নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের গ্রামে মাদক কেনাবেচা হচ্ছে কাঁচা বাজারের মত কেউ কোনো প্রতিবাদ করতেছে না। এতচ পুলিশ মাদক কারবারির সাথে প্রতিনিয়ত টাকার লেনদেন করে চলছে।
আমি রাত ৯ টার দিকে পুরান ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল এর দিকে আসতেছিলাম। তারপর টেকনিক্যাল মোর থেকে আমার বাইক দার করায়। তারপর কাজ পত্র দেখতে চায়, আমি ওই একই দিনে মির্জাপুর থেকে মামলা খেয়েছিলাম রং এ চালানোর জন্য। এজন্য আমার কাছে বাইকের কাগজ ছিলো না শুধু মামলার স্লিপ ছিলো আমি তা দেখাই তারা বলে গারির কাগজ নাই গাড়ি ডাম্পিং এ দিবো নানা হুমকি দেখিয়ে আমার বাইকের চাবি নিয়ে যায় তারপর ১ম এ ৩০ হাজার টাকা দাবি করে আস্তে আস্তে ১০ হাজার নিয়ে আমার বাইক ছেড়ে দেয়। বাইক ডাম্পিং সম্পর্কে আমি বেশি কিছু জানতাম না তারা বলে একবার ডাম্পিং এ দিলে আর নাকি বের করা যাবে না এসব হুমকি দেখায়।
টাকা না দিলে মাদক এর মামলা দিবে
ঈদের পর CCBD climate center এ মোটরসাইকেনে ঘুরতে যাচ্ছিলাম। মাওনা ওভারব্রিজ পার হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পরই ট্রাফিক পুলিশের চেকিংএ পড়ি, ট্রাফিক পুলিশ আমারে সাইডে নিয়ে বলে ১০০০০ টাকার মামলা হবে, যদি ২০০০ ঘুষ টাকা দেই তাহলে মামলা দিবেনা। আমার কাছে এইপরিমান ক্যাশ ছিলোনা, এরপর অনেক রিকোয়েস্ট করে ১২০০ টাকা ঘুষ দিয়ে ছাড়া পাই।
মান্দা থানা,,, অবস্থা ভয়াবহতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।। পুলিশ এটাও ভালো। সব ঘুষ খোর
সিলেট বন্দরবাজার ফ্লাইওভার নিচে ট্রাফিক সার্জেন আমাকে দাঁড় করান এবং আমার সকল ডকুমেন্ট চেক করেন আমার না যানা সত্বে দেখে আমার বাইকের কাগজ ১৩ দিন ডেট ফেল তখন ওনার সাথে যে সিপাই এগুলা আছে আমার থেকে ৫০০ টাকা দাবি করতেছে ৫০০ টাকা দিলে বাইক ছেড়ে দিবে আমি বললাম এটাতো আমার না জানা সত্ত্বে হয়েছে আমি এইখানে বাইকটা রেখে যাচ্ছি পাশেই ব্যাংক আছে আমি নবায়ন করে আসছি ওরা বলল ৫০০ টাকা দেন না হয় বাইক রেকার করে দিব আমি বললাম সমস্যা নাই যদি সময় না দেন বাইক রেকার করেন আমি সরকারের ঘরে টাকা দিব বাট আপনাদেরকে এক টাকাও দিব না তখন আমার বাইক রেকার করা হয় এদের এই ঘুষ বাণিজ্যের কি কোন প্রতিকার পাবেনা এই দেশের জনগণ
আমি গাড়ি নিয়ে আসার পথে গাড়ির সব কাগজ আর হেলমেট পড়া ছিলো, হয়রানি মূলক পোশাক আশাক ঘুষ দাবি করে না হলে মামলা দিবে আমি টাকা দেই নাই পরে মামলা দিয়েছে।
আমি গহীরা থেকে রাউজানের উদ্দেশ্যে আমার বাইক জুড়ে যাচ্ছিলাম আমাকে দাঁড়িয়ে আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও তারা আমার থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে আছে বাধ্য হয়ে আমি ৫০০০ টাকা পরিশোধ করি।
গাড়িতে সকল ডকুমেন্ট থাকার পরেও গাড়িতে বিজ্ঞাপন মামলা দেওয়ার ভয়। মাসিক ১ লক্ষ টাকারও বেশি।
২০০টাকা দিয়ে উদ্ধার মটর সাইকেলের পেছনে একজন বসা ছিলো তাই
আমি বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি বাস কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে আছি ঢাকায় মিরপুরের রাতের বেলা আমাদের গাড়ি একটা ইউ টার্ন এ ঘুরালে ট্রাফিক পুলিশ এসে বলে এখানে গাড়ি ঘুরানো যাবে না তো গাড়ির দরজা খুলতে বলে আমি দরজা খুলে দিলে আমার কাছে কাগজপত্র চাই আমি কাগজপত্র দিলে বলে যে টাকা দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে যেতে পরে আমি সাথে সাথে 500 টাকা দিয়ে বলে যাতে হবে না এর পরে এক হাজার টাকা দিয়ে তাও বলে না পরে দুই হাজার টাকা দিয়ে বাধ্য হয়ে।
এলাকার পাতিনি তাদের কারণে ব্যবসা করতে পারি না, তারা চাঁদাবাজির কারণে আমার ব্যবসা বন্ধ হয়েছে, আজকে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ বছর বয়স থেকে আমি কর্ম করি, আজকে আমার একটি ছোট্ট পরিবার আছে, কোনমতে জীবন চলছে আলহামদুলিল্লাহ
আমি বাইক রাইট শেয়ার করি।গতকালকে পাঠাও অ্যাপসের মাধ্যমে একজন যাত্রীকে তার গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাইকে উঠায় যাত্রী চুলের ফিগার নষ্ট হবে এজন্য হেলমেট না পড়ে হাতে রেখেছিল আমি বিষয়টা বুঝতে পারি নাই ট্রাফিক সার্জেন্ট চেকিং করার জন্য রাস্তায় ছিল যাত্রির হেলমেট না থাকায় আমাকে সিগনাল দেয় আমি দাঁড়িয়ে যাই পেপারস নিয়ে বলে আপনাকে জরিমানা করা হবে যাত্রী হেলমেট পড়েনি এজন্য যাত্রিরিকোয়েস্ট করেছিল যে স্যার এটা তো বাইকারের দোষ না আমার ভুল আপনি কেন মামলা দিবেন তো উনি বললো যে আপনাদের মামলা দিব না আপনারা রেকার বিল ১২০০ টাকা দিবে না হলে মামলা দিব পরবর্তীতে অনুনয়-বিনয় করে ৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসছি এখন আমার প্রশ্ন মামলা দেয়ার মত অপরাধ যেহেতু নয় ভুল স্বীকার করছি তাহলে ঘুম কেন নিবে। রামপুরা আবুল হ
প্রতি মাসে গাড়ির প্রতি চাঁদা হিসেবে।
ট্রাফিক এর সামনে বাইক রাইডারস এর কাছ থেকে ২০ টাকা করে চান্দা নিয়ে থাকে একদল চক্র
আমি রাস্তার পাশে যেখানে অন্য কয়েকটি মোটর সাইকেল ছিল। উনার গাড়ি ছিল।ওখানে রেখে জরুরি ঔষধ নিতে ফার্মেসি তে গেলাম,আসার পর উনি কাগজ পত্র দেখতো চাইলো দেখালাম। তারপর টাকা চাইল না দিলে পার্কিং এর মামলা দেবে। বললাম আমি বেআইনি হলে তো অন্যান্য মোটরসাইকেল ও বেআইনি ভাবে রাখছে।আমাকে ধমকি দিয়ে গা তেড়ে আসলো।
Driving licence er jonno mamlar voy dekhiye 10000tk chaicilo,, 3000tk diye chute asci
আসসালামু আলাইকুম। আমি এবং আমার বন্ধু মিলে আমরা উত্তরা হয়ে কামারপাড়া দিয়ে আশুলিয়া যাব। কিন্তু কামারপাড়া পৌছানোর সাথে সাথেই আমাদেরকে সিগন্যাল দেওয়া হল। আমরা নিচ দিয়ে মেন রাস্তায় উঠতে ছিলাম মাত্র। তারপর আমাদের বলল আপনি কি দেখেন নাই আমরা সিগনাল দিছি কাগজ প্রতি বের করেন। আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখান আপনার মোটরসাইকেলের কাগজ দেখান সবকিছু দেখে লাম দেখানোর পর বলল আপনি সিগনাল অমান্য করেছেন আপনার জরিমানা হবে পাঁচ হাজার টাকা। আমি বললাম আমি নিচে রাস্তা দিয়ে মাত্র মেইন রোডে উঠলাম এখানে কোথায় আপনাদের সিগনাল দেয়া। যদি সিগনাল দেয়া থাকে তাহলে জাম থাকতো কোন কিছুই তো দেখতে পাচ্ছি না। পরবর্তীতে উনি বলল আপনি কি মামলা নিবেন নাকি ড্রাম্পিং করব। আমি বললাম মামলা করে দিন। পরবর্তী আরেকটা পুলিশের
কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা থেকে আসা স্পেশাল ফোর্স ব্রাহ্মণপাড়া থানা তে রেজিস্ট্রেশন করা গাড়ি থানায় নিয়ে যায় এবং কুমিল্লা শহরে মালিকদের নিয়ে টাকা আদায় করে । সরকারি কোন রিসিভ দেওয়া হয়নি। প্রায় 50 টা মোটরসাইকেল ও 15 পিকআপ আটকায়। 10000/15000 টাকা+ করে নিয়েছে 31.8.2026।
মগবাজার ফ্লাইওভার এর নিচে, সব গাড়ি দারায় আছে। রিক্সা গিয়ে মোড়ে দাড়ায় আছে আমি ও রিক্সার পাশে দাড়ালাম গাড়ি নিয়ে। ট্রাফিক পুলিশ কথা আমি এখানে এসে দাড়ালাম কেন, এই জন্য মামলা দিবে। পরে ১০০০ টাকা দাবি করলো কনেসটেবল আমি রাজি হলাম না, পরে ওভার ট্রাকিং মামলা দিয়েছে।