সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,৪৯৫ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২০০

আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে আদালতের কর্মচারী দাবি করেন

আদালতে সাক্ষ্য প্রদানে আদালতের কর্মচারী দাবি করেন

লক্ষীপুর, চট্টগ্রাম ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৫ বার দেখা হয়েছে CT9MCXT2
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৩৭.০ হাজার

ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন

আমরা ৩ টা ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে আবেদন করি নানা বাহানায় সেটা হচ্ছিল না , পরে দালাল মারফত ২০ হাজার টাকা সরকারী ফি সহ টোটাল ৫৭ হাজার টাকা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করেছি ।।

Keraniganj, ঢাকা ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে DKDEHFK7
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৩.০ হাজার

জমি খারিজ

আমি একটা জমি ক্রয় করেছিলাম ২০০৪ সালে, কিন্তু অসাবধানতার জন্য জমিটি তখন খারিজ করানো হয়েছিল না । দলিল টা অনেক আগের হওয়ায়, এখন জমি খারিজ করে দিতে চাচ্ছিল না সহকারী কমিশনার (ভূমি), ঝালকাঠি সদর, ঝালকাঠি । পরে আমি এক দালালের মাধ্যমে সেই আবেদন সহ 3 হাজার টাকা দিয়ে পাঠালে, সে তাৎক্ষণিক আবেদন আপ্রুভ করে দেয় ।

ঝালকাঠি সদর, বরিশাল ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে BR3SD6T3
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১.২০ লাখ

Removal from list of vasted properties list.

In shot : property been listed as enemy property by mistake/ intentionally since the 1970s by government officials. Release in 1974 by Court. Then released in 1999. Then it was leased to a third party knowingly for a hefty bribe by local authorities in 2006. Than it was released by High Court 2012. Then few lower authorities. Since 2015 it’s been in the hands of deputy commissioners ( DC Sylhet) hands. As usual No sign of any activity to remove from the vasted property list. Very many times we tried to get this moving, Of course not without a bribes as absolutely nothing moves unless you pay which is pretty much normal in entire Bangladesh. In totality cost out weighs the benefit.

Sylhet, সিলেট ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে SYFFZ3Y2
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি হিসাব রক্ষণ অফিস ৳১০০

বেতন করার জন্য

টাকা না প্রদান করিলে বেতন করতে অনীহা দেখায় এবং অনেক লেট করে আমরা হাত বন্ধ অবস্থায় টাকা দিতে বাধ্য।

রাজশাহী, রাজশাহী ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে RJHHMXUD
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳২.০ হাজার

পাসপোর্ট তৈরি করা

আমি পাসপোর্ট এর জন্য অনলাইনে এপ্লিকেশন করে, ছবি তোলার জন্য গিয়েছিলাম কিন্তু আমার ডকুমেন্ট দেখে তারা বললো আপনার প্রফেশনাল সার্টিফিকেট দেখান। আমি দেখালাম তারা বল্লো এপ্লিকেশন ঠিক হয় নাই,উপরের একটা রূম এ যেতে বল্লো এবং আমি গেলাম। উনি ডকুমেন্ট দেখে বল্লো কি সমস্যা আমি বললাম জানিনা নিচ থেকে বল্লো ঠিক নেই। তিনি বললেন এটা ঠিক করা এখন সম্ভব না ৭ দিন পরে আসেন।আমি বের হয়ে একজন ৩য় ব্যাক্তির কাছে গেলাম তিনি আমাকে বললেন ২০০০ টাকা এক্সটা দিন আজই করে দিচ্ছি,টাকা ছাড়া করবে না। আমি টাকা দিলাম এবং তিনি আমাকে সাথে নিয়ে অফিসে গেলেন এবং পাসপোর্ট এর কাজ হয়ে গেল।

বরিশাল, বরিশাল ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৮ বার দেখা হয়েছে BRGU86QG
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳৭.০ হাজার

ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে আমাকে বার বার পরীক্ষায় ফেল করা হয় । পরে পরিচিত এক মাধ্যমে খোঁজ পেয়ে একজন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করি । উনি আমার নিকট ৯০০০ টাকা দাবি করেন । দর কষাকষি করে ৭০০০ টাকায় চুক্তি হয় এবং আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পন্ন হয় ।

হবিগঞ্জ, সিলেট ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার দেখা হয়েছে SYLCPXGH
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি পাসপোর্ট অফিস ৳১০.০ হাজার

পাসপোর্ট আবেদন বা নবায়ন

পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ ভাবে কোন আবেদন জমা নেয় না। জমা নিতে গেলে নানান ভুল দেখিয়ে কাগজ ফের দেয়। এছাড়া এমন এমন কাগজ বা ডকুমেন্ট চায় যার কোন প্রয়োজনীয়তা নেই। অতঃপর পাসপোর্ট অফিস থেকে কোন এক কর্মকর্তা বা কর্মচারী কোন এক দালালের নাম ঠিকানা দিয়ে দেয়, যোগাযোগ করার জন্য। তার কাছে পাসপোর্টের নির্ধারিত ফি এর চেয়ে বেশি টাকা দিয়ে কাগজ জমা দিতে হয়। পাসপোর্টের দালাল টাকা বুঝে পেলে কাগজে কোন একটি চিহ্ন দিয়ে দেয়, এবং ফোন দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে জমাকারির নাম বলে দেয়। অতঃপর কাগজ জমা দিতে কাউন্টারে গেলে আর কোন ঝামেলা করে না। আবেদন পত্র জমা নিয়ে নেয়।

কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৮ বার দেখা হয়েছে CTMCYBMV
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি বিআরটিএ ৳১০.০ হাজার

নতুন লাইসেন্স আবেদন

নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করার সময় দালাল এর মাধ্যমে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে

ই কুরিয়া বি আর টি এ, ঢাকা ৩০ আগস্ট ২০২৬ ১০ বার দেখা হয়েছে DKHR8H83
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳৫.০ হাজার

জমি ক্রয়ের পরে দলিল তৈরি করতে

প্রত্যেক ক্রয় বিক্রয় এর জন্য ভূমি অফিসের ভূমি কর্মকর্তা সহ অই অফিসের প্রত্যেক শ্রেণির কর্মকর্তা কর্মচারি জমির দামের উপর শতকরা হারে ঘুষ নিয়ে থাকেন। এই টাকা না দিলে তারা দলিলে সই করবেন না। সুতরাং, দলিল লেখকের মাধ্যমে তারা এই ঘুষ দলিল লিখনি ফি এর মাধ্যমে আদায় করে থাকেন।

টঙ্গি বাজারের ভিতরে, গাজীপুর, ঢাকা ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৮ বার দেখা হয়েছে DKEBCEPY
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১.০ হাজার

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স

দাবি করা টাকা না দিলে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ওকে করবে,তাই ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।

সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৮ বার দেখা হয়েছে CT7LLAQF
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৫০.০ হাজার

বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত অর্থ হস্তান্তর

খুব সম্ভবত ২০১৫ সালে, একটা প্রজেক্টের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (BMRC) থেকে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা অনুমোদন পায় আমার প্রফেসর। আমি ছিলাম তার ছাত্র গবেষণা সহকারী। ওই পাঁচ লাখ টাকার চেক হস্তান্তরের আগে ৫০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে যা আমি নিজের হাতে দিয়েছি। আমার প্রফেসর বলেছিলেন, "না দিয়ে উপায় নেই – নাহয় এই পাঁচ লাখ টাকাও পাবো না। রিসার্চ কী নিজের পকেটের পয়সা দিয়ে করতে পারবো?"

ঢাকা, ঢাকা ৩০ আগস্ট ২০২৬ ১০ বার দেখা হয়েছে DK5NN2QA
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি কর অফিস ৳২০.০ হাজার

অডিট

আমি বেতন টাকা থেকে সঞ্চয় করে ছোট একটি ফ্ল্যাট তৈরী করেছি একটু ঢাকার বাহিরে। সেটার ভাড়ার উপর নাকি ট্যাক্স দিচ্ছি না, সেজন্য অডিট হলো। অথচ, আমি সেটাতে বসবাস করি। এখন সেটাতে কি নিজে থাকি, নাকি ভাড়া দিয়েছে, সাইজ কত ইত্যাদি পরীক্ষা করবে। আমি ট্যাক্স অফিসে গেলে ওরা ইন্সপেকশন দেয়। ইন্সপেক্টর বলল, তাকে তার বাসা থেকে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে যেতে হবে, তাদের নাকি এটাই নিয়ম, তাকে আমি উবার ভাড়া করে নিয়ে গেলাম। যাওয়ার সময় ইশারা ইঙ্গিতে বুঝালো, সবাই হাজার হাজার টাকা দেয়। না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ হয় ইত্যাদি। সব মাপজোক করার পর বসে আছে আর বিভিন্ন কথা শোনাচ্ছে। আমি ভয়ে ৫০০০ টাকা দিলাম। বলল, মানুষ লাখ লাখ টাকা দেয়। আপনি কী দিলেন। মিনিমান ২০ হাজার দেন। আমি শেষে ১৫ হাজার দিয়ে তাকে তার বাসায় পৌঁছে দিলাম।

ঢাকা, ঢাকা ৩০ আগস্ট ২০২৬ ২০ বার দেখা হয়েছে DK4V9Y9C
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳২.০০ লাখ

নারকোটিক লাইসেন্স

সরকারী নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালের জন্য নারকোটিক লাইসেন্স নিতে হয়। আমি ২০১৮ সালে নারকোটিক লেইসেন্সের জন্য কাজ করি। এটি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের একটি সেবা। সে সময়ে নারকোটিক লেইসেন্সের সরকারী ফি ছিল ১২০০ টাকা। কিন্তু উক্ত লাইসেন্স পাওয়ার সরকারী সকল রিকয়ারমেন্ট পূর্ণ করার পরও লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছিল না। উল্লেখ্য নারকোটিক লাইসেন্স এর আবেদনের ফাইলটি আনমানিক ৮/১০ টি টেবিলে যায়। প্রত্যেকটি টেবিলেই বিভিন্ন পরিমান ঘুস দিয়ে ফাইলটি ছাড়াতে হয়। আমি লেইসেন্সের জন্য এক বছরের অধিক সময় দৌড়াদৌড়ি করেছি এবং বিভিন্ন টেবিলে প্রায় দুই লক্ষ টাকা খরচ করে অবশেষে লাইসেন্স পেয়েছিলাম। এর মধ্যে সরকার পেয়েছে ১২০০ টাকা। আমার মতে ‘মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর‘ দেশের অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত একটি দপ্তর।

ঢাকা, ঢাকা ৩০ আগস্ট ২০২৬ ১০ বার দেখা হয়েছে DK7AVG5K
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳৬.০ হাজার

কলকারখানা অধিদপ্তর হতে লাইসেন্স নবায়ন

কলকারখানা অধিপ্তর বগুড়া অফিস হতে লাইসেন্স নবায়ন এর জন্য ৬০০০ টাকা চাওয়া হয়, যদিও সকল কাগজপত্র সঠিক ছিল। ৬০০০ টাকা চাওয়া হলে ৫০০০ টাকা ঘুষ দেওয়ার পর লাইসেন্স নবায়ন করে দিয়েছেন।

বগুড়া, রাজশাহী ৩০ আগস্ট ২০২৬ ১১ বার দেখা হয়েছে RJA4H7N7
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১৮.০ হাজার

জমি খারিজ

নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ জমি খারিজ করতে গিয়ে ১৮০০০ টাকা দিয়েছি।

নালিতাবাড়ী, শেরপুর, ময়মনসিংহ ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৯ বার দেখা হয়েছে MYN2J8J8
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি ভূমি অফিস ৳১০.০ হাজার

জমা খারিজ করতে চাওয়া

আমার আম্মুর নামে জমি যা খারিজ করা হয়নি, কাগজ প্রত্র সবিই ঠিক ছিলো, জমা খারিজ বা নাম জারী করতে গেছিলাম, বলে কি কি কাগজ পত্র যেন লাগবে, এগুলো না নিলে হবে না, তো আমি সেই যায়গা সম্পর্কিত যত কাগজ পত্র ছিলো সবিই নিয়ে গেছি, কিন্তু তারা সেসব দেখে বললেন, এগুলো গুছিয়ে নিয়ে আসতে, এগুলোতে অনেক ভুল আছে, এভাবে দিলে উল্টো আমার নামে মামলা হবে, ভালো হয় তাদের অফিস থেকে একজনের সাথে কন্টাক্ট করে কাজ করিয়ে নেই, তো আমি ওদের কথা মতো একজনের সাথে কন্টাক্ট করি, সে বলে আমি কাগজ পত্র যা যা দিছি তাতেই হবে, আর বাড়তি কিছুই লাগবে না, তবে ১০,০০০ টাকা দিতে হবে, তাহলেই সে কাজ করে দিবে, অন্যথায় বছর শেষ হয়ে গেলেও নাকি কেউ আমার এ কাজ করে দিতে পারবে না, অথচ সরকারি কাগজে লিখা আছে ১১০০ শত টাকা সামথিং, পরে বাধ্য হয়ে তাকে দিয়ে করাই।

ফেনী জেলার সোনাগাজী থানার ৮ নং আমিরাবাদ ইউনিয়ন, চট্টগ্রাম ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে CTNJFLBH
মন্তব্য
ঘুষ দিয়েছি অন্যান্য সরকারি দপ্তর ৳১০.০০ লাখ

PEAD অধিদপ্তর সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে অডিট আপত্তি দেয় এবং তা নিষ্পত্তির শর্তে ঘুষ নেয়

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অডিট অধিদপ্তর (PEAD) সম্পূর্ণ অযৌক্তিকভাবে (এমন অভিযোগে যা আপত্তিযোগ্য নয় এবং এমন কারিগরি বিষয়ে যা অধিদপ্তরের লোকজন বুঝতে পারে না) রাষ্ট্রমালিকানাধীন সিরাজগঞ্জ পাওয়ার প্লান্টে অডিট আপত্তি দেয় এবং তা নিষ্পত্তির শর্তে ২০২৫ সালের শেষদিকে ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ টাকা) ঘুস নেয়। তারা বলে "আপনাদের সবই ঠিক আছে তবে কোথায় যেন একটু গ্যাপ রয়ে গেছে"। ইনিয়েবিনিয়ে তারা ঘুস দাবি করে। এরপর নানারকমহয়রানির ভয় দেখিয়ে ঘুসের টাকা নেয়।

ঢাকা, ঢাকা ৩০ আগস্ট ২০২৬ ৭ বার দেখা হয়েছে DK93CT34
মন্তব্য