নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমাদের দোখানের একটা ছেলেকে নিয়া গেছিলো পরে পুলিশ কে আমরা জানাই পরে উনারা যাই অকে বের করে আনে আইন্না টাকা চাই
আমার কভার্ড ভ্যান ২৩ ফীট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রাস্তায় মুখোমুখি এক্সিডেন্ট করেছিলো পরে পুলিশ রেখার দিয়ে গাড়ি থানাই নিয়ে গেছে, সরকারি রেটে রেখার বিল ২৫০০ টাকা, পুলিশ বলে রেখার বিল রেখার ড্রাইভারের সাথে ফইসালা করতে, রেখার ড্রাইভার ৮০০০ চার্জ করে, দিতেও বাধ্য হই, কারন পুলিশের লোক বলে কথা, রেখার বিলের সমস্যা সমাধান করার পর, এবার এলো পুলিশের খরচ, পুলিশ চাহিদা ১০০০০ টাকা অনুরোধ করার পর ২০০০ টাকা ডিসকাউন্ট করে। মোট নিলো রেখার ৮০০০ পুলিশ ৮০০০ মোট ১৬০০০। আমার শখের গাড়ি রিজিকের গাড়ি রাস্তায় এক্সিডেন্ট করে আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, সেই রক্তক্ষরণের উপর পুলিশ লবন দিচ্ছে। অনেক হাইওয়ে পুলিশ আল্লাহর কাছে দোয়া করে যেন রাস্তাই গাড়ি এক্সিডেন্ট করে এবং তাদের ইনকাম হই। (কুট্রা পাড়া থানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
কুমিল্লা পুলিশ লাইন এর ভেতরে একপাশে দাড় করিয়ে টাকা চায় ৪০০০।।। মনে হচ্ছে ঐনি আমার কাছে টাকা পায়।।। এট দেখা আমি অবাক।।।
প্রতি মাসে ট্রাফিক পুলিশ হাইওয়ে পুলিশকে প্রতি গাড়ি প্রতি ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য থাকি।
মামলা,করবে বলে।আর করে নি, দাবি করে ৫০০০ টাকা। পরে ৩০০০ দিলে।আমাকে ছেরে দেয়
২৪/০৮/২০২৬ তারিখে আমরা খুলনা যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি কার ভাড়া করি,সময়টা আনুমানিক এগারোটা ধোলাই পার, যাত্রাবাড়ী এলাকায় হানিফ ফ্লাইওভার থেকে নিচে নামার সময় একটি ট্রাফিক সার্জেন আমাদেরকে গাড়ি দাঁড় করায়, ট্রাফিক সার্জেন্ট ড্রাইভারকে বলে,গাড়ির চাকার সাইজ অতিরিক্ত বড় হওয়ার কারণে তাকে ঘুষ দিতে হবে ১৫০০ টাকা,অন্যতায় মামলা দিবে বলে ভয় দেখায়, পরে ১০০০ টাকা দিলে সরাসরি নিতে চায় না পরে ড্রাইভারকে বলে, টাকা দিতে হবে খামে ভরে যাতে টাকা দেখা না যায়,ড্রাইভার কথা শুনে প্যাকেটের ভিতরে ঘুষ টাকা দিয়ে, ওখান থেকে আসতে পারে। এখন ঘুষ নেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা খুব গোপন ভাবে নেওয়া হয়। আমরা কোন দেশে বাস করি যারাই রক্ষক তারাই ভক্ষক, এটি আমার চোখের সামনে হয়েছে।
আমার চুরি হওয়া মোবাইলের বিষয়ে থানায় জিডি করার পর মোবাইলটি উদ্ধারের ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এ সময় আমাকে বলা হয়, ৩,০০০ টাকা দিলে তারা আমার মোবাইলটি বের করে দেবে/উদ্ধার করে দেবে।
বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে, এইটা সংগ্রহ করতে গেলে ১৫০০ টাকা নিয়েছে সরকারি ফিক্স বাদে,সরকারি ফিস আমি দিছি ৬০০, পুলিশ আর মনে হয় না ভালো হবে?
SB paper thik thakar por . online copy dekhaisi bole .taka nilo .main copy chay .ki a job sesh asi.
আমি একজনের নামে জিডি করতে গেছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাকে যে পরিমানের আচার করছে সে পরিমানের মানুষের সাথে বলাই কঠিন।আমি চিন্তা করি পুলিশ সাধারণত মানুষের ভেট টাকা বেতন পায় তার এরকম ব্যবহার করার কারন কি? জিডি তো করতে পারলাম নাহ ১৫০০০ হাজার জরিমানা দিয়ে আসতে হয়েছে। আমার বাড়ি থেকে ক্যাশ ও ফোনে নগদ থেকে ২৭০০০ চুরি গেছে যে নাম্বার টাকা গেছে তার নামে জিডি কিন্তু বিচার তো নাই ১৫০০০ হাজার নিয়ে পকেট ভরায়। কিন্তু আমি বলি আমি মানুষের দোখানে কষ্ট করে একটু অর্থ জোগাড় ওই পরিমানে তো টাকা এই সমাজের মানুষ জন্য ও বিচার পেলাম নাহ
গাড়ির কাগজপত্রাদির নাম করে পুলিশ মাসে মাসে টাকা নেয়।হুটহাট গাড়ি আটকাইয়া ১০ হাজার টাকা দাবি করে, পরে ৭৪০০ দিয়ে ছুটাই।এরকম করলে কিভাবে ব্যাবসা করব? গাড়ি চলুক আর না চলুক তাদের গাড়ি প্রতি ১০০০ করে টাকা চাদা দিতে হবে।এ কেমন আইন?
আমাকে চাকরি দিবে বলে বুকিং এর জন্য ১০১১৩৫ টাকা নিয়ে ব্লগ করে দিছে
কোনাবাড়ি বিসিবি থেকে কভার্ডভ্যান উল্টা আসে! সার্জেন্ট এবং কনস্টেবল মিলে গাড়িটি ধরছে ৩ থেকে ৬ হাজার টাকার মামলা হবে বলে ভয় দেখিয়েছে! পরে ড্রাইভারের থেকে ১০০০ টাকা নিয়ে ছেড়ে দিছে।
মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার পর যখন আমি জিডি করি তখন বাস্তব ময়দানে আমি এই জিডির মাধ্যমে কোন উপকার পাইনি কিন্তু যখন বারবার তাদের দ্বারস্থ হতে থাকলাম কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানায় দায়িত্বরত পুলিশ যাকে আমার ফোন খোজার জন্যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সে আমার থেকে ৫০০০ টাকার চুক্তি করে ফোনটি উদ্ধার করে দিয়েছেন।
আমার সাথে হেলমেট ছিল না এবং এরকম কথা বলে আমাকে ১২ হাজার টাকার মামলা দিতে চায় কিন্তু পরে আর একজন তিন হাজার টাকা দাবি করে তাহলে মামলা দিবে না পরে আমি ৩০০০ টাকা দিয়ে ১২ হাজার টাকার মামলা থেকে বেঁচে গেছি
আমি মানিকগঞ্জের ঝিটকা থেকে বলছি, এখানে পীর পূজারী মাজার ব্যবসায়ী, যারা সমাজ পরিচালনা করে, এবং সমাজের খারাপ ছেলেদের দিয়ে নেশাদার দ্রব্য দিয়ে খারাপ পথে পরিচালনা করে এবং প্রতিনিয়তই সমাজে যারা ভালো ব্যক্তি তাদেরকে এই খারাপ মানুষ দিয়ে হয়রানি করে এবং নানা ভাবে অত্যাচার করে থাকে, এবং কি প্রশাসন ও তাদের কথাই চলে, এটা শুধু চিৎকার গল্প, মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে প্রায় সব জায়গায় এরকমই চলে
আমি বনানীতে একটা ব্যাংকে গেছি বাট সব জায়গায় তো জ্যাম থাকে যে কারণে একটা ভিতরে রোডে যেখানে গাড়ি চলাচল করেই না মোটামুটি কিছু গাড়ি রাখে আমি ওখানে গাড়ি আমার ড্রাইভার সহ রাখছি পাশেই সাথে সাথে গাড়িতে থাকা অবস্থায় ট্রাফিক পুলিশ তাকে ধরে জরিমানা আমাকে কল দেয় সাথে সাথে আমি চলে আসি আসার পরে ৫ মিনিট লাগছিল উনাকে বললাম যে আপনি তো এভাবে দিতে পারেন না আমার তো বেশি সময় লাগে নাই পাশে তো অনেক গুলা গাড়ি আছে সরকারি গাড়ি এগুলো তো আপনি দিচ্ছেন না এটা এক মিনিটের জন্য আপনি এভাবে দিবেন বলল আপনার নামে আগে মামলা আছে এখন দিলে ৬০০০ টাকা হবে দেন আমি তাকে তিন হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম
্সিলেট চোহাট্টা টে দায়িত্তরত পুলিশ নিয়েছে
গাড়ি শুধু শুধু থামাইছে। কোন কিছুই করি নাই।
বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে অনলাইনে সকল নিয়ম মেনে আবেদন করি ১৬ দিন ঝুলিয়ে রেখে রিজেক্ট করে দেয় পরে থানায় যোগাযোগ করলে কম্পিউটার অপারেটর ৩০০০ টাকা দাবি করলে টাকা পরিশোধ করার পরে ৮ দিন পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দেয়