সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

৪৩৬ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ট্রাফিক পুলিশ

ঘুষ দাবি

আমার গাড়ির সঠিক ডকুমেন্ট না থাকায় পুলিশ আমার কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দাবি করে আমি টাকা না দেওয়ায় আমার গাড়িটিও Tow দে। যখন গাড়ি আনতে গেছি তখন দেখি আমার মামলার পরিমান ১৫ হাজার টাকা। তখন তারা আমাকে বলে ১৩ হাজার টাকা দিলে আমাকে আমাকে ৪০০ টাকার রশিদ ধরিয়ে দে। পরে গাড়ি আনতে পারলাম। দালালকে দিলাম ১০০০ টাকা। এখন কথা হল আমি যদি ১৩০০০ টাকা দিয়ে গাড়িটা আনি আমাকে রশিদ কেন ৪০০ টাকা দিল?

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳১৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

আমার মা-বাবা দেশের বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে গিয়েছিলাম সন্ধীপ থানায়। প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে সেখানে কর্তব্যরত টাইপিং এর কাছে গিয়েছিলাম। তিনি খরচ বাবদ আমার কাছে তিনহাজার টাকা দাবি করেন। আমি জানতাম পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সরকারি খরচ ৫০০ টাকা। আমি টাকা তিনহাজার টাকা দিতে অসম্মতি জানায়। এবং তাতে তিনি আমার কাজ গ্রহণ করেননি। পরে আমি এটি জানাতে ওসির কাছে গেলাম। ওসি আমাকে উল্টো বাজে ব্যবহার করেছেন। পরে আমি সেখান থেকে চলে আসি। এরপর আমি নিজেই ইউটিউব দেশে নিজেই এপ্লিকেশন করি। তার দশ পনেরোদিন পরে থাকা থেকে আমার এলাকায় আসেন ইনভেস্টিকেশন এ। এখানে আমার কাছে চা নাস্তা খরচ বাবদ দুইহাজার টাকা দাবি করেন। আমি এতেও অসম্মতি জানায় । এবং বলি আপনি যা ভালো লাগে রিপোর্ট দিন। বাট আমি কোন টাকা দিবোনা।

ঘুষ দিইনি
সন্দ্বীপ ৳৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

রাস্তায় মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই

ট্রাফিক পুলিশ, গুলিস্তান BRTC বাস ডিপোর সামনে দাড়িয়ে ছিলো, আমি মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাকে পুলিশ সিগন্যাল দিলো, দাড়ালাম। কাগজপত্র চাইলো দিলাম, মামলা দিতে চাইলো প্রথমে ১০০০০/- পরে কমতে কমতে ২০০০/- রিকুয়েষ্ট করলাম, বললাম ১০০০ টাকা উপরে দিতে পারবো না তখন মানিব্যাগ বের করে টাকা দিতে চাইলাম আমাকে থামিয়ে দিলো, বললো বিকাশে দিতে একটা কিউআর কোড দিলো এক এজেন্ট নাম্বার । ঐ নাম্বারে ক্যাশআউট করে দিলাম। এই হচ্ছে অভিনব কৌশলে ঘুস আদায়। সরকার ১ টাকাও পেলনা।

ঘুষ দিয়েছি
গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া বাস ডিপোর সামনে ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

ড্রাইভিং লাইসেন্সের

অফিসের নিচেই উনি সিগন্যাল দেয় । আমি সাথে সাথে দাঁড়িয়ে যাই।সার্জেন্ট হঠাৎ করে গাড়ির কাগজ দেখতে চায়, কাগজ আমার বেগে ছিল বেগ অফিসে ছিল । বৃষ্টির কারণে কাগজ পত্র বেগেই রেখিছিলাম। ওনাকে বলি আমি ১ মিনিট লাগবে কাগজ এনে দেখাচ্ছি। গাড়ি এখানেই থাক । উপরেই আমার অফিস। উনি আমাকে সময় না দিয়ে বাইকের নামে কাগজ লিখেন যে আমি কাগজ দেখতে ব্যার্থ। উনি চাবি নিয়ে গাড়ী থানায় নিয়ে যান। কাগজ আমাকে দিয়ে বলে ওই অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজ দেখলে আমাকে একটা রশিদ দিবে ওটা এনে লোকাল থানায় দেখালে গাড়ী ছেড়ে দিবে। আমি যারা মামলা বুঝেন তাদেরকে দেখলাম তারা বলল এটা রেকার মামলা ১৫০০ টাকা দিলে হয়ে যাবে। পরে ফোজদারহাট অফিসে গেলে ওনারা ৬৫০০ টাকা ফিক্সড করে দিতে বলে। আমার গাড়িটি কোম্পানির তাই দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
হাটহাজারি ৳৬.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

পুলিশের ঘুষ নেওয়া

গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকার "শ্যামলী" থেকে "নবীনগর" যাওয়ার পথে "হেমায়েতপুরে" সাভার পরিবহন নামক একটি বাস মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলার কারণে ট্রাফিক পুলিশ কয়েকবার লেজার লাইট দিয়ে ওয়ার্নিং দিয়েছে বাসের ড্রাইভারকে। এবং পরবর্তীতে বাসের ড্রাইভার পুলিশের ওয়ার্নিং না শোনার কারণে পুলিশ এসে সেই বাসের ড্রাইভার এর কাগজ পত্র জব্দ করে। এবং পরবর্তীতে বাসে থাকা হেল্পার বাস থেকে নেমে পুলিশের সাথে এক সাইডে গিয়ে পুলিশকে ৫০০ টাকার নোট বের করে হাতে ধরিয়ে দেয়। এবং পরবর্তীতে পুলিশ সেই বাসের কাগজপতি আবার ফেরত দিয়ে দেয়। বিষয়টা খুবই অবাক করলো আমাকে সেদিন। একটা রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত হলে এমন কাজ করে।

ঘুষ দিয়েছি
সাভার, হেমায়েতপুর ৳৫০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

গাড়ি

ট্রাফিক সার্জেন্ট প্রতিনিয়ত ড্রাইভারদের কাছ থেকে এক হাজার থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে না দিলে হুমকি দেয় এবং আমাকেও দিয়েছে আমার কাছে ভিডিও আছে প্রমান হিসেবে

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা সাভার আশুলিয়া ব্রিজের এদিকে ট্রাফিক সার্জ েন্ট প্রতিনি ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

অযথা আটকায়ে টাকা নেশ

গাড়ী আটকায়ে টাকা নেয়,কাগজ সব ঠিক থাকার পরও

ঘুষ দিয়েছি
উওরা ৳৬০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

গাড়ির যাত্রী

আমি এবং আরও একজন মাওনা থেকে ঢাকা যাব তখন একটি মাইক্রোতে আমরা ১০০ টাকা বাড়া দিয়ে উঠি।ঘটনা ক্রমে একজন পথচারী অসতর্কতা বশত গাড়ির সামনে এসে যায়। কিন্তু শরীরে আঘাত লাগেনি ট্রাফিক পুলিশ এটা দেখে ড্রাইভার কে ডাকে গাড়ির কাগজপত্র সব ঠিক ছিল কিন্তু যাত্রী নিছে এটাই নাকি অপরাধ। পরে বলে মামলা করবে কিন্তু আরেকজন পাশ থেকে বললো আপনি কিছু টাকা দেন বিষয়টা মিমাংসা করে ফেলুন। তখন ৩০০ টাকা দেই কিন্তু ১০০০ হাজারের কম মানতে চাইনা অনেক বলে ৪০০ দিয়ে কেটে গেছি আমি শুধু মাত্র ঐ গাড়ির যাত্রী ছিলাম। ড্রাইভারের কাছে টাকা না থাকায় তিনি পা পর্যন্ত ধরছিল তাও মানেনি পরে বাধ্য হয়ে মানবতা দেখিয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হলাম।

ঘুষ দিয়েছি
গাজীপুর ৳৪০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১১
ট্রাফিক পুলিশ

Traffic

Amar bike ar sob paper took chilo. Ami helmet o pora Chilham. Sob kichu amar ok. But se amake thamiye sudhu sudhu malar voy dekhay. Jemon tumi kothay jaccho tumi ki kaj koro. Ki korte jaccho. Asob suniye malar voy dekhiye amar theke 500 taka dabi kore. Pore amar theke jor purbok taka ney

ঘুষ দিয়েছি
Shoriyotpur sodor ৳৩০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

হেলমেড না থাকায়

সকালে অফিসে যাওয়ার সময় রাস্তার মোর ঘুরার সময় পুলিশে আমার মাথায় হেলমেট না থাকায় পুলিশ মামলা দিতে চাইলো। পরে জোর পূবোক ১০০০ টাকা নিয়ে আমাকে বললো চলে যান।

ঘুষ দিয়েছি
কোনাবাড়ী, গাজীপুর ৳৯০০
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৬
ট্রাফিক পুলিশ

হেলমেট না থাকায় মামলা দেওয়া ভয় দেখিয়ে 1000 টাকা দাবি

হেলমেট না থাকায় মামলা দেওয়া ভয় দেখিয়ে 1000 টাকা দাবি করে,,,,ঘটনাটি ঘটে উত্তরা ০৭ নং সেক্টর, শহীদ মুগ্দ মঞ্চের সামনে থেকে,,,,(উল্লেখ্য উক্ত রাস্তাটি কোনো হাইওয়ের অন্তর্ভূক্ত নয়), আমি তাকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করি এটা আমার এলাকার রাস্তা,,,আমি বাড়ির নিচে,,,তারপরও সে মামলা দিতে চায়,,পরে আর সিনক্রিয়েন না করার জন্য ১০০০/- দিয়ে দেই,,,,

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

New market

Ami oi khane darai chilam police ekta gari dhorlo pore garite je chilo pore mone hoy 1500 takar moto police ke dilo pore amnite oi police oi manush ke chare dilo

ঘুষ দিইনি
Dhaka new market ৳১.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

বাইকের মামলার বদলে ঘুষ দাবি

বাইক ড্রাইভার ভুল করার পর পুলিশ মামলা না দিয়ে সরাসরি ১০০০ টাকা ঘুষ চায়।

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

আপনাদের এই সাইট এ পুলিশ নাই তাই ট্রাফিক পুলিশ দিলাম ঘুষ চেয়ে ছিলো GD প্রত্তাক্ষান করা নিয়ে

আমি মোবাইল দিয়ে GD করি পরে GD দরকার সেস হলে GD প্রত্তাক্ষান করতে জাই তখন পুলিশ বলে বাহিরে দুকান থেকে আবেদন করতে আমি আবেদন করে আবেদন কপি নিয়ে চাই পরে ৫০০০ টাকা দাবি করে আমি দেই নি পরে আর GD প্রত্তাক্ষান করেনি পরে আমি নিযে মোবাইল দিয়ে আমার প্রত্তাক্ষান এর GD করি অইটা প্রত্তাখান করে দেই কিন্ত আমি দুকান থেকে জেইটা করে নিয়ে গেছিলাম অইটা টাকা দেই জি বলে আজকে 5 মাস তাও প্রত্তাখান কিরে দেইনি পুলিশ

ঘুষ দিইনি
শেরপুর সদর ৳৫.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন

দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকতা আমার কাছে আমার বাচ্চাদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য স্থায়ী ঠিকানা ফরিদপুুর এবং বর্তমান ঠিকান মাগুরা শ্রীপুর দুই জায়গা থেকেই অতিরিক্ত অর্থ দাবী করে ফরিদপুরেটা দেওয়া হয় নাই, শ্রীপুর 1000 দেওয়া লাগছে।

ঘুষ দিয়েছি
মাগুরা, শ্রীপুর ৳১.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

হেলমেট

আমার গাড়িতে 3 জন থাকায় মামলা দিতে চায় পরে এক কেজি গরুর মাংস কিনে নিয়ে ছেড়ে দেয়

ঘুষ দিয়েছি
গাইবান্ধা ৳৭০০
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

৩০০০ হাজার টাকা দেন মামলা দিব না

অভিযোগের বিবরণ আমি রং সাইডে ইউটার্ন নেওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী ট্রাফিক সার্জেন্ট আমাকে আটক করেন। পরবর্তীতে তার সঙ্গে থাকা আরেকজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে পাশে ডেকে নিয়ে যান এবং আমার কাছে ৩,০০০ টাকা দাবি করেন। তিনি আমাকে বলেন, “৩ হাজার টাকা দাও, তাহলে তোমার আর মামলা খাওয়া লাগবে না।” আমি উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এরপর তারা আমাকে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা না পেয়ে একটি মামলার কাগজ ধরিয়ে দেন এবং আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি ঢাকার মহাখালী আমতলী ট্রাফিক বক্সে ঘটে। আমি ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে থাকলে আইন অনুযায়ী মামলা বা নির্ধারিত জরিমানা দেওয়ার বিষয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু মামলা না দেওয়ার বিনিময়ে ৩,০০০ টাকা দাবি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনিয়মের বিষয়। তাই বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্য

ঘুষ দিইনি
ঢাকা ৳৩.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিবেনা,আমার বিদেশ যাত্রায় বিলম্ব হবে। তাই দিতে বাধ্য।

ঘুষ দিয়েছি
মুক্তাগাছা ৳২.০ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

ট্রাফিক কর্তৃক জরিমানা

আজিমপুর থেকে মুহাম্মদপুর যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে ট্রাফিক পুলিশ আঁটকায়। কাগজপত্র দেখাতে বলে। সবকিছু দেখাই। কোন সমস্যা না পেয়ে বলে আপনার গাড়ির তেল অবৈধ। আমি বলি আপনিতো টাঙ্কি খুলে দেখেননি। কিভাবে বুঝলেন? তিনি রেগে গিয়ে বলেন আমরা বুঝতে পারি। অতএব ১৫০০ টাকা জরিমানা করেন। না দিতে চাইলে সংসদ ভবন এলাকায নিয়ে যান গাড়ি ডাম্পিংয়ে দেওয়ার জন্য। পরে নিরুপায হয়ে ১৫০০ টাকা দিয়ে গাড়ি ছাড়িয়ে আনি।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬
ট্রাফিক পুলিশ

Vehicle Papers Check

Amar Garir Registration paper e Engine Chesis number updated silo na, traffic sergeant 1500 taka chailo, tahole case korbena.

ঘুষ দিয়েছি
Dhaka ৳১.৫ হাজার
৩১ আগস্ট ২০২৬