Driving Lisence
Driving Lisence exam perfectly প্রথমবার দিলেও আমাকে ফেইল করাই দেই।দ্বিতীয়বার ঘুষ দিয়ে এক্সাম ছাড়াই পাশ করে আসি ৫০০০ টাকা কন্টাক্ট করে।কারণ আমার আর এক্সাম দেওয়ার সময় ছিলনা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১৮ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Driving Lisence exam perfectly প্রথমবার দিলেও আমাকে ফেইল করাই দেই।দ্বিতীয়বার ঘুষ দিয়ে এক্সাম ছাড়াই পাশ করে আসি ৫০০০ টাকা কন্টাক্ট করে।কারণ আমার আর এক্সাম দেওয়ার সময় ছিলনা।
অফিসার টাকা ছাড়া কাজ করে না
আমি প্রথম অনলাইন আবেদন করছি কিন্তু আমাকে বললো ভূল আছে পরে আবার এই আবেদন নিয়ে টাকা দিয়ে যাই হয়ে গেছে
দলিল দেখতে চেয়েছিলাম আমার কাছে 1500 টাকা চাইছে ও আমি দিয়েছি
আমার একটা নাল জমির নামজারি আবেদন মঞ্জুর করার জন্য আমার থেকে সরাসরি খরচের টাকা ৪ হাজার দাবি করেছিল। আমি না দেওয়ায় আমার আবেদন না মঞ্জুর করে দেয় ওই অফিসের জনৈক সহকারী ভূমি কর্মকর্তা পদধারী ব্যক্তি। পরে আমার আবার টাকা খরচ করে আবেদন করে মঞ্জুর করানোর জন্য তাকে চাহিত টাকা দিতে হয় ঘুষ বাবদ।
সেখানের লোক দিয়ে করতে হবে নাহলে ৩ মাস লাগবে পেতে তাই বাধ্য হয়ে করা
বগুড়ার শেরপুরে অগ্রণী ব্যাংকে তখন বিদ্যুৎ বিল দিতাম। ঘটনাটা ২০০১ সালের। আমার বাড়ি সহ আরও দুই রিলেটিভের দিতে গিয়েছি। গিয়ে দেখি লম্বা লাইন। দোতলা ব্যাংকের ভেতরের ক্যাশ কাউন্টার থেকে শুরু করে একেবারে নিচতলার বাইরে রাস্তা পর্যন্ত লাইন। কিছুক্ষণ লাইনে থাকার পর দেখি দুইজন ব্যক্তি লাইনের মধ্য থেকে বের হয়ে গেলো। তাদের অনুসরণ করে দেখি উনারা পাশের চা স্টলে থাকা ব্যাংকের পিয়নের কাছে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ আর বিলের সমপরিমাণ টাকা দিলো এবং বাড়তি হিসেবে প্রতি বিলের জন্য ৫ টাকা অতিরিক্ত দিলো। আমিও তিন বিলের জন্য অতিরিক্ত ১৫ টাকা দিয়ে বসে থাকলাম। খেয়াল করে দেখলাম, আমি লাইনের যে লোকটার পেছনে দাঁড়িয়েছিলাম, উনি প্রচন্ড রোদে এখনো লাইনেই আছেন আর আমি পরিশোধ করা বিলের গ্রাহক কপি হাতে পেলাম! এটাই আমার দেয়া প্রথম ঘুষ!
বয়লার পরিদর্শনের সময় টাকা দাবি করেছে এবং পরিশোধ করা হয়েছে
আমি কিশোরগঞ্জের পাসপোর্ট অফিসে গেছি পাসপোর্ট করতে । আমার আগের পাসপোর্ট এ নামের ভুল আছিল এইটা সংশোধন করতে । আমি স্টুডেন্ট ভিসায় বিদেশ আসতে চায় তাই সব কিছু সার্টিফিকেট এর সাথে মিল থাকতে হয়ব। যখন গেলাম তখন তারা বলে যদি ঠিক করতে চায় ফাষ্ট আসবে ৫০০০ টাকা দিতে হয়ব আর না হয়লে কয়েক মাস অফিসেই পরে থাকবে কি আর করার বাধ্য হয়ে দিছি ৫ হাজার টাকা দিলাম
আমরা ছিলাম ৬ জন,আমাদের নিয়োগ ntrca এর থেকে সুপারিশ পেয়ে হয়েছে।সম্পুর্ন মেধার ভিত্তিতে।সব কাগজ পত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও ঘুষ না দেয়াতে ২/৩ বার করে রিজেক্ট হয়ে যায়।কখনো থানা শিক্ষা অফিস রিজেক্ট করে, কখনো জেলা শিক্ষা অফিস রিজেক্ট করে আবার মাউশি থেকেও রিজেক্ট করেছিলো। শেষ পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক আমাদের এমপিওর ব্যবস্থা করে দিলেন কিন্তু জন প্রতি ১০ হাজার করে দেয়া লেগেছিল। ২০২২ সালের কথা।
কিয়ারেস হবে না টাকা না দিলে
আমার মায়ের পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে চাইলে হিসাবরক্ষণ অফিস ২০০০০/- ঘুষ দাবি করে। পরে ১৫০০০/- দিয়ে ফাইল অনুমোদন করেছে।
জিডি করার সময় বলেছিলো ১০০০ টাকা দিতে হবে। আমি প্রথমে দিতে মানা করেছিলাম। তখন বললো তাহলে নিজেই লিখে নেন জিডি। আমি জানতাম না বিধায় টাকা দিতে হয়েছিলো
ভূমি অফিসার টাকা কাজ হবে না
এলাকায় একটা ঘটনায় আমরা থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমাদের থেকে ১০০০০ টাকা দাবী করেন, যেহেতু মামলা করতেই হবে আমাদের কিছু করার ছিল না। পরে কথাবার্তা অনেক হওয়ার পরে ৫০০০ টাকা তাকে দিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট এর সব কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকার পর ও কাগজপত্র ঠিক নাই বলা হয়েছে। তারপর টাকা চাওয়া হয়,দিতে না চাইলে নতুন করে আবার কাগজপত্র ঠিক করে আনতে বলে। এরপর টাকা চাওয়া হয় আনসার সদস্যকে দিয়ে। ২০০০ টাকা দেওয়ার পর কাগজপত্র জমা হয়ে যায়।
আমি ছয় শতক জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দলিলের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা প্রদান করি কিন্তু বায়না দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিভিন্ন তালবাহানা করে দুই বছর সময় অতিক্রান্ত করে। অবশেষে আমাকে জমি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। তখন আমি টাকা উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য থানার একটি জিডি কফির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। থানায় জিডি করতে গেলে বলে এ সংক্রান্ত জিটি থানায় নেওয়া হয় না। পরবর্তীতে দালাল চক্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানায় জিডি করতে সক্ষম হই।
আমার কাছে থেকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য 20000 (বিশ হাজার টাকা গ্রহন করে )
জমির দাখিলা আসে আট হাজার টাকা। তারা দাখিলা কেটে দিবে তাদেরকে ২৪ হাজার টাকা সবমিলিয়ে দিতে হবে। পরে এই টাকা পরিশোধ করলে এক ঘন্টার মধ্যে দাখিলা পেয়ে যাই।
পিরিজপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একজন পরিদর্শক আছেন। উনি মূলত উনার কাছে এমপিও ভুক্ত বার শিক্ষা দের যত ফাইল আছে তিনি উনি ছেড়ে থাকেন। উনার কাছে ফাইল যাবার পরও উনি তার লোক সেট করা আছে তার মাধ্যমে টাকা দাবি করে থাকেন। ওনাকে পিরিজপুর জেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের যত লোকজন আছে এমপি ভুক্ত তারা সবাই এক নামে চিনে। উনি প্রথমে এমপি ভক্তের জন্য আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল পরবর্তীতে বকা এফাইলের জন্য টাকা নিয়েছে এবং এরপর এ বছর যারা এসেছে তাদের যে কোন ভুলের জন্য উনি এক লক্ষ টাকা দাবি করেছেন।