deed registration
ভাইদের মধ্যে বন্টননামা দলিল। এক টাাও লাগার কথা না। টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ঠ্রি করবে না বলেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ভাইদের মধ্যে বন্টননামা দলিল। এক টাাও লাগার কথা না। টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ঠ্রি করবে না বলেছে।
আমি স্বাভাবিক নিয়মে আমার বিস্তারিত লিখে পাসপোর্ট ফরম জমাদিই।,আমার বাসা গ্রামে তাই হোল্ডিং ম্বর নেই ,তাই হোল্ডিং এর জায়গা ফাঁকা রেখেছিলাম। ১০০ জনের লাইন ক্রশ করে আমার ফাইলের কাছে যেতেই,তারা হোল্ডিং এর জায়গায় ০১ লেখা লাগবে বলে ফাইলে কলম দিয়ে ক্রস মার্ক করে দেয়।আমি বললাম এখানে ফাঁকা আছে ০১ লিখে দিই? ওনারা বললেন,সাইডে যান আরো লোক আছে।আমি বুঝলাম এটা ফাঁদ।পরে বাইরে আসতেই ওখানকার সিকিউরিটি গার্ড আমাকে বলেন,কি সমস্যা?আমি বললতেই ঊনি ৩০০০ টাকা চেয়ে বসলেন,বললেন কিচ্ছু লাগবেনা টাকা দেন ওইটাতেই হয়ে যাবে।বুঝলাম এটাও চক্রের লোক।ইমার্জেন্সি থাকার কারনে,ওই ১০০ জনের লাইনে আর দাঁড়াইনি,টাকা দিতেই উনি আমাকে ফিংগার আর ছবির লাইনে দাঁড়াতে বললেন,আর ফাইল নিয়ে একদম রুমে ঢুকে গেলেন। এগুলার শেষ কোথায়?
প্রথমে আমি আমার আবেদনপত্র জমা দিই এবং তারা আমাকে জানায় যে দুদিন পর তা সংগ্রহ করতে পারব। দুদিন পর আমি সেখানে যাই, কিন্তু তখনও সেটি যাচাই করা হয়নি; তখন আমাকে পরদিন আসতে বলা হয়। পরদিন গিয়েও দেখি কাজটির কোনো সুরাহা হয়নি এবং আমার ফাইলটি তার ডেস্কে আগের মতোই পড়ে আছে। আমি জানতে চাইলাম কেন আমাকে এভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এরপর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই যাচাই-বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন করার বিনিময়ে তিনি ১০০০ টাকা দাবি করলেন।
১ সেট (৩ টি) সিলিন্ডার টেস্ট ফি হলো ৬০০ টাকা,, ৬০০ টাকার পরিবর্তে আমার থেকে ৩০০০ টাকা জোর পূর্বক নেওয়া হয়,, নইলে রেজাল্ট ফেইল দেখাবে টেস্ট রিপোর্টে,, LGED অফিসের ল্যাব টেকনিশিয়ান সহ সকল উর্ধতন কর্মচারি জরিত,,
গাড়ির কাগজ সঠিক থাকার পরেও ওরা বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে গাড়ির কাগজ দিতে চায় না এবং দালালের মাধ্যমে নিতে হয় এবং বড় অঙ্গের টাকা দাবি করে
পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করার জন্য আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে নবায়ন করার জন্য যাই। তাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সকল কাগজপত্র নিয়ে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে। অফিসে গিয়ে আবেদন জমা দিলে তারা আইডি কার্ড চায়। তখনও আইডি কার্ড পাইনি তাদের জানাই এবং স্লিপ দেখাই। তখন তারা জন্মনিবন্ধন চায়। বললাম আবেদনের সাথে দেয়া আছে। দেখে বলে এইটা হবে না। অনলাইন জন্মনিবন্ধন লাগবে। তখন সবে মাত্র অনলাইন জন্ম নিবন্ধন শুরু হয়েছে। পরে আবার অনলাইন করে নিয়ে আসি। তখন তারা বলে বাংলা হবে না ইংরেজি টা লাগবে। ইংরেজি করে আনালাম।। সর্বশেষ তারা বলে আপনার ১৮ বছর হয়ে গিয়েছে এখন আর জন্মনিবন্ধন দিয়ে নবায়ন করা যাবে না। আইডি কার্ড ই লাগবে। কিন্তু দালাল কে ৫০০০ টা দেয়াতে কোন কাগজ ছাড়াই নবায়ন করতে পারি।
আমার ভাগিনার বাম হাতের ২ টা হাড় ভেংগে যাওয়ার কারনে। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ এ আউটডোর ডাক্তার দেখিয়ে ভর্তি করাই। অর্থপেডিক ওয়ার্ড ৫ম তলা তে। তার হাত সার্জারী রুম এ প্লাস্টার করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এবং যারা প্লাস্টার করে দিবেন তারা ২ জন ছিলো। প্লাস্টার করা শেষ হলে সেই ২ জন ব্যক্তি ২০০ টাকা চায় চা নাস্তা খাওয়ার জন্য। আমি প্রথমে দিতে চায়নি। সেই ব্যক্তি ২ জন মানে না। টাকা তাদের দিতেই হবে। পরে বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা দিতে হয়েছে। মেডিকেল থেকে যেদিন রিলিজ হয় ঐ দিন। ঔ ওয়ার্ড এর আয়া রিলিজ এর ছাড়পত্র নিয়ে আসছে। তাকে ও নাকি ১০০ টাকা দিতে হবে। নাহলে ছাড়পত্র দিবে না। বাধ্য হয়ে ৫০ টাকা দিয়েছি। আমার কথা হচ্ছে দিনাজপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ এই ব্যক্তি বা মানুষ গুলো কে কেনো টাকা দিতে হব। আমি জানতে চাই।
ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসের প্রদান কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে পাসপোর্ট ইস্যু করেছে। আমি আশা করি ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসের দিকে সরকার একটু নজর দেখ। প্রত্যেকটা পাসপোর্ট অফিসে সাড়ে তিন হাজার চার হাজার পাচ হাজার এবং কি ইমার্জেন্সি পাসপোর্ট এর বেলায় 10000 পর্যন্ত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। পাসপোর্ট অফিসের যে প্রধান কর্মকর্তা উনি এর সাথে জড়িত। টাকা ছাড়া কোন কথা চলে না ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে।
পুলিশ ভেরিফিকেশন এ ঘুস 2000 টাকা আর পাসপোর্ট অফিসের দালাল 3000 টাকা
আমার একটি স্যামসাং মোবাইল চাষাড়া মোর থেকে পকেটমার নিয়ে যায় পরে আমি নিজ থেকে জিডি করলে টা গ্রহণ করে না , ফলে ফতুল্লা থানার সামনের কম্পিউটার দোকান থেকে ৩০০ টাকা দিয়ে জিডি করতে হয়, এবং আবেদন কারীর নামের জায়গায় ওই দোকানের নাম দেখলে থানার এ এস আই জিডি গ্রহণ করে আর বলে এগুলোতে খরচ আছে ১ মাস পর আসেন চোর মোবাইল এক্টিভ করুক তার পর এক মাস পর গেলে বলে মোবাইল সার্চ দিবো নারায়নগঞ্জ এর ভিতরে পেলে ৪০০০ আর ঢাকার বাইরে গেলে কুরিয়ার চার্জ সহ ৫০০০ টাকা লাগবে , পড়ে তোলারাম কলেজ এর মোড়ে মোবাইল পায় এবং ৪০০০ টাকা দিয়ে মোবাইল নিয়ে আসতে হয় ,
দালাল দিয়ে যারা পাসপোর্ট করে, অ্যাপ্লিকেশন ফর্মে দালালের একটি করে সিল দেয়া থাকে, ওটা তাদের নিজস্ব ট্রেডমার্ক। আমার পাসপোর্ট আমি নিজে নিজে করার কারণে আমার অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এ কোন দালালের সিল ছিল না। আর ঐসিল না থাকার কারণে সরকারি ফি দেয়ার পরেও অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা দাবি করে, যেহেতু আমার পাসপোর্টটি করা জরুরি তাই আমাকে অতিরিক্ত ১৫০০টাকা দিয়েই পাসপোর্ট করতে হয়। বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমার পাসপোর্ট অফিস "মুন্সিগঞ্জ"
আমাদের ঢাকায় নিজস্ব বাড়ি আছে প্রতিমাসে এই বাড়িতে পানির বিলের কাগজ যিনি পৌঁছে দেন ওই ব্যক্তিকে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। আমাদের এলাকায় অসংখ্য বাড়ি রয়েছে ।শুনেছি প্রত্যেকটা বাড়ি থেকেই প্রতিমাসে এই বিলের কাগজ প্রদান করিলে উনাকে এক হাজার টাকা দিতে হয়। এই এক হাজার টাকা উনাকে না দিলে প্রতিমাসে বিলের কাগজ উনি ঠিকমতো বাড়িতে পৌঁছে দিবেন না বলে আমি জানি । তাহলে প্রত্যেকটা বাড়ি থেকে এক হাজার টাকা করে যেহেতু উনি নেন তাহলে তো সরকারি বেতনের দরকার হয় না। বহু বছর যাবত এভাবেই চলছে এর সমাধান কোথায়? বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি এই ঘুষ সংগ্রহ করে থাকেন
বন্টন নামা দলিল করতে ৭ লাখ টাকা দালাল দাবি করে প্রায় ১বছর খানেক সময় ঘুরে সাব রেজিস্ট্রার এর সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে দালাল এর হম্বিতম্বি উপেক্ষা করে ৩ লাখে দলিল করাই। উল্লেখ্য ভূমি অফিস এ দালাল ছাড়া কোনো কাজ করা যায় না। টাকা দেয়া ছাড়া বিকল্প নাই। তাই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
রেজিষ্ট্রী করতে এসেছিলাম। টাকা ছাড়া রেজিষ্ট্রী করবে না কারণ এভাবে রেজিষ্ট্রী করা নাকি আইন বহির্ভূত কিন্তু এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দেয়ার পরে রেজিষ্ট্রী হয়েছে। আমার প্রশ্ন টাকা নেয়ার পরে আইন কিভাবে ঘুরে গেলো?
আইনি সেবা, মামলার রায় হয়েছে রায় এর কপি টাইপ করাইতে স্টেনো নাই তার, তাই বাইরে থেকে করতে হবে। তাই টাকা লাগবে। আমি তাকে মোবাইল বিকাশ করতে চাইলে সে বলে ,যে আমার বিকাশ নাই, আমি এজেন্ট অফিসে গিলে আপনাকে ফোন দিলে দিয়ে দিবেন। এই ভাবে একবার রয়ের কপির জন্য নিছে, 3000, তার পর আবার ডিক্রিী লিখার জন্য নিছে 2000, আরো তো অন্যান্য সহকারীকেদিতে হবে বলে নিয়েছে-2000। তার পর মামাল জেলা জজ থেকে নিন্ম আদালতে নেওয়ার জন্য আরো অনেক টাকা দিয়েছি। এতো গেলো মাত্র একটি মামলার জন্য আমি 16 বছর পারিবারিক মামলা করতেছি । 7-8টা মামলা পরিচালনা কেরতে সব মিলে 700000/-টাকার মতো খরচ হয়েছে।
১টি নামজারীর সরকারী ফি ১১৭০ টাকা। কিন্তু আবেদনের সময় ২০০০ টাকা নেয়। আবেদন এপ্রোভ আসার পর আরো ৩০০০ টাকা নেয়। তারপর পেপার ও ডিসিআর আনার জন্য গেলে বার বার বলে এখনো হয়নি। এভাবে ৫ মাস পার করে। পরে বলে আরো খরচ লাগবে।তখন ৩০০০ টাকা নিয়ে ২দিন পর যেতে বলে। তারপর পেপার হাত এ দিয়া আবারো বলে কিছু খরচ দিয়া যান। আমি ৫০০ টাকা দিছি নেয়না। পাশ থেকে একজন বলে ১০০০ মিলাইয়া দেন। আমি আর দেয়নি,তখন পেপার আমার হাতে ছিল। পেপার এ ডেট দেখে বোঝলাম কাজ টি আরো ৫ মাস আগেই সম্পন্ন হয়েছিলো। ওনারা টাকার জন্য পরে আসেন, হয়নি বলে ৫মাস আমাকে ঘুরিয়েছে। নোট:নামজারীটির সব কিছু ঠিকঠাক ছিল। দরকারি সব পেপার আমি নিজেই দিয়েছি।এমনকি আবেদন পত্র, ট্রেসিং পেপার আমার টাকায় বাইরে থেকে কিনে আনিয়েছিলো। কোনো রকম এক্সট্রা পেপার তোলতে হয়নি ।
চাকরির ভেরিফিকেশন্স ও পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন্সের জন্য পথ খরচ ও অফিসের স্টাফের সম্মানী
আমার ১৬,০০০ টাকা টি এ বিল রেলওয়ে হিসাব বিভাগ থেকে ১০০০ টাকা অতিরিক্ত চায়। টাকা না দিলে রেলওয়ে হিসাব বিভাগ থেকে বিল পাস করবেন না । তাই দিতে বাধ্য হই।
ফাইল হারিয়ে ফেলবে ঘুষ না দিলে। বারে বার ঘুরাবে। ৯টা আসতে বলবে আর বসিয়ে রাখবে। কেউ উপস্থিত থাকে না ৯টাই, সবাই ইচ্ছা মত অফিস আসে সয়ং ভূমি অফিসার নিজেও। যারা কেরানি থাকে তাদের হাতে টাকা না দেওয়া পযন্ত বসিয়ে রাখবেম খারাপ ব্যবহার করবে।
একটা এক্স রে করতে সরকারি ভাবে লাগে ২৫০ টাকা... ২৫০ টাকা পেমেন্ট করার পর যখন সিরিয়াল ধরে এক্স রে করতে যাই যেখানে গিয়ে গোপন রুমে নিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে এক্স রের সাথে সংযুক্ত যারা রয়েছে অতিরিক্ত টাকা ৫০/১০০ দিতে হবে তাহলে হলে রিপোর্ট দিবে না। জিম্মি করে টাকা নিয়ে তারপর রিপোর্ট দিছে। ঘটনা শেরে বাংলার অর্থোপেডিক হাসপাতালে।