Tax
Intentionally audit e fela tax file
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Intentionally audit e fela tax file
শুক্রবার ২৩ শে জুলাই ২০২৩, Air India flight# AI 230 এ দুপুর ১টায় কলকাতা থেকে ঢাকা এসে নামার পর লাগেজ সংগ্রহ করে বের হবার সময় এক কাস্টমস কর্মকর্তা আমার পথরোধ করে একটা লাগেজ তল্লাশি দাবি করে। টুরিস্ট হিসেবে আমার পাসপোর্টে ভারতীয় ভিসা ছাড়াও সিকিমের এন্ট্রি এবং ডিপার্চার সিল ছিলো। আমার সাথে ৬ সেট থ্রি পিস এবং ৫ জোড়া শ্রী লেদার এর জুতা ছিলো,,, জুতা আমার আমার স্ত্রী এবং ২ ছেলের। এছাড়া কিছু চকলেট এবং আমসত্ত্ব, এক কেজি চা-পাতা, বরশীর একটা হুইল ছিলো। ৩জন পুরুষ মহিলা কর্মকর্তা মিলে আমার আমার ব্যাগের সব মালামাল উপুড় করে ঢেলে ছড়িয়ে। দিয়ে অন্য দিকে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর একজন এসে থ্রি পিস দাবী করলো, না দিলে ট্যাক্সে পাঠিয়ে দিবে। আরেকজন এসে আমসত্ত্ব চাইলো।।চকলেট চাইলো। পরে ৩৫০০ টাকার বিনিময়ে ছাড়া পাই।
পাসপোর্ট সেম সেম আইডি কার্ড সোংসোদন করচিলাম বয়োস এ সমস্যা চিলো ৫বচর ব্যবদান, বিবিন্য অপিস এ গুরাগুরি করার পর উপজেলা নির্বাচন অপিসের লোক বলে ৮০০০০ টাকা লাগবে,, আমি বাদ্য হয়ে করতে হয়
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সরকারি ফি লিখা ছিলো ৫২৩০ টাকা। নবায়ন করতে এসেসমেন্ট অফিসার চেয়েছেন ৩৫০০০, যা আমি শেষপর্যন্ত ১৫০০০ দিয়ে করিয়েছি তাকে দিয়েই। তদ্রূপ ফায়ার লাইসেন্স সরকারি ফি আসে ৮০০০, দাবি করেছে ৪০০০০ আমি করেছি ২৮০০০ টাকা দিয়ে।
নতুন বাইকের রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য ফিংগারপ্রিন্ট দেয়ার দিনে দিতে হলো ৫০০ টাকা। রেজিষ্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার দিনে দিতে হলো ৫০০টাকা। রংপুর বিআরটিএ এর সবাই আসলে ফেরেস্তা।
বাবার সম্পওি ওয়ারিশ নামজারি জন্য সরকারি ফি থেকে অনেক বেশি অর্থ দিতে হয়েছিল।
office assistant er through taka cheyechilo.
রাতে ফিরছিলাম, সব কাগজ ঠিক ছিলো, কালো গ্লাস কেনো, ১৫০০০ টাকার মামলা হবে। রেকার বিলের নামে ৫০০টাকা নিয়েছে কোনো চালান দেয়নি। কালো মতন একজন, নেম প্লেট ছিলোনা। মহাখালী বাসস্ট্যান্ডের সামনেও একই কাজ হয়
আমি বিআরটিএ দালাল ছাড়া লাইসেন্স পাই না কখনোই পাইনি যদি আমি নিজে করতে চাই আমি কখনোই লাইসেন্স পাবো না
পাসপোর্ট অফিসের অফিসার ১ টা বাজলেই বের হয়ে যান তারপরে তিনি আর আসবেন না, অথচ তার থাকার কথা ৪ তা পর্যন্ত উপরন্তু লাইনের সবার দাইল ও তিনি দেখেন নি, যেহেতু ঢাকা আপ-ডাউন এই প্রায় ১৬০০৳ এর কম বেশি লাগে, তখন গেট দারোয়ান আমাকে ডাক দিয়ে বলে আজকেই আমার কাজ টা করে দিবে, কথা মত তাকে ১৬০০৳ দিলে আমার ফাইল টা ওকে করে দিয়েছিল।
আমাদের এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলে ২০২৬ সালের জানুয়ারী বা ফেব্রুয়ারীতে অডিট আসছিলো, আসার আগেই কি কি কাগজ ঠিক করতে হবে বলে দিয়েছিলো, আমরাও সব কাগজ রেডি রেখেছিলাম কিন্তু তারা (অডিট অফিসার) ছিলো ২জন তারা এসেই আমাদের শাশাতে শুরু করে এবং যারা Ntrca থেকে নিয়োগ তাদেরকে তো আরও গরম দেখাচ্ছিলো এবং Ntrca থেকে সুপারিশপ্রাপ্তদের পরীক্ষা নেয় এবং বলে আপনারা যা লিখছেন তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিবো এবং আপনারা কেমনে চাকরি করেন তা দেখে নিবো।এরপর সকলের উদ্দেশ্যে বলে এই স্কুলের অনেক সমস্যা সো এই সমস্যা সমাধান করতে সকলের একমাসের স্যালারি লাগবে অর্থাৎ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।ফলে সেটা দেয়া লাগছে।এবং পরের মাস সব শিক্ষক খুব কস্টে দিন পার করছে।
আমি প্রথম এ একটি নাম জারি করায় দলিল অনুজায়ি,, বুল করেচিলো অফিস এর লোক একটি দাগ নামব্বার এ কত অংষ নিবে এ বিষয়ে, পরোবর্তিতে জমি বিক্রি করার সময় আমরা দেখতে পাই দলিল ঠিক আচে বাট নামজারিতে বুল আসচে, পরে ইমার্জেন্সি সংসদোন এর ব্যপারে যোগাযোগ করলে সে জানায় ৩ দিনে করে দিবে ৪৫০০০ লাগবে,, পরে আমরা বাদ্য হয়ে সংসদন করে নেই,, এ চাডাও আমার আরো অবিযোগ আচে,
নতুন চাকরিতে যোগদান, পে-ফিক্সেসন,ছাড়পত্র, বা অফিসিয়াল যে কোনো কাগজপত্র নিতে অফিসের বড় বাবু, কম্পিউটার অপারেটর, হিসাবরক্ষকে ঘুষ বা চা'র বিল না দিলে কাজ হয় না। ট্রেজারী অফিসও যুক্ত আছে।। কাজের গতি নাই, ফাইলে হাত দেয় না, টাকা না ফেলে। টাকা দিলে কাজ হয়ে যায়।
আমি ভোটার আইডি কার্ড বানানোর জন্য অনলাইনে আবেদন করি। আবেদন করার পর কপিগুলো নিয়ে নির্বাচন কমিশনার অফিসে যাই , জমা দেওয়ার জন্য,তারপর তারা দেখে সব ঠিক আছে তারপরও তারা বলছে প্রত্যয়ন পত্র লাগবে। তারা বলে সামনের সপ্তা প্রত্যয়ন কাগজ নিয়ে আসছে আবার আরেকদিন বলে আরেকটা কাগজ নিয়ে আসতে আবার আরেক সপ্তাহ বলে চেয়ারম্যানের সিগনেচার নিয়ে আসতে এভাবে অনেকদিন হয়রানি করার পর তারা বলে ২০০০ টাকা দেওয়ার জন্য আজকে জমা নিবে তারা
একা একা সরকারি ওয়েবসাইটে ডুকে পাসপোর্ট করার জন্য সমস্ত তথ্যাদি দিয়েছি। এরপর নরসিংদী পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর আমার কোনো পেপারস তারা গ্রহন করে না। একেকসময় একেক ধারায় আটকিয়ে চলে যেতে বলে। শেষে এক সরকারি আনসার সদস্য আমাকে বলছে, ভাই দালাল ধরেন। দালালরা এসএমএস দিলে আপনারটা গ্রহন করা হবে। না হলে হবে না। পরে দালালকে ২,০০০/-টাকা দিলাম। দালাল বলছে, এই টাকা থেকে ৮,০০/-টাকা প্রথম যাচাইকৃত টেবিলের লোক খাবে, পরে যাবে ২,০০/-টাকা আরও দুইটেবিল ভাগ খাবে। আর ১,০০০/-টাকা আমি খাবো। পাসপোর্ট অফিসে দুর্নিতীর শেষ হবে কবে?
একটি হেবা দলিলের ভুল সংশোধনের জন্য ঘোষণা পত্র রেজিস্ট্রি করতে গিয়েছিলাম, সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস চট্টগ্রাম এর কেরানি ৩০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে, একদিন ঘুরানোর পর দ্বিতীয় দিনে ২০ হাজার টাকায় দফারফা করে টাকা পরিশোধ করে কাজটি করতে হয়
দাবি আদায়ের পরেও কাজের কোন অগ্রগতি নাই। কেয়ার লেস।
মাল জমা করার পর দাবি করে।
আমার জন্ম নিবন্ধন কার্ড এর তথ্য ঠিক ছিল,,, কিন্তু অনলাইনে ভুল করে লিখেছে,, এখন সংশোধন করতে হলে টাকা লাগবে 3000 পরে আমি বলছি 1000 দিতে রাজি আছি,,, কিন্তু লাস্ট 2500 টাকা দিয়ে অনলাইন করতে হয়েছে,, আমাকে বলছে ঢাকা থেকে করে আনতে হবে,, তাকে দিতে হবে,, আমার টাকা নিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব
হিসাব ভবন, রাজশাহী। পেনশন টাকা, এবং চেক উওলনের ক্ষেত্রে ২ ধাপে টোটাল ৩৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।