Traffic poish
Traffic polish amar Kase. Garir sob thik thakar paro taka Dhabi kore bong taka na Dile baro mamla dibo
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Traffic polish amar Kase. Garir sob thik thakar paro taka Dhabi kore bong taka na Dile baro mamla dibo
আমার মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন ছিলো না ট্রাফিক সাজেন্ট না*মু* গাড়ি টা ধরছে। ধরে বলে লাইসেন্স নাই কেনো। তার পর বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে মামল্ হবে তোর ৫ বছর জেল হবে। হয় ১৫০০০ হাজার টাকা দিবি না জেলে যাবি। সেই ভয়ে কুত্তার বাচ্চাকে পনেরো হাজার টাকা দিয়েছিলাম
আমার আব্বার বাইক আমি চালাচ্ছিলাম। আমার কাছে তখন কাগজপত্র ছিল না। পুলিশ ধরেছে, বলছে 5000 টাকার কমে সম্ভব না। নইলে গাড়ি ছাড়বে না। বাড়ি থেকে দূরে ছিলাম বলে, কাগজ আনাও সম্ভব ছিল না।
হেলমেট ছিলনা ৩০০০ জরিমানা করবে বলে ভয় দেখিয়ে ৫০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে
Amr bike a lokking glusse na thakai, police amke mamla dite cai tar por ami bolse deya dan kintu she amke bole apni amke 1500 taka dan ami mamla dibo na ami kono upay na paya deya cole ase
ঢাকা হতে গাজীপুর যাওয়ার পথে গাড়ি আটকিয়ে ঘুষ চেয়েছে। নাহলে 10000 টাকা মামলার ভয় দেখিয়েছে। 1200 ঘুষ খেয়েছে।
Ami helmet pori nai and mamla dite chailo..ami request korate 1000 taka ghush dabi onadaye 2k jorimana.
ট্রাফিক পুলিশ এর পরিবর্তন করে শুধু পুলিশ রাখা উচিৎ ফোন খুঁজে দিবে ৫ হাজার টাকা চেয়েচিলো
ভিআইপি রাস্তা ক্রস করার সময় আমাকে ধরলো এস আই
আসসালামু আলাইকুম।আমি তখন যাএাবাড়ি মোর পাড় হচ্ছিলাম। আমার বাইকের কাগজের মেয়াদ ৭ দিন বেশি হয়ে গিয়েছিলো। সার্জেন্ট মামলা না দিয়ে আমাকে বলেছে বাসের চিপায় গিয়ে ১০০০ টাকা নিয়ে আসেন ১০০০ টাকা বের করে তার হাতে দেই সে পকেটে ভরে ফেলে।এবং আমাকে ছেড়ে দেয়। সে কিন্তু টাকাটা রাষ্ট্র খাতে জমা দিতে পারতো কিন্তু সে দিল না
সব কিছু ঠিকঠাক ছিলো, বাইকের ডকুমেন্টস নিয়ে বের হতে ভুলে গেছিলাম। ফোনে ছবি দেখালাম তাতেও নাকি হবে না। গাড়ি টু হবে বলে ২৫০০ টাকা হাতিয়ে নিলো
আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স হায়িয়ে যায়। সেই লাইসেন্স নতুন করে পাওযার আবেদন করার জন্য ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স দরকার ছিল৷ আমি কুতুবদিয়াতে চাকরি করি, একদিনের ছুটি নিয়ে কক্সবাজার যায়। আর অফিসে গিয়ে সব ডকুমেন্টস সাবমিট করার পর ওনারা বলে পরে আসেন। ঘন্টা খানেক পর বলে কালকে আসেন। তারপর আবার গেলে বলে ১০০০ টাকা দিন, এখুনি করে দিচ্ছি।
আমার ড্রাইভারকে ইউটার্নের সিগনাল দিয়ে পরে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ইউটার্নের অভিযোগ। টাকা না দিলে ভিডিও মামলার হুমকি।
আমি গত 20-08-2026 তারিখ পান্থাপথের রাস্তা দিয়ে বাইক নিয়ে যাচ্ছিলাম। পাশে সংযোগ সড়ক ছিলো আমি সোজা রাস্তায় যাচ্ছিলাম ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে। আমি আমার লাইন পরিবর্তন করিনি। তাছাড়া আমি যেদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম অনেকগুলো গাড়ি সেদিক দিয়েই যাচ্ছিলো। আমাকে হঠাৎ ট্রাফিক সার্জেন ডাক দেয় । এবং গাড়ির সকল প্রয়োজনীয় কাগজ দেখাতে বলে। আমি সব দেখাই । সবকিছু ঠিক ছিলো। তিনি হঠাৎ বলে আপনি ট্রাফিক রুলস ভঙ্গ করেছেন আপনার 1200 টাকার মামলা হবে। আমি সংকিত হয়ে যাই কোন ভুল না থাকাতেও হঠাৎ ডাক দিয়ে এ কেমন কথা। সাথে সাথে পেছন থেকে এক কন্সটেবল এসে বলে আপনি স্যারকে 600 টাকা দেন নয়তো 1200 টাকার মামলা নিয়ে যান। আমি 500 টাকা দিতে চাইলেও তারা আমার কাছে একরকম জোরপূর্বক 600 টাকাই নেয়।
আমার গাড়ি এক্সিডেন্ট হয়েছে তারপর ও আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করছে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে
হেলমেট ছাড়া যাওয়ার কারণে সরকারী খাতায় ফাইন না উঠিয়ে আমার কাছ থেকে রশিদ ছাড়া ১৫০০ টাকা নিয়েছে
এলিভেটেড এ ওঠার পর দেখতে পাই টায়ার পাংচার হয়ে গেছে একটি সাইডে রেখে স্পেয়ার টায়ার লাগিয়ে চলে যাওয়ার সময় ট্রাফিক সার্জন্ট আমাকে হেল্প করার পরিবর্তে গাড়ির কাগজ নিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ৮৫০০ টাকা দাবি করেন আধা ঘন্টা অনুরোধে ৫০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ পেয়ে চলে আসি।
গ্রামের আধা পাকা রাস্তায় রাত আটটার দিকে হঠাৎ করে সামনে থেকে লাইট মারে গাড়ি থামে দেখি দুইজন পুলিশ। আমার কাছে ডায়ান ফিফটি গাড়ি ছিল। তারা আমার কাছে গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজ চেয়েছিল আমি সেটা দিতে পারিনি। তারপর তারা চা-নস্তা খাওয়ার নাম করে ঘুষ চেয়েছিল তার বিনিময়ে আমার গাড়ি ছেড়ে দিবে। আমার কাছে টাকা ছিল না পরে আমার চাচা এসে ৫০০ টাকা তাদেরকে দেয় এবং তারা আমার গাড়ি ছেড়ে দেয়।
বাইকের মূল কাগজপত্র সাথে ছিল না কিন্তু আমি কাগজপত্রের স্ক্যান কপি দেখিয়েছি । সাথে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল। আমি আমার সার্ভিস আইডি এবং পরিচয় প্রদান করি । আমি নৌবাহিনী সদস্য পরিচয় দেওয়ার পরও আমাকে সম্মান দিয়ে আড়াই হাজার টাকা দাবি করে। পরে এক হাজার টাকা দিয়ে পারপাই । সে আমার নামে ২৫ হাজার টাকার মামলা দেওয়ার জন্য সকল কিছু প্রস্তুত করে । এ টাকা দাবি করে। আমি বাধ্য হয়ে এক হাজার টাকা পরিশোধ
পেশায় আমি একজন ট্রাক ড্রাইভার, আমরা যখন দেশের উত্তরবঙ্গ রাজশাহী অথবা বিভিন্ন জেলা থেকে কাচা মাল, ফল, নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসি তখন শুরু হয় আমাদের ট্রাফিক পুলিশ কে ঘুষ দেওয়ার পালা, চট্টগ্রাম ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগে চট্টগ্রাম শহরের ফলমন্ডি ৮০০, রিয়াজউদ্দিন বাজার ৪০০, কদমতলী ৪০০, কোতোয়ালি মোর ৫০০, নিউমার্কেট ৫০০, নতুন ব্রিজ ৫০০, টাইগার পাস ৫০০, ওয়াসা মোর ৫০০। চট্টগ্রাম ট্রাফিক উত্তর বিভাগে এ নিষিদ্ধ সময়ের কথা বলে শেরশাহ মোর ৫০০, অক্সিজেন মোড় ৫০০/১০০০, মুরাদপুর ৫০০, দুই নাম্বার গেট ৫০০, বদ্দারহাট ব্রিজের নিচে ৫০০, কাপ্তাই রাস্তার মাতা ৫০০, জি ই সি মোর ৫০০, খুলশি রেল ক্রসিং ৫০০, টেক্সটাইল মোড় ৫০০,