সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,৪২৬ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৩০.০ হাজার

দুই শতক পুকুরের অংশ খারিজ করনঃ

নায়েব ও ভূমি সরকারি বলেছিলেন, এই দুইশত পুকুরের অংশ রিটানে উল্লেখ নেই। যার কাছে অংশটি কিনেছিলাম তার রিটানে উল্লেখ না থাকায় নগদ ত্রিশ হাজার টাকা দেওয়ার পরে আমার খারিজ কমপ্লিট হয়েছে। অথচ ওই দুই শত জমির মূল্য ছিল ৪০ হাজার টাকা।

সাপাহার ভূমি অফিস, নওগাঁ, রাজশাহী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে RJTHW85J
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.৫ হাজার

মটর সাইকেল রেজিষ্ট্রেশন

মটর সাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে বলে শো রুমের কাগজ পত্র ঠিক নাই, পরে শো রুমে গেলে বলে ঠিক আছে, তারপরের দিন আবার বি আর টি এ অফিসে গেলে অফিসের একজন স্টাফ তার নিজস্ব এজেন্ট (দালাল) এর মাধ্যমে বলে ৩০০০ লাগবে। পরে দফারফা করে ২৫০০ দিয়ে করলাম। ২০১৮ সালের ঘটনা

নরসিংদী, ঢাকা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে DKLNKXNG
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২৪.০ হাজার

পারিবারিক পেনশন ও কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা প্রাপ্তির সেবা

পেনশন চালু করতে তারা ১০,০০০ টাকা দাবি করে। পরবর্তীতে জানায় কল্যাণ ট্রাস্ট ভাতা চালু করতে আলাদা খরচ দিতে হবে এবং সে খরচ দাবি করা হয় 15 হাজার টাকা। দুই ধাপে আলাদা আলাদা একই অফিসে দুটি টেবিলে এ টাকা পরিশোধ করতে হয়। একটি টেবিল থেকে আরো পরিষদের দাবি অব্যাহত আছে।

কমলাপুর রেলস্টেশন, রেলওয়ে মেইল সার্ভিস, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, ঢাকা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে DKMER3QB
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২.০ হাজার

নেই

ময়মনসিংহে ম্যাজিস্ট্রেট কৌর্টে আসামি কে যখন গারতে আনা হয় শুধু মাত্র দেখা এবং একবেলা খাবার দেওয়ার অনুরোধ করছিলাম পুলিশ ওরা আমার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। না হলে খাবার খেতে দিবে না দেখা ও করতে দিবে না। তারপর ২ হাজার টাকা দিতে আমি বাদ্য হয়।আমার প্রশ্ন সরকার কি ওদের বেতন দেয় না.???

Mymensingh, ময়মনসিংহ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার দেখা হয়েছে MYFZJ64R
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৩০.০ হাজার

জমি নাম যারি

আমার জমির পরিমাণ 74 শতাংশ আমি শিবপুর থানার জয়নগর ইউনিয়নের আজকিতলা ভূমি অফিসে খারিজের জন্য যাই সেখানে যাওয়ার পর সকল কাগজপত্র আমার ঠিক থাকার পরও ওনারা আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে এবং আমি উনাদেরকে বলি যে সরকারি ফিস তো ১১৭০ টাকা তাহলে ৩০ হাজার টাকা কেন উনি বলেন যে ভূমি অফিসার ৫০ শতকের উপরে যদি জমি হয় তাহলে ৩০ হাজারের কমে সাইন করে না আমার টাকার খুব প্রয়োজন তাই আমার ইমারজেন্সি বিক্রি করতে হবে সে কারণে আমার ৩০০০০ টাকা দিয়েই জমির নাম জারি করতে হয়েছে তারপরও আমি প্রায় আপনার এক মাসের মতো ঘুরেছি।

নরসিংদী শিবপুর আজকিতলা ভূমি অফিস, ঢাকা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে DKW2SZ6X
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.৬ হাজার

ডাইভিং লাইসেন্স

TTC থেকে ডাইভিং প্রশিক্ষণ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স জন্য আবেদন করি এবং পরীক্ষা দিতে যায় পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে অকৃতকার্য করে এবং খাতা দেখতে চাইলে খাতা দেখায় না পরীক্ষায় পাস করিয়ে লাইসেন্স করে দিবে বলে টাকা দাবি করে ২৬০০ টাকা দিলে সব করে দিবে। ২৭ থেকে ৩০ জনের সাথে টাকা নিয়েছিল

মেহেরপুর, খুলনা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে KHWUQUF7
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৩.০ হাজার

NID কাড করতে গিয়ে

নোয়াখালী জেলা চাটখিল উপজেলায় নির্বাচন কমিশন অফিসে NID কাড করতে গিয়ে ছিলাম সব কাগজ জমা দেওয়া হয়।কিন্তু আমার ছবি এবং ফিঙ্গার এর মেসেজ আসেনা প্রতি ৩ মাস হয়ে গেছে তার পরেও আসেনা এর মধ্যেই কয়েক বার বলছি। তার পরে তারা বলে টাকা লাগবে শুধু আমি এক জন না প্রতিটা মানুষের একি অবস্থা পরে ৩হাজার টাকা নিয়ে ওই দিনে ফিঙ্গার এবং ছবি তুলে NID কাডের কাজ সম্পুর্ন করা হয়।

চাটখিল উপজেলায় নোয়াখালী জেলা, চট্টগ্রাম ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে CTHCUUFT
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৫০০

নাম জারি

আমার মা এর নামে জমি নাম জারি করতে গিয়েছিলাম। কাগজ পাতি সব ঠিক আছে কিন্তু ঘুষ চাওয়া হয়। আরো বলে ৮০ হাজার টাকার মতো খাজনা লাগবে যা মোটেও লাগেনি নামধারী করার জন্য। এবং সেখানে অনেক দালাল আছে যা অফিসের সাথে সম্পৃক্ত নয়। আমার কাছে ঘোষ চেয়েছে। আমি ৫০০ টাকা দিয়েছি। বলে, এই টাকা হবে না তারপরেও আমি দিয়ে এসেছি।

সুসং দুর্গাপুর, ময়মনসিংহ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে MYPA34SK
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৫.০ হাজার

মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন

আমি আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ঝিনাইদা বিআরটিএ অফিসে যায় সেখানে যাওয়ার পরে আমি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি কোনভাবেই তারা আমাকে সহযোগিতা করে না পরবর্তীতে বিআরটিএ অফিসারের কক্ষে যায় বিষয়টা বলি কাউন্টার থেকে আমাকে কোন সহযোগিতা করছে না তখন উনি বলে যে আমাকে দেন আমি সবকিছু করে দিই পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তার কথায় রাজি হই এবং তার কথা অনুযায়ী তিন হাজার টাকা অতিরিক্ত টাকা কর্মকর্তার হাতে নগদ প্রদান করি। উনি আমার সমস্ত কাগজ জমা নেন এবং আমার রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট রেডি হয়ে আসে দুর্ভাগ্যবশত ওই কর্মকর্তা কুষ্টিয়াতে পোস্টিং হয়ে যায় এবং বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ আমার বাইকের স্মার্ট কার্ড এবং নাম্বার প্লেট দিতে অপারগতা প্রকাশ করে আরও ২000 দাবি করে।

ঝিনাইদহ সদর, খুলনা ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে KHSRZ5AU
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳২.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স

আমি আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের সকল কাজ নিজে করেছি সকল পরীক্ষায়(লিখিত, ঝিকঝাক ও মৌখিক) অংশগ্রহন করে উত্তীর্ণ হলেও আমাকে বলা হয় ফাইল জমা দিতে হলে সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে ২০০০ টাকা দিতে হবে।

জামালপুর বিআরটিএ, ময়মনসিংহ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার দেখা হয়েছে MYZLUUS5
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৪.০০ লাখ

ভূমি অধিগ্রহণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ আড়াইসিধা দিয়ে নবীনগর টু আশুগঞ্জ রাস্তা যাবার জন্য সরকার জনগণের কাছ থেকে রাস্তা অধিগ্রহণ করেছে সে রাস্তা টাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভূমি অধিগ্রহণ অফিস থেকে তুলতে হয়। সেখানে ৫% থেকে ১০% ঘুষ না দিলে কেউ টাকা পাচ্ছে না। আমরাও চার লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে টাকা তুলতে হয়েছে এবং এটা সবার সামনে প্রকাশ্যে ঘুষটা নেওয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ, চট্টগ্রাম ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে CT8NCQ3A
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২.০ হাজার

দলিলের নকল উত্তোলন

আমি গত অর্থবছরে পূর্বধলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটি জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করি। দলিলের নকল তুলতে চাইলে এই অফিসের নকলনবিশ ২,০০০ টাকা দাবি করে, যদিও প্রকৃতপক্ষে খরচ ছিল ৬৩০ টাকা। এই অফিসে দলিলের নকল নিতে হলে ২০০০ টাকা দিতেই হবে, অন্যথায় কোন নকল আজ অবধি দেয় নি এই অফিসের সিন্ডিকেট। বাধ্য হয়ে তাই ২,০০০ টাকা দিয়ে নকল উত্তোলন করতে হয়েছে।

পূর্বধলা সাব রেজিস্ট্রি অফিস, ময়মনসিংহ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে MYEUU8Z5
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ৳২.৫০ লাখ

জায়গার কাগজপত্র নবায়ন

আমাদের একটি জায়গা রয়েছে বরিশালের সেই জায়গাতে এমন একজনের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল যে আমাদেরকে সব ধরনের ডকুমেন্ট সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেয় এজন্য যখন আমরা ওই জায়গাটি বিক্রি করতে যাই তখন বিভিন্ন ধরনের ঝামেলায় পড়ে যায় এই কাগজ নাই সেই কাগজ নাই এই ধরনের কথাবার্তা বলে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করা হয়! পরবর্তীতে আমরা সব ধরনের কাগজপত্র উঠাই এবং এতে অনেক টাকা পয়সা যায় তারপরও একটা কাগজ নিয়ে খুবই আপত্তি ছিল যে কাগজটি উঠানো খুবই জটিল ছিল কোন ধরনের সুযোগ ছিল না সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে আমরা যখন মামলা দায়ের করি মামলায় অনেক টাকা পয়সা চলে যায় সে টাকা পয়সার কথা এখনো উল্লেখ করিনি একটা পর্যায়ে চার-পাঁচ বছর যখন চলে যায় তখন ওদের কাছে বলি এত দেরি হচ্ছে কেন তখন বলে টাকা ঢালেন টাকা ধরলে খুব তাড়াতাড়ি হয়ে

বরিশাল, বরিশাল ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে BR8SEMM2
মন্তব্য