নামজারী
জমির নামজারী। সরকারি খরচ মাত্র ১১০০ টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির নামজারী। সরকারি খরচ মাত্র ১১০০ টাকা।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করছিলাম। সেখানে আমার নির্ধারিত ফির বেশি টাকা।
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখি গেটের বাইরে চায়ের দোকানগুলোতে অনেক লোক বসে আছে। তাদের কয়েকজন জানতে চাইলো আমি পাসপোর্ট করাবো কিনা। আমি বুঝলাম এরা দালাল। আমি চাইলাম আমি দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করব না। তাই তাদের কথা না শুনে গেলাম অফিসের গেটে। সেখানে একজন পোশাকপরা গেইটম্যানকে দেখে তাকে পাসপোর্ট করানোর কথা বলতেই সে খুব আগ্রহের সাথে আমার কথা শুনলেন আর আমার যা যা করণীয় সব বুঝিয়ে দিলেন। আমি ভাবলাম বুঝি দালালের হাত থেকে বেঁচেছি। তিনি অনেক কিছু নিজেই লিখে দিলেন। আর বললেন তার কাজ এক নম্বর। এক মাসের মধ্যেই পাসপোর্ট পেয়ে যাবা। কিন্তু কাজ শেষে তিনিও দালালরা যে ৬০০০ টাকা চেয়েছিল তাই চাইলেন। আমি তখন তাকে বললাম আমি তো জানি ৩০০০ টাকা। তিনি বললেন, ""এক মাস না, জীবনে পাসপোর্ট বাড়ি পৌঁছাবে না"।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আমি পাসপোর্ট করার জন্য অনলাইনে আবেদন করি। পাসপোর্টের বাংলাদেশি ওয়েবসাইট অনুযায়ী সকল প্রয়োজনীয় কাগজ এবং সংযুক্তিগুলো নিয়ে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই। প্রথমদিন নাগরিক সনদ না থাকার কারণে আমার কাগজ গ্রহণ করা হলো না। আমি দ্বিতীয়দিন সনদ সহ আবার গেলাম এইবার আমাকে বলা হলো আগের মাসের বিদ্যুৎ বিল দেখাতে আমি নিযুক্ত কর্মচারীকে বলি যে বিল তো নেয় কারণ প্রিপেইড মিটার সে বলল যে নিজে ব্যবস্থা করেন। তৃতীয় দিন বিদ্যতের অনুমোদন সনদ সহ এবং বিলের স্ক্রিন শট নিয়ে যায় কিন্তু এইবার বাতিল কারণ নাকি সব তথ্য ঠিক নেয়। পরে এক আনসার আমাকে বলে ওনার অ্যাসিস্ট্যান্ট কে টাকা দিতে পরে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয় এবং একদিনে আবেদন সহ বায়োমেট্রিক হয়ে যায়। আমার কাগজ পর হয় শিশু ও প্রতিবন্ধী সেকশন দিয
সেবাটি ছিল পাসপোর্টের সরেজমিন তদন্ত সম্পর্কিত ! বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় তদন্তের নাম ৫০০ ও ১০০০ তথা সর্বমোট ১৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যার পুরো অর্থটাই নিয়েছে তদন্তের দায়িত্বে থাকা এস বি (ডিবি)র কাছে।
আমার বিদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল। দেশেও ড্রাইভিং করার অভিজ্ঞতা ছিল। তারপরও ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে টাকার লেনদেন করা লেগেছিল। আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। প্রথমবার টেস্ট দিয়ে পুরাই ভরকে যাই। এই কোন দুনিয়ায় প্রবেশ করলাম? কার মারফত পরীক্ষা দিলাম তা জানতে চাচ্ছে। টেস্টের গাড়িতে দুটি একসেলেটর। যিনি পাশে বসে থাকেন তিনিই গাড়ি চালান, থামান। বিশাল সিরিয়াল দ্রুত ফিনিশ করার জন্য। শুধু মারফতধারী যারা তাদেরই পাশ দেয়। শতকরা 4-5% ফেইল দেয় যারা লোক না ধরে পরীক্ষা দেয়। কি আর করা, বিআরটিসির একজনকে ধরে, তার মাধ্যমে যখন ড্রাইভিং লাইসেন্স করি, ওইদিন পরীক্ষায় যাওয়াও লাগেনি। তিনিই বলে দিয়েছেন আপনার পরীক্ষা দিতে হবে না। আমি আর আমার ছোট ভাই দুজনে টাকা দিয়ে লাইসেন্স করে ফেলেছি। এমন উদ্দ্যোগের জন্য ধন্যবাদ।
জমি ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ এর জন্য পুলিশের কাছে সহযোগিতা চাইলে ঘুষ চায় । পঞ্চগড় জেলা বোদা উপজেলার — । ওনার কথা মীমাংসা করে দিবে কিন্তু টাকা লাগবে । তো কী আর করার টাকা দিয়ে মীমাংসা করতে চেয়েছিলাম। তবে, si আমার বিরোধী পক্ষ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আনুমানিক ৪০ হাজার । এই যদি হয় বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থা । এই যদি হয় তাদের টাকার বিনিময়ে সেবা । তাহলে আর কি করার । তবে এত টাকা দেওয়ার পরেও আমি সঠিক বিচার বা মীমাংসা পাই নি। এখন পর্যন্ত জমি গুলো জোর পূর্বক দখল করে নিচ্ছে — ।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করি৷ যেহেতু প্রথম সন্তানের বাবা হয়েছি, উৎসাহী হয়ে নিজেই সব কাজ অনলাইনে করে যে সকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট চেয়েছিল তা আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করে তৎকালীন পৌরসভা (বর্তমান সিটি কর্পোরেশন) অফিসে জমা করি। সপ্তাহের পর সপ্তাহ চলে যায় কিন্তু আমার সাথে অফিস থেকে কোন রকমের যোগাযোগ করা হয় না। অবশেষে আমি বাধ্য হয়ে পৌরসভা অফিসে যোগাযোগ করি এবং তাদেরকে জিজ্ঞেস করি যে আমার জন্ম নিবন্ধন এখনো আসছে না কেন। তারা আমাকে জানায় আমার কাগজে কিছু ভুল আছে। তারা আমাকে ভুলের ব্যাপারে কিছুই জানান না, বরং আমার আবেদন পত্রের উপরে একটি বিশেষ চিহ্ন দিয়ে বলে ওই ফটোকপির দোকানে যান বলে দিবে কি সমস্যা। পরবর্তীতে আমি ঘুষের ব্যাপারটি বুঝতে পারি এবং বাধ্য হয়ে ২০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজটি করে নেই।
আমি ডেমরা সাব রেজিস্ট্রার এর অফিস গিয়েছিলাম একটা জমির তথ্য নিতে সেখানে আমার থেকে প্রথমে এক হাজার পরে আর পাঁসশত টাকা দাবি করা হয়। আমার কাছে কোন উপায় না থাকায় আমি দিয়ে দেই।
ড্রাগ লাইসেন্স করতে গেছি ২০০০০ গুস দেওয়া লাগছে। কোনো কথা নাই এটা লাগবে।
আবেদন পত্রে ছোট খাট ভুল ক্রটি ধরে আবেদন ফিরায়ে দেয়। দালালের মাধ্যমে টাকা দেওয়ার পর ওই আবেদন পত্র আবার জায়েজ হয়ে যায়।
জি পি ফ্যান্ডের এগেনেস্ট এ লোন নিতে গেছিলাম খুব বেশি লোন না। সেটা চেকের মাধ্যমে পে করে। সে চেক এনে ব্যাঙ্কে জমা দিলে টাকা ব্যাঙ্ক এড হয়। এবার সে চেক নিতে গেলে ১ মাস সময় চায়। পরে ১৫ দিন পরে গেলে তারা এর বিপরীতে চা খাবার টাকা চায়। ২০০ টাকা সে মূহুর্তে পকেট এ ছিল সেটা দিলে সে তেলেবেগুনে জলে উঠে বলতে থাকে আপনারা একজন অফিসার কে কিভাবে ২০০ টাকা দেন। আমার কাছে টাকা ছিল না বলার পর ও সে গর্জন করতে থাকে। পাশের টেবিল এ তার কলিগ কয়েকজন ছিল তারাও তার কথায় সায় দিতেছিল।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে করার জন্য যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম, তারা আমার কাছে খরচের টাকা চেয়েছিল।তারা বলেছে খরচের টাকা দিলে ক্লিয়ারেন্স টা তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে পরে আমি ৪০০ টাকা দিয়েছি।
আমি আমার স্ত্রীর জাতীয় পরিচয় পত্র করার জন্য একটি কম্পিউটারের দোকান থেকে অনলাইনে সবকিছু আবেদন করে সরকারি খরচ বিকাশে পেমেন্ট করে ফাইলটি নিয়ে রাউজান নির্বাচন অফিসে জমা দিতে গিয়েছিলাম।যেহেতু সেখানে পিংঙ্গার প্রিন্ট ও আই কনটেক দিতে হবে।ওরা বলে দিল হবে না।আমি অনুরোধ করলাম আমাদের আইডি তো এখানেই করতে হবে। বলতেছে এখন আপাতত আইডি করা বন্ধ আছে।পরে আসিয়েন।তখন আমি বললাম খরচ যা লাগে আমি দিব আপনারা করে দেন।তখন একজন বলে উঠল দুই হাজার টাকা লাগবে।আমি দিলাম।তারপর তারা সাথে সাথে পিংগার প্রিন্ট ও আই কনটেন্ট নিয়ে নিল।এক সপ্তাহ পর আইডি কার্ডও দিয়ে দিল।
আমি আমার চাকুরীর জন্য নাগরিকত্ব সনদ এবং আমার বাবা মায়ের নাম সংশোধনের জন্য দ্বৈত নামের সনদ উত্তোলন করতে গিয়েছিলাম। প্রত্যেকটার জন্য ( বাংলা ১ কপি+ ইংলিশ ১ কপি) ২০০ টাকা করে দাবি করে। কিন্তু আমি আগে থেকেই prottoyon.live ওয়েবসাইট থেকে সব কাজ কমপ্লিট করে রাখি। এমনকি সরকারি ফি প্রায় ৩২ টাকার মতো প্রত্যেকটার জন্য , পরিশোধ করে দেই অনালাইনে। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর আমার থেকে অফিস খরচ বাবদ ২০০ টাকা করে মোট ১০০০ টাকা দাবি করে । পরবর্তীতে আমি ৬০০টাকা দিলে সে কাগজগুলো প্রিন্ট করে দেয়।
বাড়ীর বাৎসরিক কর প্রদান করতে গেলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর এর নিয়োজিত অফিসার ৭৮ হাজার টাকা কর হয়েছে বলে জানায়। যাহা মোটেই কোনভাবে ১তালা ছোট্বাট ৫০০ স্কয়ার ফিট বাড়ীতে কর আসা সম্ভব না তিনি সরকারী বিভিন্ন আইন দেখিয়ে এই কর দাবি করে। বলে উনাকে চা খাওয়ার জনয় ২৫ হাজার টাকা দিলে কর কমিয়ে দিবেন। উনাকে ঘুস দিয়ে কর ১৮ হাজার টাকা পরিশোধ করি শুধু মাত্র ২০২৬ সালের জন্য । আমরা জিম্মি আমরা অসোহায় এদের কাছে এদের এই জুুমুমের কাছে আমরা সত্যিসত্যিই নিরুপায়।
জমি খারিজ করতে, প্রথমে আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে। এখন আবার তারা ২৫ হাজার টাকা দাবি করছে। এ টাকা না দিলে জমি খারিজ করবে না।
রাউজান পোস্ট অফিস থেকে সঞ্চয়পত্র কিনতে গেলে তারা চা পানি বাবদ ৩ হাজার টাকা চাইল।আমি দুই হাজার দিয়েছিল।সেখানে উপস্থিত যতজন সঞ্চয়পত্র কিনতে বা রিন্যু করতে গিয়েছিল সবার থেকে সে রকম বলে টাকা নিয়েছিল।
আমি আগের পাসপোর্ট নারায়ণগঞ্জ থেকে করেছি নবায়নের সময় ঢাকায় আবেদন করেছি এ জন্য অতিরিক্ত টাকা লাগলো।
আমার ফায়ার লাইসেন্চ করতে অতিরিক্ত 40000 টাকা নিয়েছ্।