ভুমির নামজারি, বা মিউটেশন
আমার জমির দলিল হইছে এখন নামজারি করতে হবে, এখন নামজারি বা মিউটেশন করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা সে লোক আমার কাছে ১২০০০ টাকা করে ৩৬০০০ টালা দাবি করে।জমির মিউটিশন করা জরুরি টাই রাজি হইলাম। এবং পরিশোধ করে মিউটিশন করলাম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জমির দলিল হইছে এখন নামজারি করতে হবে, এখন নামজারি বা মিউটেশন করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা সে লোক আমার কাছে ১২০০০ টাকা করে ৩৬০০০ টালা দাবি করে।জমির মিউটিশন করা জরুরি টাই রাজি হইলাম। এবং পরিশোধ করে মিউটিশন করলাম।
১ শতক জায়গা নামজারি করতে সরকার নির্ধারিত টাকা ছিল ১১০০ টাকা, সেখানে আমার থেকে দাবি করা হয় ২৫০০০ টাকা। আমি অনেক চেষ্টা করে ও সরকার নির্ধারিত টাকায় সেবা পায় নি। বাধ্য হয়ে ২৫০০০ টাকা দিয়ে ১ শতক জায়গা নামজারি করেছি। টাকা বিকাশে পেমেন্ট করেছি।
বাবার পেনশনের ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট অফিস ২লাখ দাবি করেছিল। আমরা খুব ক্রাইসিসে ছিলাম। পরে ধার দেনা করে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় ম্যানেজ করতে পেরেছিলাম।
নির্বাচন অফিসে নাম সংশোধন ও ধর্ম সংশোধন করার জন্য। যেহেতু আমি হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছিলাম এই কারণে। তাই নাম সংশোধন করার জন্য বিশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিল
একটু নাম সংশোধন করবে,সেটা নাকি ইলেকশন কমিশন থেকে ঠিক করে দিবে। পরে বিশ্বাস করে দিলাম 7 দিনের মধ্যে করে দিল।কিন্তু আমাকে বোকা বানায় টাকা মেরে দিছে
বরাবর মাননীয় মেয়র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগর ভবন, চট্টগ্রাম। বিষয়: ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত টাকা দাবি/গ্রহণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। মাননীয় মহোদয়, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছি। আমার প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স প্রতি বছর নিয়ম অনুযায়ী নবায়ন করে থাকি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময় সংশ্লিষ্ট অফিসের একজন কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃক নির্ধারিত সরকারি ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা থেকে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা প্রদান করতে বলা হয়। উক্ত অতিরিক্ত টাকা প্রদান না করলে ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের কার্যক্রমে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি বা বিলম্বের আশঙ্কা তৈরি
মোহাম্মদপুর বেরিবাদ এলাকায় পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম প্রথমে আমার কাগজ দেখে বলে দেখা করবে অনেক সমস্যা আছে আপনি পরে আসেন তারপর এক দালাল আছে বলে ওকে আপনি আড়াই হাজার টাকা দিয়েন আমি পাসওয়ার্ড করে দেবো আমি বাধ্য হয়ে আড়াই হাজার টাকা দেই তারপর আমার পাসপোর্ট করে দেয়
নতুন ভোটার হইতে গেলাম কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত এক হাজার টাকা দিতে হলো।
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে খরচের টাকা দিতে হবে, না দিলে ভেরিফিকেশন এখন করতে পারবেন না।
আমি আমার চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল কুড়িগ্রাম সদর থানা থেকে আমার মালিকানাধীন কাগজ পত্র দেখানোর পর আদালতের মাধ্যমে নিতে বলে আদালতে জি আর ও অফিসের মাধ্যমে আবেদন করি। আবেদন প্রকৃয়া শুরু করতেই দশ হাজার টাকা চায়। অন্য উপায় না পেয়ে পাচঁ হাজার দরকষাকষি করি একদিনে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতিতে টাকা নিয়ে চার মাস পর যেতে বলেন এবং কাল ক্ষেপন করে আবার তিন হাজার দাবি করে টাকা দেওয়ার পর আমাকে আদালতের নির্দেশ করিয়ে দেন। নির্দেশ নামা রেকর্ড বাবদ দু'শ টাকা দিয়ে কাগজ নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ আন্তরিকতার সাথে কাজ সম্পন্ন করে খরচ বাবদ আবার নগদ পনের শত টাকা এস আই কে নাস্তা বাবদ সাত শত খরচ করার পর। মোটরসাইকেল হাতে পাই। মোটরসাইকেলের বর্তমান বাজার মূল্য ত্রিশ হাজার টাকা ফিরিয়ে আনার খরচ পঁচিশ হাজার টাকা
নামজারী আবেদন করলে পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। বাধ্য হয়ে উক্ত টাকা দিয়ে নামজারী করি। টাকা না দিলে কোন না কোন অজুহাত দিয়ে নামজারী আবেদন বাতিল করে দেয়। আমার অফিস সহকর্মী নামজারী আবেদন করে শুনানিতে উপস্থিত থেকে কম্পিলিট করে আসার পরেও তার নামজারী বাতিল করে দিয়েছে। কারন হিসেবে ওয়েবসাইটে ব্যাখ্যা করেছে শুনানিতে অনুপস্থিত হওয়ার কারনে নামজারী বাতিল করা হলো। ভূমি অফিসের নামজারী প্রক্রিয়া বা খাজনা প্রদান প্রক্রিয়া অনলাইন করা হলেও, তাদেরকে ঘুষ না দিলে, কম্পিউটারে শুধু ওকে ক্লিক করবে, সকল কিছু সঠিক থাকার পরেও তারা তালবাহানা করে বলবে অনেক কাজ করতে হবে। টাকা (ঘুষ) লাগবে। অথচ তাদের মনে এটা আসেনা যে, উক্ত কাজের বিনিময় সরকার তাদেরকে বেতন প্রদান করেন। তাদেরকে দেখলে মনে হয় তারা খুবই ভাল মানুষ।
নতুন আবেদন করলে সেখানে পেশা শ্রমিক দেওয়ার কারণে এটি জমা নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকা দিয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।
সোনালী ব্যাংকে জয়েন করার জন্য মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। যার জন্য সোনালী ব্যাংক ৩ টা টেষ্ট করতে বলে। সিভিল সার্জন কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ থেকে সার্টিফিকেট নিতে গেলে তারা অতিরিক্ত আরও অনেক টেস্ট ধরিয়ে দেয়, যেগুলোর প্রয়োজন নাই, সোনালী ব্যাংক চায়নি এগুলো। এগুলো না আনতে চাইলে কৌশলে ৫০/১০০ টাকা দাবি করে( ব্যাংকে চালানে টাকা জমা দেয়ার বাইরে)
আমি যশোর জেলা, শার্শা উপজেলার লক্ষনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারী করার জন্য যাই কিন্তু আমার কাগজের কোন প্রকারের ভূল না থাকার পরও আমার জমি খারিজ করতে রাজি হয় নাই বিধায় আমি বাধ্য হয়েই ১০০০০/- ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
জমির খতিয়ান করতে ১৫০০০ টাকা লাগে সরকারি ভাবে কিন্তু আমার কাছে নিছে ১২৫০০০ টাকা।
৮০০০ টাকা না দিলে কাজ করবো না।তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি। এর মধ্যে ১১৭০টাকা ফি বাকিটা ঘুষ।
দলিল লেখক আতিররিক্ত টাকা নিছে
নামজারির আবেদন করছিলাম,তহসিলদার কে দেওয়া লাগছে, নিজে চাইনে,ওনার এক দালাল ওনার সামনে বলতেছে টাকা দেন,দিছি নিয়ে নিছে
Asked for 3.5 lac but on request I could reduce some amount.
পুলিশ ক্লিয়ারন্স সার্টিফিকেট জন্য সরকারি আবেদন ফী দেওয়ার পর ও, তদন্ত কারি পুলিশ কর্মকর্তা ১০০০ টাকা নিছে