নামজারি
জমিন নামজারি, টাকা না দিলে কাজ হবে না। সেজন্য বাধ্যতামূলক ২৩০০০ টাকা দিয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমিন নামজারি, টাকা না দিলে কাজ হবে না। সেজন্য বাধ্যতামূলক ২৩০০০ টাকা দিয়েছি।
পুলিশ ভেরিফিকেশন এর ক্ষেত্রে টাকা ছাড়া ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায় না।আমার ২ টি চাকরির ক্ষেত্রে ১০০০ টাকা করে পুলিশকে দিতে হয়েছে।
বাবা ও মা মৃত। দক্ষিণ সিটি করপোরেশন হতে আট ভাই বোনের ওয়ারিশ সনদ দরকার পারে। আমি ফর্মে যা যা দরকার সব প্রদান করে জমা দেই। কিছু দিন পর একজন বাড়ি এসে সব যাচাই করে তাকে দুই হাজার টাকা দেই। তারপর প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে তিন হাজার টাকা প্রদান করে সনদ দেয়। এখন এই ভাবে ঘুষের জন্য সরকারের জরুরি একটা সেল করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে শাস্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
ওখানে প্রত্যেকটা কর্মরত ব্যক্তি জন্মসনদের কাজের জন্য নিয়মবহির্ভূত টাকা নিচ্ছে। শুধু তাই নয়। টাকা না দিলে জন্ম সনদ সংশোধন থেকে শুরু করে যে কোনো রকমের কাজ আটকিয়ে রাখে মাসের পর মাস। শুধু তাই নয়। এখানে থাকা ব্যক্তিরা ডিউটিও ঠিক মত করে না। সকাল ১১ টায় অফিস আসে। চলে যায় ৩ টার সময়। আবার কোনোদিন ঠিক মতো আসেও না। প্রত্যেকটি ব্যক্তির কাছ থেকে এরা জোর পূর্বক এই ঘুষের নিয়ম তৈরী করে নিয়েছে। এলাকাবাসী এখন এমনটা অভ্যস্ততায় চলে এসেছে যে সবাই ভাবে এটাই নিয়ম।
বগুড়া, আদমদিঘি, চাঁপাপুর অফিস বরাবর ই-নামজারি আবেদন করা হয়েছে। কাগজপত্রে কোন সমস্যা না থাকা শর্তেও হয়রানী মুলক অত্র অবেদন বার বার না মঞ্জুর করা হয়। তাহাদের ঘুষের দাবী 8000 টাকা। নিরুপাই হইয়া অনুরোধের সহিত পরবর্তীতে 2000 টাকা ঘুষ প্রদান করি। উল্লিখিত 2000 টাকা ঘুষ গ্রহন করিয়াও আবেদন না মঞ্জুর করে দিয়েছে। আমরা জনগন তাহাদের কাছে জিম্মি হইয়া গিয়েছে। ঘুষখোর ও দুরর্ণীতিদের হইতে পরিত্রাণ চাই।
ভুমি অফিসে নামজারি করার জন্য সকল কাগজ পত্র অনলাইনে আবেদন করে অপেক্ষা করছিলাম। ২ সপ্তাহে কোন অগ্রগতি না হওয়ার ভুমি অফিসে যাই এবং ভুমি অফিসের ষ্টাফ বললেন টাকা না দিলে নামজারি হবে না কাগজে ঝামেলা আছে। পরবর্তীতে ২৮০০০ টাকা দিয়ে নামজারি সম্পন্ন করে দেয়।
দলিল রেজিস্ট্রি করতে যায় এবং তারা বলে যে এই কাগজ লাগবে সেই কাগজ লাগবে না হলেে 30000 টাকা দাবি করে না হলে কাগজপত্র ঠিক করে পরে আসবেন, তারপর আমি বিশ হাজার টাকা দেই তারপর তারা সঙ্গে সঙ্গে কাজটি করে দিয়ে দেয়।
কলেজের চাকরি দেওয়ার নাম বলে আমার কাছ থেকে নিয়েছে।
আমি এটা ঘুষ বলব না। এটাকে বলব জোর জবরদস্তি। কারণ আমাদের জমির মিস কেসের শুনানি থাকে ১৮/০৮/২৬ তারিখে। দূর ভাগ্যবশত সেদিন কোর্টে গিয়ে শুনলাম কোন এক উকিল মারা গিয়েছে সেজন্য আজ কোর্ট বসবে নাহ। কিন্তু উকিল সাহেব আমাদের কিছুই জানায়নি। আমার শ্বাশুড়ি আম্মা কোর্টে গিয়েছিল কারণ জমিটা তার নামে। কোর্টে গিয়ে শোনে আজ শুনানি হবে নাহ। কিন্তু এখানে ব্যাপারটা হচ্ছে উকিল সাহেব তার মহুরিকে দিয়ে ২০০০ টাকা দাবি করে আমার শ্বাশুড়ির কাছ থেকে। কিন্তু আমার শ্বাশুড়ি বলে আজ টাকা কেন দিব? কোর্টে ত কোন শুনানি হয় নাই বা আপনি কোন কাজ ও করেন নাই? তাহলে টাকা কেন? আপনি ত আমাদের বরং হয়রানি করছেন। উকিলের বক্তব্য হলো টাকা দেন না হলে আপনার কোন কাজ হিবে নাহ। আমার কথা হল উকিলদের এরকম অপেশাদার আচরণ কেন? আর এটা একটা ভন্ডামি...
আমার শশুর মারা যাওয়ার পর জমি নামজারি করতে গিয়ে ছিল আমার ছোট ও বড় শালা, ১১ হাজার টাকা ঘুষ দেয়ার পরে তাতে হবে না আরো ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে পরবর্তীতে আমি নিজে গিয়ে দিয়ে আসি এই টাকা ছাড়া নামজারি করবে না এই টাকা গুলো আমি এক ভ্যান্ডারের মাধ্যমে দেই তাকে চিনি
1 lac taka অংক টা রূপক, project এর value এর উপর এইটা ২.৫% এর কাছকাছি! আদতে LGED এর এমন কোনও প্রজেক্ট নাই , LTM /OTM যেখানে Field supervisor থেকে শুরু করে ল্যাব টেকনিশিয়ন,sub-asst ইঞ্জিনিয়ার,Executive engineer and Finance department সবাই Percentage % করে টাকা খাই ক্যাশ দিতে হয় না হয় Bill process হবে না !!
সোনালী ব্যাংক ধর্মগঞ্জ শাখা ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ আমার ব্যাংকের চেক বইয়ের জন্য আবেদন করেছিলাম চেক আসছে আমার ফোনে এসএমএস আসছে আমি গার্মেন্টসে জব করি চেক বই আনার জন্য আমি লাঞ্চ টাইমে ব্যাংকে চাই আমার লাঞ্চ টাইম দুপুর একটা থেকে দুইটা আমি এসএমএস টা দেখাই আমাকে বলে বসতে হবে এখন কেউ আসে কিনা এখন লাঞ্চের টাইম দেরি হবে আমি এক কর্মকর্তার সাথে কথা বললাম যে ভাই আমার তো টাইম শট একটু কষ্ট করে চেক বইটা দিয়ে দেন উনি আমাকে বললে চা নাস্তা করার জন্য কিছু টাকা দেন আমি একটা কাজটা করে দিচ্ছি আমি বললাম কত বলে ২০০ টাকা আমার চেয়ে বই আমি আনতে যাব তার জন্য সরকারি ব্যাংকে ঘুষ দিতে হচ্ছে বিষয়টা হচ্ছে সোনালী ব্যাংক ধর্মগঞ্জ শাখা ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ
খাজনা দিব, খাজনা আসছে নাকি ১২ হাজার টাকা ১০ শতক জমি,তাই ওনার সাথে মীমাংসা করে ৬০০০ টাকা দিছি 150 টাকা খাজনা কাটি দিছি
চলতি বছরের মার্চ মাসের ২য় সপ্তাহে আমার স্থানিয় বিদ্যুৎ অফিসে বৈদ্যুতিক খুঁটি সহ নতুন মিটারের আবেদন করি।আবেদন জমা করার ১ মাস পরেও তাদের কোন রেসপন্স না পেয়ে তাদের সাথে স্বশরীরে যোগাযোগ করি। তখন তারা বলে যে আবেদন পত্র সামনে সপ্তাহে জেলা শহরের অফিসে পাঠাবে। কিন্তু কিছু খরচ দিতে হবে। ১৫০০ টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ করে নি।গেলেই বলে যে দরখাস্ত পাঠিয়েছি আমরা।আপনাকে জানাবো।এই ভাবে ঘুরতে ঘুরতে ৬মাস ঘুরিয়েছে।পরবর্তী তে সলংগা বিদ্যুৎ অফিসের সাথে জড়িত দালালের মাধ্যম নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে বাড়িতে বৈদ্যুতিক মিটার দিয়ে গেছে। প্রশ্ন হচ্ছে আমরা নিজেরা যে সরকারি প্রসিডিউ ফলো করে আবেদন করলাম তার কোনো রেজাল্ট পেলাম না, বরং ৬ মাস হয়রানি করা হয়েছে । তার কারণ কি এটাই যে আমরা দালালের সরনাপন্ন হয়নি এজন্য।
টাকা ছাড়া ছয় মাস সময় লাগবে
আমি মোট চারবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অফিস ভিজিট করেছিলাম কিন্তু এতে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমাকে চা খাইয়ে আপ্যায়ন ও করেছেন । কাজটা ছিল খুবই সোজা আমার পুরনো খাজনা রশিদের উপরে নতুন অনলাইন নাম্বার টা বসিয়ে দেওয়া এতোটুকুই এই কাজটা পরবর্তীতে আমার ড্রাইভার চার হাজার পাঁচশ টাকা দিয়ে করিয়ে নিয়েছিল আমার সামনেই। ওই কর্মকর্তা বুঝতে পারেননি তিনি আমার কাজটাই করছেন।
জমির সব কিছু ঠিক থাকার পরও, অতিরিক্ত টাকা আদায় করে
আসসালামু আলাইকুম আমার দুইটি নামজারি করার জন্য অনেকবার ভূমি অফিসে জমা করা হয়েছে কিন্তু টাকা ছাড়া সার্ভের এবং এসি ল্যান্ড, রিপোর্ট দিবে না এখন আমার নামজারী করাটা খুব প্রয়োজন হওয়ায়, বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে, প্রথমে ২ লক্ষ টাকা চাইছিল, পরে ৮০ হাজার টাকা রাজি হইয়া দুইটা নামজারি করানো হইছে,
15000 BDT for passport renewal for any passport which has some issues, eg lost previous passport or do not have all the documents required.
ব্যাবসার অফিস পরিবর্তনের পরে ভিন আইডিতে স্থান পরিবর্তন করতে গিয়ে এই ঘুষ দাবি করে। এই দেশে ডকুমেন্টের পিছনে ঘুষ দিতে দিতে টাকা শেষ হয়ে যায় আর উদ্দোক্তা তৈরি হওয়া প্রায় অসম্বব ৷ ট্রেড লাইসেন্স থেকে শুরু করে সব যায়গায় একই অবস্থা। এসব সরকারী কর্মকর্তাদের টাকার পরিমান গুনে শেষ করার মতো না৷