নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার ছোট ভাইয়ের জন্য পুলিশ কিয়ারেন্স এর রিপোর্ট আনতে যাই সে আমাকে বলল এটার জন্য কিছু খসড়া দিতে হবে তখন আমি তাকে ৫০০ টাকা দেই সে বলল এই খরচ হতে হবে না টাকা বের করেন পরে বাধ্য হয়ে আমি ১০০০ টাকা দেই কারণ পুলিশ কি আরেন্সটা খুব দরকার ছিল না হলে আমার ভাইয়ের অনিশ্চিত হয়ে যেত কারন আমার ভাইয়ের ভিসা আগে এসে পড়েছিল সে সময় মত না যেতে পারলে পরবর্তীতে না যাওয়া সম্ভাবনা ছিল তাই এক পদের বাধ্য হয়ে আমি ১০০০ টাকা ঘুষ দেই
আমার একটি আইফোন ঢাকা থেকে ছিনতাই হয়। আমি বাড়িতে এসে মোবাইল এর বক্স নিয়ে চরভদ্রাশন থানায় হারনোর জিডি করার জন্য যাই। তারা বলে ১৫০০০ টাকা দিলে তারা ফোন উদ্ধার করে দিবে
ওমরা হজ্জে য়াওয়ার জন্য সরকারি চাকুরী জীবিদের জন্য পুলিশ তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার জন্য, তাদের হাত খরচের জন্য ১০০০ টাকা দাবী করেন এবং ১০০০ টাকা পরিশোধ করা হয়।
শরীয়তপুর জেলার রাজগঞ্জ ব্রিজের সামনে থেকে একজন ট্রাফিক পুলিশ আমার বাইক থামায় এবং কাগজপত্র না থাকায় ঘুষ চেয়েছে। তা না হলে গাড়ি থানায় নিয়ে যাবে উপায় না পেয়ে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি গুলিস্তানে অল্প কিছু রাস্তা প্রায় ১০ গজ হবে উল্টা পথে আসি। তখন একজন ট্রাফিক পুলিশ হাসি মুখে বললেন উল্টা পথে আসলে কেন? তখন আমি বলি ঐ দিক দিয়ে আসলে তো অনেক ঘুড়তে হয়। তখন উনি বললেন কাগজপত্র ঠিক আছে? আমি সব দেখালাম। তার পর তার সহযোগী একজন এসে বললেন উল্টাপথে আসলেন। আমি বললাম হ্যা। উনিও কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ ছিলো। তারপর লোকটি বললো মামলা দিলে ২০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম আজকে মাফ করে দেন আর হবে না। তখন ট্রাফিক পুলিশটি আস্তে করে বললো অল্প কিছু দিয়ে মিট করে নেন। তখন পাশে একজন ওভার মোটরসাইকেল চালক আমাকে আস্তে করে বলে ২০০ হাতে ধরিয়ে দেন। তারপর আমি ২০০ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিদ্রুপ : আমার গাড়িটি মোটরসাইকেল ছিলো।
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করি। যেখানে আমি চাকরি করছিলাম ওখানে আমার নাম ঠিকানা পুলিশ নিয়েছিল। তারপর সেখানকার পুলিশ আমার থানায় দাখিল করেন এরপর আমার থানার পুলিশ আমার বাসা পর্যন্ত এসেছিল। পুলিশ এসে আমার বাবা মার কাছ থেকে ২০০০ টাকা আবদার করে। গ্রামের মানুষ সহজ সরল বুঝে পুলিশ দুই হাজার টাকা নিয়ে যায়। এখানে মূলত কাজ ছিল পুলিশের আমার কোন খারাপ রিপোর্ট আছে কিনা। আমার কোন রিপোর্ট তারা পায় নাই। তারপরও তারা আমার বাবা-মার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়ে গেছে
নতুন বাইক কিনে মাত্র রাস্তায় নামলাম আর সেই ২০ হাজার টাকার মামলার ভয় দেখিয়ে আমার থেকে ৫ হাজার টাকা নিল ,
আমি প্রবাসী আমার বাইকের কাগজ করতে একটু সময় লাগছে তাই কাগজ না থাকায় আমর কাজ থেকে 3000 টাকা ঘোষ নিচে নইলে গাড়ি থানায় নিয়ে যাবে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির ক্ষতি হবে এসব ভয় দেখিয়ে 3000 হাজার টাকা ঘোষ নিচে
আমি মোটরসাইকেল নিয়ে আসতে ছিলাম হঠাৎ করে এক ট্রাফিক পুলিশ আমার গাড়িটি আটক করে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইনে নিয়ে যায়। আমি যখন গাড়ি আনতে গিয়েছি, তখন লক্ষ্মীপুর টিআই অফিসে বলতেছে ১৮০০০ টাকার কমে গাড়ি দেয়া যাবে না। গাড়ির নামে মামলা হয়েছে। এখন কথা হলো যদি মামলা হতো আমাকে তো অবশ্যই মামলার রশিদ দিত। তারপর একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে বলল আচ্ছা ঠিক আছে আমি গাড়ি ছাড়িয়ে দেব ১০ হাজার টাকা বের করেন। আমি বললাম স্যার আর কিছু কম নেন। পরে উনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেন ঠিক আছে আচ্ছা আট হাজার টাকার কমে পারবোনা। পরে আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে স্যার আমি 5000 টাকা দেই সাথে সাথে উনি বললেন মাছ বাজার পেয়েছেন নাকি। ৮০০০ টাকার কমে ১ টাকাও হবে না। তারপর আর কি করার আমি 8000 টাকা পেমেন্ট করলাম।
আমার ঘর থেকে মোবাইল ফোনটি চুরি হওয়ার পর আমি থানাতে জিটি করি তারপর ওই পুলিশ কর্মকর্তা ডিউটি অফিসার আমার কাছ থেকে অর্থ দাবি করে মোবাইল উদ্ধারের জন্য সে বলে টাকা দিলে কাজ হবে টাকা না দিলে আমার কাজ করতে রাজি হয় না তাই আমি টাকা দেই কিন্তু আমার কাজ হয়নি
চট্টগ্রাম ইপিজে থানার যত পুলিশ আছে তারা রাতে যখন টহলে বের হয় বিভিন্ন দোকানের কাছে গিয়ে তারা নিজেরাই চাঁদা তুলে গাড়ি রাস্তায় থামিয়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয় দোকানে গিয়ে গিয়ে সে বলে আসে বাড়ি দাঁড়িয়ে আছে যাইয়া দিয়ে আসো এরপর দোকানদাররাও গিয়ে গিয়ে তাদের হাতে টাকা দিয়ে আসে তারা নিজ হাতে টাকা গ্রহণ করে না বরং টাকা তোলার জন্য একজন ব্যক্তি নির্ধারিত আছে
Amader bike atkiye dise biker ke license dekhate bolse license dekhanor por o chare nai Kane kane bolse kichu na dile jete parben na 5k chachilo oneek important kajer jonno pay kore disi tarpor tini chere dilen
আমি আমার গাড়ির কাগজ কই রাখছি গাড়ি তে মনে করতে পারতেছিলাম না আমি ৫ মিনিট সময় চাইছি কাগজ খুজার জন্য দেয়নাই ১০০০ টাকা ঘুস নিছ্র।
আমি একদিন লাইসেন্স নিয়ে বের হয় নাই কিন্তু আমার কাছে ছবি ছিলো সেটা দেখাই তারা চেক করে সব ঠিক ও থাকে কিন্তু তারা কি কি মামলা দিবে বলতেছিলো মামলা দিলে বাইক ও নিবে সাথে টাকা ও দেওয়া লাগবে, পরে সাথর যে ছোট একজন অফিসার ছিলো সে আমাকে সাইট করে নিয়ে বলে যে ১০ হাজার দিলে ছেড়ে দিবে কিন্তু আমার কাছে ছিলো ৫ হাজার২০০-৩০০ পরে অনেক কথার পর আমি ৫ হাজার টাকা দিয়ে ওখান থেকে ফিরে আসি
বাইকের কাগজপত্র সব ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও ট্রাফিক পুলিশ আমার কাছ থেকে ঘুষ হিসেবে ১ প্যাকেট বেনসন সিগারেট নিয়ে নিয়েছে।
বাজারে আমার হেলমেট ভুলে গেছি বাসায় যাচ্ছিলাম। তখন আমাকে হেলমেটের মামলা দেওয়ার কথা বলে ভয় দেখায় এক পর্যায়ে আমার কাছ থেকে ঘুষ নে য়।
স্বাভাবিকভাবেই মাজার রোডের সিগনাল পার হচ্ছিলাম। গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের সামনে ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি আটকায়ে বলে সিগনাল ব্রেক করেছি, উনাদের কাছে প্রমাণ আছে। আমি প্রমাণ দেখতে চাইলে বলে তাহলে গাড়ি থানায় নেওয়ার পর ভিডিও দেখাবে, সেক্ষেত্রে গাড়ি থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য রেকার ভাড়া দিতে হবে আরো ১২০০ টাকা। আমি বাড়তি আর ঝামেলা নিতে চাচ্ছিলাম না দেখে ওদের চাহিদা মোতাবেক ১০০০ টাকা দিয়ে সমস্যা সমাধান করে নিয়েছি। আপনারা আমাকে বলতে পারেন যে আমি কেন মেনে নিলাম ওদের কথা।আসলে এইরকম পরিস্থিতিতে যারা পরে তারাই বুঝে এই ছাড়া উপায় নাই।
মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানায় প্রকাশ্যে কালকিনি রিকশা স্ট্যান্ড ইজি বাইক স্ট্যান্ড এদের কাছ থেকে প্রকাশ্যে চাঁদা নেয়া হচ্ছে কেউ কিছু দেখছে না বিষয়টি আমলে নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি এখানে মাসে ঘরে ৬০ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি হয়
বিদেশে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে আমি ও আমার স্ত্রী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করি। প্রথমে দুজনের আবেদনই বাতিল করে বলা হয়, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। পরে সেটি জমা দিয়ে আবার আবেদন করলে ৩–৫ দিন পর জানানো হয়, কাগজপত্রে স্বাক্ষর ও তারিখ ঠিক নেই। তৃতীয়বার সবকিছু ঠিক করে জমা দেওয়ার পর আমার স্ত্রীর আবেদন আবার বাতিল করা হয়, কারণ হিসেবে তার ঠিকানা নাকি মিল নেই। অথচ আমরা একই উপজেলার দুটি ভিন্ন গ্রামে থাকি। বাধ্য হয়ে আমি থানায় গিয়ে কারণ জানতে চাই। অনেক অজুহাতের পর ডিউটি অফিসারের সামনেই আমাকে বলা হয়, টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। এদিকে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়সীমা শেষ হয়ে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে কম্পিউটার অপারেটরকে ৩,০০০ টাকা দিই।
আমার সব কাগজ পত্র থাকার পরও ঘুষ নিছে