জিডি করা
আমি জিডি করতে গিয়েছি সে টাকা ছাড়া জিডি নেয় নি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৭৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি জিডি করতে গিয়েছি সে টাকা ছাড়া জিডি নেয় নি
আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকা সত্যেও বিভিন্ন ভাবে ভুল খোজার চেষ্টা করা হয়৷ আমার বাইকে গত ২৬ দিন আগে একটা হর্ণ মামলা ছিলো৷ যেহেতু ১ মাস পুরন হয়নি আমি কাগজ উঠাইনি৷ উনারা বলছে মেয়াদ ২০ দিন এই নিয়ে সে ১০ হাজার টাকার মামলা দিবে৷ সর্ব শেষ এ ৫ হাজার দিতে হয়৷ ঢাকায় এছাড়াও প্রায় এই রকম টাকা খোর রা থাকে বিশেষ করে, চানখারপুল, গাবতলি পর্বত, আগারগাঁও এবং বিজয়সরনির মাঝে,
রংপুর - সৈয়দপুর বিশ্বরোড হয়ে ভিন্নজগত যাচ্ছিলাম। মাঝখানে ট্রাফিক পুলিশ পুরো টিম দাঁড়িয়ে। গাড়ি সাইড এ নেয়ার পর বিভিন্ন আলবাল বুঝাতে থাকে। যদিও আমার সকল কাগজ ছিল পিডিএফ করা কিন্তু সেটা তারা দেখেও না দেখার ভান করলো আর একপর্যায়ে সার্জেন্ট বলল আপনার ১০,০০০ টাকার মামলা হবে। আমি অনেক আকুতি মিনতি করার পরেও এক কনস্টেবল সাইড এ নিয়ে বলল ২০০০ টাকা দেন আমি স্যারকে ম্যানেজ দিচ্ছি। পরে ১০০০ টাকা দিয়ে ওখান থেকে আসতে হইসে। মজার বিষয় হচ্ছে টাকা দিয়ে চলে আসার সময় অন্য আরেক কনস্টেবলেরা বলছিল যে ভাই নেক্সট এ এখন দিয়ে যাওয়ার সময় আর ঝামেলা হবে না। টেনশন ফ্রি থাকেন।
বাইকের কাগজপত্র এবং আমার মাথায় হেলমেট সবই ঠিক ছিলো, শুধুমাত্র পিছনের পিলিয়ন মানে আমার বউয়ের মাথায় হেলমেট ছিলো না বলে বাইক নিয়ে ভৈরব হাইওয়ে থানায় আটকে রাখে। আমি মামলা দিয়ে ছেড়ে দিতে বললাম সেটাও করে না। তার ২ ঘন্টা পরে তাদের ৫০০ টাকা দিলে তারা ছেড়ে দেয়। এই ঘটনার সাথে ওসি সহ বাকি সবাই জড়িত।
আমার বাইকের কাগজ মামলার কারণে জব্দ ছিল এবং মামলার ডেট ওভার হয়ে গিয়েছিলাম আমি বলেছিলাম আমি মামলা ভাঙ্গিয়ে নিব এখনই, তারা ডাম্পিংয়ের ভয় দেখিয়ে আমার কাছে পনেরশো টাকা দাবি করে পরে আমি 700 টাকা দিয়ে বাইক ছাড়িয়ে নিয়ে আসি
৯৯% বাইকে ফগ লাইট লাগানো থাকে, ঠিক তেমন ভাবে আমার বাইকেও লাগানো ছিলো, কিন্তু, আমাকে আটকিয়ে কাগজ জব্দ, আমার পাশে শত-শত বাইকে ফগ লাইট লাগানো, কিন্তু, ওদের ধরছে না, শুধু আমাকে ধরে ১২০০০/- টাকার মামলার ভয় দেখিয়ে ক্যাশ ৫,০০০/- দিলে, ১২ হাজার এর মামলা দিবে না বলে,,তাই আমি বাধ্য হয়ে দিয়েছি ৫ হাজার, তখন কিছু করার ছিলো না। আইন সবার জন্য সমান হওয়ার দরকার। নিউমার্কেট চট্টগ্রাম।
আমার অনেক তাড়াহুড়া ছিল গাজীপুরের একটা ফ্যাক্টরি তে মেশিন problem solve করার তাই আমি House Building এ U -Turn নিয়ে একটু wrong lane ধরে BRT তে উঠতে যাই তখন একটা পুলিশ আমাকে দেখে দূর থেকেই ২ হাত দুই দিকে উঁচিয়ে যেন মুরগি ধরার জন্য দৌড়াতে লাগলো। তারপর আমিও চুপ চাপ থেমে যাই তারপর আমার রেজিস্ট্রেশন পেপার এন্ড লাইসেন্স চায় আমি দিতে চাই নি বলেছি পেপারস বাসায় যদিও আমার সাথেই ছিল। তারপর বলে আমার bike থানাতে নিয়ে যাবে। আমাকে পেপারস নিয়ে আসতে বলে মামলা দেবার জন্য। তারপর ৪০ মিনিট পরে বলে রেকার বিল আসবে ১২৫০ টাকা,তো আপনি ১০০০ টাকা দিয়ে দেন। তারপর আমি বিকাশ থেকে ১০০০ টাকা তুলে তাকে দিতে যাই তখন বলে আমি যেন আমার হেলমেট এর ভিতর টাকা টা রাখি। তারপর আমার হেলমেট থেকে টাকা তা নিয়ে আমার নাম এড্রেস লিখে নিয়ে j
Garir number plate vije jay . Number bujate pare nai. Pore tar shamne lamenting Kore number Niya ashi .then se bole number mamla dibo ame bollam sir apnar shamne to Niya Aslam thik Kore. Pore bole mamla dimu naki 500 taka dibi. Pore taka diya aslam
আমার গাড়ির দূর্ঘটনা ঘটেছিলো। পরে গাড়ি থানায় নিয়ে যায়। আমার গাড়ির চরম ক্ষতি হয়। কিন্তু থানা থেকে আনতে গেলে টাকা দাবি করে। কেন দাবি করেছিল? তারা ঘটনাস্থল থেকে থানায় নিয়ে গেছে সেটার খরচ + চা খরচ + থানায় দেখাশোনা করেছে তার খরচ। যদিও গাড়ি রেকার দিয়ে টেনে নিয়ে থানার ডাম্পিং এ ফেলে রেখেছে। এটার জন্য ১লাখ টাকা দাবি করেছে। ওসি ইশার নামাজ পড়ে এসে মাথায় টুপি থাকা অবস্থায় ঘুষের টাকা গুনে নিয়েছিল।
পরে ছাত্রলীগের এক কর্মী এসে আমার সাথে সমঝোতা করে দুই হাজার টাকার মাধ্যমে আমাকে সেখান থেকে ছেড়ে দেয়
gari atkiye tk dabi korechilo, Demra Staff Quarter, Dhaka
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ভালো করার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়। টাকা না দিলে বারবার ফেল করানো এবং দালালের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
আমার কাগজ সব ঠিক থাকার পরেও, শুধু শুধু আমার বাইকে মামলা দিতে চায়, পরবর্তীতে টাকা দিয়ে নিজেকে মামলার হাত থেকে বাচাই।
আমার গাড়ির সঠিক ডকুমেন্ট না থাকায় পুলিশ আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে আমি টাকা না দেওয়ায় আমার গাড়িটিও Tow দে। যখন গাড়ি আনতে গেছি তখন দেখি আমার মামলার পরিমান ১৫ হাজার টাকা। তখন তারা আমাকে বলে ১৩ হাজার টাকা দিলে আমাকে আমাকে ৪০০ টাকার রশিদ ধরিয়ে দে। পরে গাড়ি আনতে পারলাম। দালালকে দিলাম ১০০০ টাকা। এখন কথা হল আমি যদি ১৩০০০ টাকা দিয়ে গাড়িটা আনি আমাকে রশিদ কেন ৪০০ টাকা দিল?
অফিসের নিচেই উনি সিগন্যাল দেয় । আমি সাথে সাথে দাঁড়িয়ে যাই।সার্জেন্ট হঠাৎ করে গাড়ির কাগজ দেখতে চায়, কাগজ আমার বেগে ছিল বেগ অফিসে ছিল । বৃষ্টির কারণে কাগজ পত্র বেগেই রেখিছিলাম। ওনাকে বলি আমি ১ মিনিট লাগবে কাগজ এনে দেখাচ্ছি। গাড়ি এখানেই থাক । উপরেই আমার অফিস। উনি আমাকে সময় না দিয়ে বাইকের নামে কাগজ লিখেন যে আমি কাগজ দেখতে ব্যার্থ। উনি চাবি নিয়ে গাড়ী থানায় নিয়ে যান। কাগজ আমাকে দিয়ে বলে ওই অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজ দেখলে আমাকে একটা রশিদ দিবে ওটা এনে লোকাল থানায় দেখালে গাড়ী ছেড়ে দিবে। আমি যারা মামলা বুঝেন তাদেরকে দেখলাম তারা বলল এটা রেকার মামলা ১৫০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে। পরে ফোজদারহাট অফিসে গেলে ওনারা ৬৫০০ টাকা ফিক্সড করে দিতে বলে। আমার গাড়িটি কোম্পানির তাই দিতে বাধ্য হই।
ট্রাফিক পুলিশ, গুলিস্তান BRTC বাস ডিপোর সামনে দাড়িয়ে ছিলো, আমি মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাকে পুলিশ সিগন্যাল দিলো, দাড়ালাম। কাগজপত্র চাইলো দিলাম, মামলা দিতে চাইলো প্রথমে ১০০০০/- পরে কমতে কমতে ২০০০/- রিকুয়েষ্ট করলাম, বললাম ১০০০ টাকা উপরে দিতে পারবো না তখন মানিব্যাগ বের করে টাকা দিতে চাইলাম আমাকে থামিয়ে দিলো, বললো বিকাশে দিতে একটা কিউআর কোড দিলো এক এজেন্ট নাম্বার । ঐ নাম্বারে ক্যাশআউট করে দিলাম। এই হচ্ছে অভিনব কৌশলে ঘুস আদায়। সরকার ১ টাকাও পেলনা।
আমার মা-বাবা দেশের বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গিয়েছিলাম সন্ধীপ থানায়। প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে সেখানে কর্তব্যরত টাইপিং এর কাছে গিয়েছিলাম। তিনি খরচ বাবদ আমার কাছে তিনহাজার টাকা দাবি করেন। আমি জানতাম পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সরকারি খরচ ৫০০ টাকা। আমি টাকা তিনহাজার টাকা দিতে অসম্মতি জানায়। এবং তাতে তিনি আমার কাজ গ্রহণ করেননি। পরে আমি এটি জানাতে ওসির কাছে গেলাম। ওসি আমাকে উল্টো বাজে ব্যবহার করেছেন। পরে আমি সেখান থেকে চলে আসি। এরপর আমি নিজেই ইউটিউব দেশে নিজেই এপ্লিকেশন করি। তার দশ পনেরোদিন পরে থাকা থেকে আমার এলাকায় আসেন ইনভেস্টিকেশন এ। এখানে আমার কাছে চা নাস্তা খরচ বাবদ দুইহাজার টাকা দাবি করেন। আমি এতেও অসম্মতি জানায় । এবং বলি আপনি যা ভালো লাগে রিপোর্ট দিন। বাট আমি কোন টাকা দিবোনা।
গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকার "শ্যামলী" থেকে "নবীনগর" যাওয়ার পথে "হেমায়েতপুরে" সাভার পরিবহন নামক একটি বাস মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলার কারণে ট্রাফিক পুলিশ কয়েকবার লেজার লাইট দিয়ে ওয়ার্নিং দিয়েছে বাসের ড্রাইভারকে। এবং পরবর্তীতে বাসের ড্রাইভার পুলিশের ওয়ার্নিং না শোনার কারণে পুলিশ এসে সেই বাসের ড্রাইভার এর কাগজ পত্র জব্দ করে। এবং পরবর্তীতে বাসে থাকা হেল্পার বাস থেকে নেমে পুলিশের সাথে এক সাইডে গিয়ে পুলিশকে ৫০০ টাকার নোট বের করে হাতে ধরিয়ে দেয়। এবং পরবর্তীতে পুলিশ সেই বাসের কাগজপতি আবার ফেরত দিয়ে দেয়। বিষয়টা খুবই অবাক করলো আমাকে সেদিন। একটা রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত হলে এমন কাজ করে।
ট্রাফিক সার্জেন্ট প্রতিনিয়ত ড্রাইভারদের কাছ থেকে এক হাজার থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে না দিলে হুমকি দেয় এবং আমাকেও দিয়েছে আমার কাছে ভিডিও আছে প্রমান হিসেবে
গাড়ী আটকায়ে টাকা নেয়,কাগজ সব ঠিক থাকার পরও