ ছিল, তারা গাড়ি ডাম্পিং করবে মামলা না ভাঙ্গানোর অপরাধে, আমি বললাম ডেট শেষ হয়ে গেছে ঠিক আছে যদি ওয়ারেন্ট জারি হয় আমার গাড়ি নিয়ে যাক আমার কোন আপত্তি নেই কিন্তু ট্রাফিক বলে আপনার চাবি দেন গাড়ি এখনই নিয়ে যাব, পরে সার্জেন্ট ভুয়া একটা মামলা দেখিয়ে নগদ ১০০০ টাকা তার পকেটে ঢুকালো,
মোবাইল হারানোর পর জিডি করেছিলাম, সাধারণ'ত মোবাইল যদি পাওয়া যায় তখন সবাই টাকা দে আমি ও শুনেছি! কিন্তু জিডি করার পর তদন্ত খরচ বাবদ অর্থে খুজে! তাও আবার মোবাইল পাবার কোনো সম্ভাবনা ও দিচ্চে না