পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে।
আমি আমার মামাতো ভাইয়ের পাসপোর্ট বাসা থেকে আবেদন করে দেই কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে। পেশা হিসেবে Private Service দেওয়াতে তারা আবেদন জমা নেয় নাহ পরে একজন দালাল ধরে তারপরের দিন জমা দিয়েছি ২০০০ টাকা দেওয়া লাগছে বাধ্য হয়ে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার মামাতো ভাইয়ের পাসপোর্ট বাসা থেকে আবেদন করে দেই কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে। পেশা হিসেবে Private Service দেওয়াতে তারা আবেদন জমা নেয় নাহ পরে একজন দালাল ধরে তারপরের দিন জমা দিয়েছি ২০০০ টাকা দেওয়া লাগছে বাধ্য হয়ে।
হেমায়েতপুর একটা ৬ শতাংশ জমির বি আর এস রেকর্ড করতে গিয়েছিলাম। রেকর্ড করতে আমাকে ঐ পরিমাণ টাকা দিতে হয়েছিল।
লাইসেন্স পেতে টাকা লাগে
দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকতা আমার কাছে আমার বাচ্চাদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য স্থায়ী ঠিকানা ফরিদপুুর এবং বর্তমান ঠিকান মাগুরা শ্রীপুর দুই জায়গা থেকেই অতিরিক্ত অর্থ দাবী করে ফরিদপুরেটা দেওয়া হয় নাই, শ্রীপুর 1000 দেওয়া লাগছে।
প্রকল্পের কাজে চুক্তির অনুমোদন করার জন্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ৫০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে ফাইল সাইন করেছেন। টাকা না দিলে ফাইল সাইন করেননি। যে ধরনের চুক্তি ছিল তাতে এভাবে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার কোন সুযোগ ছিল না। এ সকল কারণে প্রকল্প দপ্তর কে অযথা মিথ্যা হিসাব দেখাতে হয়েছে।
আমি জিডির কপি নিয়ে গিয়েছিলাম তারা বললো চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট লাগবে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড লাগবে যেগুলো সাথে ছিল না তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে। আবার একজন আনসার নিয়েছে ২০০ টাকা
একটা ঋণের জন্য তল্লাশ সনদ দরকার৷ গ্রাহক নিজে তুলতে গেলে ৫হাজার টাকা দাবী করে৷ পরে আমি নিজে বললাম, দাদা, তুলতে কতো টাকা লাগবে এটা তুলতে৷ বললো, ২৭০০ টাকা৷ পরে বিকাশে ২৫০০ দেয়ার পর হ্যাসেল ফ্রী ভাবে পেয়ে গেলাম৷ এক সপ্তাহ পর কল দিয়ে জানালো, দাদা রেডী 😃
২০২৩ সালে পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য আমার থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হয়ে মুন্সিগঞ্জে সদরের SP অফিস থেকে
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে জমি রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য রাজউক অফিস থেকে আমার থেকে ১ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়।
জমির খারিজে পিতার নাম ছিলো, সেটি নিজের নামে করতে যাই। সেখানে দাড়িওয়ালা মুরুব্বি তার সাইনের মূল্য হিসাবে ১০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি বলি যে আমার কাছে শুধু ৮০০ টাকা আছে, তখন তিনি সেটিই রাখেন।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের একটি নতুন নিয়ম করা হয় যে পূর্বে যেই পেমেন্ট করা হয়েছে তার ব্যংক স্টেটমেন্ট লাগবে। এবং সেই রেকর্ড বের করার জন্য জনতা ব্যংক এর কর্মকর্তা আমার থেকে ১০০০০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করে।
এনবিআরের ‘সেকশন ১৪৭ ভিজিট’ ও মাঠপর্যায়ের নতুন ঘুস বাণিজ্য: করদাতাদের চরম উৎকণ্ঠা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) সাম্প্রতিক সময়ে কর আইন অনুযায়ী পরিচালিত সেকশন ১৪৭ (Section 147) এর অনসাইট ভিজিট ও মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনের ক্ষমতা এখন একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তার জন্য বড় ধরনের চাঁদাবাজি ও ঘুস বাণিজ্যের নতুন হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এই ভিজিটের নামে অতিরিক্ত বা ভুয়া ট্যাক্স দাবির ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত উৎকোচ দাবি করা হচ্ছে। এমনকি চাহিদা অনুযায়ী ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুস না দিলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাল্পনিক ও খারাপ অডিট রিপোর্ট দেওয়ার নজিরও তৈরি হয়েছে। আইনগত তদারকির নামে এই অনৈতিক ও বেপরোয়া হয়রানি
আমার মা একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ২০১৫ সালের দিকে তিনি রাঙ্গুনিয়া থানা থেকে ট্রান্সফার হয়ে রাউজান থানায় আসেন। যার জন্য আমার মায়ের ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। সম্প্রতি আমার মা একই থানার অন্তর্গত এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে ট্রান্সফার হতে চাইছেন, যার জন্যও শিক্ষা অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তাকে ৪০ হাজার টাকা দিতে হবে। নাহলে ট্রান্সফার হবে না।
২ টি নামজারী করতে এসিল্যান্ডের অফিস সহকারীকে দিতে হয়েছে ৩০০০০ টাকা ! দলিলে ছোট ২ টি ভুল থাকায় তিনি ঘুষ চেয়েছেন আমি ও বাধ্য হয়ে দিয়েছি / দিতে বাধ্য করা হয়েছে অন্য কোন উপায় নেই। নোটঃ দালাল ছাড়া আমি আগে নিজে আবেদন করি সরাসরি রিজেক্ট করে দেয় পরে একই আবেদন রিভিউ করে তারা নামজারী করে দেয়।
আমার গাড়িতে 3 জন থাকায় মামলা দিতে চায় পরে এক কেজি গরুর মাংস কিনে নিয়ে ছেড়ে দেয়
নতুন চাকরিতে যোগদান, টাকা ছাড়া মাসের পর মাস বেতন বন্ধ ছিল। অতঃপর বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েই ফিক্সেশন করি আমরা নতুন নিয়োগ প্রাপ্তরা। প্রতি জনের থেকে ১৫০০ টাকা নেয়।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে দালালকে দিতে হয়েছে
tax aar tk, pore online check kori only 20tk need
আমার প্রকৃত ফি ছিলো 2500/- টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে 7500/- লাইসেন্স প্রয়োজন ছিলো তাই বাধ্য হয়ে নিতে হয়েছে।
জমির ৩৬০ টাকা কর রশিদ দিয়েছে আমাকে , আর আমার কাছ থেকে ১৮০০০ টাকা নিয়েছে। সরকার পেলো ৩৬০ টাকা আর আমি দিলাম ১৮ হাজার। তাও নিতে চায়নি, বড় স্যার রাগ করেছে এত কম টাকা নেয়াতে।