সমাজসেবা অধিদপ্তরে প্রাপ্ত ভাতা
সমাজ সেবা অধিদপ্তরর,২০২১ সরকারি প্রতিবদ্ধি ভাতা পায় তখন ১ম বারের মত। সেখান থেকে ৬০০০ টাকা যে অফিসারের মাধ্যমে পাই তিনি নিয়ে নিই।কর্ণপুলী উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সমাজ সেবা অধিদপ্তরর,২০২১ সরকারি প্রতিবদ্ধি ভাতা পায় তখন ১ম বারের মত। সেখান থেকে ৬০০০ টাকা যে অফিসারের মাধ্যমে পাই তিনি নিয়ে নিই।কর্ণপুলী উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে।
আইডি কার্ডের অরিজিনাল কপি ছিল না এর জন্য বাড়তি টাকা দিতে হলো। ফটোকপি নাকি গ্রহণযোগ্য নয়। টাকা দেওয়ার পর ঠিক গ্রহণ যোগ্যতা পেলাম।
“দাদ্রর মৃত্যুর পর, ওয়ারিশগণের নামে মাত্র ২৪ শতাংশ জমি নামজারি করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ১২০০০ টাকা চায়। পরে ১০,০০০ টাকায় রফাদফা হয়। এর মধ্যে ৮০০০ টাকা অগ্রীম দেই। বাকী টাকা নামজারি হয়ে যাওয়ার পর দেই । সময়টা তখন ২০২৬ সালের । জুলাইয়ের শেষের দিকে নামজারি কমপ্লিট হয়। ভুমি অফিস থেকে কল করে নামজারির কাগজ নিয়ে যেতে বলা হয় । পরে নামজারি ও খাজনার কাগজ নিয়ে চলে আসি।”
পাসপোর্ট করার সময় যে হার্ডকপিটি(আবেদনপত্র) ডকুমেন্টস সহ জমা দেয়া লাগে ওটাতে প্রত্যেকবার নানান ভুল দেখিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছিলো। একসময় টাকাই দাবি করে বসে এবং বলে পাসপোর্ট কর্মকর্তা টাকা না দিলে আবেদনপত্র গ্রান্ট করতে সই করবেন না। অফিসারের কেরানিকে আমরা ২০০০ টাকা ঘুষ দেই ২ টা পাসপোর্ট এর জন্যে। ২০১৬ সালের ঘটনা এটি।
আমার মেয়ের জন্ম সনদের তথ্য ভুল ছিল। সেটা সঠিক করার জন্য আবেদন করি। সচিব আমাকে বললো ১০০ টাকা দিতে। আমি জানি যে ফি হলো ৫০ টাকা। কিন্তু আমি তার ভাবভঙ্গি, আচরণ, ব্যবহার দেখে বুঝলাম আমি যদি তাকে ১০০ টাকা না দেই, সে আমাকে প্রচণ্ড হয়রানি করাবে। আমি একেবারে অসহায় হয়ে গেলাম এবং বিনা বাক্যে ১০০ টাকা দিয়ে দিলাম। সে আমাকে কোন receipt দেয় নি। এইভাবে সে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
ট্যাক্স অডিট করা হচ্ছে যেটি খুবই ভালো। কিন্তু ট্যাক্স অডিটের নামে কর সার্কেলের কর্মচারীরা ঘুষ বাণিজ্যে মেতে উঠেছে। আমার বাবার ট্যাক্স রিটার্নে জোরপূর্বক ও অহেতুক ভুল প্রমাণিত করে অধিক ট্যাক্স পরিশোধের জন্য বলে, যেই এমাউন্ট কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। সেই ব্যক্তিরাই আবার গোপনে উকিলদের দিয়ে ঘুষের বিনিময়ে এই অডিট নিষ্পত্তি করতে চেয়েছে। ট্যাক্স অফিসের মতন দুর্নীতিবাজ একটা সেবা খাত থাকলে দেশের রাজস্ব আহরণ কখনোই লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাতে পারবে না।
আমার গাড়িতে এলপিজি সিলিন্ডার লাগানো আছে। রংপুর বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ার সাহেব আমার গাড়ির সরজমিন পরীক্ষা করার সময় আমাকে এলপিজি সিলিন্ডার খুলে না ফেললে ফিটনেস দিবেন না বলে জানান। ফিটনেস না দিয়ে তিনি অন্য গাড়ির কাছে চলে যান। তখন এক লোক এসে ২০০০ টাকার কথা বলেন। পরে ২০০০ টাকা দিলে ফিটনেস দিয়ে দেন। ইন্জিনিয়ার সাহেব নিজ হাতে টাকা নেন না। তার টাকা নেওয়ার জন্য লোক আছে। আমি ২০২৪ সালে এবং ২০২৬ সালে ২০০০ টাকা করে দুইবার ফিটনেস করিয়েছি। এটাই এখানকার এলপিজি করা গাড়ির ফিটনেস করানোর রেট বলে জানতে পেরেছি।
আমি ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন করব, বলল 12000 টাকা লাগবে। প্রশ্ন করলাম, আমি আপনাকে যা টাকা দেব সেই টাকাই কি লাসেন্স এ উল্লেখ থাকবে? বলল, করলে করান না হয় চলে যান। বধ্যগত করাতেই হলো, কিন্তু 10155 টাকা ট্রেডলাইসেন্স এ উল্লেখ ছিল। বাকি 1845 টাকা তার পকেটে।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে যা যা ডকুমেন্টস ছিল সবই ঠিক ছিল কিন্তু তবুও তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে কাগজ আটকে দেয় এবং পরবর্তীতে কাজ ১ ঘন্টার মধ্যে করে দিবে বলে ১৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে কোন উপায় না দেখে আমার মতো আরও ১০ জনের থেকে সেম কাহিনি করে। যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তারা কাগজ আটকে রেখে বিভিন্ন হয়রানি করতে থাকে। দেখার কেউ নেই বিধায় সবাইকে বাধ্য হয়ে কাজটি করতে হয়।
আমার নতুন চাকুরী হওয়ায় আগের চাকুরী থেকে ইস্তফা দেয়ার সময় অফিস সহকারী দাবি করে। টাকা দিলে এক দিনেই করে দেয় সব কাজ।
Obtaining a passport turned out to be less about paperwork and more about extortion. My application was repeatedly rejected for alleged errors until I paid a 1,500 TK bribe to a broker right outside the office. He wrote a secret code on my papers, signaling to the officials inside that the price had been paid. Instantly, my previously 'flawed' documents were accepted without a second look—proving that without grease in the palm, legitimate applications are deliberately kept stuck.
একটি রপ্তানীমুখী ফ্যাক্টরির জন্য এসিড লাইসেন্স প্রয়োজন ছিলো, নীলফামারী ডিসি অফিসের দায়িত্বরতরা ধাপে ধাপে 2 লক্ষ টাকা ঘুষ নেবার পর সনদ প্রদান করে।
আমি আমার বিআরএস খতিয়ানের 'নবাব স্টেট' রেকর্ডটি সংশোধন করার জন্য গিয়েছিলাম । কিন্তু এখানকার অফিস পিয়ন এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর সহায়ক আমার কাছে কাজ করে দেওয়ার কথা বলে প্রতিটি শতাংশ বা ডকুমেন্টের জন্য আলাদাভাবে ৪,০০০ টাকা করে ঘুষ দাবি করেছে। আমি অবাক হলাম যে সবাই দিচ্ছে এবং নিরুপায় হয়ে আমার ৪ শতাংশ জমির জন্য আমাকে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে। জায়গার লোকেশন : সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস ঢাকার হেমায়েতপুরের আলমনগর হাউজিং (সুগন্ধা হাউজিং) এলাকায় অবস্থিত।
আমি পরপর দুইবার ঘুষ প্রত্যাখ্যান করি। প্রত্যেকবার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনে দেখায় ঠিকানা ভুল। তৃতীয়বার বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করায় পাসপোর্ট পেয়েছিলাম
বিল্ডিংয়ের প্ল্যান অনুমোদনের জন্য নোয়াখালী পৌরসভায় টেবিল খরচের নামে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।
বিল্ডিংয়ের প্ল্যান অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় নোয়াখালীর সেনবাগে মিটিং আয়োজনের খরচের নামে ঘুষ দিতে হয়েছে।
Serial pete 1 mas somoy lagbe bolcilo Pore 500 taka dile kalke serial paowa jabe bolcilo
আমার মামলার তদন্তের জন্য জাজ সি আই ডি কে দায়িত্ব দেয়। আর সেই রিপোর্ট করতে অফিসার ফরেনসিক এর জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছে
আমার বাবা ২০১৮ সালে মারা যান। তখনও বাবার সম্পদগুলো ছেলেদের নামে বণ্টন করা হয়নি, তাই বাবার পক্ষ হয়ে আরও কয়েক বছর ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে আসছিলাম। এর মধ্যে ২০২২ সালে আমাদের ফাইল কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই অডিটে ফেলা হয়। পরে আমাদের বলা হয়, কোনো ফাইল অডিটে পড়লে নাকি অডিট রিপোর্টে অতিরিক্ত টাকা দেখাতেই হয়। কারণ, বাড়তি টাকা না দেখালে কর্মকর্তাদের কাছে প্রশ্ন ওঠে—“এই ফাইল অডিটে পড়ল কেন?” এই নিয়মের কারণে অনেক সময় কোনো ধরনের অনিয়ম না থাকলেও ফাইল নিয়ে হয়রানি করা হয়, নানা কাগজপত্র চাওয়া হয়, অতিরিক্ত কর ও জরিমানা চাপিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত ঝামেলা এড়াতে এবং কম জরিমানা দেওয়ার আশায় মানুষ বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, যার নামে এই আয় ও সম্পদ—তিনি ২০১৮ সালেই মারা গেছেন। তারপরও ২০
নতুন পাসপোর্টের জন্য দুই জনের মোট ৩০০০ টাকা (জনপ্রতি ১৫০০ টাকা) জমা দিয়েছিলাম। ঘুষ বা অতিরিক্ত টাকা ছাড়া ফাইল জমা দিতে গিয়ে নানা রকমের সমস্যা দেখিয়ে আমাকে অনেক হয়রানি করা হয়েছে। কিন্তু ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ বা অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার পর দেখলাম সব কাজ খুব দ্রুত হয়ে গেল।