ড্রাইভার লাইসেন্স
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে ফেল করায় দেওয়া হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ১০৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে ফেল করায় দেওয়া হয়
ভোটার ট্রান্সফার, সম্পন্ন হওয়ার পর আইডি কার্ড পাওয়ার জন্য গিয়েছি। তারা সার্ভার থেকে আমার আইডি কার্ড প্রিন্ট করে ২৫০ টাকা রেখে দিল।
এলাকার গলি যেখানে প্রাইভেট কার ঠিক মতো চলতে পারে না, মেইন রাস্তার থেকে গলি দেখা যায়। সেখানে থেকে ট্রাফিক পুলিশ ডেকেছে পিলিয়নের হেলমেট ছিলো না,, এই কারনে। আর কোনো ত্রুটি না পেয়ে মামলা দিবে বলে বাইকের কাগজ নিয়ে মেইন রাস্তায় চলে গেছে। ২০ মিনিট হইছে মামলা দেয় না, কাগজও দেয় না, আমার সাথে কথাও বলে না। পরে এক সিএনজি চালক ভাইয়ের পরামর্শে ১০০ টাকা দিতে গিয়েছি, তখন কনসটেবল বল্লো ২০০ টাকা না দিলে নিবে না। তখন কনস্টেবল কে ২০০ টাকা দিছি, উনি যেয়ে কাগজ নিয়া আসছে।
বিভিন্ন কোম্পানি তাদের কর্মীদের ইচ্ছে মতো কাজ করাচ্ছে। নির্দিষ্ট কোনো কর্মঘন্টা ও ছুটি না থাকায় তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। সরকারি ছুটি তো পাওয়া যায় ই না বরং মাঝে মাঝে শুক্রবারের দিনও ডিউটি করতে হয়। এমনকি তাদের ওভার টাইম হিসেবে মজুরিও প্রদান করা হচ্ছে না। যা শ্রম আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আর এই শ্রম আইন ভঙ্গ করে কোম্পানীগুলো শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অংকের অর্থ ও বিভিন্ন উপহার ঘুষ হিসেবে প্রদান করে আসছে।
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট ফাইল জমা দিলেই অতিরিক্ত এগারো শত টাকা দিতে হয়। দালালদের মাধ্যমে করলে টাকার পরিমাণ আরও ২/৩ হাজার টাকা বেশি দিতে। এমনকি দালাল দিয়ে পাসপোর্ট করলেও দালালদের পাসপোর্ট অফিসে ফাইল প্রতি জমা দিতে হয় ১১ শত টাকা । এই অফিসে প্রতিদিন ৩-৪ শত ফাইল জমা হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩০ টি ফাইল সরাসরি হয় নানান ভোগান্তির পর। বাকী সব ফাইল চ্যানেল এর মাধ্যমে হয়।সেই হিসেবে প্রতিদিন সাড়ে ফাইল থেকে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ঘুস আদায় হয়। প্রতি সপ্তাহের বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঘুসের টাকা লেনদেন হয়। এখানে দালাল ছাড়া কোনো পাসপোর্ট হয়না। পাসপোর্টের ঊপপরিচালক থেকে আনসার সদস্য সবাই ভাগ পায়।
আমি ৩০,৮,২০২৬ রাত আনুমানিক দুইটার সময় সিলেট থেকে ঢাকার পথে আসছিলাম, সাথে চার প্যাকেট ইন্ডিয়ান চকলেট ছিল, পুলিশ চেক করে বলে এগুলো নেওয়া যাবে না নিতে হলে দুই হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে এগুলো রেখে যেতে হবে, এরমধ্যে এক কনস্টেবল এক প্যাকেট চকলেট নিয়ে খাওয়া শুরু করে, তারপর বাধ্য হয়ে এক হাজার টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে, কারণ রাত দুইটা বাজে কোন তর্ক করার ইচ্ছে ছিল না
আমি জমি কেনার পরে নামজারি করতে গিয়েছি এবং ৬০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে না করলে নামজারি করে নাই। তাই বাধ্য হয়ে পরিশোধ করা হয় লাগছে।
আমার ছোট ভাইয়ের প্রতিবন্ধীর ভাতার কার্ডের জন্য তারা আমার কাছ থেকে পনেরশো টাকা ঘুষ নিয়েছে | এইটা হচ্ছে ঢাকার অবস্থিত সমাজসেবা অফিস ৭ নাম্বার সারকেল | এইখানে মূলত সব ধরনের কাজ একমাত্র বুয়াকে দিয়ে করা হয় | সেই বুয়ারকে ঘুষ দেওয়া লাগে | আর না হলে সেই কাজটি হয় না | এটা হচ্ছে তেজগা শিল্প এলাকায় অবস্থিত সমাজসেবা অধিদপ্তর অঞ্চল ৭ | দয়া করে খতিয়ে দেখবেন এইখানে বুয়া দ্বারা ঘুষ নিয়ে থাকে
বিএড স্কেলের জন্য প্রথমে বাঘারপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে ১৫০০ টাকা ঘুষ দেয়, এরপর জেলা শিক্ষা অফিসার কে ২০০০ টাকা ঘুষ দেয়, সর্বশেষ দুই হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে খুলনা থেকে ফাইল ছাড় করায়।
আমাদের জমি মাপতে হবে তাই। জমি মাপা আমিন বলেছে শুধু পুরাতন ম্যাপ হবে না নতুন ম্যাপ ও লাগবে।তাই বাবা সহ আমি গেলাম উপজেলা পরিষদ মিঠাপুকুর এ।নতুন ম্যাপ তোলার জন্য। সেখানে গিয়ে কথা বললাম বলছে ম্যাপ নাই।সময় লাগবে ১মাস।তারপর একজন ডেকে চুপি সারে বলছে একট্রা টাকা দিলে হবে।
দুটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু বাবদ ঘুষ চাওয়া হয়। তদন্তকারী পুলিশ ২হাজার টাকা দাবি করে। তার ভাষ্যমতে প্রিন্টিং ও কাগজ এর খরচ বাবদ এই টাকা দিতে হবে। আমি বলেছিলাম ৩হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সে বলে অই টাকা সরকার পেয়েছে। তার খরচ আমাকেই পে করতে হবে।
আমার বাইকে নাম্বার লাসেন্স করা জন্য বৈধ্য উপায় এ সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সরকারি ফিস ও জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু যে দিন নাম্বার প্লেট বের হয় সেদিন একটা কর্মচারি ঘুষ ছাড়া নাম্বার প্লেট লাগিয়ে দেই নাই,, আমাকে বলেছিল ২০০ টাকা লাগবে তাহলে লাগায় দিবে অন্যাথায় নিজে যেখানে খুশি সেখানে থেকে লাগায় নিতে। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি আমি। এইটা সত্য কথা, যাচাই এর জন্য আমি আমার নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার সব দিতে পারি
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়েছিলাম। পর পর দুইবার পরীক্ষা দিয়েছি কিন্তু পাশ করতে পারছিলাম না। বিআরটিএ অফিসে কথা বললাম যে আমি তো পরীক্ষা ভালো দিচ্ছি তাহলে কেন পাস করছি না। এক কম্পিউটার সহায়ক বলল, ভাই টাকা না দিলে পাশ হবেন না,। তারপর উনি এক দালালের সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিল। সর্বশেষ তাকে ২৫০০ টাকা দিলাম। এবং পরবর্তী ড্রাইভিং পরীক্ষা আমি উত্তীর্ণ হলাম।
আমার জমির খাজনা ছিল ৭৬৯০০ ওরা আমর কাছ থেকে ৫০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে আর বলছেন আর লাগবে না এখান থেকে আমি অফিসে সামনে রেখেই আমাকে ১৬০০০ টাকা দিয়েছ সরকারের আবেদন এ আমার পুরা টাকা সাথে সাথ পেইড দেখাইছে কিন্তু অন্য ৩৪৯০০ ওরা নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছে
সম্পত্তি নতুন করে কিনা হয়েছিল, কিন্তু খাজনার স্লিপ এ পুরাতন মালিকানা দেওয়া। যা পরিবর্তন করতে হলে আঞ্চলিক অফিস থেকে করা যাবে না বলে এবং চিটাগাং ভূমি অফিস এ যেতে। কিন্তু পরে আঞ্চলিক অফিস কর্মকর্তা বলে, তারা এইটা করে দিলে ৩০ হাজার টাকার দাবি করে, যা কমিয়ে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
মালিকানা সংক্রান্ত নানা কাগজপত্র দেখাতে বলেন, বিআরটিএ পোর্টালে তেমন কোন কাগজ এর কথা উল্লেখ নেই। চাহিদা মাফিক কিছুই লাগবেনা যদি ২৫০০ টাকা প্রদান করি। বাধ্য হয়ে ২৫০০ প্রদান করি।
Today at Rampura Banasree Block C, I called and asked WASA for emergency water supply service as the main wasa pump of this area broke down. The wasa water truck came (6000L) and supplied the water and the cost was 600tk (written in the truck), but they wanted more, they said they get 1000tk for this, I paid 800tk
পুরাতন জমি রেকর্ড সংক্রান্ত মামলার নথী খুজতে গেলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে রেকর্ড রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত নাজির। দিতে বাধ্য হলাম কাগজ অতিপ্রয়োজনীয় তাই।
আমার সুধু মায়ের নামে বেগম এর খাতুন সার্টিফিকেট এ ভুল ছিলো তাই তিনি ঘুষ নিয়িছে
সিভিল সার্জন অফিস থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট করতে গেলে সেখানে সার্টিফিকেটটি নেয়ার জন্য কেরানিকে ১০০০ টাকা মত ঘুষ দিতে হয়।