ডাংবিং লাইসেন্স
পরিক্ষা দিলে ফেইল করিয়ে দেয়, জব করি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে করতে হচ্ছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পরিক্ষা দিলে ফেইল করিয়ে দেয়, জব করি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে করতে হচ্ছে।
আমি আমার মায়ের জন্যে একটি প্রতিবন্ধি ভাতার আবেদন করেছিলাম। অনেক দিন হয়ে গিয়েছিলো কিন্তু তাও কোন আপডেট না থাকার কারণে অফিসে গেলে একজন বলে কিছু খরচ পাতি দাও হয়ে যাবে এরপর ২ বারে ৪ হাজার টাকা পরিশোধ করি। তার প্রায় ৪ বছর পর এক দাদার জন্যে বয়স্ক ভাতার আবেদন করি কিন্তু তাও এমন ই আটকে রয়েছে অফিসে গেলে বলে বরাদ্দ নাই অথচ আবেদন করেছি তার আজকে প্রায় ১ বছর হয়ে গেলো তার অফিসার এর ফোন নাম্বার নিয়ে এসে তাকে কল দিলাম বললো খরচ পাতি দিতে হবে।
আমি ময়মনসিংহ জেলার,ত্রিশাল উপজেলা, বালিপাড়া ইউনিয়ন এর,,, আমি আমার একটা জমির নাম জারি করার জন্য ২ বার আবেদন করার পরেও তারা মুঞ্জর করতেছিল না ৬ মাস ঘুরার পরে বাধ্য হয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে করা লাগছে,,,,,
টলি নিয়ে এসেছেন তাকে দুইশত টাকা, ক্যাটার পরিয়ে দিয়েছে 400 টাকা, প্যাথলজিক্যাল টেস্টে নিয়ে যাওয়া সহাপ্য আবার ২০০ টাকা, সার্জিক্যাল পণ্য ৮০০ শত টাকা, ফুসফুসে জমানো পানি পরীক্ষার জন্য যক্ষার জন্য ৫০০শত টাকা দিতে হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
না দিলে বিল করবে না তাই দিয়েছি
আমি নিজে অনলাইনে আবেদনটি সম্পন্ন করেছিলাম। কিন্তু তাদের নির্ধারিত দোকান থেকে কাজটি না করানোর কারণে আমাকে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এই সময়ে আমাকে প্রায় ৮–১০ বার নির্বাচন অফিসে যেতে হয়েছে। প্রতিবারই নতুন নতুন সমস্যা দেখিয়ে বলা হয়েছে—এটা নেই, ওটা নেই, এটি ঠিক করতে হবে, সেটি সংশোধন করতে হবে ইত্যাদি। পরিশেষে আমার আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করিয়ে আমাকে তাদের নির্ধারিত দোকানে গিয়ে পুনরায় কাজটি করাতে বাধ্য করা হয়। সেখানে একই কাজের জন্য আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত ১২০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আমার ধারণা, ওই দোকান থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও কমিশন পেয়ে থাকেন। একটি সাধারণ অনলাইন আবেদন নিজে করার পরও যদি নির্ধারিত দোকান থেকে কাজ না করানোর কারণে একজন নাগরিককে এভাবে দিনের পর দিন অফিসে ঘুরতে হয় এবং শেষ পর্যন
আমি আমার স্ত্রী ও আমার বাচ্চার জন্য অনলাইনে e-Passport-এর আবেদন সম্পন্ন করি। পরবর্তীতে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমার আবেদনপত্র গ্রহণ না করে জানান যে, আরও কিছু অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন কিন্তু বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হয়। কারণ, পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের পাশের একটি কম্পিউটার/অনলাইন সেবা দোকানের মাধ্যমে প্রতি পাসপোর্টের জন্য ২,০০০ টাকা করে মোট ৪,০০০ টাকা প্রদান করে আমার পূর্বে করা একই আবেদনপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দিলে পাসপোর্ট অফিস কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করে এখানে আমার প্রশ্ন হলো প্রথমবার একই আবেদনপত্র ও কাগজপত্র নিয়ে গেলে যদি অতিরিক্ত ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তীতে কোনো লাগলোনা
আমার জন্ম নিবন্ধনটি ডিজিটাল করার জন্য তিন বছর পর্যন্ত পৌরসভায় ঘোরাঘুরি করেছে আজ নয়তো কাল কাল নয় তো পরশু আসেন সার্ভার নেই এসব কথা বলে বলে আমাকে তিন বছর ঘুরে এসে অতঃপর আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে তারপরে আমি ৩০০ টাকা দেই অতঃপর তারা কাজ করে এবং তিন বছর পরে আমাকে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন দেয়
আমার বাবার ক্রয় কৃত জমিটি অন্য একজনের নামে রেকর্ড ভুক্ত থাকায় আমি ময়মনসিংহ জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করি। মামলায় বিবাদী পক্ষের কোন ধরনের আপত্তি না থাকায়, আমার পক্ষে মামলার রায় পাই। পরবর্তীতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্তৃক ৬ হাজার টাকার বিনিময়ে সরজমিনে পরিদর্শন শেষে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার নিকট গেলে ওনার সহকারি যিনি রেকর্ড সংশোধনের দায়িত্বে আছেন তিনি ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন, পরবর্তীতে নগদ ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি কাজটি করে দিতে রাজি হয়েছেন।
জন্ম সনদে বাংলা নাম যুক্ত করার জন্য আবেদন করার পর ২৪ নং ওয়ার্ডের, তেজগাঁও দাবি করেন ডিসি সাক্ষরের জন্য জনপ্রতি ১০০০। দুই জনের জন্য ২০০০।
মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল রিপোর্ট সাবমিট করেছিল, উত্তর দেয়ায় এবং তাদের ডিমান্ড ফুলফিল না করায় আমাদের প্রতিষ্ঠান তাদের আরো বিরাগ বাজন হয়ে যায়। কোম্পানীর সকল বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়, ৭০ লাখ টাকা ঘুস দাবি করে জামেলার কথা চিন্তা করে অবশেষে ২২ লাখ টাকায় রফা হয়, যদি অন্য একটি ঘটনায় কয়েক মাস আগে ওই অফিসার চাকরী হারিয়েছেন বলে শুনেছি।
জেলা একাউন্ট অফিস,যেখানে সকল সরকারী কর্মচারীদের বেতন নিয়ে কাজ করে,এই জেলায় নতুন কেও জয়েন করলে তাদের কাছে টাকা ছাড়া কোন পেপারস সাবমিট হয় না,দিনের পর পর দিন ফাইল আটকে রাখে,টাকা দিলে তাড়াতাড়ি বেতন প্রদান করে,এমন কি কেও বদলী হলে শেষ বেতনের প্রতয়ন দিতে চায় না,কিছু করতে গেলে টাকা
ড্রাইভিং টেস্ট পরীক্ষা দেওয়ার পর বললো আপনি ফেইল করেছেন। টাকা না দিলে পাশ হবে না।
নামজারি করতে নেয় ১১৫০ টাকা সরকারি খরচ কিন্তু বাস্তব লাগে ৭ হাজার টাকা ২ টাকা খাজনা রশিদ নেয় ৫০০ টাকা বাউশলা ভূমি আফিস সরকারি কর্মচারী জড়িত এসিলাণড ও ভূমি নায়েব
নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এর সকল সার্ভে অফিসে জাহাজের সার্ভে রেনু ও মালিকানা পরিবর্তন, রেজিস্ট্রেশন ও বেক্রসিং এর জন্য ঘুষ দিতে হয় ৫-২০ হাজার পরযন্ত প্রতিটা ডকুমেন্ট আপডেট করার জন্য
সরকারি চাকুরী হবার পরে বেতন চালু করতে হয়রানি করা হয়। দাবিকৃত টাকা দেবার পরে বেতন চালু করে।
এপ্লিকেশন সবকিছু ঠিক ছিল তবুও জমা নিবে না কারণ ঘুষ দিতে হবে
ঘটনা টা ২০২৪ সালে। তখন আমি আমার পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য অনলাইনে সব তথ্য সম্পুর্ন করে ডকুমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট অফিস বাহ্মণবাড়িয়া তে যাই, সেখানকার দায়িত্বরত অফিসার ১ম চেকিং দিয়ে বলে আমার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি লাগবে তার পর পরে নিয়ে যায় আবার আরেকদিন একই অফিসারের কাছে সম্পুর্ন ডকুমেন্টস নিয়ে গেলে বলে পিতা মাতার অনলাইন ভেরিফিকেশন লাগবে, দেন পরে আমি আমার পরিচিত একজন দালাল কে অনলাইন ফি পরিশোধ করার পর আরো অতিরিক্ত ৩৫০০ টাকা দিয়ে গেলে আমার কাজ টা কমপ্লিট হয়। অথচ ১মে দালালের মাধ্যমে টাকা না দেওয়াতে ২ বার হয়রানি হতে হয়েছে, এই কষ্ট টা এখনো মনে পড়ে?
জন্ম নিবন্ধনের নামের একটি বিরামচিহ্ন সংশোধন করার জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভাতে কর্মরত ব্যাক্তিরা আমার থেকে ২৫০০ টাকা চায়। কিন্তু দেশের বাড়ি বা গ্রামের বাড়ির (কালুখালী উপজেলা, রাজবাড়ী) কারো জন্ম নিবন্ধনের ভুল সংক্রান্ত সমস্যা তারা ৫০০ টাকার বিনিময়ে সমাধান করে থাকে। এই অর্থ কি ঘুষ নয় তা আমার প্রশ্ন। ধন্যবাদ।
আমি প্রথমে সকল ডোকোমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট করতে গেলে তার পরের বিভিন্ন ইসু দেখাই। পরে তাদের একজন পতিনিধি ৩০০০ টাকা দাবি করে যে কোনো সমস্যা নাই পাসপোর্ট করে দিবে। পরে আমি ২০০০ টাকা বাড়তি দিয়ে ঐ পাসপোর্ট করি।